খুঁজুন
, ,

‘ধুরন্ধর’ সিনেমার আয় ১৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
‘ধুরন্ধর’ সিনেমার আয় ১৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে

প্রায় আড়াই বছর পর নতুন সিনেমা নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়েছেন বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং। গত ৫ ডিসেম্বর ৪ হাজার পর্দায় মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা। চলতি বছরে রণবীর সিংয়ের মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা এটি।       

 

লাদাখে শুটিং করতে গিয়ে সিনেমাটির শতাধিক ক্রু সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, ট্রেইলার মুক্তির পর রণবীরের মারকাটারি উপস্থিতিও আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ফলে আদিত্য ধর নির্মিত এ সিনেমার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন সিনেমাপ্রেমীরাও। অপেক্ষার ইতি টেনে সিনেমাটি নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়ে ভক্তদের হতাশ করেননি রণবীর সিং। পাশাপাশি বক্স অফিসেও ঝড় তুলেছে সিনেমাটি।

 

বক্স অফিসে ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার শুরুটা মন্দ হয়নি। বলি মুভি রিভিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত বলিউডের প্রায় ৫০টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া সিনেমার শীর্ষে রয়েছে ‘ছাবা’ (২৯ কোটি রুপি)। এ তালিকার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা।

মুক্তির প্রথম দিনে সিনেমাটি আয় করেছে ২৪ কোটি রুপি (নিট), দ্বিতীয় দিনে আয় করেছে ৩০ কোটি রুপি (নিট), তৃতীয় দিনে আয় করে ৩৭ কোটি রুপি (নিট), চতুর্থ দিনে আয় করে ২১ কোটি রুপি (নিট), পঞ্চম দিনে আয় করে ২৫.৫ কোটি রুপি (নিট), ৬ষ্ঠ দিনে আয় করে ২৫ কোটি রুপি (নিট), সপ্তম দিনে আয় করে ২৫ কোটি রুপি (নিট), অষ্টম দিনে আয় করেছে ৩১ কোটি রুপি (নিট)।

নবম দিনে আয় করেছে ৫০ কোটি রুপি (নিট), দশম দিনে আয় করেছে ৫৭ কোটি রুপি (নিট), একাদশতম দিনে আয় করেছে ২৮ কোটি রুপি (নিট)। বারো দিনে আয় করেছে ২৯ কোটি রুপি (নিট), তেরো দিন দিনে আয় করেছে ২৫ কোটি রুপি (নিট), চৌদ্দ দিনে আয় করেছে ২২ কোটি রুপি (নিট), পনেরো দিনে আয় করেছে ২০ কোটি রুপি (নিট), ষোল দিনে আয় করেছে ৩২ কোটি রুপি (নিট), সতেরো দিনে আয় করেছে ৩৭ কোটি রুপি (নিট), আঠারো দিনে আয় করেছে ১৬ কোটি রুপি (নিট), উনিশ দিনে আয় করেছে ১৬ কোটি রুপি (নিট), বিশ দিনে আয় করেছে ১৭ কোটি রুপি (নিট), একুশ দিনে আয় করেছে ২৫ কোটি রুপি (নিট), বাইশ দিনে আয় করে ১৫ কোটি রুপি (নিট), তেইশ দিনে আয় করে ১৮ কোটি রুপি (নিট), চব্বিশ দিনে আয় করে ২১ কোটি রুপি, পঁচিশ দিনে আয় করে ১০.৫ কোটি রুপি (নিট), ছাব্বিশ দিনে আয় করে ১০.৫ কোটি রুপি (নিট)। ২৬ দিনে বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১০৪০ কোটি রুপি (গ্রস)। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪১৮ কোটি টাকা।

 

তবে স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার আয় খানিকটা বেশি। মুক্তির ২৬ দিনে শুধু ভারতে আয় করেছে ৮৫৪.৭ কোটি রুপি (গ্রস)। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১১০১ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫০২ কোটি ৭ লাখ টাকা)।

ভারতীয় একজন গুপ্তচরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রণবীর সিং। পাকিস্তানের লিয়ারি শহরের ভেতরে ঢুকে অপারেশন চালান তিনি। সত্য-মিথের সীমানা মিলিয়ে সিনেমাটিতে উঠে এসেছে বাস্তব চরিত্রও। অক্ষয় খান্না অভিনয় করেছেন আলোচিত গ্যাংস্টার রেহমান ডাকাতের চরিত্রে আর সঞ্জয় দত্তকে দেখা গেছে এসপি চৌধুরী আসলামের ভূমিকায়।

 

এ সিনেমায় রণবীর সিংয়ের বিপরীতে অভিনয় করেছেন সারা অর্জুন। এ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছে তার। তাছাড়াও অভিনয় করেছেন—অর্জুন রামপাল, রাজেশ বেদি, আর. মাধবন, মানব গোহিল প্রমুখ। ২৮০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা প্রযোজনা করেছেন আদিত্য ধর, লোকেশ ধর, জ্যোতি দেশপান্ডে।

ফরিদপুরে একদিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৩২ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে একদিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৩২ জন

ফরিদপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে এ সময়ে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

​স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরিদপুর জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ৭৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে ইতোমধ্যে ৬৪৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ৯৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং জেলায় এখন পর্যন্ত ৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

​গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৭ জন, নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, মধুখালীতে ৪ জন এবং সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন ও সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন করে কোনো রোগী ভর্তি হননি।

​স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় কোনো ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়নি।

​পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়দের সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা আবশ্যক। এর জন্য নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দিয়েছে দপ্তরটি।

ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকসহ আহত ১৬

ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকসহ আহত ১৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বরিশাল-ফরিদপুর মহাসড়কে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক আনিচুর রহমানসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।

​শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ড ও ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে আসা একটি পরিবহন বাসের সঙ্গে ফরিদপুর থেকে টেকেরহাটগামী একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। এতে দুই বাসের অন্তত ১৩ যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে সাংবাদিক আনিচুর রহমান ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

​একই সময়ে ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের উল্টো পথে ঢুকে পড়ে একটি অটোরিকশা। অটোরিকশাটিকে পাশ কাটাতে গিয়ে পেঁয়াজবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ট্রাকের চালক ও সহকারীসহ ৩ জন আহত হন।

​দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

​ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাদ হোসেন জানান, খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য অনুসন্ধানের পর জানানো হবে।

হুইলচেয়ারেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন: ভিক্ষা নয়, চানাচুর বেচে বাঁচার লড়াই হাসানের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ
হুইলচেয়ারেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন: ভিক্ষা নয়, চানাচুর বেচে বাঁচার লড়াই হাসানের

জীবনটা যেন এক পলকেই থমকে গিয়েছিল। একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছিল শরীরের শক্তি, কেড়ে নিয়েছিল ডান পা-টি। তবে জীবনের কাছে হার মানেননি ফরিদপুরের বোয়ালমারীর হাসান বিশ্বাস (৪৫)। এক হাতের কর্মক্ষমতা হারিয়ে আর এক পা কেটে বাদ দেওয়ার পরও ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে নেননি তিনি। হুইলচেয়ারে বসেই চানাচুর ও বিস্কুট বিক্রি করে বাঁচিয়ে রেখেছেন নিজের আত্মসম্মান ও স্বাবলম্বী হওয়ার অদম্য স্বপ্ন।

​১২ বছর আগের কথা। নসিমন চালিয়ে স্ত্রী, সন্তান আর বৃদ্ধা মাকে নিয়ে বেশ ভালোই কাটছিল হাসানের সংসার। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়। পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেটে ফেলতে হয় একটি পা, অবশ হয়ে যায় শরীরের এক পাশ। স্বাভাবিক চলাফেরার পথ বন্ধ হয়ে চিরতরে ঠাঁই হয় হুইলচেয়ারে।

​প্রতিদিনের গোসল, খাওয়া থেকে শুরু করে বিছানায় ওঠা-নামার মতো দৈনন্দিন কাজেও এখন পরিবারটির ভরসা হতে হয় হাসানকে। যে মানুষটি একসময় পুরো পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব একা কাঁধে সামলেছেন, তাঁকেই আজ অন্যের সাহায্যের মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছে।

​তবে অন্তরের অদম্য তেজ ও আত্মমর্যাদাবোধ তাঁকে দমাতে পারেনি। ভিক্ষা না করে বেঁচে থাকার তাগিদে নিজেই শুরু করেন ছোট্ট এক ব্যবসা। বোয়ালমারী পৌরসভার সোতাশী রহমানির আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে প্রতিদিন হুইলচেয়ারে বসে চানাচুর ও বিস্কুট বিক্রি করেন তিনি। চাকার ওপর ভর করেই মেলে ধরেন বেঁচে থাকার নতুন লড়াই।

​আবেগপ্লুত কণ্ঠে হাসান বিশ্বাস বলেন, “দুর্ঘটনার পর জীবনটা পুরো বদলে গেছে। এখন নিজের অনেক কাজও একা করতে পারি না, স্ত্রী-সন্তানের সাহায্য লাগে। কিন্তু আমি কারও বোঝা হতে চাই না। অল্প আয়ে যতটুকু পারি, দোকানটা চালিয়ে খাই। ভিক্ষা না করে নিজের পরিশ্রমে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই।”

​বাবার এই আত্মমর্যাদার লড়াই দেখে বড় হওয়া হাসানের সন্তান জানান, “বাবা অনেক কষ্ট করেন। দুর্ঘটনার পর থেকেই বাবাকে এমন দেখে আসছি। অনেক কাজে আমাদের সাহায্য করতে হলেও বাবা কখনো হাত পাততে চাননি। এই ছোট্ট দোকানটাই বাবার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর বড় চেষ্টা।”

​দোকানের অল্প বেচাকেনায় সংসার চালানো কঠিন হলেও প্রতিদিন দোকান খোলার মধ্যেই নতুন করে বাঁচার সাহস পান বোয়ালমারী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের এই বাসিন্দা।

​নিজের ব্যবসার পুঁজি বাড়িয়ে দোকানটি একটু ভালোভাবে পরিচালনা করতে চান হাসান। তাই কোনো বড় দাবি নয়, বরং কর্মপরিবেশ সৃষ্টি ও সামান্য পুঁজির সহায়তার জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবান মানুষদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন এই সংগ্রামী মানুষটি।

​হুইলচেয়ারের ওপর সাজিয়ে রাখা কয়েকটি চানাচুর আর বিস্কুটের প্যাকেট যেন আজ হাসানের জীবনের এক বড় সত্য প্রকাশ করে—শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনো মানুষের বেঁচে থাকার ইচ্ছে ও আত্মসম্মানকে থমকে দিতে পারে না।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম. রকিবুল হাসান বলেন, ​“হাসান বিশ্বাসের এই আত্মমর্যাদাবোধ ও অদম্য ইচ্ছা সত্যিই অনুকরণীয়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে ভিক্ষাবৃত্তির মতো পথ এড়িয়ে নিজের পরিশ্রমে বেঁচে থাকার এই লড়াই সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত তাঁর খোঁজখবর নেব।”

তিনি আরও বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় তাঁকে বা তাঁর পরিবারকে সরকারি কোনো সুবিধা দেওয়া সম্ভব হলে তার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি তাঁর এই ছোট ব্যবসাটিকে আরও গতিশীল করতে কীভাবে সরকারি সহায়তা বা প্রয়োজনীয় পুঁজির জোগান দেওয়া যায়, সে বিষয়েও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”