খুঁজুন
, ,

ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী দোলনকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র!

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী দোলনকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র!

ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুর রহমান দোলনের প্রার্থিতা স্থগিতের ঘটনায় গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আইনজ্ঞরা। তাদের মতে, বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারে থাকার সময় এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যাখ্যাতীত।

গত রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ফরিদপুর-১ আসনে আরিফুর রহমান দোলনের প্রার্থিতা স্থগিত ঘোষণা করেন। জোনায়েদ হোসেন নামে ওই আসনের এক ভোটারের করা লিভ টু আপিলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে জোনায়েদ হোসেন দাবি করেন, আরিফুর রহমান দোলন কৃষক লীগের সহ-সভাপতি এবং একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, কৃষক লীগের সর্বশেষ ঘোষিত কোনো কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় কমিটিতে আরিফুর রহমান দোলনের নাম নেই।

আইনজীবীরা বলছেন, যে গেজেটের দোহাই দিয়ে আরিফুর রহমান দোলনের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, সেখানে একটি সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিকে নয়। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিষিদ্ধ না হলে তাঁর প্রার্থী হওয়ার অধিকার খর্ব করার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘ঋণখেলাপি বা দ্বৈত নাগরিক না হলে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না করলে কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত করার আইনগত ভিত্তি নেই। ব্যক্তি নিষিদ্ধ না হলে তিনি শতভাগ বৈধ প্রার্থী।’

আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দীন অসীম বলেন, ‘আরিফুর রহমান দোলন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী বৈধ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তিনি কোনো নিষিদ্ধ দলের প্রতীকে নির্বাচন করছেন না। তাঁর প্রার্থিতা স্থগিত পুরো নির্বাচনকেই প্রশ্নের মুখে ফেলবে।’

আইনজ্ঞদের মতে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) কোথাও বলা নেই যে আওয়ামী লীগ বা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতা বা কর্মী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। আরপিওতে প্রার্থিতার অযোগ্যতার কারণ হিসেবে মূলত ঋণখেলাপি হওয়া, দ্বৈত নাগরিকত্ব, আদালতে দণ্ডিত হওয়া কিংবা নির্দিষ্ট অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখ আছে।

এদিকে আবেদনকারী বোয়ালমারী উপজেলার কুশাডাঙ্গার বাসিন্দা জোনায়েদ হোসেন নিজেকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দিলেও স্থানীয়ভাবে তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। জানা গেছে, জোনায়েদ হোসেনের বাবা আবু লাইস ও মা সাবিকুন নাহার জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় রুকন হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে, দেশের বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন আরও কেউ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকলেও তাদের প্রার্থিতা নিয়ে কোনো আপত্তি তোলা হয়নি। ফরিদপুর-১ আসনে আরিফুর রহমান দোলনের জনপ্রিয়তা বেশি হওয়ায় তাঁকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

আরিফুর রহমান দোলন নিজেও এই সিদ্ধান্তকে ‘পরিকল্পিত’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করতে লিখিত কপি প্রয়োজন। কিন্তু সেটিও এখন আমাকে দেওয়া হচ্ছে না। আমাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য পুরো ছকটি সাজিয়ে রাখা হয়েছে।’

এমন পরিস্থিতিতে ফরিদপুর-১ আসনের নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় ভোটারদের একটি অংশ।

মিথ্যা মামলা দায়ের: ফরিদপুরে স্বামী-স্ত্রীর ৩ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
মিথ্যা মামলা দায়ের: ফরিদপুরে স্বামী-স্ত্রীর ৩ বছরের কারাদণ্ড

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করে আদালতের সময় নষ্ট এবং বিবাদীকে হয়রানির অভিযোগে ফরিদপুরে এক নারী ও তার স্বামীকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

​দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—মামলার বাদী রিনা আক্তার এবং তার স্বামী ১ নম্বর সাক্ষী মাসুদ বেপারী। তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী.

​আদালত সূত্রে জানা যায়, অদ্য ০৭/১০/২০২৬ তারিখে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে উল্লেখিত মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে বাদী রিনা আক্তার এবং তার স্বামী মাসুদ বেপারী বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দি ও সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিবাদী/আসামিপক্ষের আইনজীবী সাক্ষীদের বিশদ জেরা করেন।

​জেরার একপর্যায়ে বাদী রিনা আক্তার ও ১ নম্বর সাক্ষী মাসুদ বেপারীর প্রদত্ত জবাবে পরস্পরবিরোধী ও অসত্য তথ্যের প্রমাণ মেলে। তাদের জবানবন্দি ও জেরার জবাব বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞ বিচারক শামীমা পারভীন নিশ্চিত হন যে, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও বিবাদীকে সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।

​আদালত সূত্র আরও নিশ্চিত করে, সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মামলাটি যে সম্পূর্ণ বানোয়াট তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিবাদীকে অন্যায্য হয়রানি এবং আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করার অপরাধে বিচারক শামীমা পারভীন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানে বাদী রিনা আক্তার ও তার স্বামী মাসুদ বেপারীকে ৩ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

​রায় ঘোষণার পরপরই আদালত কক্ষে অবস্থানরত দুই আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং সাজা পরোয়ানা মূলে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানান,মিথ্যা মামলা প্রতিরোধে আদালতের এই কঠোর অবস্থান সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।

ফরিদপুরে পাঁচ বছর পর কিশোর ওমর হত্যার রহস্য উন্মোচন, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পাঁচ বছর পর কিশোর ওমর হত্যার রহস্য উন্মোচন, গ্রেপ্তার ১

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে কিশোর ওমর আলী হত্যার পাঁচ বছর পর রহস্য উন্মোচন করেছে ফরিদপুরের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে নজরুল ইসলাম (৩৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

​বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় পিবিআই ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রবিউল ইসলাম।

​গ্রেফতার নজরুল ইসলাম রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের ঢোলজানী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

​পিবিআই জানায়, ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারি ঢোলজানী গ্রামের একটি ঘাসক্ষেত থেকে ওমর আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজের তিন দিন পর মরদেহ উদ্ধারের পরদিন নিহতের বাবা আহেদ শেখ বাদী হয়ে বালিয়াকান্দি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।

​দীর্ঘ তদন্ত ও সুরতহাল প্রতিবেদনে পাওয়া আলামত বিশ্লেষণ করে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত নজরুলকে গ্রেফতার করে পিবিআই। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন।

​সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে নজরুল স্বীকার করেছেন, দুই আসামির স্ত্রীর সঙ্গে ওমরের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে—এমন ক্ষোভ থেকেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ কাজের জন্য ৫০ হাজার টাকার চুক্তিও করা হয়।

​তিনি আরও জানান, ঘটনার রাতে বাড়ি ফেরার পথে ওমরকে তুলে নিয়ে একটি ঘরে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালানো হয় এবং ধারালো চাকু দিয়ে জখম করা হয়। পরদিন স্বজনরা ওমরের খোঁজে নামলে আসামিরা আতঙ্কিত হয়ে ওই রাতেই তাকে হত্যা করে মরদেহ পাশের একটি ঘাসক্ষেতে ফেলে রেখে যায়।

​এ হত্যাকাণ্ডে মোট পাঁচজন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে নজরুল আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। ঘটনায় জড়িত বাকিদের গ্রেফতার ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

​সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে প্রলোভনে কোটি টাকার বিনিয়োগ, পাওনা ফেরত চাওয়ায় হুমকির মুখে ব্যবসায়ী

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে প্রলোভনে কোটি টাকার বিনিয়োগ, পাওনা ফেরত চাওয়ায় হুমকির মুখে ব্যবসায়ী

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় গরুর খামার পরিচালনা, জমি লিজ নেওয়া এবং ঘাস ও ভুট্টা চাষের বিভিন্ন খাতে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেও তাঁর পাওনা ও বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন মো. নাসিরুজ্জামান নামের এক ব্যবসায়ী। একই সঙ্গে নিজের পাওনা টাকা চাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা, আইনি নোটিশ প্রদান এবং নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

​বুধবার (৭ অক্টোবর) আলফাডাঙ্গা ডাকবাংলো সংলগ্ন একটি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাসিরুজ্জামান এসব অভিযোগ করেন।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকার মোহাম্মদীয়া এলাকার এমডি মো. ইমামুল হক জনির আহ্বানে তিনি ঢাকায় যান এবং তাঁর প্রতিষ্ঠানে লজিস্টিক ইনচার্জ হিসেবে যোগ দেন। সেখানেই ইউসুফ আল আমিন নামের এক কোম্পানি পরিচালক ও গরুর খামারের মালিকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়।

​নাসিরুজ্জামানের দাবি, পরবর্তীতে ইউসুফ আল আমিন তাঁর বাড়িতে এসে খামার ও ঘাস চাষের সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন এবং খামার পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেন। প্রথমে রাজি না হলেও নানা সুযোগ-সুবিধা ও বেতন বৃদ্ধির আশ্বাসে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

​দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আলফাডাঙ্গার মালা এলাকায় ২১ একর এবং শুকুরহাটায় ২৫ একরসহ বিভিন্ন এলাকায় জমি লিজ নিয়ে ঘাস ও ভুট্টা চাষ শুরু করেন। জমি লিজ, ঘাস ও ভুট্টা চাষ, শ্রমিকের মজুরি, বীজ সংগ্রহ ও পরিচর্যা বাবদ তিনি মোট প্রায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় করেন।

​তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ও বিপুল অর্থ ব্যয় করা সত্ত্বেও তাঁকে promised বেতন বা বিনিয়োগের কোনো টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি, যা তাঁকে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।

​সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “পাওনা টাকা ও ক্ষতির বিষয়ে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। আমার নামে আদালতে মামলা করা হয়েছে, আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

​তিনি আরও জানান, কৃষিকাজ পরিচালনার সময় স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে সার, বীজ ও চাষাবাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া হয়েছিল এবং সমস্ত খরচের হিসাব ও দাপ্তরিক কাগজপত্র তাঁর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলনে নাসিরুজ্জামান তাঁর ব্যয়ের হিসাব নিরপেক্ষভাবে যাচাই, পাওনা বেতন ও টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা এবং হুমকির বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।

​অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউসুফ আল আমিনের ফোনে একাধিকবার কল এবং বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।