খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২৪ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরের চারটি আসনে বিজয়ী হলেন যারা, কে পেলেন কত ভোট?

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের চারটি আসনে বিজয়ী হলেন যারা, কে পেলেন কত ভোট?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর জেলার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি প্রার্থী এবং একটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে জানা গেছে এসব তথ্য।

এদের মধ্যে ফরিদপুর-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা, ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল বিজয়ী হয়েছেন।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ফরিদপুর-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা ২৮ হাজার ৬৩৩ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ ভোট।

ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম ১ লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের মাওলানা শাহ আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোট বেশি পেয়ে শামা ওবায়েদ বিজয়ী হয়েছেন এ আসনে।

ফরিদপুর-৩ আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫২টি কেন্দ্রের ফলাফল জানা গেছে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত। এতে বিএনপির প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৪৯ ভোট। ২৫ হাজার ৩৯৭ ভোট বেশি পেয়ে এ আসনে বিজয়ী হয়েছেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।

ফরিদপুর-৪ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৮০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা ছরোয়ার হুসাইন পেয়েছেন ৭১ হাজার ১৫৭ ভোট। ৫১ হাজার ৩২৩ ভোট বেশি পেয়ে এ আসনে শহিদুল ইসলাম বাবুল বিজয়ী হয়েছেন।

আয়না ঝকঝকে রাখার কার্যকর টিপস

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
আয়না ঝকঝকে রাখার কার্যকর টিপস

বাথরুমের বেসিন হোক বা ড্রেসিং টেবিল, প্রতিদিনের পানির কণা, ধুলোবালি ও বাষ্পে আয়না দ্রুত ঝাপসা হয়ে যায়। আয়নায় নিজের মুখটাই যদি স্পষ্ট দেখা না যায়, তবে কারই বা ভালো লাগে! সাধারণ সুতির কাপড় দিয়ে মুছলেও অনেক সময় দাগ থেকেই যায়। তাই জেনে নিন আয়না ঝকঝকে রাখার কিছু কার্যকর উপায়,

গরম পানি ও সুতির কাপড়

সময় কম থাকলে হালকা গরম পানিতে একটি সুতির কাপড় ভিজিয়ে নিন। ভালোভাবে পানি নিংড়ে নিয়ে আয়নাটি মুছে ফেলুন।

এরপর দ্রুত একটি শুকনো কাপড় দিয়ে আবার মুছে নিন। এতে পানির জেদি দাগ সহজেই দূর হবে।

টুথপেস্টের ম্যাজিক

আয়না নতুনের মতো চকচকে করতে টুথপেস্ট বেশ কার্যকর। সমপরিমাণ পানি ও টুথপেস্ট মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন।
এটি আয়নায় লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পুরনো খবরের কাগজ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করুন। সবশেষে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিলে আয়না ঝকঝকে হয়ে উঠবে।

বেকিং সোডা ও ভিনেগার

পুরনো বা বেশি নোংরা দাগ দূর করতে বেকিং সোডা ও ভিনেগার দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।

মিশ্রণটি আয়নায় লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন, তারপর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। বেকিং সোডা না থাকলে শুধু পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে স্প্রে করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

কতদিন পর পরিষ্কার করবেন?

আয়না পরিষ্কার রাখতে সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করা ভালো। তবে খুব বেশি নোংরা না হলে ১৫ দিন পরপর পরিষ্কার করলেও আয়না স্বচ্ছ ও উজ্জ্বল থাকবে।

দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ কি মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ কি মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়?

অফিসে আট ঘণ্টা কাজের নিয়ম থাকলেও অনেকে এর চেয়েও বেশি সময় ধরে কাজ করেন। কেউ কেউ নিয়মিতই অতিরিক্ত সময় ধরে কাজ করেন। এভাবে দীর্ঘসময় কাজ করার কারণে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এ সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৬ সালে দীর্ঘসময় কাজ করার ফলে স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭ লাখ ৪৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

জাপানে এর একটি নাম আছে ‘কারোশি’, যার মানে অতিরিক্ত কাজ করতে করতে মৃত্যু। সরকারিভাবেই কারোশিতে আক্রান্ত হয়ে ২০১৭ সালে ২৩৬ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে জাপান সরকার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণায় বলা হয়, দীর্ঘসময় কাজ করার ফলে সবচেয়ে ক্ষতির শিকার হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষ।

যারা সপ্তাহে ৩৫ থেকে ৪০ ঘণ্টা কাজ করেন তাদের তুলনায় যারা সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ বেড়ে যায় এবং হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি ১৭ শতাংশ বেশি থাকে বলে গবেষণায় পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সঙ্গে যৌথভাবে করা এ গবেষণায় আরও দেখা গেছে, দীর্ঘসময় কাজের কারণে যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই মধ্যবয়সী বা বয়স্ক পুরুষ।

অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘসময় কাজ করার অনেক বছর পর, কখনো কখনো দশক পর, এই মৃত্যুগুলো ঘটে।

করোনা মহামারির পর অতিরিক্ত কাজ করার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টেকনিক্যাল অফিসার ফ্র্যাঙ্ক পেগা বলেন, আমাদের কাছে কিছু প্রমাণ আছে যে, যখন কোনো দেশে লকডাউন হয়, তখন কাজের সময় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে যায়।

দীর্ঘসময় কাজ করা মোট কাজ-সংক্রান্ত রোগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী। তাই বলা যায়, দীর্ঘসময় কাজ করা পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

গবেষকরা বলেছেন, দীর্ঘসময় কাজ করলে দুইভাবে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়– প্রথমত, অতিরিক্ত চাপ থেকে শরীর ও মনে সরাসরি প্রভাব পড়ে। মানসিক চাপ বাড়ায় অবসাদ দেখা দিতে পারে, শরীরেও ব্যথা হয় এমনকি কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ল্যানসেট জার্নালে উঠে এসেছে, এতে হার্টের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ সংক্রামক রোগ, ডায়াবেটিস ও পেশীর সমস্যাও দেখা দেয়।

দ্বিতীয়ত, বেশি সময় কাজ করলে মানুষ ধূমপান, মদ পান, কম ঘুম, কম ব্যায়াম এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার মতো ক্ষতিকর অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে।

ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা রাহাত হোসেন বলেন, আগের চাকরিতে দীর্ঘসময় কাজ তার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলেছিল।

তিনি বলেন, সপ্তাহে ৬০ থেকে ৬৫ ঘণ্টা কাজ করাটা ছিল স্বাভাবিক। অনেক সময় টানা কয়েক সপ্তাহ বাড়ির বাইরে থাকতে হতো।

রাহাত বলন, কাজের এতে স্ট্রেস নিতে নিতে আমি ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছিলাম, সবসময় মেজাজ খিটখিটে থাকতে, কাজ শেষে শরীর-মন সব ভেঙে পড়তে। চার বছর পর তিনি সেই চাকরি ছেড়ে দেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, কর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে নিয়োগদাতাদের এখন এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত।

ফ্র্যাঙ্ক পেগা আরও বলেন, কাজের সময় সীমিত করা নিয়োগদাতাদের জন্যও ভালো, কারণ এতে উৎপাদনশীলতা বাড়ে।

তার মতে, ‘অর্থনৈতিক সংকটের সময় কাজের ঘণ্টা বাড়ানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়।’

সূত্র: বিবিসি

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এরপর থেকে টানা তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। গত ৭ জানুয়ারি বিএনপিবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবার স্পিকার নির্বাচিত করা হয়।

শিরীন শারমিন রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এরপর ২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর ২ সেপ্টেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন।