খুঁজুন
, ,

ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খান সব ভালো কাজের পাশে আছে

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খান সব ভালো কাজের পাশে আছে

আমরা সবসময় সমাজে ভালো কাছের পাশে আছি, মানুষের সেবার ক্ষেত্রে আমরা কখনো পিছ পা হই না। আমাদের দানগুলো চলে খুব গোপনে। বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দিকে আমাদের নজর সবসময় বেশি। আমরা আমাদের সেবার মান মানুষের দোরগোড়ায় পোঁছাতে চাই। এ জন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও সামর্থন চাইলেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খানের আপন ছোট ভাই মো. ওবাইদুর রহমান খান।’

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদি সালামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা বার্ষিক ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মুফতি ইব্রাহিম হোসের পরিচালনায় এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন- আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্মাদক খোশবুর রহমান খোকন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যার শেখ দেলোয়ার হোসেন, বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির নেতা সৈয়দ সাইফুর রশীদ লুলু, মডেল সমজিদের খতিব ও ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি শামীম রেজা ও আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ওবাইদুর রহমান খান আরও বলেন, আমাদের জীবনে কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। এখন শুধু মানুষের খেদমত করতে চাই। আমরা এলাকায় বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে চাই। মধুখালীতে আমাদের দুটি পাট কল ও একাধিক কারখানা রয়েছে, সেখানে হাজার হাজার মানুষ কর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করছে। আমরা এ অঞ্চলে শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ইতোমধ্যে আমাদের সে কাজ শুরু হয়ে গেছে। আমরা সংসদ সদস্য হলে আমাদের সেবার কাজ আরো বেগবান হবে ইনশাল্লাহ। আমরা আপনাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের পরিবারের বড় ভাই আবুল বাশার খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে।

ফরিদপুরে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের শ্রদ্ধা, বিএনপির বিজয় র‌্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের শ্রদ্ধা, বিএনপির বিজয় র‌্যালি

ফরিদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’। দিবসটি উপলক্ষে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনার পাশাপাশি জেলা বিএনপির উদ্যোগে ‘ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার দিবস’ উপলক্ষে বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (০৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের হাসিবুল হাসান লাভলু সড়কে অবস্থিত ‘শহীদ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ সর্বপ্রথম শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, বিএনপি এবং বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকারীদের অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার (এসপি) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা, সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপন, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ, জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, বন বিভাগ, জেলা তথ্য অফিস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, নির্বাচন অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জাতীয় যুব শক্তি, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, দুর্নীতি দমন কমিশন, শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ‘ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার দিবস’ উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিজয় র‌্যালি বের করা হয়। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছার সভাপতিত্বে র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জনতা ব্যাংক মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।

র‌্যালিতে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল, দেলোয়ার হোসেন দিলা, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাহফুজুর রহমান সবুজসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

পথসভায় বক্তারা বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটেছে। হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এ বিজয়ের চেতনা ধারণ করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে দেশে যাতে আর কোনো স্বৈরাচার বা একনায়কতান্ত্রিক শাসনের উত্থান না ঘটে, সে লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তারা।

এছাড়া ফ্যাসিবাদ পতন দিবস (৫ আগস্ট) উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা বিএনপি ও মহানগর বিএনপির আয়োজনে বিকাল সাড়ে ৪টায় শহরের থানা রোড়ে (ফলপট্রি) এক বিশাল গন সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ফরিদপুর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।

ফরিদপুরে রেলস্টেশনে হারিয়ে যাওয়া শিশুর অপেক্ষায় দিন গুনছে মা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রেলস্টেশনে হারিয়ে যাওয়া শিশুর অপেক্ষায় দিন গুনছে মা

ফরিদপুরে রেলস্টেশন থেকে মানুষের ভিড়ের মধ্যেই হারিয়ে যাওয়া তিন বছরের মো. বাপ্পি নামে এক সন্তানের অপেক্ষায় দিন গুনছেন মা শারমীন আক্তার। ঘটনার প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মেলেনি তার কোনো খোঁজ। শেষ আশ্রয় হিসেবে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে সন্তানকে ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন শিশুটির মা।

ফরিদপুর কোতোয়ালী থানায় বুধবার (৫ আগস্ট) করা জিডি সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিশু মো. বাপ্পির (৩) গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সিংহ প্রতাপ গ্রামে। পরিবারের সঙ্গে ফরিদপুর শহরের কমলাপুর (কি পাইলাম মোড়) এলাকায় বসবাস করছিল সে।

শিশুটির মা শারমীন আক্তার বনানী জিডিতে উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে ফরিদপুর রেলস্টেশনে মানুষের ভিড়ের মধ্যে থেকে তার একমাত্র ছেলে নিখোঁজ হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হলেও শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

জিডিতে শিশুটির শারীরিক বর্ণনাও দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, বাপ্পির গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যামলা, মুখম-ল গোলাকার, মাথার চুল কালো ও ছোট এবং উচ্চতা প্রায় ২ ফুট ৩ ইঞ্চি। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল একটি হাফ প্যান্ট ও বেগুনি রঙের হাফহাতা গেঞ্জি। বয়স কম হওয়ায় সে নিজের নাম ছাড়া অন্য কোনো পরিচয় বলতে পারে না শিশুটি।

মা শারমীন আক্তার বনানী বলেন, “আমার একমাত্র সন্তানকে ফিরে পাওয়ার জন্য সব জায়গায় খুঁজেছি। এখনও কোনো খোঁজ পাইনি। কেউ যদি আমার ছেলেকে দেখে থাকেন বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন, তাহলে দয়া করে আমাকে (মোবাইল নম্বর ০১৭২৭-৪৬৬৩৫৪) বা নিকটস্থ থানায় জানাবেন।”

ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, জিডি গ্রহণের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শিশুটির সন্ধান পেতে প্রয়োজনীয় আইনগত ও অনুসন্ধানমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। কোনো ব্যক্তি শিশুটির সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানায় অথবা ফরিদপুর কোতোয়ালী থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সালথায় সীমানা প্রাচীরহীন বিদ্যালয়ে ঝুঁকিতে ১৩৪ শিক্ষার্থী, আতঙ্কে অভিভাবক

জাকির হোসেন, সালথা:
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
সালথায় সীমানা প্রাচীরহীন বিদ্যালয়ে ঝুঁকিতে ১৩৪ শিক্ষার্থী, আতঙ্কে অভিভাবক

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে সীমানা প্রাচীর না থাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের মধ্য দিয়েই স্থানীয় লোকজনের চলাচল, পাশেই মাদ্রাসা এবং ব্যস্ত সড়কের সংলগ্ন অবস্থান সব মিলিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত বিদ্যালয়ের চারপাশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা প্রয়োজন।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামের ৫৪নং বড়খারদিয়া দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির চারপাশে কোনো সীমানা প্রাচীর নেই। ফলে বিদ্যালয়ের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষের পাশ দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় মানুষ অবাধে চলাচল করছেন। বিদ্যালয়ের পাশেই একটি মাদ্রাসা থাকায় বাইরে থেকে সহজে বোঝার উপায় নেই কোনটি বিদ্যালয় আর কোনটি মাদ্রাসা। বিদ্যালয়টি প্রধান সড়কের পাশে হওয়ায় টিফিনের সময় ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের সড়কে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে।

জানা যায়, ১৯৯০ সালে প্রায় ৪৫ শতাংশ জমির ওপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও তিনজন সহকারী শিক্ষিকা দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ১৩৪ জন। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক শাখায় ২৫ জন, প্রথম শ্রেণিতে ২০ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২৪ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ২৪ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ২১ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ২০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
শুধু সীমানা প্রাচীরের অভাবই নয়, বিদ্যালয়ে কোনো দপ্তরী (অফিস সহায়ক) না থাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায়ও নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। বিদ্যালয় বন্ধ থাকলে ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। অনেক সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।

স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর না থাকায় সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা সবসময় উদ্বিগ্ন থাকেন। টিফিনের সময় কিংবা ছুটির পরে শিশুরা কখন রাস্তায় চলে যায়, সেই আশঙ্কা থেকেই যায়। দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. এবাদত আলী খান বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টি রাস্তা সংলগ্ন হওয়ায় এবং সীমানা প্রাচীর না থাকায় টিফিনের সময় শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হয়। বিদ্যালয় কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর এসে অনেক সময় দেখি ছোটখাটো জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। অতীতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের আঙিনায় গাছ লাগালেও সেগুলো সংরক্ষণ করা যায় না।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ে একজন দপ্তরী নিয়োগ দেওয়া হলে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা এবং বিদ্যালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ অনেক সহজ হবে।

স্থানীয়দের আশা, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও সুন্দর শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং দপ্তরী নিয়োগের উদ্যোগ নেবে।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। বিদ্যালয়ের জায়গা সার্ভেয়ার দিয়ে পরিমাপ করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।