খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে দোতলা ভবন ধস, কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে দোতলা ভবন ধস, কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি

ফরিদপুর শহরের নিলটুলি স্বর্ণকারপট্টি এলাকায় বহুতল ভবনের পাইলিং কাজের সময় পাশের একটি দোতলা ভবনের একাংশ ধসে পড়েছে।

শুক্রবার (০৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঘটনার সময় ভবনে থাকা আরএফএল কোম্পানির বেস্টবাই শোরুমের কর্মীরা প্রাণে রক্ষা পান, তবে শোরুমের বিপুল পরিমাণ মালামাল নষ্ট হয়।

বেস্ট বাইয়ের কর্মীরা জানান, তারা সকালে এসে ফ্লোরের টাইলসে ফাটল দেখতে পান। ফাটল ধীরে ধীরে বড় হতে থাকলে ক্যাশ কাউন্টারের টেবিলটা সরিয়ে ফেলেন, এর মধ্যেই ধসে পড়ে ভবনের একপাশ।

ক্ষতিগ্রস্ত ভবন মালিকের অভিযোগ, তার ভবনের পাশেই একটি বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলছিল। ভবন থেকে তিন ফিট দূরত্বে ভবন করার নিয়ম থাকলেও সেটি না মেনেই বহুতল ভবন নির্মাণ করছিলেন সঞ্জয় কর্মকারসহ তিন ব্যক্তি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য নির্মাণাধীন ভবন মালিককে বলা হলেও কর্ণপাত না করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। নির্মাণাধীন ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করার সময় পার্শ্ববর্তী ভবন সংলগ্ন কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা প্যারাসাইলিং ব্যবস্থা না রেখেই পাইলিংয়ের (নিচের অংশ) কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল নির্মাণ শ্রমিকেরা। হঠাৎ করেই ফাটল দেখা দিয়ে ভবনটির একাংশ ধ্বসে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে সেখান থেকে দৌড়ে সরে পড়েন নির্মাণ শ্রমিক ও শোরুমটির কর্মচারীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত ভবন সংলগ্ন আরেকটি বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য পাইলিংয়ের কাজ চলছিল।

নির্মাণাধীন এই ভবনের মালিক স্থানীয় সঞ্জয় কর্মকার, অজয় কর্মকার ও সেলিম নামে আরেক ব্যক্তি। পাইলিংয়ের কাজ করার সময় পার্শ্ববর্তী ভবন সংলগ্ন কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা প্যারাসাইলিং ব্যবস্থা ছিল না। এই অবস্থায় পাইলিংয়ের (নিচের অংশ) কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল নির্মাণ শ্রমিকেরা। হঠাৎ করেই ফাটল দেখা দিয়ে ভবনটির একাংশ ধসে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে সেখান থেকে দৌড়ে সরে পড়েন নির্মাণ শ্রমিক ও শোরুমটির কর্মচারীরা।

ধসে পড়া ভবন ও বেস্টবাই ফ্রাঞ্চাইজের মালিক মনিরা খাতুনের দাবি এ ঘটনায় তার ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং তিনি এর বিচার দাবি করেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘বার বার নির্মাণাধীন ভবন মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে এবং নিয়ম মেনে কাজ করতে বলেছি। কিন্তু তারা রাতের আধারে আমার ভবনের নিচের মাটি সরিয়ে ফেলেছে, যার কারণে আজকের এই দুর্ঘটনা।’

তিনি বলেন, ‘পৌরসভার নিয়ম অনুযায়ী ৩ ফিট দূরত্ব রেখে কাজ করার কথা থাকলে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই কাজ চালিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার সকালে উল্টা আমার কর্মচারীদের হুমকি-ধমকিও দেয়া হয়।’

ঘটনাস্থলে ছুটে আসা শহরের বাসিন্দা মোজাফফর আলী মুসা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘ভবন নির্মাণ করতে হলে পৌরসভার অনুমোদনের প্রয়োজন হয় এবং তা সঠিকভাবে তদারকির দায়িত্ব তাদের। যদি সঠিকভাবে তদারকি হতো তাহলে এমন দুর্ঘটনা নাও ঘটতে পারতো।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভবন মালিক সঞ্জয় কর্মকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

ঘটনাস্থলে আসা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ আলম জানান, খবর পেয়ে তারা এখানকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন, জানা মতে এখানো কোনো অভিযোগ পায়নি পুলিশ, অভিযোগ পেলে সেটা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে পৌরসভার প্রশাসক মো. সোহরাব হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই, খোঁজ নিয়ে বিষয়টি জানানো হবে।

ফরিদপুরে ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দিয়েছে ফরিদপুর জেলা শাখা ছাত্রদল।

​রবিবার (০৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফরিদপুর জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক এনামুল করিম রেজা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

​নোটিশে অভিযুক্ত দুই নেতা হলেন—নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম (লিখন) এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান (বাবু)।

​বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য ও অভিযোগ জেলা ছাত্রদলের কাছে এসেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কেন তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা জানতে চেয়ে এই নোটিশ জারি করা হয়েছে।

​নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার মধ্যে নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম (লিখন) ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান (বাবু)-কে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু এবং সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েস-এর কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে এই কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে হবে।

​জেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল নেতারা জানান, সংগঠনকে সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও অনুশাসনে রাখা ছাত্রদলের মূল অগ্রাধিকার। যেকোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ বা দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী আচরণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে অভিযুক্ত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী কড়া সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলফাডাঙ্গায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে শিক্ষক সংগঠনের শুভেচ্ছা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে শিক্ষক সংগঠনের শুভেচ্ছা

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিক্ষক সমাজের শীর্ষ দুই সংগঠন ‘শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট’ এবং ‘শিক্ষক সমিতি’র নেতৃবৃন্দ।

​শনিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ হলরুমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে এই ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

​সংগঠন দুটির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি মনিরুজ্জামান মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এবং শিক্ষক সমিতির উপজেলা শাখার সভাপতি মোস্তাক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম। তাঁদের যৌথ নেতৃত্বে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সংসদ সদস্যের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন।

​শুভেচ্ছা বিনিময়কালে শিক্ষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে বলেন, “বর্তমানে মাধ্যমিক শিক্ষা সেক্টরকে জাতীয়করণের দাবিতে সারা দেশেই শিক্ষক সমাজ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলেছে। শিক্ষক ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আমরা প্রধান অতিথির কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, তিনি যেন এই ন্যায়সংগত দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন এবং তা বাস্তবায়নে সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।”

​অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

লিবিয়ায় কারাগারে ফরিদপুরের ২৪ তরুণ, ৩ বছর ধরে নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
লিবিয়ায় কারাগারে ফরিদপুরের ২৪ তরুণ, ৩ বছর ধরে নিখোঁজ

জীবিকার তাগিদে ভালো চাকরির আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদপুরের সালথা, নগরকান্দা ও বোয়ালমারী উপজেলার ২৪ জন তরুণ। কিন্তু ২০২৩ সালে লিবিয়ায় যাওয়ার পর থেকে দীর্ঘ তিন বছর ধরে তারা নিখোঁজ। পরিবারের দাবি, মানবপাচারকারী দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে তারা বর্তমানে লিবিয়ার বিভিন্ন কারাগারে বন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এখন সন্তানদের জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরে পাওয়ার আকুতি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অসহায় স্বজনরা।

​ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দালাল পারভেজ মোল্লা বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওই ২৪ তরুণকে লিবিয়ায় পাঠান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর থেকেই স্বজনদের সঙ্গে তাদের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন সালথা উপজেলার রিয়াজ মোল্লা, তুহিন সরদার, ফিরোজ মোল্লা, তানভীর মোল্লা, সালমান মোল্লা, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামের মো. হাচিবুল হাচান এবং ভাওয়াল ইউনিয়নের বারখাদিয়া গ্রামের রবিউল ইসলামসহ ২৪ জন।

​সন্তানের জন্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে হাচিবুলের মা বলেন, “তিন বছর ধরে আমার ছেলের কোনো খবর নেই। প্রতিদিন অপেক্ষা করি, হয়তো একবার ফোন দেবে। সরকারের কাছে হাতজোড় করে আকুতি জানাচ্ছি, আমার সন্তানকে জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে দিন।”

​নিখোঁজ রবিউল ইসলামের বাবা নান্নু খান আক্ষেপ করে বলেন, “জমি বিক্রি ও ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। আজ আমার টাকা-পয়সাও শেষ, ছেলেরও কোনো খোঁজ নেই। আমরা শুধু আমাদের সন্তানকে ফেরত চাই।”

​নিখোঁজদের ফেরাতে ‘পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা’র চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “২৪টি পরিবার আজ পুরোপুরি নিঃস্ব ও অসহায়। কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়ে দ্রুত তাদের পরিচয় যাচাই করে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।”

​নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন জানান, বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আবেদন পাওয়ার পর তাদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

​ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহাম্মদ আল ফাহাদ জানান, মানবপাচারকারী দালাল চক্রের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে।

​এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত দালাল পারভেজ মোল্লার মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তার বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।