খুঁজুন
, ,

মুরগির শেডে লাভজনক হাঁস পালন, ফরিদপুরে পিকিং স্টার ১৩’ হাঁস এখন নতুন সম্ভাবনা

তামিম ইসলাম, ফরিদপুর
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫, ২:০৫ অপরাহ্ণ
মুরগির শেডে লাভজনক হাঁস পালন, ফরিদপুরে পিকিং স্টার ১৩’ হাঁস এখন নতুন সম্ভাবনা

ফরিদপুরের কোমরপুর গ্রামের নারী উদ্যোক্তা কামরুল নাহার বিদেশি জাতের ‘পিকিং স্টার ১৩’ হাঁস পালনের মাধ্যমে সাফল্যের নতুন গল্প রচনা করছেন। এই হাঁস পানির প্রয়োজন ছাড়াই খাঁচায় সহজে পালন করা যায়। মাত্র ৪৫ দিনে ৩ থেকে ৪ কেজি ওজনের হাঁস প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করে তিনি মোটা অঙ্কের লাভ করছেন। বাজারে এই হাঁসের ব্যাপক চাহিদা তার ব্যবসাকে দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে।

কামরুল নাহারের এই যাত্রা শুরু হয় প্রতিকূলতা কাটিয়ে। তিনি আগে মুরগি পালন করতেন, কিন্তু রোগব্যাধির কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন। এসময় সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি) নামে একটি এনজিও তাকে ‘পিকিং স্টার ১৩’ হাঁস পালনের পরামর্শ দেয়।
এসডিসি’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডাঃ বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, “কামরুল নাহারের মুরগির খামারে রোগের কারণে ক্ষতি হচ্ছিল। আমরা তাকে প্রশিক্ষণ ও ৫০টি হাঁসের বাচ্চা দিয়ে খামার শুরু করতে সাহায্য করি। দুটি বাচ্চা মারা গেলেও ৪৮টি হাঁস বিক্রি করে তিনি ৪৮ হাজার টাকা আয় করেন। এরপর তিনি ২০০টি বাচ্চা নিয়ে বড় পরিসরে পালন শুরু করেন। এখন তিনি ৫০০টি হাঁসের খামারের পরিকল্পনা করছেন।”
কামরুল নাহার বলেন, “মুরগি পালনে ক্ষতির পর আমি ভেবেছিলাম সব শেষ। এসডিসি’র সহায়তায় ‘পিকিং স্টার ১৩’ হাঁস পালন শুরু করি। এই হাঁস পালন সহজ, কম খরচে লাভ বেশি। এখন ফরিদপুরের হোটেল থেকে শুরু করে অন্য জেলাতেও আমার হাঁস সরবরাহ হচ্ছে। আমি শিগগিরই ৫০০ থেকে ১,০০০ হাঁস পালনের পরিকল্পনা করছি।”
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস বলেন, “কামরুল নাহারের ‘পিকিং স্টার ১৩’ হাঁস পালনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আমরা তাকে প্রযুক্তিগত পরামর্শ, ওষুধ সরবরাহ এবং বাজারজাতকরণে সহায়তা দিচ্ছি। তার হাঁস স্থানীয় হোটেল ও রেস্টুরেন্টে সরবরাহের জন্য আমরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছি। এই ধরনের উদ্যোগ নারীদের স্বনির্ভরতার পথকে শক্তিশালী করছে।”
কামরুল নাহারের প্রতিবেশীরা তার খামারের প্রতি আকৃষ্ট। তারা বলেন, “কেন দূরে গিয়ে বাড়তি খরচ করব? আমাদের গ্রামেই কামরুল নাহারের আধুনিক খামার থেকে তাজা ও স্বাস্থ্যকর হাঁস সহজে কিনে নিতে পারি।” এই সুবিধা তাকে স্থানীয়দের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
এছাড়া, তিনি হাঁস পালনের পাশাপাশি ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরি করে অতিরিক্ত আয় করছেন, যা তার উদ্যোগের বহুমুখী সাফল্যের প্রমাণ।
ডাঃ বিপ্লব কুমার মোহন্ত আরও বলেন, “ফরিদপুরের পাঁচটি উপজেলায় আমাদের প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষক ও খামারিদের পাশে দাঁড়াচ্ছি। কামরুল নাহারের সাফল্য অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা।”
কামরুল নাহারের সাফল্য এলাকার অনেককে ‘পিকিং স্টার ১৩’ হাঁস পালনে উৎসাহিত করেছে। তার এই অদম্য উদ্যোগ শুধু নিজের জীবনই বদলায়নি, বরং অন্যদের জন্যও স্বনির্ভরতার নতুন পথ দেখিয়েছে, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের সালথায় মো. মাহাবুবুর রহমান পাঞ্জু (৪৮) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে তাকে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া পাঞ্জু বল্লভদী ইউনিয়নের মধ্য ফুলবাড়িয়া গ্রামের মো. মজিবুর রহমান মোল্যার ছেলে। তিনি বল্লভদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা পাঞ্জুকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ প্রকাশের পর কানাইলাল শীলের জন্মভিটায় ডিসি, মিউজিয়াম নির্মাণের আশ্বাস

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের পর কানাইলাল শীলের জন্মভিটায় ডিসি, মিউজিয়াম নির্মাণের আশ্বাস

উপমহাদেশের কিংবদন্তি দোতারা বাদক, একুশে পদকপ্রাপ্ত লোকশিল্পী কানাই লাল শীলের অবহেলিত জন্মভিটা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজহারুল ইসলাম সরেজমিনে তাঁর জন্মভিটা পরিদর্শন করেছেন এবং স্মৃতিবিজড়িত ওই স্থান সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামে কানাই লাল শীলের বাড়ি পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন, লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিরু আলী ফকির, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংস্কৃতিকর্মী ও এলাকাবাসী।

পরিদর্শনকালে কানাই লাল শীলের বাড়িতে যাতায়াতের জন্য একটি উন্নত সড়ক নির্মাণ, একটি সংগীত শিক্ষালয়, স্মৃতিস্তম্ভ এবং তাঁর ব্যবহৃত স্মারক সংরক্ষণের জন্য একটি আধুনিক মিউজিয়াম নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে ইউএনওকে নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক।

এ সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “কানাই লাল শীল শুধু ফরিদপুর বা বাংলাদেশের নন, তিনি পুরো উপমহাদেশের লোকসংগীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কীভাবে এই বাড়িটিকে একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানে রূপ দেওয়া যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। খুব দ্রুতই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন বলেন, “জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী কানাই লাল শীলের বাড়ি সংরক্ষণ, সংগীত শিক্ষালয়, স্মৃতিস্তম্ভ ও মিউজিয়াম নির্মাণসহ সম্ভাব্য সব উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। স্থানীয়দের মতামত নিয়েও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।”

ফরিদপুরের লেখক ও গবেষক মফিজ ইমাম মিলন বলেন, “এটি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। দীর্ঘদিন ধরে আমরা কানাই লাল শীলের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছি। সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের এমন দ্রুত পদক্ষেপ সত্যিই আশাব্যঞ্জক। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হলে এটি শুধু একটি স্মৃতিবিজড়িত স্থানই নয়, বাংলা লোকসংগীত গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।”

এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে কানাই লাল শীলের অবহেলিত জন্মভিটা, জরাজীর্ণ স্মৃতিফলক, অরক্ষিত স্মারক এবং পরিবারের দীর্ঘদিনের হতাশার চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের পাশাপাশি প্রশাসনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপমহাদেশের এই কিংবদন্তি শিল্পীর স্মৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা হবে।

ফরিদপুরে লোডশেডিং-দ্রব্যমূল্যে অতিষ্ঠ জনজীবন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে লোডশেডিং-দ্রব্যমূল্যে অতিষ্ঠ জনজীবন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

গ্যাস সংকট, ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল আদায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ফরিদপুরে স্মারকলিপি দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, চলমান গ্যাস সংকট ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের কারণে দেশের শিল্প-কারখানা, কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং গৃহস্থালির স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা এবং বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ, সবজি, মাছ-মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল আদায়ের বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

স্মারকলিপিতে সাত দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য পুনর্বিবেচনা, অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি জোরদার, মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং জনভোগান্তি নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

স্মারকলিপিতে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জনস্বার্থ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, ১১ দলীয় ঐক্য ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক ও জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি কামরুল ইসলাম, মাওলানা নাজমুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল ওহাব, নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, পৌর শাখার সভাপতি ড. এহসানুল মোহাম্মদ রুবেলসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।