খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

দাম কম থাকায় ফরিদপুরে লোকসানের শঙ্কায় পেঁয়াজ চাষীরা

নুর ইসলাম, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:০৭ পিএম
দাম কম থাকায় ফরিদপুরে লোকসানের শঙ্কায় পেঁয়াজ চাষীরা
পেঁয়াজ উৎপাদনে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর জেলা ফরিদপুর। বর্তমানে চলছে বিভিন্ন উপজেলার বিস্তার্ন মাঠে পেঁয়াজ উঠানোর ধুম। খরচের তুলোনায় পেঁয়াজের দাম কম থাকায় চাষীদের চোখে মুখে মলিন হাসি। উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে বাজারদরের তফাৎ থাকায় হতাশ তারা। গত বছরের তুলোনায় এ বছর পেঁয়াজ মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় ফলনও কম হয়েছে। সেই সাথে পেঁয়াজের বাজার দরও কম হওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষীদের। এ বছর ১১০০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা পর্যন্ত দেশী পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসেবে গত বছর পেঁয়াজ উঠানোর শুরুতেই ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা বিক্রি হয়েছিল। এ কারণে কৃষি কাজে আগ্রহ কমছে চাষীদের।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৩৮ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ ধরা হয়। তখন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় সাড়ে ৫ লাখ টনের বেশি। পরে আরো প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বেশি আবাদ হয়। সব মিলিয়ে জেলায় এবার পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে প্রায় ৪৩ হাজার হেক্টর জমিতে। এ থেকে প্রায় ৬ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হবে বলে প্রত্যাশা করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।
জেলার সালথা, নগরকান্দা, বোয়ালমারী ও মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ঘুরে দেখা যায়, জেলায় সর্বত্রই এখন ক্ষেত থেকে চাষীরা পেঁয়াজ উত্তোলনে কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। জেলার অধিকাংশ উপজেলা বিস্তীর্ণ মাঠের দিকে তাকালেই এমন দৃশ্য চোখে মেলে। কেউ ক্ষেত থেকে মাটি খুড়ে পেঁয়াজ তুলছে, কেউ পাত্রে তুলে বস্তায় ভরছে, কেউবা মাঠ থেকে বস্তা মাথায় করে সড়কে তুলছে। পেঁয়াজ চাষীরা কেউ ভ্যান বা নছিমন যোগে বাজারে নিচ্ছে বিক্রির উদ্দেশ্যে।
ফরিদপুরের ময়েনদিয়া, সালথা, নকুলহাটি, সাতৈর ও মধুখালী পেঁয়াজ বাজারগুলোতে পাইকারি পেঁয়াজের দর রয়েছে ১১০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত মন। সেখানে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা চাষিরা বলছে এক মন পেঁয়াজ উৎপাদনের ব্যয় হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। তাছাড়া মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় ফলনের দেখাও কাক্সিক্ষতভাবে মেলেনি।
চাষীরা জানান, গত বছরের পেঁয়াজের ভালো দর পাওয়ায় এবার তারা সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আরো ৫ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ করেছে। বেশি জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করলেও এ বছর উৎপাদন কম হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে বাজার দরের পার্থক্য অনেক। তাই জেলার পেঁয়াজ চাষীদের মুখে মলিন হাসি। ৩০ শতাংশ জমিতে (এক পাখি) পেঁয়াজ চাষাবাদ থেকে ঘরে তোলা পর্যন্ত ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে। সেখানে পেঁয়াজ পাখিতে উৎপাদন হয়েছে ৩০-৩৫ মন।
সালথার নকুলহাটি বাজারে কথা হয় উপজেলার জয়কালী গ্রামের কৃষক আমিনুল ইসলামের সাথে। তিনি ওই বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে এসেছিলেন। এ সময় তিনি জানান, আমি এক বিঘা (৫২ শতাংশ) জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। এ বছর বৃষ্টিপাত কম থাকা, সার-ওষুদের দাম বেশি ও কারেন্ট পোকায় আক্রমনের কারণে ফলন কম হয়েছে। যেখানে গত বছর এক বিঘা জমিতে ৮০-৯০ মন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। সেখানে এ বছর ৫০ মন হওয়ায় কষ্ট হয়েছে। আবার পেঁয়াজ তোলার সময় ৮শ থেকে ৯শ টাকায় জোন (কৃষাণ) নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে এ বছর আমার খরচ উঠায় কষ্ট হবে। তিনি বলেন, এক মন পেঁয়াজ এনেছিলাম, বিক্রি করলাম সাড়ে ১২শ টাকা।
বোয়ালমারী উপজেলার হাসামদিয়া গ্রামের কওসার মজুমদার ১০-১২ কৃষাণ নিয়ে পেঁয়াজ তুলছিলেন দাদুড়িয়া বিল মাঠে। তার সাথে কথা হলে তিনি জানান, ভাই পেঁয়াজের দামের যে অবস্থা তাতে আমাদের সবদিক থেকে ঘাটতি। এ বছর এক পাখি (৩০ শতাংশ) এ বছর ৩৫-৪০ মনের বেশি হবে না। তাতে খরচ প্রতি পাখিতে ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কৃষকের ঘাটতি পূরণ করতে হলে কমপক্ষে ২২শ থেকে তিন হাজার টাকা মন পেঁয়াজ বিক্রি করা দরকার। সরকারের কাছে আমরা পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি। এ কারণে কৃষি কাজে আগ্রহ কমে যাচ্ছে আমাদের।
একই উপজেলার চতুল ইউনিয়নের পোয়াইল গ্রামের কৃষক সদ্য বিলদাদুড়িয়া মাঠে পেঁয়াজ তোলার সময় জানান, আমি ১ একর ৮০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। এই মাঠের মধ্যে আমার উপরে কোন কৃষকের ফলন হয়নি। তাতে এক পাখি জমিতে ৩৫-৪০ মনের বেশি হবে না। এর মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখলে তারও ঘাটতি আছে। আমার পাখি প্রতি খরচ হয়ে যাচ্ছে ৩০ হাজারেরও বেশি। এজন্য পেঁয়াজ চাষ করেও আমাদের মুখে হাসি নাই। এ বছর পেঁয়াজ চাষ করে লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পেঁয়াজ তুলতে হচ্ছে ৮০০-১০০০ হাজার টাকা জোন প্রতি দেওয়া লাগছে। সর্বনি¤œ কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ মৌসুমের শুরুতেই দুই হাজার টাকা থাকা দরকার ছিল। এ বছর খরচের টাকা উঠছে না। গত বছর এই সময়ে ২২শ থেকে ২৫শ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শাহাদুজ্জামান বলেন, এটা ঠিক যে পেঁয়াজের দামে খুব একটা খুশি না চাষীরা। কারন বাজারে পেঁয়াজের যোগান বেড়েছে অনেক, সেই তুলনায় ক্রেতাদের চাহিদা কম থাকায় দরটি পড়ে গেছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও চাষাবাদ হয়েছে বেশি। তবে বৃষ্টিপাত কম থাকায় সেই পরিমান ফলন হয়নি। আমার পরামর্শ এই মুহূর্তে পেঁয়াজ বিক্রি না করে কয়েকটি মাস সংরক্ষণ করে পরে বিক্রি করলে কৃষকরা ভালো দর পাবেন বলে আশা করছি। তিনি বলেন, পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যাপারে সচিব মহোদয়ের সাথে আলোচনা হয়েছে। সে ব্যাপারে কাজ চলছে। বর্তমান এ জেলায় পেঁয়াজের বাজার মূল্য রয়েছে সাড়ে ১২শ থেকে ১৪শ টাকা মন।

চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ এএম
চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই শীতের আবহ ফিরে এসেছে ফরিদপুরে। রবিবার (২২ মার্চ) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। চারপাশে যেন শীতের সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য—মাঠ-ঘাট, গাছপালা, রাস্তা সবই কুয়াশার আস্তরণে আচ্ছন্ন। মৃদু শীতল বাতাস আর হালকা ঠান্ডা আবহে প্রকৃতি যেন ভুলে গেছে ঋতুর নিয়ম।

ভোরের আলো ফুটলেও সূর্যের দেখা মেলেনি অনেকক্ষণ। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। গ্রামীণ জনপদে দেখা গেছে চিরচেনা দৃশ্য—কৃষকরা গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছেন, আর গৃহস্থ বাড়িতে কৃষাণীরা ধান সিদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে চৈত্রের সকালে এমন দৃশ্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত হলেও প্রকৃতির এক ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন স্থানীয়রা।

সালথা উপজেলার কৃষক শাহাজুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, “চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা আমরা খুব একটা দেখি না। সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা অনুভব করছি। তবে এই কুয়াশা ফসলের জন্য ভালো না-ও হতে পারে।”

বিশেষ করে পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এই সময়ে অতিরিক্ত কুয়াশা ও আর্দ্রতা পেঁয়াজের গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে করে গাছের পাতা পচে যাওয়া বা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভোরের দিকে কুয়াশা ঘনীভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং কুয়াশা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই কৃষকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পেঁয়াজসহ সংবেদনশীল ফসলের যত্নে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চৈত্রের প্রখর রোদ আর গরমের বদলে হঠাৎ করে ফিরে আসা শীতের এই আমেজ একদিকে যেমন প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন রূপ, অন্যদিকে কৃষকদের মনে তৈরি করেছে নতুন দুশ্চিন্তার ছায়া।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

 

ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঈদের নামাজ শেষে দুই দল গ্রামবাসী মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১৫/২০ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয় বলে জানা গেছে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলে এ সংঘর্ষ। দুই পক্ষ ঢাল, সরকি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। এ সময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে বারটার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ১২ জন আহত হন। এর জের ধরে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।