খুঁজুন
, ,

লিচু কেনার আগে সতর্ক! পোকামাকড় আক্রান্ত ফল চিনবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ণ
লিচু কেনার আগে সতর্ক! পোকামাকড় আক্রান্ত ফল চিনবেন যেভাবে

গ্রীষ্মকাল এলেই রাজশাহীর বাজার ও বাগানজুড়ে দেখা মেলে সুস্বাদু ও রসালো লিচুর। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজশাহীর লিচুর আলাদা সুনাম থাকলেও বর্তমানে বাজারে অপরিপক্ব, কৃত্রিম রঙ করা এবং পোকামাকড় আক্রান্ত লিচু বিক্রির অভিযোগও বাড়ছে। ফলে বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে লিচু কিনতে গিয়ে অনেক ক্রেতাই প্রতারিত হচ্ছেন। কোথাও দেখা যাচ্ছে বাইরে টাটকা, কিন্তু ভেতরে পচা কিংবা পোকার আক্রমণে নষ্ট ফল।

রাজশাহীর বিভিন্ন লিচুবাগান ও স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মৌসুমের শুরুতেই বিভিন্ন জাতের লিচু বাজারে উঠতে শুরু করেছে। তবে দ্রুত বেশি লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অপরিপক্ব লিচুতেও কৃত্রিম রঙ ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ক্রেতারা সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন।

স্থানীয় বাগান মালিক মনির হোসেন জানান, ভালো লিচু চেনার জন্য কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। তার ভাষায়, স্বাভাবিক গোলাপি বা হালকা লাল রঙের লিচুই সাধারণত ভালো ও পাকা হয়। একেবারে সবুজ লিচু কাঁচা থাকার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া হাতে নিয়ে চাপ দিলে পাকা লিচু সামান্য নরম অনুভূত হবে, তবে অতিরিক্ত নরম হলে বুঝতে হবে সেটি নষ্ট হতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ভালো লিচু থেকে মিষ্টি সুবাস পাওয়া যায়। টক বা তীব্র গন্ধ থাকলে সেটি নিম্নমানের বা অপরিপক্ব হতে পারে। বড় ও পরিপুষ্ট লিচু সাধারণত বেশি রসালো ও মিষ্টি হয়।

পোকামাকড় আক্রান্ত লিচু শনাক্তের উপায়

রাজশাহীর কয়েকটি বাগানে সরেজমিনে দেখা গেছে, কিছু গাছে ইতোমধ্যে পোকার আক্রমণের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে আর্দ্রতা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

তাদের মতে, আক্রান্ত লিচুর খোসায় ছোট ছিদ্র, কালচে দাগ কিংবা অস্বাভাবিক শুকনো ভাব দেখা যায়। অনেক সময় ডাঁটার গোড়ায় বাদামি রঙের দাগ বা পচনের চিহ্নও থাকে, যা পোকার আক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, লিচু কেনার সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত

খোসায় ছোট ছিদ্র বা কালো দাগ আছে কি না পরীক্ষা করুন

ডাঁটার গোড়ায় পচন বা বাদামি দাগ থাকলে সতর্ক থাকুন

অতিরিক্ত শুকনো বা অস্বাভাবিক হালকা লিচু এড়িয়ে চলুন

ফাটলধরা বা কুঁচকে যাওয়া লিচু না কেনাই ভালো

গুচ্ছ থেকে কয়েকটি লিচু খুলে ভেতরের অবস্থা দেখে নেওয়া নিরাপদ

পরিচর্যায় বাড়ছে লিচুর গুণগত মান

রাজশাহীর একাধিক বাগান মালিক জানান, নিয়মিত পরিচর্যা ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উন্নত মানের লিচু উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।

আমাদের বাগানের লিচুগুলো নিয়মিত ও বিজ্ঞানসম্মত পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন করা হয়েছে। সময়মতো প্রয়োজনীয় স্প্রে ও পরিচর্যা কার্যক্রম পরিচালনা করায় ফলের গুণগত মান ভালো হয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যা না করলে পোকামাকড়ের আক্রমণে ফল ঝরে পড়ে এবং ফলের গায়ে দাগ বা পচন দেখা দেয়।

তিনি আরও জানান, সঠিক পরিচর্যার কারণে তাদের বাগানের লিচু রোগবালাইমুক্ত, দেখতে আকর্ষণীয় এবং স্বাদেও বেশ মিষ্টি হয়েছে। এতে ভোক্তারাও সন্তুষ্ট হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সচেতনতাই নিরাপদ ফল বেছে নেওয়ার উপায়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিচিত ও বিশ্বস্ত বিক্রেতার কাছ থেকে লিচু কেনাই সবচেয়ে নিরাপদ। কেনার আগে ফলের রঙ, গন্ধ, খোসা ও ডাঁটার অবস্থা ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত। অতিরিক্ত রঙ করা বা অপরিপক্ব লিচু স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সচেতনভাবে লিচু নির্বাচন করলে যেমন সুস্বাদু ফলের স্বাদ উপভোগ করা যাবে, তেমনি পোকামাকড় আক্রান্ত বা রাসায়নিকযুক্ত ফল থেকে স্বাস্থ্যঝুঁকিও অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। রাজশাহীর বিখ্যাত লিচুর সুনাম ধরে রাখতে কৃষক, ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সবার সচেতনতাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র : কালবেলা

ফরিদপুরে ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দিয়েছে ফরিদপুর জেলা শাখা ছাত্রদল।

​রবিবার (০৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফরিদপুর জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক এনামুল করিম রেজা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

​নোটিশে অভিযুক্ত দুই নেতা হলেন—নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম (লিখন) এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান (বাবু)।

​বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য ও অভিযোগ জেলা ছাত্রদলের কাছে এসেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কেন তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা জানতে চেয়ে এই নোটিশ জারি করা হয়েছে।

​নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার মধ্যে নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম (লিখন) ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান (বাবু)-কে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু এবং সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েস-এর কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে এই কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে হবে।

​জেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল নেতারা জানান, সংগঠনকে সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও অনুশাসনে রাখা ছাত্রদলের মূল অগ্রাধিকার। যেকোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ বা দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী আচরণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে অভিযুক্ত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী কড়া সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলফাডাঙ্গায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে শিক্ষক সংগঠনের শুভেচ্ছা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে শিক্ষক সংগঠনের শুভেচ্ছা

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিক্ষক সমাজের শীর্ষ দুই সংগঠন ‘শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট’ এবং ‘শিক্ষক সমিতি’র নেতৃবৃন্দ।

​শনিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ হলরুমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে এই ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

​সংগঠন দুটির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি মনিরুজ্জামান মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এবং শিক্ষক সমিতির উপজেলা শাখার সভাপতি মোস্তাক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম। তাঁদের যৌথ নেতৃত্বে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সংসদ সদস্যের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন।

​শুভেচ্ছা বিনিময়কালে শিক্ষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে বলেন, “বর্তমানে মাধ্যমিক শিক্ষা সেক্টরকে জাতীয়করণের দাবিতে সারা দেশেই শিক্ষক সমাজ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলেছে। শিক্ষক ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আমরা প্রধান অতিথির কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, তিনি যেন এই ন্যায়সংগত দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন এবং তা বাস্তবায়নে সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।”

​অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

লিবিয়ায় কারাগারে ফরিদপুরের ২৪ তরুণ, ৩ বছর ধরে নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
লিবিয়ায় কারাগারে ফরিদপুরের ২৪ তরুণ, ৩ বছর ধরে নিখোঁজ

জীবিকার তাগিদে ভালো চাকরির আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদপুরের সালথা, নগরকান্দা ও বোয়ালমারী উপজেলার ২৪ জন তরুণ। কিন্তু ২০২৩ সালে লিবিয়ায় যাওয়ার পর থেকে দীর্ঘ তিন বছর ধরে তারা নিখোঁজ। পরিবারের দাবি, মানবপাচারকারী দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে তারা বর্তমানে লিবিয়ার বিভিন্ন কারাগারে বন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এখন সন্তানদের জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরে পাওয়ার আকুতি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অসহায় স্বজনরা।

​ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দালাল পারভেজ মোল্লা বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওই ২৪ তরুণকে লিবিয়ায় পাঠান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর থেকেই স্বজনদের সঙ্গে তাদের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন সালথা উপজেলার রিয়াজ মোল্লা, তুহিন সরদার, ফিরোজ মোল্লা, তানভীর মোল্লা, সালমান মোল্লা, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামের মো. হাচিবুল হাচান এবং ভাওয়াল ইউনিয়নের বারখাদিয়া গ্রামের রবিউল ইসলামসহ ২৪ জন।

​সন্তানের জন্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে হাচিবুলের মা বলেন, “তিন বছর ধরে আমার ছেলের কোনো খবর নেই। প্রতিদিন অপেক্ষা করি, হয়তো একবার ফোন দেবে। সরকারের কাছে হাতজোড় করে আকুতি জানাচ্ছি, আমার সন্তানকে জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে দিন।”

​নিখোঁজ রবিউল ইসলামের বাবা নান্নু খান আক্ষেপ করে বলেন, “জমি বিক্রি ও ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। আজ আমার টাকা-পয়সাও শেষ, ছেলেরও কোনো খোঁজ নেই। আমরা শুধু আমাদের সন্তানকে ফেরত চাই।”

​নিখোঁজদের ফেরাতে ‘পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা’র চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “২৪টি পরিবার আজ পুরোপুরি নিঃস্ব ও অসহায়। কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়ে দ্রুত তাদের পরিচয় যাচাই করে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।”

​নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন জানান, বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আবেদন পাওয়ার পর তাদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

​ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহাম্মদ আল ফাহাদ জানান, মানবপাচারকারী দালাল চক্রের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে।

​এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত দালাল পারভেজ মোল্লার মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তার বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।