খুঁজুন
, ,

নায়ক রিয়াজের মৃত্যুর খবর নিয়ে যা জানা গেল

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
নায়ক রিয়াজের মৃত্যুর খবর নিয়ে যা জানা গেল

হঠাৎ করেই মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর খবর। তবে এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য মেলেনি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিরও এ বিষয়ে ধারণা নেই।

এ বিষয়ে জানতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের ঘনিষ্ঠ একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এমনটা হওয়ার কথা না। আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম। এমন কিছু হয়ে থাকলে এতক্ষণে তোলপাড় হয়ে যেত।’

৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যান রিয়াজ। তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কেউই জানেন না। গুঞ্জন রয়েছে, পালিয়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। আবার কেউ বলছেন, দেশেই আছেন কোথাও। রিয়াজের ব্যবহৃত নম্বরটিও বন্ধ রয়েছে।

শেখ হাসিনার পতনের আগ পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বেশ সরব ছিলেন রিয়াজ। বেশ কয়েকবার তাকে শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হতেও দেখা গেছে।

নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে টানা দুই যুগ রিয়াজ ছিলেন ঢালিউডের শীর্ষ জনপ্রিয় মুখ। ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নাম লেখান তিনি। এরপর একে একে অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন।

২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রিয়াজ অভিনীত সর্বশেষ ‘অপারেশন সুন্দরবন’ সিনেমাটি মুক্তি পায়। এরপর আর নতুন কাজে তার দেখা মেলেনি।

 

 

তথ্য সূত্র : জাগোনিউজ

৯৯৯-এ ফোন, ঢাকায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেল ফরিদপুরে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
৯৯৯-এ ফোন, ঢাকায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেল ফরিদপুরে উদ্ধার

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চুরি হওয়া একটি মোটরসাইকেল ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন বড় মসজিদ থেকে মো. সাইদুল ইসলাম সাহেদ নামে এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, তিনি মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে মোটরসাইকেলটি পার্কিং করে রাখেন। নামাজ শেষে ফিরে এসে দেখতে পান, মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে।

পরে মোটরসাইকেলে থাকা জিপিএস ট্র্যাকার থেকে সেটির অবস্থান শনাক্ত করে ৯৯৯ নম্বরে জানান তিনি। একই সঙ্গে মোটরসাইকেলটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

৯৯৯ নম্বর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কলারের দেওয়া লোকেশন অনুযায়ী ফরিদপুর জেলা পুলিশ কন্ট্রোলরুমকে বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল মাসুমা আকন্দ কলটি গ্রহণ করেন। এরপর ৯৯৯-এর পুলিশ ডিসপাচার এএসআই সিরাজুল ইসলাম কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয় করেন।

৯৯৯ থেকে সংবাদ পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার একটি দল মোটরসাইকেল উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। পরে ফরিদপুর জেলা পরিষদের সামনে থেকে FZ Version-2, ঢাকা মেট্রো-ল-৫২-৫৮৪৭ নম্বরের চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

পরবর্তীতে মোটরসাইকেলের মালিক ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় উপস্থিত হলে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তার কাছে মোটরসাইকেলটি হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং জিপিএস প্রযুক্তির সহায়তায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ফরিদপুরে ইয়াবাসহ ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ বৃষ্টি গ্রেপ্তার, ১ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে ইয়াবাসহ ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ বৃষ্টি গ্রেপ্তার, ১ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষীপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি মেহেরুন্নেসা বৃষ্টি ওরফে মেহুকে (২৩) ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের (সামারি ট্রায়াল) মাধ্যমে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

​রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ফরিদপুর শহরের ২ নম্বর কুঠিবাড়ি গুহলক্ষীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের একটি দল রোববার বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বসতবাড়ির সামনের গলি থেকে বৃষ্টিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তার তল্লাশি চালিয়ে মেথামফেটামিনযুক্ত ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

​গ্রেপ্তারের পর আসামিকে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

‘আলফাডাঙ্গায় জেলেদের ভিজিএফ কার্ড না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক’: ইলিয়াস মোল্লা

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
‘আলফাডাঙ্গায় জেলেদের ভিজিএফ কার্ড না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক’: ইলিয়াস মোল্লা

মাছের প্রজনন ও পোনা সুরক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের আয়ের বিকল্প পথ বন্ধ থাকে। অথচ এমন সংকটের মুখেও আলফাডাঙ্গার জেলেদের জন্য ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. ইলিয়াস মোল্লা।

​রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লা বলেন, “মা মাছ ও পোনা রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলাই নিবন্ধিত জেলেদের প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার সময় অন্তত তাদের দুই বেলা খাবারের নিশ্চয়তা দেওয়া রাষ্ট্রের কর্তব্য। জেলে পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দের ডিও পাঠাতে আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিচ্ছি।”

​প্রয়োজনে নিজে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জেলেদের ন্যায্য অধিকার আদায় করে আনার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ফরিদপুর-১ আসনের এই জনপ্রতিনিধি।

​আলফাডাঙ্গা উপজেলার মৎস্য খাতের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “এ উপজেলায় উৎপাদিত মাছের পরিমাণ স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরে পাঠানোর মতো। সরকার ঘোষিত ‘যার জাল, তার জলাধার’ নীতি মাঠপর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করে সরকারি জলাশয়গুলো উন্মুক্ত করা গেলে এ অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক মানুষের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এতে জাতীয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনও বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব।”

​দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মৎস্য ও কৃষিবিদদের অবদানের প্রশংসা করে তিনি গবেষণানির্ভর আধুনিক মৎস্য চাষের ওপর তাগিদ দেন। একইসঙ্গে নতুন গবেষক তৈরি এবং জাতীয়পর্যায়ে মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

​উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন— ​এগ্রিকালচারালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের মহাসচিব কৃষিবিদ শেখ মোহাম্মদ মাসউদ,​আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আল-আমিন,​উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন,​উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা কামাল হোসাইন ও সেক্রেটারি এস এম হাফিজুর রহমানসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

​এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদের পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন অতিথিরা। কর্মসূচি শেষে স্থানীয় মৎস্য খাতের উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ উপজেলার তিনজন সফল মৎস্যচাষীকে সম্মাননা পদক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।