খুঁজুন
, ,

কথায় সংযম রক্ষা মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ
কথায় সংযম রক্ষা মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য

বাকসংযম বা পরিমাণ মাফিক কথা বলা মানুষকে বিবাদ-বিসংবাদ ও ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। বাকসংযমের একটি জরুরি বিষয় হলো, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কথা বলা।

অপ্রয়োজনীয় কথা সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলা। বিরোধের শঙ্কা থাকলে সেই বিষয়ে তর্কালোচনায় না জড়িয়ে নীরব থাকা।

অহেতুক তর্ক করা দৃষ্টিকটু ও মূর্খতা প্রমাণ করে। আর নৈতিকভাবে বিরত থাকা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়।
চিন্তায়-মননে ও চলনে-বলনে, সর্বোপরি জীবনের সামগ্রিক ক্ষেত্রে একজন সত্যিকার মুমিন বান্দার জীবনাচার কেমন হওয়া উচিত-তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা রয়েছে রাসুল (সা.)-এর হাদিসে। বাক্য ব্যয়ে পরিমিতিবোধ বা বাকসংযমকে তিনি প্রতিটি মুমিনের অন্যতম অপরিহার্য গুণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।পরস্পরের প্রতি সদাচরণ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করতে গিয়ে রাসুল (সা.) ঘোষণা দিয়েছেন, ‘যার কথা ও আচরণে অন্য মুমিন কখনো আহত হয় না, সে-ই প্রকৃত ঈমানদার।’ (মুসলিম, হাদিস নং : ৪০)
বাকসংযম বা কথায় পরিমিতিবোধের উপকারিতা প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সার্বিক নিরাপত্তা প্রত্যাশা করে, সে যেন অবশ্যই নীরবতা অবলম্বন করে।’

সাহাবি মুআজ (রা.) একবার রাসুলের কাছে জানতে চাইলেন, আমরা কি নিজেদের কথার জন্য জবাবদিহিতার মুখোমুখি হব? রাসুল (সা.) উত্তর দিলেন, ‘মুআজ! তোমার কথায় অবাক হতে হয়, জিহ্বার কারণেই তো মানুষকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস নং : ২৬১৬)

প্রখ্যাত হাদিসবিশারদ ও মুসলিম মনীষী আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রহ.) বলেন, প্রতিটি জিহ্বার কাছেই আল্লাহ উপস্থিত রয়েছেন। অতএব, নিজের কথাবার্তা সম্পর্কে অবশ্যই আল্লাহকে ভয় করা উচিত।

রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তার উচিত কল্যাণকর কথা বলা, নয় তো চুপ থাকা।‘ (মুসলিম, হাদিস : ৪৮)

অপর এক হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘মুমিনের জিহ্বা অন্তরের পেছনে, কথা বলার ইচ্ছা হলে সে প্রথমে অন্তরের অন্দরে প্রবেশ করে। কথা বলাটা যদি তার পক্ষে কল্যাণকর হয় তখন কথা বলে। আর ক্ষতিকর হলে নীরবতা অবলম্বন করে।’

বাস্তবিকভাবে মুমিন ব্যক্তি কখনো দুরাচার, উচ্ছৃঙ্খল, উদাসীন, বেপরোয়া, লোভী, নিষ্ঠুর ও পরকালবিমুখ হতে পারে না। বরং বাকসংযম, বিনয়, ক্ষমা ও পরকালের ভাবনা মুমিনের অপরিহার্য গুণ।

ফরিদপুরে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরে কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের অংশগ্রহণে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের আলিপুর এলাকার সোহাগ ভিলায় এ সাহিত্য আসরের আয়োজন করা হয়।

​গাঙচিল সাহিত্য আসরের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়ারাদ হোসেন রিয়াদ (বন্ধু রিয়াদ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি আব্দুর রাজ্জাক রাজা। সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন মোল্লার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই আসরে জেলার প্রায় ৪১ জন কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমী অংশ নেন।

​দিনটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি, গান পরিবেশন এবং সাহিত্য বিষয়ক নানা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— মো. বাহারুল ইসলাম (বাহার), মো. ইকবাল হোসেন, অধ্যাপক রোকেয়া বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান ফরিদ, শাহনাজ পারভিন, ডা. হাফিজুর রহমান হাফিজ, সালমা ইসলাম, পলাশ নন্দী, যুগল কুমার দাস মিলন, আফরোজ জাহান পপি, আবিদা সুলতানা, ডা. হাসিনা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুদ্দীন শেখ, সুস্মিতা দাস, ঋষিতা দাস, সুমা সাহা, সিথী সাহা, রেজা হক, মিরাজ-ই-কবির খোকন, ইফরাজ হোসেন সায়ান, ইকারাদ হোসেন, মো. আক্তার হোসেন রিয়াদ, মো. শাহজাহান সরদার, আবু জাফর, মো. আব্দুছ ছামাদ, অজয় দাস তালুকদার, পারভীন, বাবল সরকার, সজল সিকদার বিদ্যুৎ, ফরিদ আহমেদ, শালমান শরিফ, দেবাশীষ মৌলি ও রোকিয়া হকসহ স্থানীয় গুণীজনেরা।

​আয়োজকরা জানান, নিয়মিত সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে স্থানীয় কবি-সাহিত্যিকদের মেলবন্ধন সুদৃঢ় করা এবং সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করাই ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’-এর মূল লক্ষ্য।

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ৬ পরিবহনকে জরিমানা

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ৬ পরিবহনকে জরিমানা

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ফরিদপুরে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ছয়টি পরিবহনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার ফরিদপুর-মাগুরা মহাসড়কের বদরপুর-সালথা রাস্তার মোড় এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

​‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্ব মূলক প্রকল্প’-এর আওতায় পরিচালিত এ অভিযানে ৬টি পরিবহনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি যানবাহনগুলো থেকে ১১টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. জিহাদ হোসেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন ফরিদপুর জেলার আনসার সদস্যরা।

​পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশ সুরক্ষায় ও ক্ষতিকর শব্দদূষণ নিরসনে এ ধরনের অভিযান জেলা জুড়ে অব্যাহত থাকবে।

মন খারাপ? কয়েক মিনিটেই মন হবে ফুরফুরে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ
মন খারাপ? কয়েক মিনিটেই মন হবে ফুরফুরে

নানা কারণে আমাদের প্রায়ই মন খারাপ থাকে, এর প্রভাব পড়ে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে আমাদের আচরণে। অনেক সময় কাজেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

তাহলে এই মন খারাপকে দ্রুত বিদায় জানাতে কী করা যেতে পারে? বিশেষজ্ঞরা বলেন, কয়েকটি কাজ করলেই মাত্র কয়েক মিনিটে মন ভালো করা সম্ভব:
* ক্যাফেইন আমাদের মুড অনেকটাই ভালো করতে পারে।

* বন্ধুদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন।

এতে মন হালকা হবে।
* গান শোনা মন ভালো করার অন্যতম কার্যকর উপায়।

* একটানা অনেকক্ষণ কাজ করলে মেজাজ খারাপ হতে পারে। তাই কিছুটা সময় বিরতি নিয়ে হাঁটাহাঁটি করে আসুন।

* কাছের কারও সঙ্গে নিজের সমস্যা ও অনুভূতিগুলো শেয়ার করুন।

* হাসির কোনো অনুষ্ঠান বা ওয়েব সিরিজ দেখতে পারেন। হাসতে হাসতেই মন ভালো হয়ে যাবে।

* সকালে যোগাসন ও নিয়মিত ব্যায়াম মুড ভালো রাখতে এবং মনকে প্রাণবন্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে।