খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে চাকরির শেষ লগ্নে কলেজ অধ্যক্ষের মানবেতর জীবন, রাষ্ট্রের কাছে চাইলেন ন্যায়বিচার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চাকরির শেষ লগ্নে কলেজ অধ্যক্ষের মানবেতর জীবন, রাষ্ট্রের কাছে চাইলেন ন্যায়বিচার

চাকরি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে চরম আর্থিক সংকট, মানসিক যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটানোর অভিযোগ তুলে নিজের প্রতি সংঘটিত অন্যায়-অবিচারের প্রতিকার এবং স্বপদে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌর সদরের কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের সাময়িক বরখাস্ত অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে বোয়ালমারী বাজারের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাব, শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাকে অন্যায়ভাবে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ বলেন, জীবনের চার দশকেরও বেশি সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পর আজ চাকরির মাত্র দুই মাস বাকি থাকতে তাকে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। বৃদ্ধ মায়ের ওষুধ, অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসা, নিজের চিকিৎসা ব্যয়, মেডিকেলে অধ্যয়নরত মেয়ের লেখাপড়ার খরচ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যাওয়া ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কলেজের কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর উস্কানিতে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি ও শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পদত্যাগের দাবি জানায়। পরবর্তীতে গত ২৮ নভেম্বর কলেজ পরিচালনা পর্ষদ কতিপয় শিক্ষক-কর্মচারী ও বহিরাগতদের চাপের মুখে প্রচলিত বিধি অনুসরণ না করেই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

তার দাবি, সাময়িক বরখাস্তের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি এবং বিষয়টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কেও যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ফরিদ আহমেদ বলেন, বরখাস্তের পর তার বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি তার ব্যাংক হিসাবও স্থগিত করা হয়। ফলে নিয়মিত আয় তো বন্ধ হয়েছেই, নিজের দীর্ঘদিনের সঞ্চিত অর্থও ব্যবহার করতে পারেননি। এতে পরিবার নিয়ে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

তিনি আরও জানান, নিরুপায় হয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালতের আদেশে তিনি চাকরি ও বেতন-ভাতার অধিকার ফিরে পান। কিন্তু আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কলেজের একটি প্রভাবশালী পক্ষ এবং পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য তাকে এখনও দায়িত্ব গ্রহণ করতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাকে অধ্যক্ষের সরকারি বাসভবন ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় তার বাসায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন। এসব ঘটনার জন্য তিনি কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনেয়ারা বেগম, প্রভাষক সৈয়দা দিল আশরাফি, প্রভাষক জাহেদা বেগম, সহকারী অধ্যাপক মো. আজহার আলী, সহকারী অধ্যাপক আ. মান্নান, সেকশন অফিসার কামরুল ইসলাম এবং অফিস সহায়ক মো. মানিক হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে কলেজ প্রাঙ্গণে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের সেখানে অংশ নিতে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ বলেন, “আমি এখন জীবনের শেষ কর্মপর্বে। চাকরির বয়স আর মাত্র দুই মাস বাকি। এই সময়ের মধ্যে যদি দায়িত্বে ফিরতে না পারি, তাহলে আমার অবসরজনিত সব প্রাপ্য, পরিবারের ভবিষ্যৎ এবং শেষ বয়সের নিরাপত্তা অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যাবে। আমার বৃদ্ধ মা, অসুস্থ স্ত্রী ও সন্তানদের কথা ভেবে রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যায়বিচার এবং স্বপদে পুনর্বহালের আবেদন জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, অধ্যক্ষবিরোধী মানববন্ধনে অংশগ্রহণের জন্য কিছু শিক্ষার্থীর ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান প্রশাসনিক সংকট ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের দাবি, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে আইন ও বিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। এতে যেমন অভিযোগের সত্যতা স্পষ্ট হবে, তেমনি প্রতিষ্ঠানটিতে স্থিতিশীল পরিবেশও ফিরে আসবে।

সদরপুরে আড়িয়াল খাঁর ভাঙন থেকে সড়ক রক্ষায় বৃক্ষরোপণ করল ছাত্রদল

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
সদরপুরে আড়িয়াল খাঁর ভাঙন থেকে সড়ক রক্ষায় বৃক্ষরোপণ করল ছাত্রদল

ফরিদপুরের সদরপুরে আড়িয়াল খাঁ নদের ভাঙন থেকে ইটের সড়ক রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা ছাত্রদল। সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ওই সড়ক ছাড়াও উপজেলার চরনাছিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানে আরও এক হাজারের বেশি গাছের চারা রোপণ করেছে সংগঠনটি।

গত এক সপ্তাহ ধরে চলা এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শেষ হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটি রক্ষায় ইউনিয়নের হাকিমনগর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে দুর্বারটেক ট্রলারঘাট পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির পাঁচ শতাধিক গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

চরনাসিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. রোকন উদ্দীনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে সদরপুর উপজেলা ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তুষার মাহমুদ, সদরপুর কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হামিম সিয়াম, ছাত্রদল নেতা তরিকুল, হাবিব, আসিফ, আনিস ও অনিকসহ নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তুষার মাহমুদ জানান, নদীভাঙন থেকে সড়ক রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেই আমরা এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। ছাত্রদল মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে চায়।

হামিম সিয়াম বলেন, গত কয়েক দিনে প্রায় এক হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। রোপণ করা গাছগুলো যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা এবং ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের তত্ত্বাবধানে কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নিচ্ছেন।

ফরিদপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় পদ গেল জামায়াত নেতার

এন কে বি নয়ন, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় পদ গেল জামায়াত নেতার

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ ওঠায় মো. ইনামুল মোল্লা (২৬) নামে স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দায়িত্বে ছিলেন।

​মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে তাকে সাময়িকভাবে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা ও পৌর জামায়াত নেতারা। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

​ইনামুল মোল্লা পৌরসভার কুশডাঙ্গা গ্রামের মো. আকরাম মোল্যার ছেলে। তিনি বোয়ালমারী বাজারের ‘মোল্লা ডাক্তার কে হালিম হাসপাতাল’-এ রিসেপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত।

​স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পৌরসভার কুটিপাড়া এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক চালিয়ে আসছিলেন ইনামুল। সম্প্রতি তাদের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

​হাসপাতালের ম্যানেজার রেজাউল করিম জানান, দুই দিন আগে ভুক্তভোগী প্রবাসী মোবাইল ফোনে কল করে ইনামুলের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানা ছিল না বলে তিনি ওই প্রবাসীকে জানান।

​এদিকে ঘটনার পর থেকে জামায়াত নেতা ইনামুল মোল্লার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দুটি বন্ধ রয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

​বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী পৌর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সৈয়দ সাজ্জাদ আলী বলেন, “প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ পাওয়ায় প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে ইনামুল মোল্লাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ তদন্ত শেষে অভিযোগের সতত্যা পাওয়া গেলে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে। কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় সংগঠন কখনো নেবে না।”

ফরিদপুরে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির স্মারকলিপি

দলিল লেখকদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা রক্ষাসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি ফরিদপুর জেলা শাখা। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

​মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে সংগঠনের জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে এ স্মারকলিপি জমা দেন।

​স্মারকলিপি প্রদানকালে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​স্মারকলিপিতে উল্লেখিত ৭ দফা দাবিগুলোর মধ্যে প্রধান দাবিগুলো হলো—

পেশাগত সুরক্ষা: দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা এবং পক্ষগণের সরবরাহকৃত কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল প্রস্তুত করার কারণে দায়িত্ব পালনরত লেখকদের কোনো মামলায় আসামি না করা।

সম্মানী ও একচ্ছত্র অধিকার: প্রতিটি দলিলের বিপরীতে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা বাস্তবায়ন করা এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কাউকে দলিলের মুসাবিদা ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিলের সুযোগ না দেওয়া।

লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রণ: জেলা, থানা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞ কাউকে নতুন লাইসেন্স প্রদান না করা এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি প্রদান।

অবকাঠামোগত সুবিধা: থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার স্থান ও নামাজের ঘর নির্মাণ করা।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে দলিল লেখকেরা সাধারণ মানুষের জমি-জমা সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সেবা দিয়ে আসছেন। কিন্তু বর্তমানে তাদের পেশাগত অধিকার, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা ঝুঁকির মুখে। সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, এই যৌক্তিক দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নেওয়া হোক।”

​তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. এ রশিদ এবং মহাসচিব কে. এস. হোসেন টমাসের নেতৃত্বে সারা দেশের দলিল লেখকেরা আজ এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ। সরকার দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।