খুঁজুন
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

ড. আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম একজন ব্যবসায়ীকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট’স অর্ডার নম্বর ১২৭, ১৯৭২)-এর ১০ (৫) অনুযায়ী মো. মোস্তাকুর রহমানকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তার যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

মোস্তাকুর রহমান গভর্নর পদে নিয়োজিত থাকাকালীন সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত মোতাবেক বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক হতে গ্রহণ করবেন। এ নিয়োগের অন্যান্য বিষয় চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান একজন হিসাববিদ (এফসিএমএ)।

তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি হেরা স্যুয়েটার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। হেরা স্যুয়েটার্স নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি পরিবেশবান্ধব কারখানা। মো. মোস্তাকুর রহমান নানা ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবরক্ষণ বিভাগ থেকে বি.কম (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনস অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অফ বাংলাদেশ (এটিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অ্যান্ড কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজসহ (ডিসিসিআই) বিভিন্ন পেশাদার ও শিল্প সংগঠনের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এরপর তৎকালীন গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

নতুন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে আহসান এইচ মনসুরকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার ৯ দিনের মাথায় আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগ বাতিল করা হলো।

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান

খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম।

ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধটি লিখেছেন টাইমের সিঙ্গাপুর ব্যুরো অফিসের সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞ চার্লি ক্যাম্পবেল।

মুখবন্ধে বলা হয়, মাত্র কয়েক মাস আগেও তারেক রহমান সবুজে ঘেরা লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক উত্তরসূরি বিরোধী আন্দোলনের কর্মী থেকে সম্ভাব্য জাতীয় নেতায় পরিণত হন। এই নিয়তি তিনি ফেব্রুয়ারিতে বাস্তবে রূপ দেন, ১৭ বছর মাতৃভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার পর নির্বাচন ভূমিধস জয়ের মাধ্যমে।

এই বিজয়ের মাধ্যমে তারেক রহমান তার মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন। খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পরই মারা যান খালেদা জিয়া। জানুয়ারিতে টাইমের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়ও তিনি শোকাহত ছিলেন। তবে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, এই শোককে কাজে লাগিয়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করবেন এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে আবারও গতিশীল করে তুলবেন। বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও যুব বেকারত্বে জর্জরিত। পাশাপাশি আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান জরুরি।

এতে আরও বলা হয়, শূন্য দশকের দুর্নীতির অভিযোগগুলো (যদিও পরে আদালত সেগুলো খারিজ করেছে) তার সম্ভাব্য ‘হানিমুন পিরিয়ড’-কে অন্যদের তুলনায় সংক্ষিপ্ত করে দিতে পারে। তবে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক অঙ্গনের বাইরে থাকার পর তিনি আর সময় নষ্ট করতে চান না। তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’

১০০ প্রভাবশালী তালিকায় আরও আছেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, পোপ লিও চতুর্দশ, ভারতের অভিনেতা রণবীর কাপুর, অভিনেত্রী ডকোটা জনসন, ইরানের চলচ্চিত্র পরিচালক জাফর পানাহি, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, শি জিনপিং প্রমুখ।

সূত্র : ডেইলি স্টার

ফরিদপুরে বর্জ্য থেকেই জ্বালানি ও সম্পদ—সম্ভাবনা দেখলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বর্জ্য থেকেই জ্বালানি ও সম্পদ—সম্ভাবনা দেখলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

ফরিদপুর পৌরসভার বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। পরিদর্শন শেষে তিনি এ খাতকে আধুনিক ও কার্যকরভাবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে জাতীয় পর্যায়ে একটি বড় সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে তুলে ধরেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তিনি পৌরসভার নির্ধারিত বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কার্যক্রমের বিস্তারিত অগ্রগতি, প্রযুক্তি ব্যবহার ও উৎপাদিত পণ্যের বিষয়ে ধারণা নেন। পরিদর্শন শেষে সেখানে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন, ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সোহরাব হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছাসহ দলীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের অধিকাংশ জেলায় অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এখন একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। নদী-নালা ও খালে বর্জ্য মিশে পানি দূষিত হচ্ছে, যার ফলে মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। ফরিদপুরে বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ডিজেল উৎপাদনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এই জ্বালানি কৃষিকাজে, বিশেষ করে পাওয়ার টিলারসহ বিভিন্ন যন্ত্র চালাতে ব্যবহার করা যাচ্ছে। তবে এটি ভারী যানবাহনের জন্য উপযোগী নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া বর্জ্য থেকে জৈব সার, নির্মাণসামগ্রী, টাইলস, এমনকি আসবাবপত্র তৈরির বিষয়টিও সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ কমবে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন তিনি।

ড. হায়দার বলেন, “বর্জ্যকে সমস্যা না ভেবে সম্পদ হিসেবে দেখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ খাতে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।”

পরিদর্শন শেষে তিনি সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এই প্রকল্পকে আরও বিস্তৃত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য জেলাতেও এ ধরনের উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ফরিদপুরে ঢেউখালিতে দুইশো বছরের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মৎস্য মেলা

তানভীর তুহিন, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ঢেউখালিতে দুইশো বছরের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মৎস্য মেলা

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালি বাজারে বসেছে প্রায় দুইশত বছরের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মৎস্য মেলা। বাংলা নববর্ষের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করতে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বৈশাখের দ্বিতীয় দিনে একদিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়। ভোর ৬টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলা এ মেলায় বরাবরের মতোই ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও জমজমাট বেচাকেনা।

সদরপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সারা বছর অপেক্ষা করেন এই বিশেষ দিনের জন্য। বৈশাখের শুরুতেই আয়োজিত এই মৎস্য মেলা গ্রামীণ জীবনে যেন উৎসবের রূপ নেয়। সকাল হতেই ঢেউখালি বাজারে নেমে আসে মানুষের ঢল—ক্রেতা, বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দুইশত বছর আগে শুরু হওয়া এই মেলা এখনো তার ঐতিহ্য ও জৌলুস অটুট রেখেছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা এই আয়োজন কেবল কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মাছ ব্যবসায়ীরা বড় বড় মাছ নিয়ে পসরা সাজান। বিশাল আকৃতির মাছগুলোই প্রথমে নজর কাড়ে দর্শনার্থীদের। আকার ও প্রজাতি ভেদে দাম তুলনামূলক বেশি হলেও ক্রেতাদের আগ্রহে ভাটা পড়েনি। দরদাম আর বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।

এ মেলায় পুকুর ও বিলের মাছের পাশাপাশি পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ ও ভূবনেশ্বর নদীর বড় আকারের মাছ বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা ইলিশ, চিংড়ি, রুই, কাতল, বোয়াল, গজার ও আইড়সহ নানা প্রজাতির মাছ দেখতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। অনেক মাছের আকার এতটাই বড় যে তা দেখতে আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে তারা প্রতিবছরই মেলায় অংশ নেন এবং ক্রেতাদের হাতে ভালো মানের মাছ তুলে দিতে সচেষ্ট থাকেন।

অন্যদিকে, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতারাও মাছের বৈচিত্র্য ও মেলার পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবছর এই মেলায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, এই মেলা শুধু বিনোদনের উৎস নয়—গ্রামীণ অর্থনীতির জন্যও তা গুরুত্বপূর্ণ। একদিনের এই আয়োজনকে ঘিরে বাড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য, সৃষ্টি হয় অস্থায়ী কর্মসংস্থান এবং প্রাণ ফিরে পায় পুরো এলাকা।