খুঁজুন
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯ মাঘ, ১৪৩২

ভোরের আলোয় সবুজ গ্রামবাংলা, আশা আর জীবনের প্রতিচ্ছবি

হারুন-অর-রশীদ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০২ এএম
ভোরের আলোয় সবুজ গ্রামবাংলা, আশা আর জীবনের প্রতিচ্ছবি

ভোর মানেই নতুন আশা, নতুন আলো। দিনের প্রথম প্রহরে প্রকৃতি যখন ধীরে ধীরে জেগে ওঠে, তখন গ্রামবাংলা যেন নিজের সবচেয়ে সুন্দর রূপে ধরা দেয়। ছবিতে ধরা পড়া এই ভোরের দৃশ্যটি ঠিক তেমনই—সবুজ ফসলের মাঠের বুক চিরে উঠে আসা সোনালি সূর্য, দূরের গাছপালার আবছা রেখা আর কুয়াশা মাখা নীরবতা।

রাতের অন্ধকার পেরিয়ে সূর্য যখন পূর্ব আকাশে উঁকি দেয়, তখন চারপাশের রঙ বদলে যেতে শুরু করে। আকাশের কমলা আর হলুদ আভা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে মাঠজুড়ে। সবুজ জমির ওপর সূর্যের আলো পড়ে সৃষ্টি করে এক অনন্য দৃশ্য—যা শুধু চোখে দেখার নয়, অনুভব করারও।

এই ভোরের মাঠ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি নয়, এটি গ্রামবাংলার জীবনের প্রতীক। এখান থেকেই শুরু হয় কৃষকের দিনের কাজ। ভোরের আলো ফোটার আগেই মাঠে নামেন অনেক কৃষক। কেউ জমিতে পানি দেখছেন, কেউ ফসলের অবস্থা যাচাই করছেন, আবার কেউ প্রস্তুতি নিচ্ছেন নতুন দিনের পরিশ্রমের জন্য।

গ্রামের ভোর মানেই আলাদা এক শব্দের জগৎ। দূরে আজানের ধ্বনি, পাখির ডাক, গরুর ঘণ্টা, কোথাও কোথাও লাঙলের শব্দ—সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক শান্ত অথচ জীবন্ত পরিবেশ। ছবির নীরবতার ভেতরেও যেন লুকিয়ে আছে সেই চিরচেনা শব্দগুলো।

এই সবুজ মাঠ বাংলাদেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতির বাস্তব চিত্র। দেশের একটি বড় অংশের মানুষের জীবিকা জড়িয়ে আছে এই মাঠের সঙ্গে। ধান, সরিষা, গম কিংবা সবজি—মাঠের বুকেই জন্ম নেয় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার ভিত্তি। ভোরের আলোয় এই মাঠ তাই শুধু সৌন্দর্য নয়, এটি পরিশ্রম, ধৈর্য আর জীবনের গল্প।

প্রতিটি ভোর যেন নতুন করে আশার বার্তা নিয়ে আসে। কৃষকের কাছে ভোর মানে নতুন সম্ভাবনা—আজ হয়তো ফসল ভালো হবে, আজ হয়তো শ্রমের ফল মিলবে। শহরের ব্যস্ত জীবনে এই ভোর অনেক সময় অদৃশ্য থেকে যায়, কিন্তু গ্রামে ভোরই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।

এই ছবিতে দেখা সরু পথটি যেন সময়ের সাক্ষী। দিনের পর দিন এই পথ ধরে কৃষক হেঁটেছেন মাঠে, কাঁধে কোদাল বা লাঙল নিয়ে। বর্ষা, শীত কিংবা গ্রীষ্ম—সব ঋতুতেই এই পথ সাক্ষী থেকেছে গ্রামীণ জীবনের গল্পে।

ভোরের সূর্য শুধু আলো দেয় না, উষ্ণতাও ছড়িয়ে দেয়। শীতের সকালে এই সূর্যের আলো শরীরে লাগে স্বস্তি হয়ে। কুয়াশা ধীরে ধীরে সরে যায়, স্পষ্ট হতে থাকে চারপাশ। প্রকৃতির এই পরিবর্তনের মুহূর্তগুলো গ্রামবাংলায় খুব স্বাভাবিক, অথচ অসাধারণ।

বর্তমান সময়ে যখন নগরজীবনের কংক্রিট আর প্রযুক্তির ভিড়ে প্রকৃতি অনেকটাই আড়ালে, তখন এমন ভোরের দৃশ্য আমাদের শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। মনে করিয়ে দেয়—এই দেশ, এই মানুষ, এই জীবন কতটা প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল।

অনলাইন দুনিয়ায় চোখ বুলালে প্রতিদিনই অসংখ্য খবর আসে—রাজনীতি, অপরাধ, সংকট আর সংঘাতের সংবাদ। তার ভিড়ে এমন একটি ভোরের ছবি আর গল্প পাঠকের মনে এনে দিতে পারে প্রশান্তি। এটি মনে করিয়ে দেয় জীবনের সহজ সৌন্দর্যের কথা।

এই ভোর শুধু একটি দিনের শুরু নয়, এটি আশা আর টিকে থাকার গল্প। সবুজ মাঠের মতোই গ্রামবাংলার মানুষও বারবার ঘুরে দাঁড়ায়। প্রতিটি সূর্যোদয় যেন বলে যায়—আবার শুরু করা যায়, আবার সামনে এগোনো যায়।

সবুজের বুকে জেগে ওঠা এই সূর্য তাই কেবল প্রকৃতির দৃশ্য নয়, এটি বাংলাদেশের হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি। ভোরের আলোয় ভিজে থাকা এই মাঠ আমাদের শেখায়—সহজ জীবনে, নীরবতায় আর পরিশ্রমে লুকিয়ে আছে প্রকৃত সৌন্দর্য।

ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ভুয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ভুয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার কিষাণহাটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির সময় মো. আরিফ শেখ (৩৯) নামে এক ভুয়া সাংবাদিককে হাতেনাতে আটক করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলে বিশেষ আইনে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প।

সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন এবং স্থানীয় পুলিশের একটি যৌথ দল কিষাণহাট এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে মো. আরিফ শেখকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি নিজেকে ‘দৈনিক ঘোষণা’ পত্রিকার প্রতিনিধি দাবি করেন। তবে পরবর্তীতে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা ও চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। আটক আরিফ শেখ গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন জানান, সেনাবাহিনীর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিশেষ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) ভোররাতে সেনাবাহিনীর অভিযানে মো. জহির মোল্যা (৪১) নামে আরেক ভুয়া সাংবাদিককে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

সেনা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক জহির মোল্যা ও আরিফ শেখ ফরিদপুরের একটি ভূঁইফোড় সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।

 

ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অপু ঠাকুরকে অব্যাহতি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অপু ঠাকুরকে অব্যাহতি

ফরিদপুর জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো. হাসিবুর রহমান (অপু ঠাকুর)-কে দলীয় সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জাতীয় নাগরিক পার্টির দপ্তর সেলের সদস্য মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ও নীতিগত অবস্থান বজায় রাখার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে মো. হাসিবুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে কেন্দ্রে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি দলীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে এলে তদন্ত ও পর্যালোচনার মাধ্যমে তাকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। অব্যাহতির ফলে মো. হাসিবুর রহমান এখন থেকে দলের কোনো সাংগঠনিক পদে বহাল থাকবেন না এবং দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায় তার কোনো ভূমিকা থাকবে না।

এ বিষয়ে দলীয় একাধিক নেতা জানান, এনসিপি একটি শৃঙ্খলাভিত্তিক রাজনৈতিক দল। এখানে ব্যক্তির চেয়ে দলের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। কেউ যদি দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনার বাইরে গিয়ে কাজ করেন, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এটাই দলের অবস্থান।

ফরিদপুর জেলা এনসিপির রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে দলের কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়লেও কেন্দ্রীয় নেতারা আশাবাদী, দ্রুতই সাংগঠনিক শূন্যতা পূরণ করা হবে এবং দলীয় কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যাবে।

এদিকে অব্যাহতির বিষয়ে মো. হাসিবুর রহমানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনাকে এনসিপির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা জোরদারের অংশ হিসেবে দেখছেন।

ভাঙ্গার চৌকিঘাটায় মৃত্যু ফাঁদ! ভেঙে পড়া ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর ও সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫২ এএম
ভাঙ্গার চৌকিঘাটায় মৃত্যু ফাঁদ! ভেঙে পড়া ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা এলাকায় ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের মাঝখান ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজ দিয়েই প্রতিদিন শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও বিকল্প পথ না থাকায় কাঠ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ীভাবে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৌকিঘাটা থেকে ঘারুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সহজ পথ হলো এই ব্রিজটি। কয়েক মাস আগে ব্রিজের মাঝখানে ফাটল দেখা দিলে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। পরে ঘারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আংশিক মেরামত করা হলেও তা টেকসই হয়নি। সর্বশেষ গত শনিবার চৌকিঘাটা থেকে ঘারুয়া সড়কের বিটুমিন ঢালাই কাজ চলাকালে রাস্তা সমান করার রোলার ব্রিজের ওপর উঠলে আবারও ব্রিজের মাঝখান ভেঙে যায়। এরপর থেকে ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।

এলাকাবাসী জানান, ব্রিজটি বিশ্বাস বাড়ি ও শেখ বাড়ির মাঝখানে অত্যন্ত সরু করে নির্মাণ করা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুই পাশের জমি ভরাট হয়ে গেলেও ব্রিজটি আগের অবস্থাতেই রয়ে গেছে। ফলে ব্রিজটির কার্যকারিতা অনেকটাই হারিয়েছে। ব্রিজটি সরু হওয়ায় একসঙ্গে দুটি যানবাহন চলাচল করতে পারে না। তার ওপর দুই পাশে কোনো রেলিং না থাকায় যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা লিয়াকত মাতুব্বর বলেন, “প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়েই আমাদের চলাচল। বাচ্চারা স্কুলে যায়, রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়। ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় এখন প্রাণ হাতে নিয়ে পার হতে হচ্ছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নেবে কে?”

আরেক বাসিন্দা বাদল হোসেন জানান, “এখানে ব্রিজ না রেখে একটা কালভার্ট করা হলে সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। বারবার মেরামত করে লাভ নেই।”

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মোহাম্মদ মালিক নাজমুল হাসান বলেন, “ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি আমি অবগত। আপাতত কোনো বরাদ্দ না থাকায় বড় কাজ করা সম্ভব নয়। তবে নির্বাচন শেষ হলে বরাদ্দ পেলে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দ্রুতই আমি নিজে সরেজমিনে ব্রিজটি পরিদর্শন করব।”

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ্-আবু-জাহের বলেন, “বিষয়টি আগে জানা ছিল না। আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। চৌকিঘাটা মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রিজের মাঝখান ভেঙে পড়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত স্থায়ী সমাধান হিসেবে নতুন কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।