খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ঘরে বসেই কিডনি পরীক্ষা করার সহজ উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ঘরে বসেই কিডনি পরীক্ষা করার সহজ উপায়

কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি রক্ত থেকে বর্জ্য অপসারণ, শরীরের তরলের ভারসাম্য রক্ষা এবং খনিজ পদার্থের সামঞ্জস্য বজায় রাখার মতো অত্যাবশ্যকীয় কাজগুলো নিরন্তর করে যায়। সাধারণত কিডনিতে বড় ধরনের কোনো সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত আমরা এর স্বাস্থ্যের দিকে খুব একটা নজর দিই না।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ল্যাব টেস্ট ছাড়াই প্রস্রাব ত্যাগের পরিমাণ ট্র্যাক করার মাধ্যমে ঘরে বসেই কিডনির প্রাথমিক অবস্থা যাচাই করা সম্ভব।

কেন প্রস্রাব পরিমাপ জরুরি?

কিডনি সারাক্ষণ রক্ত ফিল্টার করে অতিরিক্ত বর্জ্য ও পানি প্রস্রাব হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। তাই প্রস্রাবের পরিমাণ কিডনির কার্যকারিতার একটি অন্যতম প্রাথমিক নির্দেশক। নেফ্রোলজি বা কিডনি রোগ সংক্রান্ত গাইডলাইন অনুযায়ী, এটি অত্যন্ত সহজ এবং কার্যকর একটি পদ্ধতি, যা বিশেষ করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করেন এমন ব্যক্তিদের জন্য জীবন রক্ষাকারী হতে পারে।

পরীক্ষার পদ্ধতি: ১০ ঘণ্টার নিয়ম

ঘরে বসে কিডনি পরীক্ষা করার জন্য কোনো বিশেষ যন্ত্রপাতির প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র একটি পরিষ্কার পরিমাপক পাত্র এবং কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। নিচে পদ্ধতিটি দেওয়া হলো:

১. দিনের এমন একটি ১০ ঘণ্টা সময় বেছে নিন যখন আপনি কোনো বিরতি ছাড়াই প্রস্রাব সংগ্রহ ও পরিমাপ করতে পারবেন।

২. প্রস্রাব সংগ্রহের জন্য একটি পরিষ্কার এবং পরিমাপ নির্দেশক চিহ্ন দেওয়া ১ লিটারের বোতল বা পাত্র ব্যবহার করুন।

৩. ১০ ঘণ্টা শেষে মোট প্রস্রাবের পরিমাণ কত হলো তা নোট করুন এবং আপনার শরীরের ওজনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা মিলিয়ে দেখুন।

৪. যারা ঝুঁকিতে আছেন, তারা মাসে অন্তত এক বা দুইবার এই পরীক্ষাটি করতে পারেন।

হিসাব করবেন যেভাবে

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ মানুষের প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ০.৫ থেকে ১ মিলিলিটারপ্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক।

উদাহরণস্বরূপ: আপনার ওজন যদি ৬০ কেজি হয়, তবে আপনার প্রতি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৬০ মিলি প্রস্রাব হওয়া উচিত। সেই হিসাবে ১০ ঘণ্টায় আপনার মোট প্রস্রাব হওয়ার কথা ৩০০ থেকে ৬০০ মিলি।

যদি প্রস্রাবের পরিমাণ নিয়মিতভাবে এই রেঞ্জের মধ্যে থাকে, তবে বুঝতে হবে আপনার কিডনি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।

কখন সতর্ক হতে হবে?

যদি প্রস্রাবের পরিমাণ প্রত্যাশিত সীমার চেয়ে অনেক কম হয়, তবে তা কিডনির অকার্যকারিতা, পানিশূন্যতা বা কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। প্রস্রাবের পরিমাণের পাশাপাশি নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

১. পা, গোড়ালি বা মুখে ফোলা ভাব।

২. অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করা।

৩. প্রস্রাবে ফেনা হওয়া বা প্রস্রাবের রঙ অনেক গাঢ় হওয়া।

৪. বমি বমি ভাব বা মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া।

সতর্কবার্তা

মনে রাখবেন, ঘরে বসে প্রস্রাব পরিমাপ করা কিডনি স্বাস্থ্যের একটি প্রাথমিক ধারণা মাত্র। এটি কখনোই ল্যাবরেটরি পরীক্ষা যেমন সিরাম ক্রিয়েটিনিন বা ইজিএফআর (eGFR)-এর বিকল্প নয়। যদি আপনি প্রস্রাবের পরিমাণে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন, তবে পূর্ণাঙ্গ রোগ নির্ণয়ের জন্য অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। কিডনি রোগের ক্ষেত্রে আগাম সতর্কতা এবং দ্রুত চিকিৎসায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা ও কন্যাশিশু হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় ফরিদপুর জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী টিমকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ফরিদপুর জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম এ পুরস্কার প্রদান করেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মে সদর উপজেলার কালিতলা এলাকার একটি পুকুরপাড় সংলগ্ন স্থান থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় জাহানারা বেগম (৩০) ও তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। নিহত জাহানারা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পরপরই ফরিদপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্তকারী টিম তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত বিশ্লেষণের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করে।

তদন্তে উঠে আসে, ঢাকার একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় জাহানারার সঙ্গে মো. উজ্জ্বল খানের পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উজ্জ্বল তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে। পরে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে নির্মমভাবে জাহানারা ও তার শিশুকন্যাকে হত্যা করে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেয়।

তদন্তকারী টিমের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকা থেকে অভিযুক্ত উজ্জ্বল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল, ধারালো অস্ত্র, মোবাইল ফোন এবং নিহতদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর দ্রুত রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। কালিতলার এই দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সদর সার্কেলের টিম দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের এই সাফল্য অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মৎস্য এবং মৎস্যজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ এবং টেকসই মৎস্য খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরে দিনব্যাপী সদস্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন এলাকার ২০ জন মৎস্যচাষি ও সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক ময়েদুজ্জামান এবং এসডিসির মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদুল ইসলাম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন এসডিসির সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাহুল আমিন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে নিরাপদ মাছ চাষের আধুনিক কৌশল, উত্তম মৎস্য চাষ অনুশীলন (GAqP), পুকুরের পানি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, মাছের সুষম খাদ্য প্রয়োগ, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ওষুধ ও রাসায়নিকের সঠিক ব্যবহার, অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল প্রয়োগ, মাছ আহরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষকরা বলেন, বর্তমান সময়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্য অর্জনে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে মানবস্বাস্থ্য যেমন ঝুঁকির মুখে পড়ে, তেমনি পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ মাছ উৎপাদনের বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে দেশের মৎস্যখাত আরও সমৃদ্ধ হবে, রপ্তানি আয় বাড়বে এবং প্রান্তিক মৎস্যচাষিরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিরাপদ ও আধুনিক মাছ চাষ সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করেছেন। অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে তারা কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং মৎস্যচাষিদের দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি সদরপুর থানার আব্দুল আল মামুন শাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি সদরপুর থানার আব্দুল আল মামুন শাহ

ফরিদপুর জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সের শহীদ ছালাম সভাকক্ষে মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে পুরস্কার ও ক্রেষ্ট তুলে দেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, সামগ্রিক কর্মতৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে অনন্য অবদান রাখায় মো. আব্দুল আল মামুন শাহ’কে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচন করা হয়েছে। তার এ সাফল্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।