খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ভাঙ্গায় ৭ জেলার বাস মালিক–শ্রমিকদের সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক ও ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৮ পিএম
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ভাঙ্গায় ৭ জেলার বাস মালিক–শ্রমিকদের সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের মতবিনিময়

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মহাসড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় বাস মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুপুরে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা চত্বরে আয়োজিত এ সভায় ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, বরিশাল, পটুয়াখালী ও শরীয়তপুর—এই সাত জেলার বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

ঈদকে ঘিরে যাত্রীচাপ বৃদ্ধি, যানজট নিয়ন্ত্রণ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধ এবং সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি (অপারেশনস্-দক্ষিণ) রখফার সুলতানা খানম। তিনি বলেন, “ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ আপনাদের পাশে আছে। কোনো অভিযোগ বা অনিয়মের খবর পাওয়া মাত্রই হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাস মালিক ও চালকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্-দক্ষিণ) সরকার মোহাম্মদ কায়সার। তিনি মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় মালিক-শ্রমিক ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাইওয়ে পুলিশ সুপার (মাদারীপুর রিজিয়ন) মোমতাজুল এহসান আহাম্মদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করা হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

এসময় ভাঙ্গা, মোস্তফাপুর, গৌরনদী, পটুয়াখালী, করিমপুর, ভাটিয়াপাড়া ও শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে বাস মালিক ও শ্রমিক নেতারা সড়ক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দেন।

ফরিদপুরে যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৭ পিএম
ফরিদপুরে যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুরে যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় স্বামী মো. জাকির মোল্লাকে (৪৬) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জাকির মোল্লা ফরিদপুর সদর উপজেলার মঙ্গলকোট এলাকার বাসিন্দা। আর নিহত রেখা বেগম সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
রায় ঘোষণার সময় আসামি জাকির মোল্লা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পরপরই পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে জেলা কারাগারে পাঠায়।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে জাকির মোল্লার সঙ্গে রেখা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। বিয়ের কয়েক বছর ভালোভাবে চললেও ২০১৫ সালের শুরুতে জাকির মোল্লার আচরণ বদলে যায়। সে স্ত্রী রেখা বেগমের কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে এবং বাবার বাড়ি থেকে সেই টাকা এনে দিতে চাপ দিতে থাকে।

স্বামীর নির্যাতন ও চাপের মুখে একপর্যায়ে রেখা বেগম বাবার বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানালে তার পরিবার মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে জমি বিক্রি করে পাঁচ লাখ টাকা জোগাড় করে দেয়। সেই টাকা এনে স্বামীর হাতে তুলে দেন রেখা।

তবে কিছুদিনের মধ্যেই ওই টাকা শেষ হয়ে গেলে আবারও স্ত্রীর কাছে নতুন করে যৌতুক দাবি করতে থাকে জাকির মোল্লা। এবার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্ত্রীর ওপর শারীরিক নির্যাতন শুরু করে সে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে যৌতুকের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে জাকির মোল্লা তার স্ত্রী রেখা বেগমকে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহত রেখা বেগমের চাচা মো. বাচ্চু খান ২০১৫ সালের ২৬ অক্টোবর ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় জাকির মোল্লা এবং তার মা-বাবাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করেন কোতোয়ালি থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিপুল চন্দ্র দে। তদন্ত শেষে তিনি ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর জাকির মোল্লাকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ১১(ক) ধারায় এ রায় প্রদান করেন।

এ বিষয়ে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী বলেন, যৌতুকের মতো সামাজিক ব্যাধির কারণে একটি নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে গেছে। আদালতের এই রায় সমাজে যৌতুকবিরোধী বার্তা পৌঁছে দেবে এবং এমন অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

ফরিদপুরে গলা ও পায়ের রগ কেটে যুবককে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:০১ পিএম
ফরিদপুরে গলা ও পায়ের রগ কেটে যুবককে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি

ফরিদপুরের সদর উপজেলায় মো. ইকবাল শেখ (৪৭) নামে এক যুবককে গলা ও দুই পায়ের রগ কেটে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে জিয়া মন্ডল (৫০) নামে অভিযুক্ত একজনকে ধরে গণপিটুনি দিয়েছেন স্থানীয় জনতা।

বুধবার (০৪ মার্চ) দিনগত রাতে সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের আফজাল মন্ডলের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত ইকবাল শেখকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ইকবাল শেখ ওই ইউনিয়নের ওয়েজউদ্দীন ফকিরের ডাঙ্গী গ্রামের মৃত রশিদ শেখের ছেলে। গণপিটুনির শিকার অভিযুক্ত জিয়া মন্ডল পার্শ্ববর্তী আলিমউদ্দিনের ডাঙ্গী গ্রামের ওয়াহিদ মন্ডলের ছেলে। তাকে পুলিশি পাহারায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিয়া মন্ডল এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। মাদক কারবার নিয়ে ইকবাল শেখের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে গত কয়েকদিন ধরে ইকবালকে হুমকি দেয়া হচ্ছিল। এরই জেরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে আফজাল মন্ডলের হাটের অদূরে একটি বাগানের ভেতর থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান কয়েকজন। তারা সেখানে ছুটে গিয়ে ইকবাল শেখকে গলা ও পায়ের রগ কাটা অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তাদের চিৎকারে জিয়া মন্ডলসহ দুজন মোটরসাইকেলে করে পালানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা ধাওয়া দিলে মোটরসাইকেল নিয়ে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে জিয়া মন্ডলের পা ভেঙে যায়। তখন ক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়। তবে তার সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তি পালিয়ে যান।

আহত মো. ইকবাল শেখের ভাই মো. রফিক শেখ বলেন, আমার ভাইয়ের অবস্থা ভালো নয়, প্রচুর রক্ত দেয়া লাগছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে ও বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা যাবে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গ্রামবাসী ও এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফরিদপুরে বসুন্ধরা শুভ সংঘের ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৮ পিএম
গ্রামবাসী ও এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফরিদপুরে বসুন্ধরা শুভ সংঘের ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিল

পবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতি, মানবিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতে ফরিদপুরে গ্রামবাসীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভ সংঘ ফরিদপুর জেলা শাখা।

বুধবার (০৪ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলার নগরকান্দা উপজেলার লক্সরদিয়া ইউনিয়নের বিনোকদিয়া চেয়ারম্যানবাড়ী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রামের সাধারণ মানুষ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও এতিম শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

ইফতার মাহফিলের আগে দেশ, জাতি এবং বসুন্ধরা গ্রুপের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম হাফেজ আব্দুল আলীম মাতুব্বর। মোনাজাতে মানবতার সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্রগতি এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রার্থনা করা হয়।

ইফতার মাহফিলে স্থানীয় গ্রামবাসীদের পাশাপাশি শাকপালদিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী মো. তাজিবুল ও মো. হাসানসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে এক মানবিক আবহ তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, লস্করদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ মো. মশিউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সদস্য রিপন মিয়া, বসুন্ধরা শুভ সংঘের উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি মো. নুর ইসলাম, জেলা শাখার সভাপতি তন্ময় রায়, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক তিহান আহম্মেদ, নগরকান্দা উপজেলা শাখার প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি শাহ মো. তৌফিক রাজ, সহ-সভাপতি কাজল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ মাতুব্বর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজল মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হাসান এবং দপ্তর সম্পাদক রাজিব শেখসহ অর্ধশতাধিক মুসল্লি।

আয়োজকরা জানান, রমজানের পবিত্রতাকে সামনে রেখে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে একত্রিত করে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা শুভ সংঘ মানবিক ও সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।