খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অনুষ্ঠানে অতিথি আ’লীগ নেতা!

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:১১ পিএম
ফরিদপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অনুষ্ঠানে অতিথি আ’লীগ নেতা!
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় উপজেলা পরিষদের  হল রুমে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে  আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ফরিদপুর জেলা কৃষকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খান মোনায়েম হোসেনকে পুরস্কার বিতরণ করতে দেখা গিয়েছে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় এমন একটা ছবি ফেসবুকে দেখা মিলে। এ নিয়ে ফেসবুক ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে সমালোচনা ঝড় বইছে।
উপজেলা পরিষদের মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে কেরাত প্রতিযোগিতা, ইসলামী সঙ্গীত ও মেহেদী ডিজাইন স্কিল (শুধুমাত্র মেয়ে) প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
জানা যায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারী (রবিবার) সকালে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে তারুণ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত  হয়। পরে বিচারকদের মাধ্যমে প্রতি গ্রুপ থেকে সাতজন করে মোট ২১ জনকে ক্রেস্ট, সনদ ও আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ করতে দেখা যায় ফরিদপুর জেলা কৃষকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খান মোনায়েম হোসেনকে। পুরষ্কার দেবার সময় অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের ওই নেতার পাশে সেটেজে আলফাডাঙ্গা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য রইস উদ্দিন ও মো. মুআজের নামের আরেক যুবককে দেখা যায়।
অনুষ্ঠানে এছাড়াও আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুন-অর-রশিদ, আলফাডাঙ্গা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য মুসফিক, রজিন ইসলাম, মো. মনিরুল, মাছুরা রহমান, মো. তালহা, তাসনিমসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
রইস উদ্দিন আলফাডাঙ্গা পৌর সদরের ৮ নং মিঠাপুর পৌর সদরের বাসিন্দা, তিনি নিজেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন নেতা দাবি করে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
এদিকে মোনায়েম খানের এই উপস্থিতিতে জনমনে ক্ষোভের দেখা দিয়েছে।
এবিষয়ে রইস উদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আলফাডাঙ্গা টিম রোববার উপজেলা হল রুমে এখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। সেখানে আমরা আওয়ামীলীগের নেতাকে দাওয়াত করিনি, অভিভাবক হিসাবে অনেকেই উপস্থিত হয়েছিলেন। আপনারা সাংবাদিকরা এ ঘটনাকে ভিন্নভাবে প্রকাশ করবেন না।
ফরিদপুরে ৫ আগস্টের আগে টানা আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করা এবং  আওয়ামীলীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের হামলার শিকার হওয়া একাধিক ছাত্র প্রতিনিধি সূত্রে যানা যায়, এমন কোন কমিটি তারা আদৌ আলফাডাঙ্গা সহ ফরিদপুর জেলায় কোথাও নেই এবং বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামেও এদের কোন অংশ গ্রহণ করেননি।
ফরিদপুর বৈষম্য বিরোধী বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধি সোহেল রানা জানান, যেহেতু জেলা কমিটি হয়নি সুতরাং এ কমিটির ব্যাপারে আমরা কিছু জানিনা। তবে যারা এমন কাজ করেছে তারা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামীলীগের দোসরদের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রে আমরা বিষয়টি জানিয়েছি।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে আওয়ামীলীগ নেতা মোনেয়েম খান আলফাডাঙ্গা থানায় বঙ্গবন্ধুর ছবি ছেঁড়া এবং কটুক্তি করা নিয়ে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে বহু মানুষকে ফাঁসিয়ে জেল খাটিয়েছিলেন। তাকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে স্টেজে পুরস্কার দিতে দেখে সাধারণ শিক্ষার্থী সহ সকলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

ফরিদপুরে পুলিশের ‘ডাবল হিট’: ফেন্সিডিলসহ আটক, বেরিয়ে এলো অস্ত্র রহস্য

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৫:০০ পিএম
ফরিদপুরে পুলিশের ‘ডাবল হিট’: ফেন্সিডিলসহ আটক, বেরিয়ে এলো অস্ত্র রহস্য

ফরিদপুরে কোতোয়ালি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ কলিন্স রায় ওরফে রাফসান (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তার ভাড়াবাসা থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কোতোয়ালি থানার মামলা নং-৫৮, তারিখ ২০ মার্চ ২০২৬ অনুযায়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়েরকৃত মামলার আসামি রাফসানকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেখানো মতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বোতলে ১০০ মিলিলিটার করে মোট ৬০০ মিলিলিটার ফেন্সিডিল ছিল, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৮ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জ্যোতির্ময় মল্লিকসহ পুলিশের একটি দল। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে রাত আনুমানিক ১০টা ৩৫ মিনিটে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে আলামত জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত রাফসান স্বীকার করেন, তিনি দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে ফরিদপুর শহরের তার বাসায় মজুদ রাখতেন এবং পরে তা খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করতেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে, ২১ মার্চ দিবাগত রাত ২টা ৪৫ মিনিটে রাফসানের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তরিকুল ইসলাম জনি নামে আরেক ব্যক্তির দেখানো মতে একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জনি ও রনি নামে আরও দুইজনকে আসামি করে অস্ত্র আইনে পৃথক একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

রবিবার (২২ মার্চ) বিকালে কোতোয়ালি থানার এসআই হিরামন বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাকে রিমান্ডে এনে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে নতুন করে দৃঢ় করার এক মহিমান্বিত উপলক্ষ। এদিন ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আপনজনদের সঙ্গে হৃদ্যতার সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমাদের সমাজে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়ার একটি সুন্দর প্রচলন রয়েছে।

তবে এই প্রথার ধর্মীয় অবস্থান কী, এটি কি ইবাদত, নাকি কেবল সামাজিক রীতি? শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি বোঝা জরুরি, যেন আমরা আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি ইসলামের সঠিক নির্দেশনাও মেনে চলতে পারি।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, ইসলামের মূলনীতি হলো, যে কোনো কাজ ততক্ষণ বৈধ, যতক্ষণ না তা শরিয়তের কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদের দিনে কাউকে খুশি করার উদ্দেশে অর্থ বা উপহার দেওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। বরং হাদিসে উপহার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভালোবাসা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। তাই ছোটদের আনন্দ দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর নিয়তে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া একটি সুন্দর ও প্রশংসনীয় আমল হতে পারে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে, ঈদ সালামি কোনো ইবাদত নয় এবং এটি ইসলামের নির্ধারিত কোনো বিধানও নয়। এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা মাত্র। সুতরাং একে বাধ্যতামূলক মনে করা বা না দিলে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ইসলামে সালামের পরিভাষা রয়েছে। কোরআনে আছে, ‘তোমাদেরকে কেউ যদি কোনো অভিবাদন জানায় বা সালাম পেশ করে, তাহলে সে যে ভাষায় তোমাকে সালাম দিয়েছে, সে ভাষায় তুমি জবাব দাও। অথবা এর চেয়ে উত্তম শব্দ ব্যবহার করে সালাম দাও।’ হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদেরকে সালাম দিতে নির্দেশ করেছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে পরস্পরের শান্তি কামনা করা হলো সালাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সালামি পেতে বাচ্চারা বড়দের সালাম দিলে তারা সালামের উত্তর দেবেন। সালামের জবাব দিয়ে তাদের কিছু হাদিয়া দেবেন, এটা আমাদের দেশের সংস্কৃতি। এতে কোনো অসুবিধা নেই। কোরআন-হাদিসের সঙ্গে এর কোনো সংঘর্ষ নেই। পা ছুঁয়ে সালাম করলে সালামি দিতে হবে, এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সে সালাম দিলে জবাব দিয়ে তাকে সালামি দিয়ে দেওয়া উচিত। পা ছুঁয়ে সালাম করতে তাকে বাধ্য করা উচিত নয়।’

সূত্র : কালবেলা

চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ এএম
চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই শীতের আবহ ফিরে এসেছে ফরিদপুরে। রবিবার (২২ মার্চ) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। চারপাশে যেন শীতের সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য—মাঠ-ঘাট, গাছপালা, রাস্তা সবই কুয়াশার আস্তরণে আচ্ছন্ন। মৃদু শীতল বাতাস আর হালকা ঠান্ডা আবহে প্রকৃতি যেন ভুলে গেছে ঋতুর নিয়ম।

ভোরের আলো ফুটলেও সূর্যের দেখা মেলেনি অনেকক্ষণ। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। গ্রামীণ জনপদে দেখা গেছে চিরচেনা দৃশ্য—কৃষকরা গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছেন, আর গৃহস্থ বাড়িতে কৃষাণীরা ধান সিদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে চৈত্রের সকালে এমন দৃশ্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত হলেও প্রকৃতির এক ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন স্থানীয়রা।

সালথা উপজেলার কৃষক শাহাজুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, “চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা আমরা খুব একটা দেখি না। সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা অনুভব করছি। তবে এই কুয়াশা ফসলের জন্য ভালো না-ও হতে পারে।”

বিশেষ করে পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এই সময়ে অতিরিক্ত কুয়াশা ও আর্দ্রতা পেঁয়াজের গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে করে গাছের পাতা পচে যাওয়া বা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভোরের দিকে কুয়াশা ঘনীভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং কুয়াশা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই কৃষকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পেঁয়াজসহ সংবেদনশীল ফসলের যত্নে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চৈত্রের প্রখর রোদ আর গরমের বদলে হঠাৎ করে ফিরে আসা শীতের এই আমেজ একদিকে যেমন প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন রূপ, অন্যদিকে কৃষকদের মনে তৈরি করেছে নতুন দুশ্চিন্তার ছায়া।