খুঁজুন
, ,

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রায় দেন।

এর আগে বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

গত ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

মামলাটিতে বাদীপক্ষে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। এরপর আসামিরা সাফাই সাক্ষ্য দেন।

মামলাটিতে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনও শেষ হয়।
২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়।

তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তাদের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

এ মামলায় ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপর একই বছরের ৬ মার্চ মহানগর দায়রা জজ আদালতে নাসির ও তামিমা অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন। অন্যদিকে সুমি আক্তারকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করেন বাদীপক্ষ।

২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের রিভিশন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ মামলাটির বিচার চলবে বলে আদেশ দেন। এরপর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

ফরিদপুরে চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যায় মামলা, আসামি ৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যায় মামলা, আসামি ৪৩

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় চা দোকানি রবিউল ইসলাম শেখ রবি (৫৬) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

​বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

​এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত রবিউলের ভাতিজা নাজমুল শেখ বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

​থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়বাগ গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য কুদ্দুস শেখের ছেলে মো. হোসাইন শেখকে এই হত্যাকাণ্ডের মূল নির্দেশদাতা (হুকুমের আসামি) করা হয়েছে। অভিযুক্ত অন্য আসামিরাও একই এলাকার বাসিন্দা।

​মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রবিউল বড়ভাগ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং পার্শ্ববর্তী গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা সদর বাজারে চা বিক্রি করতেন। ঘটনার রাতে দোকান বন্ধ করে নিজ গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে হোসাইন শেখের নেতৃত্বে একদল হামলাকারী দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রবিউলের মৃত্যু হয় এবং সঙ্গে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন।

​আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার জানান, নিহতের ভাতিজার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

​উল্লেখ্য, বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে গত ২৬ জুন সুমন শেখ (৩০) নামে এক যুবক খুন হন। নিহত রবিউল ছিলেন সুমনের চাচা। ওই সুমন হত্যা মামলারও প্রধান হুকুমের আসামি ছিলেন হোসাইন শেখ। পূর্বের মামলায় আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এলাকায় আসার পরই এ নতুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অবশেষে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন পদে মঞ্জুর এ এলাহীর পদায়ন বাতিল

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ
অবশেষে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন পদে মঞ্জুর এ এলাহীর পদায়ন বাতিল

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে ডা. এস এম মঞ্জুর এ এলাহীর বদলি ও পদায়নের আদেশ বাতিল করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর পদায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অংশ বাতিল করা হয়।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর জারি করা স্মারকমূলে ডা. এস এম মঞ্জুর এ এলাহীকে ওএসডি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা থেকে সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব), ফরিদপুর হিসেবে বদলি/পদায়নের ক্ষেত্রে তাঁর জন্য প্রযোজ্য অংশ নির্দেশক্রমে বাতিল করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন হিসেবে পদায়ন বাতিলের দাবিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন ছাত্র সমাজ। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিক্ষোভকারীরা ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগ তুলে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁকে স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে না রাখার দাবি করেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ওই সময় নবনিযুক্ত সিভিল সার্জনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের উপস্থিতিও দেখা যায়। পরে আপাতত অবরোধ স্থগিত করে আন্দোলনকারীরা পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে সতর্ক করেন।

এর দুই দিন পরই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে বদলি/পদায়নের আদেশ বাতিলের কথা জানানো হলো।

প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), ফরিদপুরের সিভিল সার্জন/সহকারী পরিচালক এবং জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

সালথার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন স্বপ্ন, নির্মাণ হবে মিনি স্টেডিয়াম

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১০ পূর্বাহ্ণ
সালথার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন স্বপ্ন, নির্মাণ হবে মিনি স্টেডিয়াম

ফরিদপুরের সালথায় এবার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যাচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। এরই মধ্যে স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত জমি অধিগ্রহণের সংশোধিত প্রস্তাব জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে প্রকল্পটি।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় সালথায় এ মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ভূমি-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে সংশোধিত অধিগ্রহণ প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাঠানো সংশোধিত প্রস্তাবে প্রস্তাবিত জমির মৌজা ম্যাপ, ভূমির বাজারমূল্য, রেকর্ডীয় মালিকানার তথ্য, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে কি না—সে সংক্রান্ত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রস্তাবিত জমি এক ফসলি, দুই ফসলি না তিন ফসলি, জমিটি নদী-খাল-পাহাড় বা টিলা শ্রেণির কি না এবং খাস বা অর্পিত সম্পত্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—এসব তথ্যও যাচাই করা হয়েছে।
চিঠিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ সালের স্মারকের পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার ৭ এপ্রিল ২০২৫ সালের সংশ্লিষ্ট স্মারকের উল্লেখ রয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সালথায় দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক ও পর্যাপ্ত ক্রীড়া অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ থাকলেও সেগুলো নিয়মিত খেলাধুলা, বড় টুর্নামেন্ট কিংবা প্রশিক্ষণের জন্য সবসময় ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হলে সেই সংকট অনেকটাই কাটবে বলে মনে করছেন তারা।

তবে তারা অভিযোগ করে বলেন, আশেপাশের অধিকাংশ উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ শেষ হলেও অদৃশ্য কারণে এ উপজেলাটিতে এখনও স্টেডিয়াম নির্মাণ শুরু হয়নি। তাইতো ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনার দাবি তাদের।।

সালথার স্কুলছাত্র রুমান শেখ বলেন, ‘আমরা মাঠে খেলতে চাই। কিন্তু ভালো ও নির্দিষ্ট মাঠের অভাব রয়েছে। মিনি স্টেডিয়াম হলে নিয়মিত ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলার সুযোগ পাব। আমাদের জন্য এটি অনেক আনন্দের খবর।’

স্কুলশিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে পূর্ণাঙ্গ বিকাশ সম্ভব নয়। খেলাধুলা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মিনি স্টেডিয়াম হলে সালথার শিক্ষার্থীরা আরও বেশি খেলাধুলায় যুক্ত হবে।’

কৃষক জমির খাঁ বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েদের জন্য ভালো একটা খেলার জায়গা দরকার। মাঠ থাকলে তরুণরা খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকবে। এতে তারা নানা ধরনের খারাপ অভ্যাস থেকেও দূরে থাকবে।’

সালথা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘মিনি স্টেডিয়াম হলে সালথার তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে। স্থানীয় খেলোয়াড়রা অনুশীলন করতে পারবেন এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা সম্ভব হবে। দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা দরকার।’

সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ বলেন, ‘সালথায় অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। কিন্তু উপযুক্ত অবকাঠামোর অভাবে তাদের অনেকেই সামনে এগোতে পারে না। মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ হলে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হবে।’

সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ওহিদুজ্জামান ওহিদ বলেন, ‘মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ সালথার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। এটি বাস্তবায়িত হলে শুধু খেলাধুলা নয়, বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় ক্রীড়া আয়োজনের সুযোগও তৈরি হবে। তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।’

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে বলেন, ‘সালথায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণের সংশোধিত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্যাদি সংযুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও পরবর্তী সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাবে।’

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তাদের মতে, একটি আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে উঠলে সালথার মাঠে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরি হবে, বাড়বে ক্রীড়া চর্চা এবং তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ।