খুঁজুন
সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯ চৈত্র, ১৪৩২

বিস্ফোরক মামলা : ভাঙ্গায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

আব্দুল মান্নান, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৪৭ পিএম
বিস্ফোরক মামলা : ভাঙ্গায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (০৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার মালিগ্রাম এলাকায় থেকে ভাঙ্গা থানার একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একইদিন দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক মোল্লার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। তাছাড়া ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে সে কিছুটা গা ডাকা দিয়েছিল। তিনি যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক এমপি মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীর আস্তাভাজন ছিলেন।

এবিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, শুক্রবার সকালে ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে ভাঙ্গা থানাযর বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

ফরিদপুরে আবহমান বাংলার ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা দেখতে মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৮ পিএম
ফরিদপুরে আবহমান বাংলার ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা দেখতে মানুষের ঢল

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ঈদের তৃতীয় দিনে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার রুদ্রবানা গ্রামে এ ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতা দেখতে হাজারো দর্শনার্থী ভিড় করে।

স্থানীয় ও আয়োজককারীরা জানান, ঈদের আনন্দ আর গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ আয়োজন করা হয়। স্থানীয়দের উদ্যোগে প্রতিযোগিতায় দশটি ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

দর্শনার্থী ইমরান মোল্লা বলেন, ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে স্থানীয়রা ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। আমি আমার স্ত্রী,ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে অংশ নেই। এর পাশাপাশি গ্রাম্য মেলা বসে। সব মিলিয়ে ঈদের পরে আজকের বিকেলটা বেশ ভালো কেটেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমগীর কবীর বলেন, ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে হাজারো মানুষের ঢল নামে। কাছের এবং দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা প্রতিযোগিতা দেখতে আসেন। এতে দশটি ঘোড়া অংশ নেয়। পরে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ঘোড়ার মালিকদের আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হয়।

ফরিদপুরে ছাদেই স্বপ্নের বাগান, মরুর গোলাপে সাফল্য

এন কে বি নয়ন, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম
ফরিদপুরে ছাদেই স্বপ্নের বাগান, মরুর গোলাপে সাফল্য

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বাড়ির তিনতলা ছাদে বাগান করেছেন আকাশ সাহা নামে এক তরুণ। তাদের ১ হাজার ৮০০ বর্গফুট বাড়ির ছাদে বিভিন্ন প্রজাতির বিভিন্ন রঙের মরুর গোলাপ অ্যাডোনিয়াম ফুল ফুটেছে। এ ছাড়া বিরল প্রজাতির বিভিন্ন জাতের ফুলের গাছসহ অন্তত কয়েক হাজারের বেশি গাছ আছে। গাছটির আদি নিবাস দক্ষিণ আফ্রিকার পূর্ব মরুভূমি হলেও এটি এখন বাংলাদেশে জন্মাচ্ছে। এর ইংরেজি নাম ‘ডেজার্ট রোজ’।

সরেজমিনে জানা যায়, আকাশ সাহার ছাদ বাগানে ফুটেছে মরুর গোলাপ নামে খ্যাত অ্যাডোনিয়াম ফুল। সেখানে সাদা, হলুদ, গোলাপি, কমলা, মেরুন, বেগুনসহ নানা রঙের অ্যাডোনিয়াম ফুল রয়েছে। এগুলোর সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ সবাই। তার ছাদ বাগানে কাছে-দূরের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থী ও ক্রেতারা ভিড় করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আকাশ সাহা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। গত প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে মাত্র ২০টি গাছ দিয়ে ছাদ বাগানের যাত্রা শুরু করেন। থাইল্যান্ড থেকে সংগ্রহ করা গাছগুলোয় তার শুরুতে খরচ হয় ২-৩ হাজার টাকা। এরপর ৬ বছর ধরে তিনি তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন পুরো বাগান। এখন নিজেই একজন সফল উদ্যোক্তা। এখন তার ছাদ বাগানে আছে কয়েক হাজার গাছ। গাছ থেকে ফুল, ফুল থেকে বীজ এবং বীজ থেকে নিজেই চারা উৎপাদন করেন। তার ছাদ বাগানে এখন প্রায় ৭-৮ লাখ টাকার বিভিন্ন জাতের ও রঙের ফুল গাছ আছে। বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা দেখতে আসেন। প্রতি মাসে তিনি অ্যাডোনিয়ামসহ বিভিন্ন ফুল গাছের চারা বিক্রি করে অন্তত ১৫-২০ হাজার টাকা রোজগার করছেন।

আকাশ সাহার স্ত্রী ঐশি সাহা বলেন, ‌‘আমাদের ছাদ বাগানে এখন অসংখ্য মরুর গোলাপ গাছ ও চারা আছে। আমরা এগুলো বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করেছি। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের গাছ ও ফুল আছে। আমরা সকাল-বিকেল পরিচর্যা করি। নিজেদের খুবই ভালো লাগে। মরুভূমির এসব গাছ ছাদে রোপণ করে মনের দিক থেকে প্রফুল্ল থাকি। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন মানুষ দেখতে আসে, চারা কিনতে আসে। এসব গাছে পানি কম লাগে এবং পরিচর্যাও কম করতে হয়। ফুলগুলো দেখতে খুবই চমৎকার।’

আকাশের মা সাধনা সাহা বলেন, ‘আমার ছেলে পাঁচ-ছয় বছর আগে গাছগুলো লাগিয়েছে। আমরা প্রথমে পছন্দ করিনি। পরে লোকজন বাইরে থেকে দেখতে আসছে। তা দেখে আমরা খুব খুশি হয়েছি। এখন আমাদের খুবই ভালো লাগে।’

গাছের চারা কিনতে আসা ফরিদপুর সদরের বাসিন্দা স্বপন সাহা বলেন, ‘এখনে মরুভূমির এলাকার অনেক জাতের ফুল গাছ আছে। আমি অনলাইনের মাধ্যমে খোঁজ জানতে পেরে সরাসরি দেখতে এসেছি। দেখতে অনেক ভালো লেগেছে। আমি বেশ কিছু গাছ কিনতে এসেছি। আমিও ছাদ বাগান সাজাবো।’

ছাদ বাগান সম্পর্কে জানতে কথা হয় আকাশ সাহার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি যখন প্রথম শুরু করি; আমার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনেরা অনেকটা পাগলামি বলতেন। শখ থেকে করলেও এখন বাণিজ্যিক আকারে রূপ নিয়েছে। অনেক পরিশ্রম, ভালোবাসা দিয়ে তিলে তিলে বাগানটি গড়ে তুলেছি। এখন কাছের ও দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন আসে বাগান দেখতে, চারা কিনতে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি মাসে গড়ে ১৫-২০ হাজার টাকার গাছের চারা বিক্রি করে থাকি। নিজের গাছে বীজ থেকে চারা তৈরি করা হয়। আমার বাগানে এখন ১০০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকার গাছও আছে। এ ছাড়া আছে বিভিন্ন জাতের ফুল গাছ। এখন একটু ফুল কম হলেও গরম যত পড়বে, গাছগুলো তত ফুলে ফুলে ভরে থাকবে।’

আকাশ সাহা বলেন, ‘সারাবছরই ফুল থাকে। তবে শীতকালে গাছগুলো সুপ্ত অবস্থায় চলে যায়। সব পাতা ঝরে যায়। বৃষ্টি ও বেশি পানিতে ফুলগুলো নষ্ট হয়ে যায়। অ্যাডোনিয়াম গাছগুলোয় রিপোর্ট ও পুলিং করা হয়েছে। এ কারণে এবার প্রচুর ফুল আসবে। দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে অ্যাডোনিয়াম ভালোভাবে মিশে গেছে। এ কারণে প্রচণ্ড গরমে গাছগুলোয় প্রচুর ফুল ফুটবে।’

বোয়ালমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলভীর রহমান বলেন, ‘আকাশ সাহা তার ছাদ বাগানে মরুর গোলাপ চাষ করেছেন। যেটাকে আমরা অ্যাডোনিয়াম নামে চিনি। তিনি আড়াইশ টাকা থেকে শুরু করে আড়াই হাজার টাকারও বেশি দামে গাছ বিক্রি করছেন। তার ছাদ বাগানে বিভিন্ন ধরনের ফুল আমরা দেখতে পাই।’

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান বলেন, ‘এটি একটি ভালো খবর। মরুভূমি এলাকার গাছ আমাদের বোয়ালমারীতে চাষ হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে এ ধরনের সফল উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করা হবে।’

স্মৃতির টানে প্রাণের মিলন—ফরিদপুর জেলা স্কুলে ঈদ পুনর্মিলনীতে আনন্দের ঢেউ

প্রবীর কান্তি বালা, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
স্মৃতির টানে প্রাণের মিলন—ফরিদপুর জেলা স্কুলে ঈদ পুনর্মিলনীতে আনন্দের ঢেউ

“স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলা স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।

রবিবার (২২ মার্চ) বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজন প্রাণের উচ্ছ্বাস, বন্ধুত্বের বন্ধন আর স্মৃতির আবেগে মুখরিত করে তোলে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে মিলিত হন বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। একে অপরকে জড়িয়ে ধরা, পুরনো দিনের গল্প, শিক্ষক-সহপাঠীদের স্মৃতিচারণ—সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানের সূচনা হয় বিকেল ৩টায় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনের মাধ্যমে। ২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মোট ১২টি ব্যাচের অংশগ্রহণে ১২টি দল লিগ পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। আগামী ২৫ মার্চ টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত হকি খেলোয়াড়, সাবেক অধিনায়ক ও কোচ মাহাবুব হারুন, যিনি তার বক্তব্যে খেলাধুলার মাধ্যমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করার আহ্বান জানান।

বিকেল ৫টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে “অনুরণন” নামে বই আকৃতির একটি দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্যের উদ্বোধন করা হয়। করিম গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত এই ভাস্কর্য উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শহীদুল হাসান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “এই ভাস্কর্য শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি আমাদের শিকড় ও শিক্ষাজীবনের প্রতীক।”

সন্ধ্যায় ১৮৫ বছরপূর্তি উপলক্ষে গত ডিসেম্বর মাসে সফলভাবে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা বিভিন্ন ব্যাচ প্রধানদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, এই সম্মাননা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও জোরদার করবে।

ঈদ পুনর্মিলনীকে ঘিরে গত ১৮ মার্চ শুরু হওয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ফলও ঘোষণা করা হয়। প্রতিযোগিতায় ১৬টি ব্যাচ অংশ নেয়। এতে ১৮ ব্যাচ চ্যাম্পিয়ন এবং ১৭ ব্যাচ রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ম্যান অব দ্য ফাইনাল নির্বাচিত হন ১৮ ব্যাচের রাজ। বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব ওয়াহিদ মিয়া, ঈদ পুনর্মিলনী কমিটির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব নিয়ামতউল্লাহ। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দিনব্যাপী এই আয়োজনের শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর কাওয়ালি সংগীত পরিবেশনা। “সুফি” কাওয়ালি দলের পরিবেশনায় দর্শকরা মুগ্ধ হন, যা রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে।

সব মিলিয়ে, এই ঈদ পুনর্মিলনী শুধু একটি অনুষ্ঠানই নয়—এটি ছিল স্মৃতি, ভালোবাসা আর বন্ধুত্বের এক অনন্য মিলনমেলা, যা অংশগ্রহণকারীদের মনে দীর্ঘদিন উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।