খুঁজুন
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩

নেল কাটারের এই বোতামের আসল রহস্য জানেন কি?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ
নেল কাটারের এই বোতামের আসল রহস্য জানেন কি?

নখ কাটার জন্য আমরা কমবেশি সবাই নিয়মিত নেল কাটার ব্যবহার করি। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি সাধারণ যন্ত্র মনে হলেও এর নকশার পেছনে রয়েছে বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য।

অনেক সময় শিশুরা নেল কটার নিয়ে খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ত্বক কেটে ফেলে, যা বেশ যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। তবে আপনি কি জানেন, অধিকাংশ নেল কটারেই এমন কিছু সুরক্ষা ফিচার বা ‘সেফটি মোড’ থাকে যা আমাদের অনেকেরই অজানা?

বোতামের আসল রহস্য

অনেকেই হয়তো খেয়াল করেছেন, নেল কাটারের উপরের লিভারের গোড়ার দিকে একটি ছোট বোতাম বা ট্যাবের মতো অংশ থাকে। এটি আসলে একটি সেফটি লক।

যখন নেল কটারটি ব্যবহার করা হচ্ছে না, তখন এর লিভারটি নিচে নামিয়ে ওই নির্দিষ্ট বোতাম বা ট্যাবটি চাপ দিলে কাটার ব্লেডগুলো পুরোপুরি লক হয়ে যায়। এই ফিচারের মূল উদ্দেশ্য হলো ব্লেডগুলোকে আটকে রাখা, যাতে দুর্ঘটনাক্রমে শরীরের কোথাও আঁচড় না লাগে বা কোনো ক্ষতি না হয়।

হারিয়ে যাওয়া রোধে বিশেষ ছিদ্র

নেল কটারের পেছনের দিকে থাকা ছোট ছিদ্রটিকে অনেকেই অপ্রয়োজনীয় মনে করে এড়িয়ে যান। অথচ এই ছিদ্রটি বেশ কাজের। যারা ছোটখাটো জিনিস হারিয়ে ফেলার সমস্যায় ভোগেন, তারা এই ছিদ্রের মধ্য দিয়ে কোনো সুতো বা ডোরি ঢুকিয়ে এটি দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন। এছাড়া এটি চাবির রিং বা ‘কী-চেইন’ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। ছিদ্রটি অনেকটা আংটির মতো কাজ করে, ফলে চাবির সাথে যুক্ত করে আপনি অনায়াসেই এটি সবখানে বহন করতে পারেন এবং প্রয়োজনে দ্রুত খুঁজে পেতে পারেন।

আমাদের অতি পরিচিত এই সাধারণ যন্ত্রটির সঠিক ব্যবহার জানলে যেমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব, তেমনি এটি গুছিয়ে রাখাও অনেক সহজ হয়। তাই পরবর্তী সময়ে নখ কাটার পর এর সেফটি ফিচারগুলো ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

সালথায় মাদক ব্যবসা বন্ধে এক সপ্তাহের আলটিমেটাম, রাস্তায় নেমেছে গ্রামবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
সালথায় মাদক ব্যবসা বন্ধে এক সপ্তাহের আলটিমেটাম, রাস্তায় নেমেছে গ্রামবাসী

মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবার ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর এলাকায় রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ।

মাদক ব্যবসা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল থেকে স্থানীয়রা মাদক কারবারীদের এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে রামকান্তপুর বাজার স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে স্থানীয়দের পক্ষে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে। নতুন প্রজন্মকে রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। তাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মাদক ব্যবসায়ীদের এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসা বন্ধ না হলে আরও কঠোর সামাজিক কর্মসূচি নেওয়া হবে।”

বক্তারা বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে। তারা দাবি করেন, এলাকার তরুণদের সুরক্ষা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় মাদকের বিস্তার রোধ করা এখন সময়ের দাবি।

সমাবেশ থেকে রাত ১২টার পর অকারণে এলাকায় ঘোরাফেরা না করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে স্থানীয়দের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বক্তারা আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে উঠছে, রামকান্তপুরবাসীও সেই আন্দোলনের অংশ হতে চায়। তারা আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এলাকায় মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা ‘মাদকমুক্ত সমাজ চাই’, ‘তরুণদের বাঁচাতে মাদক রুখতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

পরিবারের কর্মসংস্থান চান ফরিদপুরের ভাইরাল লোকসংগীত শিল্পী লাইলী বাউল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
পরিবারের কর্মসংস্থান চান ফরিদপুরের ভাইরাল লোকসংগীত শিল্পী লাইলী বাউল

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লোকসংগীত পরিবেশন করে দেশজুড়ে আলোচনায় আসা জনপ্রিয় লোকশিল্পী লাইলী বাউল তাঁর দীর্ঘ সঙ্গীতজীবনের স্বীকৃতি ও সফলতার জন্য গণমাধ্যমকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সর্বস্তরের মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন লাইলী বাউল। এ সময় তাঁর ছেলে আপন শেখসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় আবেগঘন বক্তব্যে লাইলী বাউল বলেন, “গান আমার সাধনা, আমার জীবন। ছোটবেলা থেকেই গান গেয়ে আসছি। মানুষের ভালোবাসা, গণমাধ্যমের সহযোগিতা এবং আপনাদের আন্তরিক সমর্থন না পেলে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারতাম না। আমার এই স্বীকৃতি মূলত সাধারণ মানুষের ভালোবাসারই প্রতিফলন।”

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকগান পরিবেশন করলেও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর গান ছড়িয়ে পড়ার পর দেশ-বিদেশের মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। এই ভালোবাসা তাঁকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে লাইলী বাউল বলেন, “আমি মানুষের জন্য গান গেয়ে যেতে চাই। সুযোগ পেলে চলচ্চিত্রেও গান গাওয়ার ইচ্ছা আছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন সুস্থ থেকে গানকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকতে পারি।”

এ সময় বক্তব্য দেন তাঁর ছেলে আপন শেখ। তিনি বলেন, “আমার মা পৃথিবীর সেরা মা। সারা বিশ্বের মানুষ আজ তাঁকে চিনছে, এটি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি অনেক কষ্ট করে আমাদের বড় করেছেন।”

ফরিদপুরের মধুমতী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, বাল্কহেড-ড্রেজার জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের মধুমতী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, বাল্কহেড-ড্রেজার জব্দ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মধুমতী নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে একটি বাল্কহেড, একটি ড্রেজার ও একটি আনলোডার মেশিন জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের গয়েশপুর ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন মধুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্ত। এলাকাটি মধুখালী উপজেলা এবং মাগুরা সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র মধুমতী নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালানো হয়। এ সময় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে নড়াইল জেলার বুড়িখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. বেলায়েত মোল্লা (৪৫)কে আটক করা হয়। তিনি মো. হান্নান মোল্লার ছেলে।

পাশাপাশি বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি বাল্কহেড, একটি ড্রেজার ও একটি আনলোডার মেশিন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত যন্ত্রপাতি কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাকিব হোসেন চৌধুরী ইরানের জিম্মায় রাখা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানা হেফাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্ত বলেন, “নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। যারা আইন অমান্য করে নদী থেকে বালু উত্তোলন করবে, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

তিনি আরও জানান, মধুখালী উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ভূমি দখল, অবৈধ বালু উত্তোলনসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।