খুঁজুন
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২

যেভাবে চিনবেন ভালো ও মিষ্টি তরমুজ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
যেভাবে চিনবেন ভালো ও মিষ্টি তরমুজ

গরমের দিনে তৃষ্ণা মেটাতে তরমুজের জুড়ি নেই। পানিতে ভরপুর এই ফল শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পুষ্টির ঘাটতিও পূরণ করে। তবে বাজারে সব তরমুজ সমান মিষ্টি বা রসালো হয় না। তাই কেনার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে সহজেই ভালো তরমুজ বেছে নেওয়া যায়।

হলুদ দাগ দেখুন

তরমুজের নিচের অংশে যদি হালকা হলুদ বা ক্রিম রঙের দাগ থাকে, তাহলে বুঝতে হবে এটি ভালোভাবে পেকেছে। এই দাগই মাটিতে থাকার চিহ্ন, যা মিষ্টি হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

ওজনে ভারি কিনা খেয়াল করুন

একই আকারের তরমুজের মধ্যে যেটি তুলনামূলক ভারি, সেটিই বেশি রসালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হালকা তরমুজ সাধারণত কম রসযুক্ত হয়।

টোকা দিয়ে শব্দ শুনুন

তরমুজে হালকা টোকা দিলে যদি গভীর বা ফাঁপা ধরনের শব্দ শোনা যায়, তাহলে সেটি পাকা ও মিষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

বোঁটা শুকনো কিনা দেখুন

তরমুজের বোঁটা যদি শুকনো থাকে, তাহলে বুঝতে হবে ফলটি গাছেই পেকেছে। সবুজ বোঁটা থাকলে তা কাঁচা হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে।

গায়ের দাগ ও নকশা লক্ষ্য করুন

তরমুজের গায়ে জালের মতো দাগ থাকলে তা সাধারণত বেশি মিষ্টি হয়। এ ছাড়া সবুজ ডোরাগুলো যদি ঘন হয়, তাহলে স্বাদ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

অতিরিক্ত চকচকে বা সাদা ছোপ এড়িয়ে চলুন

খুব বেশি চকচকে বা সাদা ছোপযুক্ত তরমুজ এড়িয়ে চলাই ভালো। এগুলো অনেক সময় স্বাদে পানসে হয়ে থাকে।

সব মিলিয়ে, তরমুজ কেনার সময় শুধু আকার বা রঙ নয়—ওজন, দাগ, শব্দ ও বোঁটা—সবকিছু মিলিয়ে বিচার করলেই পাওয়া যাবে রসালো ও মিষ্টি তরমুজ।

চাকরির বড় সার্কুলার আসছে, ছয় মাসে ৫ লাখ নিয়োগের প্রস্তুতি

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
চাকরির বড় সার্কুলার আসছে, ছয় মাসে ৫ লাখ নিয়োগের প্রস্তুতি

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী সরকারের বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থায় শূন্যপদে পাঁচ লাখ জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসব নিয়োগ শেষ করতে চায় সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রমতে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগ ও দপ্তর-সংস্থার শূন্যপদে নিয়োগের পরিকল্পনা ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

পিএসসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে জানতে চেয়েছে আগামী ৬ মাসের মধ্যে পিএসসি কতজন জনবল নিয়োগ দেবে। আমরা আমাদের পুরো পরিকল্পনা জানিয়েছি। তবে কোন পদে কতজন নিয়োগ হবে, তা নথি দেখে বলতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সম্প্রতি জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সব মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরিকল্পনা পেয়েছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, এখন বাস্তবায়নের কাজ চলছে।জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে ৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের চেষ্টা চলছে।

এদিকে পাঁচ লাখ নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিপরীতে সরকারের সাড়ে ৮ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্র। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) শেষ চার মাসে (মার্চ-জুন) লাগবে সাড়ে ৪ কোটি টাকা। আর আগামী অর্থবছরের (২০২৬-২৭) জুলাই ও আগস্টে লাগবে ৪ কোটি টাকা।

বড় এই নিয়োগে সরকার কত শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে—এ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া। তিনি বলেন, অনেক দপ্তর-সংস্থায় পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। কিন্তু নিয়োগবিধি তৈরি করা হয়নি। এ ছাড়া প্রবিধিমালা ও আইনি আরও কিছু সমস্যা রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।

তিনি আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পাঁচটি পদে রাজনৈতিক তদবির থাকে ১০টি। তখন নিয়োগ সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ জন্য রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না থাকলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সহজ হবে।

বর্তমানে ১৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি সরকারি চাকরিজীবী কর্মরত। শূন্যপদ আছে আরও চার লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ।

বর্তমানে সরকারি চাকরির প্রথম শ্রেণিতে কর্মরত এক লাখ ৯০ হাজার ৭৭৩ জন, শূন্যপদ আছে আরও ৬৮ হাজার ৮৮৪টি। দ্বিতীয় শ্রেণিতে কর্মরত দুই লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬ জন, শূন্যপদ এক লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি। তৃতীয় শ্রেণিতে কর্মরত ছয় লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫ জন, শূন্যপদ এক লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি। চতুর্থ শ্রেণিতে কর্মরত চার লাখ চার হাজার ৫৭৭ জন, শূন্যপদ এক লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি।

তথ্যসূত্র: সমকাল

ব্র্যাক ব্যাংকে ইন্টার্নশিপের সুযোগ, মাসিক ভাতা ১৫,০০০

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
ব্র্যাক ব্যাংকে ইন্টার্নশিপের সুযোগ, মাসিক ভাতা ১৫,০০০

ব্র্যাক ব্যাংকে পিএলসি ইন্টার্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২১ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। মোট কতজন নেওয়া হবে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।ইন্টার্নশিপের বিবরণ

এই ইন্টার্নশিপটি ৩ মাস মেয়াদি এবং এটি পূর্ণকালীন (ফুল-টাইম) ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

যোগ্যতা

প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্টার্নশিপের অনুমতি থাকতে হবে। ব্যাংকিং, ফাইন্যান্স, প্রযুক্তি বা করপোরেট কার্যক্রমে আগ্রহ থাকা এবং ভালো একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে। পাশাপাশি ভালো যোগাযোগ দক্ষতা, ইন্টারপারসোনাল স্কিল এবং এমএস অফিসে মৌলিক দক্ষতা থাকা আবশ্যক। কর্মস্থল

বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে কাজ করার সুযোগ থাকবে।

ভাতা

নির্বাচিত ইন্টার্নদের মাসিক ১৫,০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে।

আবেদনের নিয়ম

আগ্রহী প্রার্থীদের এই ওয়েবসাইটের  মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২১ এপ্রিল ২০২৬

শিশুর হাম হলে খাদ্যতালিকায় যেসব খাবার রাখবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
শিশুর হাম হলে খাদ্যতালিকায় যেসব খাবার রাখবেন

আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে হাম আর চিকেন পক্স। এ রোগের প্রার্দুভাব বেশ জোরালো দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিনেই হাম ও চিকেন পক্সের কারণে শিশুমৃত্যুর দুঃসংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। এ রোগের প্রকোপ অনেকটা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে শিশুরা এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই সময়ে সুস্থ হতে ওষুধের চেয়ে মা-বাবার উচিত শিশুর সঠিক খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া।

এই সময়ে ঘন ঘন জ্বর আর সারা গায়ে অস্বস্তিকর র‌্যাশ বের হলে শিশু ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই শিশুকে শুধু ফলের রস না খাইয়ে মৌসুমি সবজি দিয়ে তৈরি পুষ্টিকর স্যুপ খাওয়ানো যেতে পারে। সোনা মুগ ডাল, গাজর ও পেঁপে সেদ্ধ করে তাতে সামান্য ঘি মিশিয়ে দিলে শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটাবে।

কারণ হাম কিংবা চিকেন পক্স হলে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল বেরিয়ে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। সে কারণে ভাইরাসের প্রকোপে শিশুর শরীরে ভিটামিন এ, সি, জিঙ্ক ও প্রোটিনের প্রবল ঘাটতিও দেখা দিতে পারে। এর ফলে শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেকটা কমে যায়।

আর শিশুর শরীরে ভিটামিন ‘সি’র চাহিদা পূরণে শিশুকে নিয়মিত কমলালেবু, মুসাম্বির রস কিংবা পেয়ারা খাওয়ানো ভীষণ প্রয়োজন। ভিটামিন ‘এ’র ঘাটতি মেটাতে এবং চোখের সংক্রমণ কমাতে খাদ্যতালিকায় গাজর, মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে ও পালংশাকের মতো খাবার রাখতে হবে।

কারণ শিশুর অসুখের সময়ে অরুচি হয়। এ সময় জোর করে ভাত না খাইয়ে পাতলা করে দুধ-সুজি কিংবা সাবুদানার খিচুড়ি রান্না করে খাওয়াতে পারেন। ওটস বা সবজি দিয়ে ডালিয়াও এ সময়ে শিশুর জন্য বেশ উপকারী। দুপুরের দিকে ভাত আর ডাল-সবজি খাওয়ালে বিকাল কিংবা সন্ধ্যায় আম বা আপেল সেদ্ধ চটকে দিতে পারেন।

আর শিশু যদি দুধ খেতে না চায় কিংবা তার দুধে অ্যালার্জি থাকে, তাহলে বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন ধরনের বাদাম খাওয়ানো যেতে পারে। আখরোট, কাঠবাদাম কিংবা কাজুবাদাম শিশুর শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব মেটাতে সাহায্য করে।

শিশুর খাবারে প্রোটিন নিশ্চিত করতে ছোট মাছ কিংবা জ্যান্ত জিওল মাছ খাওয়ানো ভালো। শিং বা মাগুর মাছ থেকে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যাবে, সেই সঙ্গে তার শরীরের দুর্বলতাও দ্রুত কেটে যাবে। তবে এটা ঠিক—মাছ, মাংস কিংবা ডিম সব কিছু শিশুকে একদিনে খাওয়ার চেষ্টা করবেন না। খাবারের তালিকায় বৈচিত্র্য আনতে এগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেতে দিন।