খুঁজুন
, ,

বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজানো দুঃখীরামের জীবনে আজ নীরবতা—পা হারিয়ে লড়ছে মৃত্যুর সাথে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজানো দুঃখীরামের জীবনে আজ নীরবতা—পা হারিয়ে লড়ছে মৃত্যুর সাথে

এক সময় বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ডাকতেন, সবার ছোট-বড় প্রয়োজন মিটিয়ে নীরবে দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু আজ সেই মানুষটিই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, নিঃসঙ্গতা আর অসহায়ত্বের ভার বয়ে বেড়াচ্ছেন।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার জাটিগ্রাম মমতাজউদ্দিন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত দপ্তরী বাবু সুকুমার বিশ্বাস, যাকে এলাকাবাসী ‘দুঃখীরাম’ নামেই বেশি চেনেন, বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি আছেন। দীর্ঘদিন ধরে পায়ে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দেয়। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক হয়ে ওঠে যে, চিকিৎসকদের শেষ পর্যন্ত তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি শারীরিকভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করে অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালের শয্যায় দিন কাটাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শৈশবেই পিতৃহীন হয়ে পড়েন সুকুমার বিশ্বাস। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে ওঠা এই মানুষটির আশ্রয় হয় স্থানীয় ঘোষ পরিবারে। প্রয়াত মোহিত মোহন ঘোষের সহানুভূতি ও সহযোগিতায় তিনি জাটিগ্রাম মমতাজউদ্দিন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরীর চাকরি পান। দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে অবসর নিলেও জীবনের শেষ সময়ে এসে তাকে লড়তে হচ্ছে চরম অনিশ্চয়তার সঙ্গে।

তার নিজের কোনো জমিজমা নেই, নেই কোনো স্থায়ী আয়ের উৎস কিংবা নিকট আত্মীয়স্বজনের সহায়তা। চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার শরীরে রক্তস্বল্পতা (হিমোগ্লোবিন কম) ও সংক্রমণের মাত্রা আশঙ্কাজনক। সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হলে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, ওষুধ, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং একটি হুইলচেয়ার—যার জন্য প্রয়োজন বড় অঙ্কের অর্থ।

তার ভাগ্নে সৈকত ঘোষ জানান, “মামা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি। এখন পা কেটে ফেলার পর তার চিকিৎসা আরও ব্যয়বহুল হয়ে গেছে। আমাদের পক্ষে এই খরচ বহন করা একেবারেই সম্ভব হচ্ছে না।”

বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিটান্ত কুমার ঘোষ বলেন, “দুঃখীরাম দাদা শুধু একজন দপ্তরী নন, তিনি আমাদের বিদ্যালয়ের ইতিহাসের অংশ। তার মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষকে এভাবে অসহায় অবস্থায় দেখতে খুব কষ্ট হয়। আমরা সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছি।”

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আতিয়ার রহমান বলেন, “বিদ্যালয়ের শুরু থেকে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। আজ তার এই দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ সমাজের সবার প্রতি সাহায্যের জন্য অনুরোধ জানাই।”

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, “বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে সরকারিভাবে সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

ফরিদপুরে পৌরসভার জায়গা উদ্ধার, অবৈধ প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পৌরসভার জায়গা উদ্ধার, অবৈধ প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ

ফরিদপুর পৌরসভার মালিকানাধীন জমি উদ্ধার ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

​মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের গোয়ালচামট হাজরাতলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

​অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা কবির চৌধুরী পৌরসভার প্রায় ০.২৫ (পয়েন্ট ২৫) শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখল করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে এক্সকাভেটর দিয়ে ওই অবৈধ স্থাপনাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং জমিটি পুনর্দখলে নেয় পৌরসভা।

​উচ্ছেদ অভিযানে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মো. হাই জকি এবং অতিরিক্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম।

​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন বিষয়ক কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান, বিদ্যুৎ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শরিফুল হাসান, যান্ত্রিক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী লাইজিং হোসেন রাজু, হিসাবরক্ষক কৃষ্ণ কুমার সাহা ও কনজারভেনসি পরিদর্শক বিকাশ দত্তসহ স্থানীয় অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

​অভিযানের পর পৌর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানান, শহরের বিভিন্ন স্থানে পৌরসভার জায়গায় যেসব অবৈধ দখলদার রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। পৌরসভার সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে আগামী দিনগুলোতেও এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখা হবে।

সালথায় ইউপি চেয়ারম্যানের ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
সালথায় ইউপি চেয়ারম্যানের ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

ফরিদপুরের সালথায় সমর্থকদের ‘অস্ত্র বানানোর’ নির্দেশ এবং ‘মার্ডার হলে আমি দেখব’—এমন আপত্তিকর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক চেয়ারম্যানকে নিয়ে তীব্র তোলপাড় ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক মোল্লা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

​সম্প্রতি উপজেলার উজিরপুর বাজারে অনুষ্ঠিত এক সমর্থক সভায় চেয়ারম্যান রফিক মোল্লার ওই বক্তব্যটি ধারণ করা হয় বলে দাবি স্থানীয়দের। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

​ভাইরাল ভিডিওতে ইউপি চেয়ারম্যানকে উপস্থিত সমর্থকদের প্রকাশ্যে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির তাগিদ দিতে এবং কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার ও আইনি বিষয় নিজে সামলানোর প্রতিশ্রুতি দিতে শোনা যায়।

​তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক মোল্লা। তাঁর দাবি, ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও এডিট করা। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর সম্মান ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

​নিজের অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, “আমার এক দলীয় ভ্যানচালককে প্রতিপক্ষের লোকজন মারধর করে ভ্যান ছিনিয়ে নিলেও আমি কোনো আইনি সীমা লঙ্ঘন করিনি। নিজের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার করতে পারতাম, কিন্তু তা না করে পুলিশের কাছে গিয়েছি। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আমি শুরু থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিচ্ছি।”

​এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান জানান, ওই বিতর্কিত বক্তব্যের বিষয়টি এখনো তাঁর জানা নেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওটির বিষয়টি জেলা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনে চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দেওয়া হবে এবং পরবর্তীতে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অধিকতর তদন্ত চেয়ে আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অধিকতর তদন্ত চেয়ে আবেদন

ফরিদপুরে বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগের প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নীতিমালার স্পষ্ট শর্ত পূরণে অক্ষম ও অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে খসড়া তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে শতভাগ শর্ত পূরণ করা প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

​এই অনিয়মের প্রতিকার এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে অধিকতর তদন্তের দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের বালাইনাশক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘মিয়া ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী কৃষিবিদ মো. মেহেদী হাসান (সোহেল মিয়া)।

​আবেদনটির অনুলিপি কৃষিমন্ত্রী, কৃষি সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কৃষিবিষয়ক উপদেষ্টা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জেলা ও উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রদান করা হয়েছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সরকার প্রণীত ‘সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা ২০২৬’-এ ডিলার নিয়োগের যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। নীতিমালার ৪.২ ধারা অনুযায়ী, কোনো খাবারের দোকান বা রেস্টুরেন্টের সাথে সারের গোডাউন সংযুক্ত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ডিলারশিপের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নে খাবারের দোকানের সাথে গোডাউন থাকা শর্তলঙ্ঘনকারী একটি প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালার তোয়াক্কা না করে প্রাথমিক বাছাই তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, শতভাগ শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও মিয়া ট্রেডার্সকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

​আবেদনকারী কৃষিবিদ মো. মেহেদী হাসান (সোহেল মিয়া) বলেন, “নীতিমালা অমান্য করে অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে তালিকায় রাখা স্পষ্ট অনিয়ম। এতে কৃষক ও কৃষি বিভাগের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। আমার প্রতিষ্ঠান সকল শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচারের আশায় জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে লিখিত আবেদন করেছি। আশা করি, সঠিক ও অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে আমার প্রতিষ্ঠান যোগ্য বিবেচিত হবে এবং আমরা চূড়ান্ত ডিলারশিপ পাব।”

​এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, “আমাদের যাচাই-বাছাই কমিটির প্রতিনিধি তদন্তে যাওয়ার সময় হয়তো পাশের খাবারের দোকান বা রেস্টুরেন্টটি বন্ধ ছিল, কিংবা আবেদনকারী তথ্য গোপন করে থাকতে পারেন। জেলা কমিটি থেকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিলে আমরা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে বিষয়টি পুনঃযাচাই করে দেখব।”

​অন্যদিকে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক ও জেলা কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মো. শাহাদুজ্জামান বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে আমি এখনো বিস্তারিত অবগত নই। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে কথা বলে দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য ফরিদপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অফিসিয়াল কাজে স্টেশনের বাইরে থাকায় তাঁর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।