খুঁজুন
, ,

পদ্মা পাড়ে আগাম পেঁয়াজ চাষে বদলাচ্ছে ফরিদপুরের চরাঞ্চলের অর্থনীতি

মো. নুর ইসলাম, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:২৬ পূর্বাহ্ণ
পদ্মা পাড়ে আগাম পেঁয়াজ চাষে বদলাচ্ছে ফরিদপুরের চরাঞ্চলের অর্থনীতি

একসময় পদ্মা নদীর পাড় মানেই ছিল নদীভাঙন, অনিশ্চয়তা আর ফসল হারানোর শঙ্কা। বর্ষা এলেই বসতভিটা ও জীবিকার নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে থাকতেন চরাঞ্চলের মানুষ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। ফরিদপুরে পদ্মা নদীর তীরবর্তী চর ও নদী পাড়ের জমিতে আগাম (মুড়িকাটা) পেঁয়াজ চাষ করে এখন লাভের মুখ দেখছেন কৃষকেরা। আগাম পেঁয়াজ চাষ এখন ফরিদপুরের চরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার পদ্মা পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখন চোখে পড়ে সবুজ পেঁয়াজক্ষেত। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, নদীর পাড় ঘেঁষে সবুজ কার্পেট বিছানো হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষকেরা এসব ক্ষেতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। পাশাপাশি সালথা, মধুখালী ও বোয়ালমারী উপজেলাতেও এ বছর আগাম পেঁয়াজ চাষ হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

আগাম পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকি কম, লাভ বেশি:

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাধারণ মৌসুমের তুলনায় আগাম (মুড়িকাটা) পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকি কম এবং লাভ বেশি। সাধারণত অক্টোবরের শেষ দিকে গুটি পিয়াজ রোপণ করা হয়। ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারির শুরুতেই পেঁয়াজ তোলা শুরু হয়। এ সময় বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়। মাত্র ৬০–৭০ দিনের মধ্যেই পেঁয়াজ বাজারজাত করা সম্ভব হওয়ায় কম সময়ে বেশি লাভ হচ্ছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের গোলডাঙ্গী গ্রামের কৃষক শেখ জলিল বলেন, “আমি ৬৬ শতাংশ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করেছি। প্রতি বিঘায় প্রায় ৬০–৭০ হাজার টাকা খরচ হলেও ফলন হয়েছে ৫০ মণের বেশি। মাঠ থেকেই মনপ্রতি ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। এতে প্রতি বিঘায় আয় হয়েছে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা।”
তিনি আরও বলেন, “এলসি এলে পেঁয়াজের দাম কমে যায়, তাই আগাম কাঁচা পেঁয়াজ তুলে বিক্রি করেছি।”

পদ্মা পাড়ের বেলে-দোআঁশ মাটি পেঁয়াজ চাষে উপযোগী:

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে ফরিদপুর জেলায় আগাম পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ২৮০ হেক্টর জমি। এর বিপরীতে চাষ হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৫ হেক্টরে। এতে প্রায় ৮২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।

পদ্মা পাড়ের বেলে-দোআঁশ মাটি পানি দ্রুত নিষ্কাশন করতে পারে, ফলে পচন ও রোগবালাই কম হয়। শীত মৌসুমের রোদ ও হালকা ঠান্ডা আবহাওয়া মুড়িকাটা পেঁয়াজের গুণগত মান ও স্বাদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহাদুজ্জামান বলেন, “মুড়িকাটা পেঁয়াজ মূলত আগাম জাত। ফরিদপুর সদর ও সদরপুর উপজেলার পদ্মা পাড়ে এর চাষ বেশি হয়েছে। সঠিক পরিচর্যা করলে বিঘাপ্রতি ভালো ফলন পাওয়া যায় এবং কৃষকেরা অল্প সময়েই লাভবান হন।”

ক্ষেত থেকেই বিক্রি, কমছে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য:

এ বছর অনেক কৃষক ক্ষেত থেকেই পাইকারদের কাছে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। এতে পরিবহন খরচ ও ঝুঁকি কমছে। পদ্মা পাড়ের আগাম পেঁয়াজ ফরিদপুরের স্থানীয় হাট ছাড়িয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বড় বাজারে সরবরাহ হচ্ছে।

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দুদুখানপাড়া গ্রামের কৃষক শামচু শেখ জানান, “লিজ নিয়ে একশো শতাংশ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করেছি। ক্ষেত থেকেই পাইকার পেঁয়াজ নিয়ে যায় বলে ঝামেলা কম। বর্তমানে মনপ্রতি ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।”

নারীদের অংশগ্রহণে বাড়ছে কর্মসংস্থান:

আগাম পেঁয়াজ তোলা, পরিষ্কার ও বাছাইয়ের কাজে স্থানীয় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এতে চর ও নদী পাড় এলাকায় অস্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী শ্রমিক বলেন, “প্রতি ঝাঁকা পেঁয়াজ কাটায় ১০–২০ টাকা পাই। এতে সংসারের খরচে সহায়তা হয়।”

চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা:

সব সম্ভাবনার মাঝেও আগাম পেঁয়াজ চাষে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অকাল বৃষ্টি বা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে ফসল ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। এছাড়া পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগারের অভাবে অনেক সময় কৃষকেরা ন্যায্য দামের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন না। কৃষকদের মতে, সরকারি সহায়তা ও আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে ফরিদপুরে আগাম পেঁয়াজ চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে।

বদলাচ্ছে পদ্মা পাড়ের জীবনচিত্র:

সব মিলিয়ে ফরিদপুরের পদ্মা পাড়ে আগাম পেঁয়াজ চাষ কৃষকদের জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। নদীভাঙন ও অনিশ্চয়তার মাঝেও সবুজ এই ফসল হয়ে উঠেছে চরাঞ্চলের মানুষের স্বাবলম্বিতার প্রতীক। আগাম পেঁয়াজ এখন ফরিদপুরের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুদকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুদকের অভিযান

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট অভিযান শুরু করেছে সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

​সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর থেকে দুদক কার্যালয়ের একটি চৌকস টিম হাসপাতালে এ অভিযান পরিচালনা করে।

​দুদক সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে রোগীদের কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা না দিয়ে হয়রানি করা, দালাল চক্রের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালের রোগীদের ভাগিয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। এছাড়া আউটসোর্সিং নিয়োগে অর্থ আত্মসাৎ এবং সরকারি ওষুধ বাইরে পাচার ও বিক্রি করার মতো একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এনফোর্সমেন্ট টিম এ অভিযান শুরু করে।

​অভিযানকালে দুদক কর্মকর্তারা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, প্রশাসনিক শাখা ও ফার্মেসি ঘুরে দেখেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও রেজিস্টার যাচাই-বাছাই করেন।

​অন্যদিকে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসাক ও কর্মকর্তারা জানান, দুদকের তদন্ত কাজে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সব ধরনের দাপ্তরিক তথ্য দিয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুর জেলা দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুস্তাফিজ জানান, প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনক্রমে চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালানো হচ্ছে।

​তিনি আরও জানান, অভিযান এখনো চলছে। তদন্ত শেষে যেসব অনিয়ম বা তথ্য পাওয়া যাবে, তার বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে। পর্যবেক্ষণ শেষ হলেই সামগ্রিক বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

চরভদ্রাসনে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে সারাদেশের ন্যায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​সোমবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে ভার্চ্যুয়ালি এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। দেশের অন্যান্য উপজেলার মতো চরভদ্রাসন উপজেলা থেকেও প্রতিনিধিরা সরাসরি এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

​উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিনি কনফারেন্স রুমে ভার্চ্যুয়ালি এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়।

​চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জাহীদ তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান বিন ইসলাম, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, গাজীরটেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী, চর ঝাউকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান মৃধা, উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মো. অহিদুজ্জামান মোল্যা, সদস্য মো. কুদ্দুস আলী ও যুবদল সভাপতি মো. মোজাফফর হোসেন জাফর। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কর্মী ও তথ্যসংগ্রহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং হরিরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। প্রথম ধাপের এ কাজে ১৩ জন তথ্যসংগ্রহকারী ও দুইজন সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য সব ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ পরিচালনা করা হবে।

 

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু

নারীর ক্ষমতায়ন, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিয়োজিত তথ্যসংগ্রহকারীরা পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন।

​পরবর্তীতে সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে যোগ্য পরিবার নির্বাচন করে তাদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

​সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা মিনি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন এ প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করে।

​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সভাপতিত্বে প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রভাস সেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ঝুমুর সরকার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল হক রিপন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির।

​প্রেস কনফারেন্সে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব জানান, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে। এতে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।