খুঁজুন
, ,

রমজানে ঘুমের সংকট: সুস্থ থাকতে মানুন চিকিৎসকের যে পরামর্শ?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
রমজানে ঘুমের সংকট: সুস্থ থাকতে মানুন চিকিৎসকের যে পরামর্শ?

শীতের সময়ে পড়ছে রমজান ২০২৬। ফলে অনেক অঞ্চলে রোজার সময় তুলনামূলক কম হওয়ায় শারীরিক দিক থেকে রোজা রাখা কিছুটা সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে চিকিৎসকদের মতে, একটি বড় সমস্যা প্রায়ই উপেক্ষিত থেকে যায়, তা হলো ঘুমের অনিয়ম ও ঘাটতি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোহাম্মদ বিন জায়েদ সিটির এনএমসি রয়্যাল ফ্যামিলি মেডিকেল সেন্টারের ফ্যামিলি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মাহেজাবিন মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ বলেন, রমজান মাসে অনেক রোগী ক্লান্তি, মাথাব্যথা, মনমরা ভাব এবং মনোযোগ কমে যাওয়ার অভিযোগ নিয়ে আসেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর মূল কারণ রোজা নয়, বরং অনিয়মিত ঘুম।

তার মতে, কিছু বাস্তবসম্মত অভ্যাস গড়ে তুললে পুরো মাসজুড়ে শক্তি ধরে রাখা এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখা সম্ভব।

ধীরে ধীরে ঘুমের সময় বদলানোর পরামর্শ

রমজান শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ করে ঘুমের সময়সূচি বদলে ফেলতে নিষেধ করেছেন চিকিৎসকরা। ডা. মাহেজাবিন বলেন, মানুষের শরীর একটি স্বাভাবিক জৈবঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম অনুযায়ী চলে। হঠাৎ ঘুমের সময় বদলে গেলে ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি ও মেজাজের ওঠানামা দেখা দিতে পারে।

তিনি পরামর্শ দেন, রমজান শুরুর কয়েক দিন আগে থেকেই প্রতিদিন ১৫ থেকে ৩০ মিনিট করে ঘুম ও জাগরণের সময় এগিয়ে আনা উচিত। এতে শরীর স্বাভাবিকভাবেই সেহরির সময় জেগে ওঠার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে।

একটানা অন্তত ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। দিনের বেলা প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ঘুম বা ছোট বিরতি নেওয়া যেতে পারে, তবে রাতের এই মূল ঘুম শরীরের হরমোনের ভারসাম্য, বিপাকক্রিয়া ও শারীরিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।

আলো, খাবার ও স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব

ঘুমের মান ভালো রাখতে আলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সকালে উজ্জ্বল আলো শরীরকে সজাগ করে, আর রাতে কম আলো মেলাটোনিন নিঃসরণে সহায়তা করে, যা ঘুম আনতে সাহায্য করে।

ভারী খাবার, গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল বা স্ক্রিন ব্যবহার এবং ঘুমের আগে অতিরিক্ত উত্তেজনামূলক কাজ কমিয়ে দিলে ঘুমের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, ঘুম ভেঙে ভেঙে হলেও একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মোট ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।

ঘুমের অভাবে শরীর ও মনের ক্ষতি

আবুধাবির বুরজিল মেডিকেল সিটির পালমোনোলজি ও স্লিপ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. হুমাম শাকাকি বলেন, রমজানে অনেকেই খাবারের দিকে বেশি গুরুত্ব দেন, কিন্তু ঘুমকে অবহেলা করেন।

তার ভাষায়, ভালো খাবার খেলেও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্লান্তি কাটে না। অনিয়মিত ঘুম শরীরের জৈবঘড়িকে বিভ্রান্ত করে, ফলে শক্তি, মেজাজ ও ক্ষুধার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

ঘুমের ঘাটতি থাকলে মনোযোগ কমে যায়, ধৈর্য কমে, বিরক্তি বাড়ে এবং মানসিক অবসাদও দেখা দিতে পারে। শারীরিকভাবে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

কার্যকর ঘুমের রুটিন

চিকিৎসকদের মতে, একটি কার্যকর রমজান রুটিন হতে পারে—তারাবির পর মূল ঘুম, সেহরির জন্য জাগা, প্রয়োজনে আবার কিছুক্ষণ ঘুম এবং দিনের বেলায় স্বল্প সময়ের ঘুম।

ডা. মাহেজাবিন বলেন, সঠিকভাবে নেওয়া হলে দিনের ছোট ঘুম মনোযোগ, মেজাজ ও শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। বিশেষ করে বিকেলের দিকে ২০ থেকে ৩০ মিনিটের ‘পাওয়ার ন্যাপ’ উপকারী। তবে সন্ধ্যার দিকে দীর্ঘ সময় ঘুমালে রাতে ঘুমাতে সমস্যা হতে পারে।

আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন

ডা. শাকাকি পরামর্শ দেন, রমজানের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই ঘুমের সময়সূচিতে ছোট ছোট পরিবর্তন আনা উচিত। এতে শরীর সহজে মানিয়ে নিতে পারে।

তার মতে, ঘুমের বিষয়ে সচেতন হলে রোজা রাখা সহজ মনে হয়, শক্তি স্থিতিশীল থাকে এবং মানুষ আধ্যাত্মিক ও সামাজিক দিকগুলোর দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারে।

ঘুমের ক্ষেত্রে যেসব ভুল এড়ানো জরুরি

চিকিৎসকদের মতে, রমজানে কিছু সাধারণ অভ্যাস ঘুমের বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়—

১. গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা দেওয়া বা মোবাইল স্ক্রল করা

২. ঘুমের আগে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার, যা নীল আলোয়ের কারণে ঘুমের হরমোন কমিয়ে দেয়

৩. গভীর রাতে অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত বা ঝাল খাবার খাওয়া

৪. ঘুমের কাছাকাছি সময়ে ক্যাফেইন, নিকোটিন বা এনার্জি ড্রিংক গ্রহণ

এ ছাড়া ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র : গালফ নিউজ

ফরিদপুরে শেষ মুহূর্তে ইলিশের তীব্র সংকট, খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতারা

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শেষ মুহূর্তে ইলিশের তীব্র সংকট, খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতারা

Oplus_131072

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম রক্ষায় সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার শেষ সময়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় দেখা দিয়েছে তীব্র ইলিশ সংকট। বাজারে ইলিশের আশায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও মাছ না পেয়ে অনেককেই হতাশ হয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

​বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞার ঠিক আগের মুহূর্তে ইলিশ কেনার জন্য বাজারে প্রচুর ক্রেতার সমাগম ঘটে। তবে অধিকাংশ মাছের দোকানেই পর্যাপ্ত ইলিশের জোগান নেই।

​শেষ মুহূর্তে বাজারে আসা ক্রেতারা এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরেও তাদের পছন্দমতো ইলিশ পাননি। দু-একটি দোকানে অল্প কিছু ইলিশ থাকলেও তার দাম ছিল মাত্রাতিরিক্ত। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত দাম ও ঘাটতির কারণে অনেকে মাছ না কিনে ফিরতে বাধ্য হন।

​তবে অনেক খোঁজাখুঁজির পর দু-একজন ক্রেতা ইলিশ কিনতে পেরে কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী কাজী রায়হান বলেন, “নিষেধাজ্ঞার আগে পরিবারের জন্য একটা ইলিশ কেনার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু বাজারে এসে দেখি মাছ নেই বললেই চলে। বেশ কয়েকটি দোকান ঘোরার পর শেষ পর্যন্ত একটা মাছ পেয়েছি।”

​একই অভিজ্ঞতার কথা জানান বস্ত্র ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “ইলিশ কিনতে এসে প্রথম দিকে কোনো মাছ পাচ্ছিলাম না। অনেক ঘুরে শেষ পর্যন্ত পেয়েছি, তবে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই কম।”

​মাছ না পেয়ে ফিরে যাওয়া একাধিক ক্রেতা জানান, রাত ১২টার পর থেকে টানা ২২ দিন ইলিশ কেনাবেচা বন্ধ থাকবে, তাই শেষবারের মতো মাছ কিনতে এসেছিলেন। কিন্তু সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে সরবরাহ আরও কমে যায়, যা হতাশাজনক।

​বাজারের স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগের শেষ সময়ে হঠাৎ ইলিশের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায়। সেই তুলনায় আড়ত থেকে সরবরাহ কম থাকায় বাজারে এই সংকট তৈরি হয়েছে। যে সামান্য পরিমাণ ইলিশ এসেছে, তা আসা মাত্রই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গেছে।

​উল্লেখ্য, ইলিশের প্রজনন সুরক্ষায় বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ১২টার পর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শনীর ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

ফরিদপুরে সিজারের পর পেটে গজ রেখেই সেলাই, চার মাস পর নার্স বীথির মৃত্যু

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সিজারের পর পেটে গজ রেখেই সেলাই, চার মাস পর নার্স বীথির মৃত্যু

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই করার দীর্ঘ ছয় মাস পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের বিথী আক্তার (২৫) নামের এক ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স।

​বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

​নিহত বিথী আক্তার গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজ উদ্দিন মৃধার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার স্বামী রাকিবুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

​পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিথী আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন করেন ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দ। অপারেশনের মাধ্যমে এক কন্যাসন্তানের জন্ম হলেও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের অবহেলায় বিথীর পেটের ভেতরে গজ রেখেই সেলাই দিয়ে দেওয়া হয়।

​অপারেশনের পর থেকেই তীব্র পেটে ব্যথা ও শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগতে থাকেন বিথী। দিন দিন তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় জন্ম দেওয়া নবজাতক সন্তানকেও বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেননি তিনি। শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হলে প্রথম অপারেশনের প্রায় দুই মাস পর, গত ১৫ জুলাই আবারও তার পেটে বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়।

​পরবর্তীতে অবস্থার কোনো উন্নতি না হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। একপর্যায়ে গত ৪ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য বিথীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।

​নিহতের স্বামী রাকিবুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “চিকিৎসকদের চরম অবহেলায় আমার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এখন এই দুধের শিশুকে নিয়ে আমি কোথায় যাব? আর যেন কোনো মায়ের কোল খালি না হয় বা কেউ এমন অবহেলার শিকার না হন, তাই দোষী চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।”

​ঘটনার বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল হুদা বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। কিছুদিন আগে আমি নিজে এবং গত বুধবার জেলা প্রশাসক মহোদয় বিথীর সন্তানকে দেখতে গিয়েছিলাম। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”

ফরিদপুরে ইয়াবা সেবন ও বিক্রির অপরাধে দু’জনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ইয়াবা সেবন ও বিক্রির অপরাধে দু’জনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় মাদক (ইয়াবা) সেবন ও বিক্রির অপরাধে দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ।

​দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের বিন্দুডাঙ্গী গ্রামের শেখ মোকলেসের মেয়ে রিমা আক্তার (২০) এবং একই ইউনিয়নের ব্যাপারিডাঙ্গী গ্রামের আবুল মৃধার ছেলে রাশেদ মৃধা (২৮)।

​আদালত সূত্রে জানা যায়, রিমাকে ৬ মাসের ও রাশেদকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উভয়কে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী এ জরিমানা ও সাজা ঘোষণা করা হয়।

​অভিযান পরিচালনকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. বেলায়েত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে রিমা ও রাশেদের বাড়িতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। হাতেনাতে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় তাদের আটক করা হয়। এ সময় রিমার কাছ থেকে ৪টি এবং রাশেদের কাছ থেকে ২টি ইয়াবাসহ সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

​তিনি আরও জানান, আটক দুইজনের মধ্যে রিমা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবনের পাশাপাশি কেনাবেচার সঙ্গেও জড়িত।