খুঁজুন
, ,

যে পাঁচটি শাক-সবজিতে দূরে থাকে ফ্যাটি লিভার

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
যে পাঁচটি শাক-সবজিতে দূরে থাকে ফ্যাটি লিভার

বর্তমানে ফ্যাটি লিভার একটি কমন সমস্যা। অনেকটা নীরবেই লিভারকে অকেজো করে দেয় এই অসুখ।

অনিয়মিত জীবনযাপন ও অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেকেই ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হন। প্রাথমিক অবস্থায় ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লে দ্রুত প্রতিরোধ করা সম্ভব।

 

স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে নির্দিষ্ট সবজির মিশ্রণ লিভারের চর্বি জমা কমাতে সাহায্য করে এবং লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করে। শাক-সবজিতে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি থাকে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং ভিটামিনের মাধ্যমে লিভারকে রক্ষা করে। এখানে ৫টি শাক ও সবজির কথা বলা হলো, যা কার্যকরভাবে ফ্যাটি লিভার রোগ দূরে রাখতে কাজ করে। দয়া করে মনে রাখবেন যে এগুলো সঠিক খাদ্য, কম চিনি, কম তেল এবং ব্যায়াম বজায় রাখার পাশাপাশি খেতে হবে।

পালং শাক

পালং শাকে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই এবং সি। যা লিভারের কোষকে ক্ষতি এবং প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। পালং শাকের ফাইবার উপাদান শরীরকে কম চর্বি শোষণ করতে সাহায্য করে, একইসঙ্গে হজমশক্তি উন্নত করে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুসারে, প্রতিদিন পালং শাক খাওয়ার ফলে লিভারের চর্বি জমা কম হয় এবং লিভারের এনজাইম উন্নত হয়। পালং শাকের উদ্ভিদ যৌগ মানুষের রক্তে শর্করার মাত্রা আরো ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। কারণ এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে যা লিভারের চর্বি সঞ্চয় হ্রাস করে।

ব্রকলি

ব্রকলিতে থাকা উপস্থিত গ্লুকোসিনোলেট লিভারকে ডিটক্সিফাই করতে এবং চর্বির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এগুলো ক্রুসিফেরাস সবজিতে পাওয়া প্রাকৃতিক যৌগ। ব্রকলি খেলে তা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা ফ্যাটি লিভার রোগের বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা ঘন ঘন ব্রকলি খান তাদের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি কম থাকে যা হজমশক্তি এবং লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। লিভারের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফাইং প্রক্রিয়া ব্রকলি খাওয়ার ফলে উপকৃত হয় যার ফলে লিভারের কার্যকারিতা উন্নত হয়। ব্রকলি খাওয়ার ফলে সুষম অন্ত্রের পরিবেশ তৈরি হয় যা শরীরের চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

গাজর

শরীর গাজর থেকে বিটা-ক্যারোটিনকে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত করে, যা লিভারের টিস্যু মেরামত করতে সাহায্য করে এবং রোগের অগ্রগতি ধীর করে দেয়। গাজরে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করা এবং চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, যা ফ্যাটি লিভার রোগের চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত গাজর খাওয়ার ফলে লিভারের কার্যকারিতা উন্নত হয় এবং লিভারের চর্বি জমা কম হয়। গাজরে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগ লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

কেল

সবুজ পাতাযুক্ত সবজি কেল-এ উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং ম্যাগনেসিয়াম খনিজ থাকে, যা লিভারের স্বাস্থ্য উন্নত করতে একসঙ্গে কাজ করে। কেল-এ পাওয়া পুষ্টি উপাদান ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে এবং লিভারের চর্বি সঞ্চয় হ্রাস করতে সাহায্য করে, যা ফ্যাটি লিভার রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কেলে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে এমন ফ্রি র‍্যাডিকেল অপসারণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, এই শাক বেশি খেলে লিভারের এনজাইম পরীক্ষার ফলাফল ভালো হয় এবং লিভারের চর্বি কমে, যা ফ্যাটি লিভার রোগ কমাতে সাহায্য করে। কেলে পাওয়া নাইট্রেটরক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করে এবং একই সঙ্গে লিভারের ফোলাভাব কমায়।

ব্রাসেলস স্প্রাউট

ছোট ক্রুসিফেরাস সবজি ব্রাসেলস স্প্রাউটে উচ্চ ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন থাকে। যা লিভারকে তার ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। ব্রাসেলস স্প্রাউটে থাকা প্রাকৃতিক যৌগ ইন্ডোল লিভারকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে এবং চর্বি জমা বন্ধ করে। ব্রাসেলস স্প্রাউট খাওয়ার ফলে লিভারের চর্বি জমা কম হয় এবং সেইসঙ্গে লিভারের ক্ষতি কমায়।

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে সেক আব্দুল্লাহ (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল্লাহ উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের চর অমরাপুর গ্রামের সেক শাহেদের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল পরিবারের সবার ছোট এবং অত্যন্ত আদরের সন্তান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পেছনে খেলাধুলা করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে থাকা বিষাক্ত সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। কামড় খাওয়ার পর শিশুটি বাড়িতে এসে মাকে জানায়, তাকে ‘ব্যাঙে কামড় দিয়েছে’। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যান, যিনি নিজেকে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন বলে পরিচয় দেন।

শিশুটির চাচি আখি আক্তার জানান, স্থানীয় শহীদ ফকির নামে এক ব্যক্তির কাছে নেওয়ার পর তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে কিছু সময় সেখানে কাটানো হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে শুরু করে।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও দুপুরের দিকে শিশুটি মারা যায়।

গাজিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক ফকিরের কাছে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

আব্দুল্লাহর অকাল মৃত্যুতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো চর অমরাপুর গ্রাম। প্রতিবেশীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আব্দুল কারিম মুন্সী (৪২) নামে এক ব্যক্তি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল কারিম মুন্সী ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মৃত জালাল মুন্সীর ছেলে। তিনি নগরকান্দার আলগাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী শেখের জামাতা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল কারিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং কোনো স্থায়ী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এসব কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকত। একপর্যায়ে কোরবানির ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী একতরফাভাবে তাকে তালাক দেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, তালাকের পর থেকেই আব্দুল কারিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনার আগের রাতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে আসেন। পরে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় শ্বশুর ওমর আলী শেখের টিনশেড বসতঘরের সিঁড়ির আড়ার সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নে শ্বশুরের সেবাযত্নকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে বিরোধের জেরে রিমা আক্তার (৩৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াজউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিমা আক্তার ওই এলাকার শাহেদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রিমার শ্বশুর জহির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। তাকে দেখাশোনা ও সেবাযত্ন করার বিষয় নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শ্বশুরের দেখভাল করা নিয়ে রিমা আক্তার ও তার স্বামী শাহেদ আলীর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রিমা আক্তার স্বামীকে বিভিন্ন কথা বলেন। পরে রাতের খাবার খেয়ে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরদিন শনিবার ভোরে শাহেদ আলী ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে গেলে ওই সুযোগে রিমা আক্তার ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।কিছুক্ষণ পর তার মেয়ে সাবিহা (৯) মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে শাহেদ আলী ওড়না কেটে তাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এসআই খায়রুল বাশার বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”