খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩

চরভদ্রাসনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে মহান স্বাধীনতা দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চরভদ্রাসন সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

ওইদিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে  সংবর্ধনা পরবর্তী আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান,সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা মো. ফখরুজ্জামান ও মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জাহিদ তালুকদার ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানার যৌথ সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সন্মেলন প্রস্তুত কমিটির সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান মোল্যা, সদস্য এজিএম বাদল আমিন, মুঞ্জুরুল হক মৃধা, যুবদল  সভাপতি মো. জাফর হোসেন, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।

নামাজে শয়তানের ‘কুমন্ত্রণা’ থেকে বাঁচার সহজ উপায়

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ
নামাজে শয়তানের ‘কুমন্ত্রণা’ থেকে বাঁচার সহজ উপায়

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শুধু তাঁর ইবাদতের জন্য। আর ইবাদতের শ্রেষ্ঠতম রূপ হলো নামাজ। প্রত্যেক মুসলমানের ওপর এই নামাজ ফরজ করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা আমার স্মরণোদ্দেশ্যে নামাজ কায়েম করো।’ (সুরা ত্বহা : ১৪)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তুমি সূর্য হেলার সময় থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত নামাজ কায়েম করো এবং ফজরের নামাজ (কায়েম করো)। নিশ্চয়ই ফজরের নামাজে সমাবেশ ঘটে।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : ৭৮)

তবে, নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে মনোযোগ হারিয়ে ফেলা বা মনে আজেবাজে চিন্তা আসা অনেক মুমিনের জন্যই এক বড় সমস্যা। ইসলামি পরিভাষায় একে ‘ওয়াসওয়াসা’ বা শয়তানের কুমন্ত্রণা বলা হয়।

নামাজে একাগ্রতা বা খুশু-খুজু বজায় রাখা ইবাদতের প্রাণ। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য কোরআন ও হাদিসে অত্যন্ত কার্যকর ও মনস্তাত্ত্বিক কিছু সমাধান দেওয়া হয়েছে।

ওয়াসওয়াসা কি ইমানের লক্ষণ

নামাজে কুচিন্তা আসলে অনেকে ভয়ে পেয়ে যান। ভাবেন, হয়তো তাদের ইমান নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু রাসুল (সা.) আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। সহিহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, এক সাহাবি নবীজি (সা.)-এর কাছে মনের কুমন্ত্রণা নিয়ে অভিযোগ করলে তিনি (সা.) বলেন, ‘এটিই হলো স্পষ্ট ইমান।’ (মুসলিম: ২৪০)

হাদিসটির ব্যাখ্যায় সিলেটের দারুল উলুম কানাইঘাট মাদ্রাসার নায়েবে শায়খুল হাদিস মাওলানা শামছুদ্দীন দুর্লভপুরি বলেন, কুমন্ত্রণা আসা ইমান নষ্ট হওয়ার প্রমাণ নয়, বরং ওই খারাপ চিন্তা নিয়ে আপনার মনে যে ভয় বা ঘৃণা তৈরি হচ্ছে, সেটিই আপনার খাঁটি ইমানের পরিচয়। চোর কখনো খালি ঘরে চুরি করতে যায় না, তেমনি শয়তানও ইমানহীন হৃদয়ে কুমন্ত্রণা দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করে না।

বাঁচার উপায় কী

শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো মহান সৃষ্টিকর্তার সাহায্য চাওয়া। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো; নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।’ (সুরা আরাফ: ২০০)

আল-আজহার ফতোয়া কমিটির সাবেক প্রধান শেখ আতিয়্যাহ সাকার (রহ.) এই প্রসঙ্গে একটি সুন্দর উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আপনার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় যদি কোনো পালের কুকুর আপনাকে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়, তবে লাঠি দিয়ে তাকে ঠেকানো দীর্ঘ ও কষ্টকর কাজ। তার চেয়ে সহজ হলো কুকুরের মালিককে ডাকা, যেন সে কুকুরটিকে থামিয়ে দেয়। শয়তানের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই, তাকে তাড়াতে সরাসরি লড়াই করার চেয়ে তার মালিক অর্থাৎ আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া বেশি কার্যকর। (আতিয়্যাহ সাকার, ফাতাওয়া আল-আজহার: ১০/১২০, দারুত তাইয়িবাহ, রিয়াদ: ১৯৯৯)

নামাজে মনোযোগ ফেরাতে করণীয়

নামাজে মনোযোগ ধরে রাখতে এবং শয়তানের প্ররোচনা রুখতে শায়খ শামছুদ্দীন কিছু পরামর্শ দিয়েছেন:

ইস্তিগফার ও দোয়া: নামাজের আগে ও পরে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে দোয়া করা যেন তিনি মনকে স্থির রাখেন। বিশেষ করে আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা অন্তরে জাগ্রত করা যে, আপনি কার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন।

দৃঢ় সংকল্প: শয়তান আসবেই—এটি মনে রেখে নিজের মনকে বারবার নামাজের দিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা। একবার মনোযোগ চলে গেলে হতাশ না হয়ে পুনরায় সুরা বা জিকিরের অর্থের দিকে খেয়াল করা।

তীব্র অনীহা: কুমন্ত্রণা আসার সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে গুরুত্ব না দেওয়া। শয়তান যখন দেখবে আপনি তার চিন্তায় কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন না, তখন সে নিরাশ হয়ে পড়বে।

মনে রাখবেন, শয়তানের কোনো ক্ষমতা নেই তাদের ওপর যারা আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখে (সুরা হিজর: ৪২)। তাই নামাজে কুমন্ত্রণা আসলে আল্লাহর অসীম দয়া এবং সঠিক কৌশলের মাধ্যমে শয়তানের এই প্রতিবন্ধকতা জয় করার চেষ্টা করতে হবে।

সূত্র : কালবেলা

দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করেন? ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার ৮ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৮:০০ পূর্বাহ্ণ
দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করেন? ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার ৮ উপায়

আধুনিক করপোরেট সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে ল্যাপটপের স্ক্রিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকিয়ে থাকা আর চেয়ারে বসে থাকা। আমরা কাজ শেষ করার তাড়নায় হয়তো ভুলে যাই যে, আমাদের শরীর এই স্থবিরতার জন্য তৈরি হয়নি।

ভারতের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং ‘লঞ্জিভিটি মেডিসিন’ বিশেষজ্ঞ ডা. সঞ্জয় ভোজরাজ দীর্ঘ ২০ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে সতর্ক করে বলেছেন, ‘আপনার হৃদযন্ত্র আধুনিক কর্মদিবসকে মোটেও পছন্দ করে না।’

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ, গভীর রাতে ইমেইল চেক করা এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আমাদের হৃদরোগের ঝুঁকিকে এক ভয়াবহ মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে। হৃদরোগ কোনো একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার ফল নয়, বরং এটি আমাদের ভুল জীবনযাপনের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব। তবে আশার কথা হলো, ছোট ছোট কিছু দৈনিক অভ্যাসের মাধ্যমেই এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ডা. সঞ্জয় ভোজরাজ এবং ডা. পাল্লেটি শিবা কার্তিক রেড্ডির পরামর্শ অনুযায়ী সুস্থ থাকার ৮টি কার্যকরী উপায় নিচে আলোচনা করা হলো।

১. দিনের শুরু হোক প্রাকৃতিক আলোয়

সকালে ঘুম থেকে উঠেই স্মার্টফোনের নীল আলোয় ডুব দেবেন না। ডা. ভোজরাজের মতে, ‘আপনার মস্তিষ্কে ফোন প্রবেশের আগেই চোখের সামনে দিনের আলো বা সূর্যের আলো আসতে দিন।’ এই অভ্যাসটি শরীরের ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ বা অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিক রাখতে সাহায্য করে, যা সরাসরি রক্তচাপ এবং হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে।

২. প্রোটিন সমৃদ্ধ সকালের নাস্তা

সকালের নাস্তাটি কেবল নামমাত্র না করে বরং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন: ডিম, দই বা প্রোটিন স্মুদি দিয়ে করুন।এটি সারাদিন আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে সচল রাখতে সাহায্য করে।

৩. খাবারের পর সামান্য হাঁটা

অফিসে দীর্ঘক্ষণ কাজ করার পর শরীরে যে স্থবিরতা বা ‘ডেস্ক-চেয়ার কোমা’ তৈরি হয়, তা কাটাতে দুপুরের খাবারের পর অন্তত ১০ মিনিট হাঁটুন। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা (গ্লুকোজ মেটাবলিজম) নিয়ন্ত্রণে জাদুর মতো কাজ করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।

৪. সন্ধ্যায় হালকা শরীরচর্চা

সারাদিন বসে থাকার ক্লান্তি কাটাতে সন্ধ্যায় খুব ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। যোগব্যায়াম, হালকা ওয়েট ট্রেনিং বা স্রেফ শিশুদের সাথে খেলাধুলা করার মতো সাধারণ শারীরিক কাজগুলো হৃদযন্ত্রের জন্য দারুণ কার্যকর হতে পারে।

৫. ডিজিটাল ডিটক্স ও আলোক নিয়ন্ত্রণ

রাতের খাবারের পর ঘরের উজ্জ্বল আলো কমিয়ে দিন এবং ল্যাপটপ বা ফোনের ব্যবহার বন্ধ করুন। ঘুমের আগে ফোন বা ইন্টারনেটের অতিরিক্ত উত্তেজনা মস্তিষ্ককে শান্ত হতে দেয় না, যা পরোক্ষভাবে হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

৬. ঘুমকে ভাবুন ‘হৃদযন্ত্রের ঔষধ’

পর্যাপ্ত ঘুম কেবল বিশ্রামের জন্য নয়, বরং এটি কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় ঔষধ। ডা. ভোজরাজের মতে, নিয়মিত গভীর ঘুম হৃদযন্ত্রের টিস্যু মেরামত এবং স্নায়ুতন্ত্রের স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৭. রুটিনে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই ধারাবাহিকতা শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা দীর্ঘমেয়াদী হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।

৮. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিকতা

হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে মানসিক প্রশান্তি অত্যন্ত জরুরি। এর জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানো এবং সামাজিক মেলামেশা করুন। মনে রাখবেন, হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা কেবল জিম বা ডায়েটের বিষয় নয়, বরং এটি আপনার প্রতিদিনের জীবনযাত্রার প্রতিফলন।

বিশেষজ্ঞের শেষ কথা

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খুব বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন ছোট ছোট অভ্যাসগুলোর প্রতি সংবেদনশীল হওয়া। ডা. রেড্ডির মতে, হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যকে আলাদা কোনো লক্ষ্য হিসেবে না দেখে একে প্রতিদিনের রুটিনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সালথায় লিচু খাওয়ার প্রতিবাদ : বাগান মালিককে পিটিয়ে হত্যা

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
সালথায় লিচু খাওয়ার প্রতিবাদ : বাগান মালিককে পিটিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আজিজুর রহমান মোল্যা (৬৫) নামে এক বাগান মালিক নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বল্লভদি ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজিজুল মোল্যা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের গুপিনগর পাড়ার মৃত মান্নান মোল্যার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, আজিজুল মোল্যার লিচুর বাগান থেকে পার্শ্ববর্তী সোনাপুর ইউনিয়নের চরবাংরাইল গ্রামের মোশারফ মুন্সীর দুই ছেলে সাকিল মুন্সী ও তুষার মুন্সী লিচু পেড়ে খায়। বিষয়টি দেখে আজিজুলের ছেলে আকরাম মোল্যা তাদের বাধা দেন।

এর জেরে বিকেলে ফুলবাড়িয়া বাজারে গেলে আকরাম মোল্যার ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ছেলেকে মারধরের খবর পেয়ে সন্ধ্যায় বাজারে যান আজিজুল মোল্যা। সেখানে তিনি ঘটনার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা তার ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, সাকিল ও তুষার মুন্সীসহ কয়েকজন তাকে বাঁশ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ জানান, লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।