খুঁজুন
, ,

ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ
ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে?

কোরবানির ঈদ এলেই দেশের পশুর হাটগুলোতে বেড়ে যায় গরু কেনাবেচার ব্যস্ততা। এই সময় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় গরুকে স্টেরয়েড, হরমোন বা বিভিন্ন ক্ষতিকর ইনজেকশন দিয়ে অস্বাভাবিকভাবে মোটাতাজা করে।

বাইরে থেকে এমন গরু দেখতে আকর্ষণীয় মনে হলেও এর মাংস মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব গরুর মাংস খেলে লিভার ও কিডনির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

চিকিৎসক ও প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, হাটে গিয়ে ইনজেকশন দেওয়া গরু চেনার কয়েকটি সহজ উপায় নিচে তুলে ধরা হলো—

১. আঙুল দিয়ে চাপ দিয়ে দেখুন

কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা গরুর শরীরে অনেক সময় অতিরিক্ত পানি জমে থাকে। এটি বোঝার সহজ উপায় হলো গরুর শরীরের মাংসল অংশে আঙুল দিয়ে চাপ দেওয়া। গরুর পিঠ বা রানের অংশে জোরে চাপ দিলে যদি জায়গাটি দেবে যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় নেয়, তাহলে সেটি সন্দেহজনক হতে পারে। সুস্থ গরুর মাংস সাধারণত শক্ত ও টানটান থাকে। চাপ দিলে দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

২. আচরণ লক্ষ্য করুন

স্টেরয়েড বা হরমোন দেওয়া গরু অনেক সময় ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে তাদের আচরণেও অস্বাভাবিকতা দেখা যায়।

এ ধরনের গরু সাধারণত বেশি অলস থাকে, ঠিকভাবে হাঁটতে চায় না এবং অল্পতেই হাঁপিয়ে যায়। অনেক সময় মাথা নিচু করে ঝিমাতে দেখা যায়। চোখও ঘোলাটে বা ক্লান্ত দেখাতে পারে।

অন্যদিকে সুস্থ গরু তুলনামূলক চঞ্চল হয়। আশপাশে মানুষ দেখলে সাড়া দেয়, কান ও লেজ নেড়ে স্বাভাবিক আচরণ করে।

৩. অস্বাভাবিক ফোলা ও অতিরিক্ত লালা

ক্ষতিকর ওষুধ প্রয়োগের কারণে অনেক গরুর শরীর অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায়। বিশেষ করে উরু, রান, থুতনি বা প্রস্রাবের রাস্তার আশপাশের অংশ অতিরিক্ত ফোলা দেখা যেতে পারে।

এ ছাড়া কিছু গরুর মুখ থেকে নিয়মিত লালা বা ফেনা পড়তে দেখা যায়, যা অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে।

যে কারণে সতর্ক থাকা জরুরি?

প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত স্টেরয়েড বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা গরুর মাংস মানুষের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এমন পশু দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

গরু কেনার সময় যা করবেন

সম্ভব হলে অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা পরিচিত খামারিকে সঙ্গে নিন। গরুর দাঁত, চোখ ও হাঁটা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। পরিচিত ও বিশ্বস্ত খামার বা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনার চেষ্টা করুন। কেনার আগে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট গরুর আচরণ পর্যবেক্ষণ করুন।

সূত্র : কালবেলা

সালথায় বরাদ্দকৃত সার অন্যত্র বিক্রি, ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
সালথায় বরাদ্দকৃত সার অন্যত্র বিক্রি, ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

ফরিদপুরের সালথায় কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা ২০০ বস্তা ইউরিয়া সার গুদামে মজুত না রেখে অন্যত্র বিক্রির দায়ে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জরিমানাপ্রাপ্ত ডিলার হলেন মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোমরেজ খান।

উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে সার সরবরাহের আগমনী বার্তা (অ্যারাইভাল রিপোর্ট) পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ডিলারের গুদাম পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। এ সময় দেখা যায়, অক্টোবর মাসে ডিলারের অনুকূলে বরাদ্দ করা ৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার গুদামে মজুত রাখার কথা থাকলেও সেখানে পাওয়া গেছে মাত্র ২০০ বস্তা। বাকি ২০০ বস্তা সার অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছে বলে যাচাইয়ে উঠে আসে।

পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজভী আহমেদ সবুজের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ডিলার মোমরেজ খান বরাদ্দের ২০০ বস্তা ইউরিয়া সার অন্যত্র বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী তাঁকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হাবীব আল আজাদ জনি।

উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্ধারিত নিয়মের বাইরে সার বিক্রি করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা কৃষকদের ভোগান্তিতে ফেলার কোনো সুযোগ নেই। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার যথাযথভাবে বিতরণ নিশ্চিত করা এবং সারের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের নজরদারি ও তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজভী আহমেদ সবুজ বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার নির্ধারিত নিয়মে গুদামে মজুত রাখা ও কৃষকদের কাছে সরবরাহ করা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। বরাদ্দের সার অন্যত্র বিক্রি করে অনিয়মের আশ্রয় নিলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসে ফরিদপুরের মাঠে নন্দিতা সুরক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসে ফরিদপুরের মাঠে নন্দিতা সুরক্ষা

সাম্প্রতিক সময়ে ১৩ বছর বয়সী কন্যা শিশু তাজনিমের হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা কন্যা শিশুর নিরাপত্তা, অধিকার এবং সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও কন্যা শিশুর অধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে নারী উন্নয়ন সংস্থা- নন্দিতা সুরক্ষা।

রবিবার (১১ অক্টোবর) ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিচর ইউনিয়নের মোতলেব হোসেন হাই স্কুলে  আলোচনা সভা ও সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে ১০০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। গ্লোবাল এফেয়ার্স কানাডা ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর সহায়তায় নন্দিতা সুরক্ষার RWVL-B প্রকল্পের আওতায় করা হয় ওই আয়োজন।

আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীরা হাতে সচেতনতামূলক প্ল্যাকার্ড নিয়ে র‍্যালিতে অংশ নেয়। “বাল্যবিবাহ বন্ধ করো! শিশুর অধিকার রক্ষা করো!”—এমন স্লোগান দিতে দিতে তারা ডিক্রিরচর ইউনিয়নের ভাঙ্গী ডাঙ্গী ও কাজেম মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এবং বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করে। এর মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

নন্দিতা সুরক্ষা বিশ্বাস করে, কন্যাশিশুর নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব শুধু পরিবার নয়; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের পাশাপাশি কন্যা শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং তাদের মতামত ও স্বাধীনতাকে সম্মান করার মাধ্যমে একটি নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।

আলোচনা সভায় বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব, কন্যাশিশুর শিক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বাল্যবিবাহ কীভাবে কন্যাশিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, শিক্ষাজীবন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করে, সে বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সচেতন করা হয়। পাশাপাশি কিশোরীদের নিরাপদ চলাচল, তাদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং কন্যা শিশুর সুরক্ষায় অভিভাবকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আয়োজক প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার জান্নাতুল ফেরদৌসী জানান, বাল্যবিবাহ ও সহিংসতা মুক্ত সমাজ গড়ে উঠুক – এই প্রত্যয়ে নন্দিতা সুরক্ষা সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

নন্দিতা সুরক্ষার নির্বাহী পরিচালক তাহিয়াতুল জান্নাত রেমি বলেন, “প্রতিটি কন্যাশিশুর নিরাপদে বেঁচে থাকা, শিক্ষা গ্রহণ এবং মর্যাদার সঙ্গে বেড়ে ওঠার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি । তাজমিনের মতো শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্ট দেখলেই বোঝা যায়, কীভাবে ভুক্তভোগী শিশুর প্রতি সহিংসতাকে স্বাভাবিক করার এবং অপরাধের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে। একটি শিশুর পোশাক, চলাফেরা, আচরণ কিংবা বয়স- কোনোটিই তার প্রতি যৌন সহিংসতা বা হত্যাকে ন্যায্যতা দিতে পারে না। তাই আমরাও এই মানসিকতার পরিবর্তন ও কন্যাশিশুর অধিকার ও নিরাপত্তার দাবি আদায়ে কাজ করে যাচ্ছি।”

ফরিদপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, বাতিলের দাবি

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, বাতিলের দাবি

Oplus_131072

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগপ্রক্রিয়া বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ডিলারশিপ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির একাংশের নেতারা।

​রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি বাশারুল বারী ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শাহিন মোল্লা।

​লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বিসিআইসি ও খুচরা সার ডিলারশিপ বরাদ্দের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং অনৈতিক লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের সুবিধাভোগী ব্যক্তি ও তাদের স্বজনদের নতুন করে ডিলারশিপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।

​তারা বলেন, ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা না থাকলে সাধারণ কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন।

​সংবাদ সম্মেলন থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—

১. অভিযোগ তদন্ত করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে নিয়োগপ্রক্রিয়া বাতিল করা।

২. সরকারি বিধি অনুযায়ী স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে ডিলার নিয়োগ দেওয়া।

৩. অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া।

৪. কৃষকদের মাঝে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা।

​সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, কৃষি মন্ত্রণালয় ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়। প্রতিকার না পেলে কৃষক ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের হুমকি দেন তারা।

​এ সময় পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি কাইয়ুম সিকদার ও সাবেক পৌর বিএনপির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

​এদিকে অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা জানান, নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা তদন্ত কমিটির মাধ্যমে প্রতি ইউনিয়নে তিনজন যোগ্য আবেদনকারীর তালিকা জেলা কমিটিতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে চূড়ান্ত নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়।

​অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান আব্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সরকারি বিধি-বিধান মেনেই সারের ডিলারদের তালিকা করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।”