খুঁজুন
, ,

আনসারে হঠাৎ অস্থিরতা : বৈষম্যে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা কর্মচারীরা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
আনসারে হঠাৎ অস্থিরতা : বৈষম্যে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা কর্মচারীরা!

দেশের অন্যতম বৃহৎ শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী–এর উপজেলা পর্যায়ে নীরবে বাড়ছে অসন্তোষ। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দাবি, বছরের পর বছর তারা একই পদে থেকে কাজ করলেও বেতন-গ্রেড ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে মারাত্মক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনের আগমুহূর্তে ৩০০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূর-দূরান্তে হয়রানিমূলক বদলির কারণে মনোবল ভেঙ্গে গেছে বাহিনীর তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠক উপজেলা প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষিকাসহ কর্মকর্তাদের, যা আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আনসার বাহিনীর অংশগ্রহণ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।

সূত্র জানায়, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত পদ রয়েছে মাত্র তিনটি—উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশিক্ষক এবং উপজেলা প্রশিক্ষিকা। অথচ প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষিকাদের বেতন গ্রেড এখনো ১৫তম গ্রেডে রয়ে গেছে, যা ১৯৭৮ সালের পুরনো কাঠামো অনুসারে নির্ধারিত। সম্প্রতি হয়রানিমূলক বদলির প্রেক্ষিতে ফুসে উঠেছেন উপজেলা পর্যায়ে কর্মরতরা। যেকোনো মুহূর্তে বাহিনীতে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একজন উপজেলা প্রশিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “কাঁধে পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টরের সমমানের র‍্যাঙ্ক থাকলেও বেতনে বিশাল ফারাক। এমনকি একই বাহিনীর ব্যাটালিয়ন আনসারদের সুবেদার পদ ইতিমধ্যেই ১৩তম গ্রেডে উন্নীত হয়েছে, অথচ থানা/উপজেলা প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষিকারা রয়ে গেছেন ১৫তম গ্রেডে। ফলে বৈষম্যের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। স্বল্প বেতনে এমনিতেই সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছি, তর উপর ৩০০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে হয়রানিমূলক বদলির মাধ্যমে আমাদের মনোবল ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে ।”

বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, মাঠপর্যায়ের কর্মরতদের দাবি হলো:-

– উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা পদটিকে ৯ম গ্রেডে উন্নীতকরণ

– উপজেলা প্রশিক্ষক পদটিকে ১৫তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ

– উপজেলা প্রশিক্ষক পদ থেকে শতভাগ পদোন্নতির মাধ্যমে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা পদ পূরণ

-এবং হয়রানিমূলক বদলি বন্ধকরণসহ ইতিপূর্বে যেসকল হয়রানিমূলক বদলি করা হয়েছে, সেগুলো বাতিল করণ

তাদের মতে, এটি বাস্তবায়ন হলে বাহিনীর শৃঙ্খলা, মনোবল ও চেইন অব কমান্ড আরও সুসংহত হবে।

অন্যদিকে, বর্তমানে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা পদে আংশিক (৫০%) পদোন্নতির সুযোগ থাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেকেই মনে করছেন, এই বৈষম্য দূর না হলে নির্বাচনের আগমুহূর্তে বাহিনীর মাঠপর্যায়ের কর্মীরা কর্মবিরতিতে যেতে পারেন যা বড় ধরনের প্রশাসনিক সংকট তৈরি করতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন উপজেলা কর্মকর্তা মন্তব্য করেন, “আমরা মাঠে কাজ করছি, ঝুঁকি নিচ্ছি, দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু পদোন্নতি ও বেতন কাঠামোতে সুবিচার পাচ্ছি না। র‌্যাব-এ প্রেষণে একই র‌্যাঙ্কে নিয়োজিত হলেও বেতন বৈষম্যের শিকার হতে হয়। অথচ একই মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন বাহিনীতে অন্য ইউনিটে কম দায়িত্বে কর্মরতরা উচ্চ গ্রেড পাচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য দপ্তরের প্রধানরা ৯ম গ্রেডে উন্নীত হলেও উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তারা এখনও ১০ম গ্রেডে আছেন। ফলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দাবি, এই পদও ৯ম গ্রেডে উন্নীত করা উচিত।
জানা গেছে, বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত প্রস্তাব ইতিমধ্যে কয়েকবার সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে, তবে বাহিনীর কিছু উর্ধতন কর্মকর্তার চরম অবহেলা ও গাফিলতির কারণে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা আশাবাদী বাহিনীর বর্তমান মহাপরিচালক পরিবর্তন-সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়ে এই বৈষম্যের অবসান ঘটাবেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক আনসার সদস্য মোতায়েনের মূল দায়িত্বে থাকবেন উপজেলা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষিকারা। তাদের দাবি, এই তিনটি দাবি (বেতন গ্রেড উন্নীতকরণ, শতভাগ পদোন্নতি, হয়রানিমূলক বদলি বাতিলকরণ) দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে মাঠ পর্যায়ের মনোবল মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়বে, যা বাহিনীর চেইন অব কমান্ডেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় রহিমা বেগম (৯০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। 

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের শেখর বাজারসংলগ্ন অরক্ষিত রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রহিমা বেগম উপজেলার দিঘিরপাড় গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের স্ত্রী।

রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকালের দিকে রহিমা বেগম রেললাইনের ওপর দিয়ে হাঁটছিলেন। এ সময় পাংশা থেকে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়াগামী ভাটিয়াপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, রহিমা বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং কানে কম শুনতেন।

খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সরল কুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন এবং রাজবাড়ী রেলওয়ে থানাকে বিষয়টি জানান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রেলওয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সালথায় পাট শুকানোর আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

জাকির হোসেন, সালথা:
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
সালথায় পাট শুকানোর আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের সালথায় পাট শুকানোর জন্য বাঁশের আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কয়েকটি বসতবাড়ি ও একটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত দশজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের জুগিকান্দা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বশির মাতুব্বরের বসতবাড়ির পাশে একটি মসজিদের সামনে পাট শুকানোর জন্য বাঁশ দিয়ে আড়া বাঁধেন হবি মেম্বারের সমর্থক হাবিবুর রহমান। এতে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়। পরে মুসল্লিরা বাঁশের ওই আড়া খুলে দেন।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবি মাতুব্বরের সমর্থকরা বশির মাতুব্বরকে আড়া খুলে ফেলার জন্য দায়ী করেন। একপর্যায়ে তারা বশির মাতুব্বরের বাড়িতে হামলার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হন। পরে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। এ সময় কয়েকটি বসতবাড়ি ও একটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি বাঁশের আড়া খোলাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে

এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান (হবি মেম্বার) বলেন, পাটের আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। এর বাইরে আমি কিছু জানিনা। তবে আহত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার সমর্থকদের মধ্যে ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছে।

বছির মাতুব্বর বলেন, বাঁশের আড়া খোলার সাথে সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও আমাকে দায়ী করে আমার বসতবাড়ীতে হামলা চালায়। এময় আমার স্ত্রীসহ কয়েকজন আহত হয়। বর্তমানে আমার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি আছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমিসহ পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে ঐ এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে নগরকান্দাকে ভোক্তাবান্ধব উপজেলা গড়া সম্ভব’

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
‘সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে নগরকান্দাকে ভোক্তাবান্ধব উপজেলা গড়া সম্ভব’

ফরিদপুরের নগরকান্দায় কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) উপজেলা শাখার নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নগরকান্দা মডেল মসজিদের মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে ক্যাবের নবগঠিত উপজেলা কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, নিরাপদ পণ্য ও সেবা নিশ্চিতকরণ, বাজারে স্বচ্ছতা এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ক্যাবের নগরকান্দা উপজেলা শাখার সভাপতি এহসানুল হক মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, ক্যাব ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক তারেক আইয়ুব খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, খাদ্যে ভেজাল, কম ওজনে পণ্য বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বাজারজাতকরণসহ বিভিন্ন অনিয়ম ভোক্তাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি প্রয়োজন সচেতন ভোক্তা, দায়িত্বশীল ব্যবসায়ী এবং সক্রিয় সামাজিক সংগঠন। ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করতে ক্যাবের উপজেলা কমিটিকে প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, ক্যাব দীর্ঘদিন ধরে ভোক্তার অধিকার, নিরাপদ পণ্য ও সেবা, ন্যায্যমূল্য, বাজারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে আসছে। নবগঠিত নগরকান্দা উপজেলা কমিটির সদস্যদের ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। স্কুল-কলেজ, হাট-বাজার ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে জানাতে হবে।

এ সময় ব্যবসায়ীদের প্রতি ন্যায্য দামে মানসম্মত পণ্য বিক্রি এবং ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা না করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, একজন সন্তুষ্ট ভোক্তাই একজন ব্যবসায়ীর সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই ব্যবসা পরিচালনায় সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, ক্যাবের জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক অসিত কুমার নাগ, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফরহাদ, কোষাধ্যক্ষ রবিউল হাসান রাজিব, নির্বাহী সদস্য মো. সেন্টু মিয়া, নগরকান্দা বাজার বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামছুল হুদা হুদু, নগরকান্দা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান, নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফ, শহীদ আকরুমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুব আলী মিয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

উল্লেখ্য, কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) একটি বেসরকারি, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী ও ভোক্তা অধিকারভিত্তিক নাগরিক সংগঠন। ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে ভোক্তার অধিকার রক্ষা, বাজারদর পর্যবেক্ষণ, নিরাপদ খাদ্য ও পণ্যের পক্ষে প্রচারণা, ভোক্তা শিক্ষা, গবেষণা, জরিপ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সুপারিশ ও অ্যাডভোকেসির কাজ করে আসছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সংগঠনটি ভোক্তা অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।