খুঁজুন
, ,

ভাঙ্গায় খেলাফত প্রতিষ্ঠার দাবীতে খেলাফত মজলিসের জনসভা

সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় খেলাফত প্রতিষ্ঠার দাবীতে খেলাফত মজলিসের জনসভা

ফরিদপুরের ভাঙ্গার চান্দ্রা ইউনিয়নের উদ্যোগে খেলাফত প্রতিষ্ঠার দাবীতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (০৮ নভেম্বর) বিকেলে চান্দ্রা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরচান্দ্রা গ্রামে দক্ষিণ চরচান্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে সংগঠনটির ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি মাওলানা ইমরান হুসাইনের সভাপতিত্বে ও ভাঙ্গা উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হাফেজ মাহবুবুল হকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- দলের জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা।

প্রধান আলোচক হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবু নাসির আইয়ুবী বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান ফরিদী, ভাঙ্গা উপজেলা কমিটির সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, পৌর কমিটির সভাপতি হাফেজ নূর মোহাম্মদ বাচ্চু মোল্লা, সদরপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি মাওলানা সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী, চরভদ্রাসন উপজেলা কমিটির সভাপতি মুফতি মো. জাকারিয়া, ভাঙ্গা উপজেলা খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক প্রমুখ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের সাবেক এমপি সাহেব এই চরাঞ্চলে এসেছিলেন বলে এখানকার মানুষের ভাগ্যের কিছুটা পরিবর্তন হয়েছিল। যদি ইসলামী দল ক্ষমতায় আসে, এ আসনে যদি সমস্ত ইসলামী দলের পক্ষ থেকে এমপি হয় তাহলে এদেশের মানুষের ভাগ্যকে চলমান অবস্থা ও পূর্বের অবস্থা বহাল রাখবে ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘বিগত এক বছরের বেশী সময় ধরে এ অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিচরণ করেছি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে দাওয়াত দিয়েছি। আজ আমার এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এসেছি, আমার অঞ্চলের মানুষ যেভাবে সাড়া দিয়েছে তাতে আমার বুক ভরে গেছে। আমি আশা করি আগামী দিনে এ অঞ্চলের মানুষ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কর্মী হয়ে তিন থানা মিলে, তথা এ আসনের সমস্ত জায়গায় তারা বিচরণ করে মানুষের ঘুমন্ত হৃদয়কে জাগ্রত করে আগামী জাতীয় নির্বাচনে রিক্সা প্রতীকের যেভাবে জয় জয় আসে তারা সেভাবেই কাজ করে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি আমার এই ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসনের সমস্ত জনগণ বিগত সতেরো বছরে বার বার তারা ভোট দিয়ে যাদেরকে নির্বাচিত করেছে তাদের কাছ থেকে যতটুকু ভালোবাসা, যতটুকু চাহিদা তারা প্রাপ্ত হয়েছে তার চেয়ে ইনশাআল্লাহ শতভাগ বেশী তারা পাবে যদি ইসলামী দল ক্ষমতায় আসে। সাধারণ কিছু মানুষ মনে করে ইসলামী দল যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে তাদের জন্য চাপ হয়ে যাবে। আসলে এটা ভুল ধারণা। ইসলাম ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে এসেছে, ইসলাম সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে এসেছে, ইসলাম এদেশ থেকে অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম উৎখাত করতে এসেছে। বিগত একটি বছরে বিভিন্ন দল
তাদের নীতি – আদর্শে যে কার্যক্রম চালিয়েছে তাতে ইসলামী দলের কোন বিকল্প নেই। কারণ ইসলামী দলের এমন কোন বদনাম ছড়ায়নি তারা কোথাও টেন্ডারবাজি করেছে, চাঁদাবাজি করেছে, পাথর দিয়ে থেতলে মানুষ হত্যা করেছে। ইসলামী দলের যে সকল নেতা আগামীতে নির্বাচন করতে যাচ্ছে তারা মানুষের সেবা ও কল্যাণ নিয়ে ভাবে। তারা আল্লাহকে ভয় পায়। তারা কোন দিন মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিতে পারে না, তারা মানুষকে পুলিশ দ্বারা হয়রানি করতে পারে না, তারা মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে জানে না।’

তিনি তার নির্বাচনী এলাকার মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি আপনাদের উদাত্ত আহ্বান জানাবো এ আসনের সমস্ত জনগণ ও আমার এলাকার সমস্ত জনগণকে, যাতে আমি আগামী নির্বাচনে আপনাদের ভোট দ্বারা নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে সংসদে গিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করে যেতে পারি, সুন্দর একটি সমাজ উপহার দিতে পারি, এদেশ থেকে মাদক, সন্ত্রাস উৎখাত করে সুন্দর একটি দেশ আপনাদের উপহার দিতে পারি এবং সুন্দর মডেল ফরিদপুর ৪ উপহার দিতে পারি।’

সালথায় কৃষকদলের আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
সালথায় কৃষকদলের আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) সালথা উপজেলা কৃষকদলের পক্ষ থেকে এই আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়।

​বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল সালথা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান (হাফিজ) এবং সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হোসেন স্বাক্ষরিত প্যাডে এই কমিটি অনুমোদিত হয়েছে।

​অনুমোদিত কমিটিতে মো. আতিকুর রহমান মোল্যাকে সভাপতি এবং মো. শফিকুল ইসলাম (সুফিকে) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

​কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে যারা স্থান পেয়েছেন তারা হলেন— ​সিনিয়র সহ-সভাপতি: মো. ইউসুফ মাতুব্বর,​সহ-সভাপতিগণ মো. নাসির হায়দার দরজী, মো. মাহফুজুল রহমান, মো. লাল মিয়া খান, মো. হাফিজুর রহমান, মো. জাহিদ ফকির ও মো. বকুল খান

​সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: মো. ইউসুফ মোল্লা,​যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
​যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাসান মন্ডল ও মো. লাভলু শেখ। ​সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ফজর আলী মাতুব্বর, মো. ছমির মোল্লা ও মো. এনায়েত মোল্লা,​সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গাউস হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকমো. রবিউল মাতুব্বর ও মো. রোকন মাতুব্বর।

​দপ্তর সম্পাদক মো. রাজিবুল ইসলাম সুমন, ​সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. শাকিল মোল্লা, ​প্রচার সম্পাদক মো. লিটন সরকার, ​প্রকাশনা সম্পাদক মো. রাজিব খান,​শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. রকিবউদ্দিন মোল্যা (মঞ্জুর), ​স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম,​কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. বিল্লাল শিকদার।

​এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে মো. আসাদ মিয়া, মো. ইউনুস মোল্যা, মো. সেকেন মাতুব্বর, মো. জামাল শেখ, মো. ইলিয়াছ শেখ, মো. আব্দুল করিম, মো. জসিম মাতুব্বর, মো. উজ্জ্বল মোল্যা ও মো. শাকিল মৃধাকে।

​সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটি স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

‘অসভ্যতার ভদ্রবেশ’

শাবলু শাহাবউদ্দিন
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
‘অসভ্যতার ভদ্রবেশ’

মানুষের আত্মা আজ পচে গেছে স্তূপে স্তূপে,

সভ্যতার মুখোশটা সে পরে নেয় রোজ খুব মাপে।

রক্তের স্রোত বয়ে যায় মানুষের ভেতরেই সুপ্ত,
মানুষ তো অমানুষ হলো, হৃদয়টা পুরোপুরি লুপ্ত।

শিক্ষার আলোয় আজ চারপাশ ঝলমল করে,

হিসাবের খাতা খোলে শিক্ষিত মানুষ স্বার্থের ঘরে।
ডিগ্রির পাহাড় জমে, সার্টিফিকেট ওড়ে বাতাসে,
কিন্তু মনটা যে পড়ে থাকে পশুপাখি কিংবা লাশের পাশে!

কত না বুলি আওড়ায়, কত নীতি, কত শত বাণী,

ভিতরটা হাহাকার, লোভের আগুনে পুড়ে ছাই জানি।
বইয়ের পাতায় শেখা বিদ্যা মুখে শুধু বুলি ফোটায়,
বিবেকটা মারা গেছে, স্বার্থের মোড়কে মন মোড়ায়।

তবে কি মানুষ তবে সভ্য হলো নাকি হলো অসভ্য?

এই পচা যুগে মানবতা আজ বড়ই নিঃস্ব ও লভ্য।
পোশাকে পরিপাটি, ঠোঁটে হাসি, মনে হিংসার বিষ,
এই আধুনিক পশুপাট্টা—আমাদের বর্তমান দিশা নিশি!

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এইচএসসিতে ফেল দুই-তৃতীয়াংশ, শীর্ষে মহিলা কলেজ

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এইচএসসিতে ফেল দুই-তৃতীয়াংশ, শীর্ষে মহিলা কলেজ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চরম ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। উপজেলার চারটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৯২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছে ৪৪৮ জন। এতে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

​তবে ফলাফলের এই চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও ৭০.৯৭ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ।

​প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার চারটি কলেজ থেকে এবার মোট ৬৯২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৪৪ জন। চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

​ফলাফলের চিত্রে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ থেকে ৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

​অন্যদিকে উপজেলার প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের ফলাফলের চিত্র ছিল হতাশাজনক। এই কলেজ থেকে ৪৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৫৭ জন, পাসের হার ৩২.০৪ শতাংশ। তবে প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

​এছাড়া আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজ থেকে ১২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯ জন পাস করেছে (পাসের হার ৩৯.৫২% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন)। হাজী আফিজউদ্দিন আলেকজান কলেজ থেকে ৪৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৬ জন (পাসের হার ৩৪.০৪%), এই প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।

​চলতি বছর জাতীয় পর্যায়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ হলেও আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাসের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে ১৬.৮৬ শতাংশ কম। এমন ফলাফলে অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, স্মার্টফোনের প্রতি আসক্তি, পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের কার্যকারিতা কমে যাওয়া এবং পারিবারিক তদারকির অভাবে এমন বিপর্যয় ঘটেছে।

​উপজেলা পর্যায়ে পাসের হারে শীর্ষে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শেখ ফাতেমা অনন্যা বলেন, “সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিয়মিত পাঠদান, উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ায় আমাদের এই সাফল্য এসেছে। প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া জরুরি।”

​সার্বিক বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব জানান, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং আগামীতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ মনিটরিং জোরদার করা হবে।