খুঁজুন
, ,

ভাঙ্গার টোল প্লাজায় র‌্যাবের অভিযান: সাড়ে ৪ লাখ টাকার গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গার টোল প্লাজায় র‌্যাবের অভিযান: সাড়ে ৪ লাখ টাকার গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় র‌্যাবের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৫ কেজি গাঁজাসহ কামাল খাঁন (৪৬) নামের এক পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভাঙ্গার আতাদী টোল প্লাজা এলাকায় র‌্যাব-১০ এর একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

গ্রেফতারকৃত কামাল খাঁন গোপালগঞ্জের মোকছেদপুর উপজেলার বাহাড়া গ্রামের মৃত তফসির খাঁনের পুত্র বলে জানা গেছে।

র‌্যাব ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০ জানতে পারে যে, একটি চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে গাঁজা সংগ্রহ করে ফরিদপুরের ভাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা আতাদী টোল প্লাজা এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় একটি অভিযানে কামাল খাঁনের কাছ থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক সাড়ে ৪ লাখ টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কামাল খাঁন নিজেকে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ভাঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন।

এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মধুমতির পেটে আশ্রয়ণের ঘর: নদীতীরে ঝুপড়িতে মাখন-হাসিনাদের মানবেতর জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর ও আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
মধুমতির পেটে আশ্রয়ণের ঘর: নদীতীরে ঝুপড়িতে মাখন-হাসিনাদের মানবেতর জীবন

দূর থেকে দেখলে মনে হবে ফেলে রাখা কোনো পরিত্যক্ত কুঁড়েঘর। কিন্তু কাছে পৌঁছাতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে রূঢ় বাস্তবতা। ঝুপড়ির ভেতরে মানুষের হাঁসফাঁস লড়াই, টিকে থাকার আকুতি। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের চাপুলিয়া আশ্রায়ণ প্রকল্পে মধুমতি নদীর পাড়ে এখন এমনই এক করুণ চিত্র। নদীভাঙনে মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে নদীতীরেই ঝুপড়ি বেঁধে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন নিঃস্ব দুটি পরিবার।

​চাপুলিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পটি মধুমতি নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর বাসিন্দাদের অধিকাংশ অন্যত্র চলে গেছেন। কিন্তু আশ্রয় খোঁজার সামর্থ্য না থাকায় নদীপাড়েই পলিথিন ও ছন দিয়ে তৈরি ছোট ঝুপড়িতে স্ত্রী ও চার সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছেন দিনমজুর মাখন রবি দাস।

​হতাশা আর কষ্টের কথা জানাতে গিয়ে মাখন রবি দাস বলেন, “একসময় আলফাডাঙ্গা বারাশিয়া নদীর শ্মশান ঘাটে থাকতাম। পরে ২০১২ সালে সরকার এইখানে থাকার জায়গা দেয়। ভালোই চলছিল দিন। কিন্তু এক সপ্তাহ আগে আমাদের ঘরটা নদীতে চলে গেল! এই দুনিয়ায় আমার আর কোনো জায়গা নেই। তাই পরিবার নিয়ে নদীর পাড়েই রাত কাটাচ্ছি।”

​পাশে দাঁড়িয়ে চোখের জল মুছতে মুছতে তাঁর স্ত্রী রিতা দাস বলেন, “অন্যের বাড়িতে কাজ করে সন্তানদের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিই। রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না, মনে হয় এই বুঝি নদীতে ভেসে গেলাম!”

​একই চিত্র ধরা পড়ে পাশের চাপুলিয়া গুচ্ছগ্রাম এলাকাতেও। ভাঙনের মুখে পড়ে সবাই সরে গেলেও অসুস্থ স্বামী, বৃদ্ধা মা ও চার সন্তানকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে সামান্য ছাউনি টাঙিয়ে দিন পার করছেন হাসিনা বেগম।

​আবেগাপ্লুত হয়ে হাসিনা বলেন, “আমার স্বামীর নিজের কোনো জমিজমা নেই। সরকার গুচ্ছগ্রামে ঠাঁই দিলে এখানে এসেছিলাম। কিন্তু কয়েকদিন আগে আমাদের সেই শেষ সম্বলটুকুও নদী গিলে খেয়েছে। স্বামী খুব অসুস্থ, কাজ করতে পারেন না। ঘরে বৃদ্ধা মা আর চার ছোট সন্তান। নিজে মানুষের বাড়ি কাজ করে যা পাই, তা দিয়েই কোনোমতে সবার পেট চালাই।”

​স্থানীয় বাসিন্দা মো. নাহিদ বলেন, “নদীতে সব হারিয়ে পরিবার দুটো আজ পুরোপুরি নিঃস্ব। তাদের কোথাও যাওয়ার বিন্দুমাত্র জায়গা নেই।”

​বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম কালু বলেন, “বিত্তবানদের উচিত এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো। দ্রুত তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।”

​টগরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া আসাদুজ্জামান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সাহায্যের ব্যবস্থা করতে দ্রুত উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হচ্ছে।

​এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ,কে,এম রায়হানুর রহমান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “আশ্রয়ণ প্রকল্পের কোনো ঘর ফাঁকা আছে কি না তা খুঁজে বের করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি সরকারি কোনো খাস জমিতে তাঁদের ঘর তৈরি করে দেওয়া যায় কি না, সে বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।”

ফরিদপুরের খরসূতী-বেলজানী সড়ক যেন মরণ ফাঁদ, তিন দশকেও মেলেনি পিচ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের খরসূতী-বেলজানী সড়ক যেন মরণ ফাঁদ, তিন দশকেও মেলেনি পিচ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বেলজানী-খরসূতী এলাকার মানুষের একমাত্র ভরসা খরসূতী সরকারি কলেজ থেকে খরসূতী ঈদগাহ পর্যন্ত আধা কিলোমিটারের একটু বেশি দীর্ঘ সড়কটি। কিন্তু ইটের সলিং বিছানো দীর্ঘদিনের পুরাতন খানাখন্দে ভরা রাস্তাটি এখন চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠেছে।

​কাঁধে বইয়ের ব্যাগ, চোখে আগামীর স্বপ্ন নিয়ে প্রতিদিন এই পথেই স্কুলে যায় শিশুরা। তবে ভাঙা ইটে পদে পদে হোঁচট খেয়ে ছোট ছোট পাগুলো ছিলে রক্ত ঝরছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর আগেই কোমলমতিদের সইতে হচ্ছে অবর্ণনীয় কষ্ট। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—আর কতকাল সইতে হবে এই ভোগান্তি?

​দৈর্ঘ্যে আধা কিলোমিটারের সামান্য বেশি হলেও এটিই পুরো এলাকার যোগাযোগের মূল চালিকাশক্তি। এর পূর্ব প্রান্তে রয়েছে খরসূতী ঈদগাহ ময়দান, যেখানে প্রতি দুই ঈদে ময়না, ঘোষপুর, সাতৈর ও গুনবহাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ সমবেত হন। কাছেই বেলজানী-খরসূতী কাশেমুল উলুম মাদরাসা, একটি মহিলা মাদরাসা এবং বর্ণী বাজার।

​পশ্চিমে রয়েছে খরসূতী সরকারি কলেজ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চন্দ্র কিশোর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ডাকঘর ও খরসূতী বাজার। এই পথ ব্যবহার করেই পাশের মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার জাঙ্গালিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ও কৃষকরা উৎপাদিত পণ্য নিয়ে হাটে যান। বানিয়াড়ী, হাটখোলা, রানীদৌলা-কুঠি ও ইচাখালী গ্রামের মানুষের নিত্যদিনের গন্তব্য এই জরাজীর্ণ সড়ক।

​স্থানীয় বাসিন্দা ও একটি জাতীয় দৈনিকের সহযোগী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিজান উর রহমান জানান, ১৯৯১ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য প্রয়াত জননেতা আব্দুর রউফ মিয়া ফরিদপুর চিনিকলের বরাদ্দে এখানে ইটের সলিং করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকে সংস্কারের কোনো ছোঁয়া লাগেনি।

​যত্ন আর মেরামতের অভাবে ইট উঠে গিয়ে পুরো রাস্তাটি এখন বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। ভারী যানবাহন তো দূরের কথা, রিকশা-ভ্যান বা পায়ে হেঁটে চলাই দায়। বর্ষাকালে পানি জমে কাদা-পানিতে একাকার হয়ে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নেয়।

​সম্প্রতি ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য ড. ইলিয়াস মোল্লার কাছে সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের জোর দাবি জানান স্থানীয়রা। এমপি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। ময়না ইউনিয়নের জামায়াত আমীর মো. আবু জাফর সিদ্দিকী বলেন, “এমপি মহোদয়কে গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশা করছি, পরবর্তী বাজেটে বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।”

​এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা প্রকৌশলী পূর্ণেন্দু সাহা জানান, সড়কটির বেহাল দশার বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে সড়কটির আইডি ভেরিফিকেশন ও আইডি অন্তর্ভুক্তির প্রাক-প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নতুন প্রাক্কলন (ইস্টিমেট) তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হচ্ছে। বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই দরপত্র আহ্বান করে কাজ শুরু করা হবে।

​বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম. রকিবুল হাসান বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। সড়কটি দ্রুত মেরামতের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দ্রুত চিঠি পাঠাব, যাতে জনগণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হয়।”

​এখন কেবল বাস্তবায়নের অপেক্ষা। হাজারো মানুষের প্রত্যাশা—অচিরেই যেন প্রশাসনিক আশ্বাস বাস্তবায়িত হয় এবং শিশুরা নিশ্চিন্তে মসৃণ পথে স্কুলে যেতে পারে।

সালথায় বিস্ফোরক মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
সালথায় বিস্ফোরক মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের সালথায় একটি বিস্ফোরক মামলায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক স্থানীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

​গ্রেপ্তার হওয়া নেতার নাম হেমায়েত হোসেন (৫৫)। তিনি সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। হেমায়েত মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী বাতাগ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সালথা থানা পুলিশের একটি টিম কাগদী বাজারে অভিযান চালায়। এসময় সেখানে অবস্থানরত হেমায়েত হোসেনকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে সালথা থানায় বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা রয়েছে, যার মধ্যে একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা অন্তর্ভুক্ত।

​গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে জানান, “একটি বিস্ফোরক মামলায় আসামি হেমায়েত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নাশকতাসহ থানায় আরও একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।”

​ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিকালে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।