সালথায় ধানক্ষেত থেকে মেছো বিড়ালের তিনটি বাচ্চা উদ্ধার
ফরিদপুরের সালথায় একটি ধানক্ষেত থেকে বিরল প্রজাতির মেছো বিড়ালের তিনটি বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে। কৃষকরা ধান কাটার সময় বাচ্চাগুলো পাওয়ার পর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। লালনপালন পর বড় হলে অবমুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে সামাজিক বন বিভাগের ফরিদপুরের ফরেস্ট রেঞ্জার (পূর্বগঙ্গাবর্দী এসএফএনটিসি) তাওহীদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে মেছো বিড়ালের তিনটি বাচ্চা উদ্ধারের পর ফরিদপুর বন বিভাগে রাখা হয়েছে। সেখানে তাদের লালনপালন করা হচ্ছে। এরও আগে রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামের রাসেল মাতুব্বর বিলুপ্তপ্রায় মেছো বিড়ালের তিনটা বাচ্চা ধান খেত থেকে উদ্ধার করে।
রাসেল মাতুব্বর বলেন, উপজেলার নটখোলা মাঠে ধান কাটার সময় খেতের মাঝে বাচ্চাগুলো দেখতে পাই। তখন আমার কাছে মনে হয় বাচ্চাগুলো মেছো বাঘের হবে। এ সময় বাচ্চাগুলোর মা দৌড়ে পালিয়ে যায়। তখন ফাঁকা জায়গায় বাচ্চাগুলো থাকলে নিরাপদ মনে হচ্ছিল না। তাদের দেখে খুব মায়া লাগে। তখন আমি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাই। পরে বন বিভাগের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়। তারা এসে বাচ্চা তিনটি নিয়ে যান।
সামাজিক বন বিভাগের ফরিদপুরের ফরেস্ট রেঞ্জার (পূর্বগঙ্গাবর্দী এসএফএনটিসি) তাওহীদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে বাচ্চা তিন উদ্ধার করে আমাদের কাছে রাখা হয়েছে। এগুলো মেছো বিড়ালের বাচ্চা। সচরাচর দেখা যায় না। সাধারণত এরা ক্ষতিকর নয়। কৃষি জমির জমিতে ইদুর খায়। তিনি আরও বলেন, বাচ্চা তিনটির বয়স এক মাসের মতো হবে। হাটাচলা করতে পারে। তবে এতো ছোট বাচ্চা এই মুহুর্তে ছাড়া ঠিক হবেনা। যার কারনে তাদের মাছ খাওয়ানোসহ লালনপালন করা হচ্ছে। বড় হলে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, মেছো বিড়ালের বাচ্চা তিনটি আপাতত আমাদের হেফাজতে আছে। লালনপালনের পর বড় হলে অবমুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন
Array