খুঁজুন
শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

এবার ভাইরাল সেই লাইলী পাগলীর পাশে দাঁড়ালেন ফরিদপুরের এসপি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
এবার ভাইরাল সেই লাইলী পাগলীর পাশে দাঁড়ালেন ফরিদপুরের এসপি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচিত ফরিদপুরের লোকসংগীত শিল্পী লাইলী আক্তারের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

বুধবার (২৮ মে) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আন্তরিক পরিবেশে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পুলিশ সুপার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে লাইলী আক্তারের খোঁজখবর নেন এবং তাঁর হাতে ঈদ উপহারসামগ্রী তুলে দেন।

সম্প্রতি নজরুল সংগীত পরিবেশন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন লাইলী আক্তার। তাঁর দরদভরা কণ্ঠ ও সহজ-সরল জীবনযাপন সাধারণ মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে ফরিদপুর জেলা পুলিশ।

পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, লাইলী আক্তার একজন প্রতিভাবান লোকসংগীত শিল্পী। সমাজের এমন গুণী মানুষদের সম্মান ও সহযোগিতা করা সবার দায়িত্ব। ফরিদপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁর যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তাসহ সব ধরনের সহযোগিতার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

একপর্যায়ে লাইলী আক্তার তাঁর সুমিষ্ট কণ্ঠে গান পরিবেশন করেন। তাঁর গাওয়া সংগীত শুনে মুগ্ধ হন পুলিশ সুপারসহ উপস্থিত কর্মকর্তারা। গানের আবেগঘন পরিবেশনা উপস্থিত সবার মাঝে সৃষ্টি করে এক অন্যরকম ভালো লাগা।

অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা লাইলী আক্তারের গানের প্রশংসা করেন এবং তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ফরিদপুরে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নজরুল সংগীত গেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হন লাইলী আক্তার। এরপর থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর প্রতি সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছেন।

কোরবানির চামড়ার নেই ক্রেতা, সালথায় মাটিতে পুঁতে ফেলা হলো শত শত চামড়া!

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
কোরবানির চামড়ার নেই ক্রেতা, সালথায় মাটিতে পুঁতে ফেলা হলো শত শত চামড়া!

কোরবানির ঈদে পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শত শত গরু ও ছাগলের চামড়া মাটিচাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ক্রেতা সংকট, কম দাম এবং সংরক্ষণ ব্যয়ের কারণে হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। এতে প্রতি বছরের মতো অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন সাধারণ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানাগুলো।

উপজেলার গট্টি, রামকান্তপুর, আটঘর ও সোনাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কোরবানির পর সংগ্রহ করা চামড়াগুলো দীর্ঘ সময় বাড়ির উঠান কিংবা রাস্তার পাশে পড়ে ছিল। পরে দুর্গন্ধ ছড়ানো ও পরিবেশ দূষণের আশঙ্কায় অনেকেই বাধ্য হয়ে চামড়া মাটিচাপা দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে চামড়ার ক্রেতা না থাকায় এবং দাম অত্যন্ত কম হওয়ায় চামড়া সংরক্ষণ করাও সম্ভব হয়নি। ফলে দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের আশঙ্কায় অনেকে বাড়ির পাশেই চামড়া মাটিচাপা দেন।

সালথার খোয়াড় গ্রামের বাসিন্দা আজিজুল মাতুব্বর বলেন, “আগে একটা গরুর চামড়া বিক্রি করে এক থেকে দুই হাজার টাকা পাওয়া যেত। এবার ২০০-৩০০ টাকাও কেউ দিতে চায়নি। শেষে পঁচে যাওয়ার ভয়েই মাটিতে পুঁতে ফেলেছি।”

সালথার গট্টি এলাকার কৃষক রহিম শেখ বলেন, “লবণের দাম বেশি, আবার চামড়া রাখার জায়গাও নেই। আড়তদাররা আসে নাই। এত কষ্ট করে চামড়া সংরক্ষণ করে লাভ কী?”

স্থানীয় কয়েকটি মাদরাসা ও এতিমখানার কর্তৃপক্ষও চামড়া সংগ্রহে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে। উপজেলার আবু মুসা নামে একজন মাদরাসা শিক্ষক জানান, “চামড়া সংগ্রহ করে পরিবহন খরচই ওঠে না। অনেক সময় আড়তে নিয়ে গিয়েও বিক্রি করা যায় না। তাই এবার আগের মতো চামড়া সংগ্রহ করিনি।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারিভাবে চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছরই এমন সংকট তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামের প্রান্তিক মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সালথা উপজেলার বাসিন্দা ও সমাজকর্মী মিজানুর রহমান বলেন, “চামড়া দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। অথচ সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সরকার যদি ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগ্রহ কেন্দ্র চালু করতো, তাহলে মানুষ অন্তত ন্যায্যমূল্য পেত।”

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, চামড়ার বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ভবিষ্যতে যেন চামড়া নষ্ট না হয় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

স্থানীয়দের দাবি, চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, সংরক্ষণে ভর্তুকি এবং দ্রুত সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা চালু করা না হলে আগামী বছরগুলোতেও একই চিত্র দেখা যাবে।

ফরিদপুরে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নতুন করে আরও ৩০ শিশু ভর্তি হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ১২৯ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৩ জন।

মারা যাওয়া শিশুদের একজন হলো রাজবাড়ী সদর উপজেলার মাটিপাড়া এলাকার রেজাউল হোসেনের ৯ মাস বয়সী ছেলে আয়ান। অপরজন ফরিদপুর সদর উপজেলার হারুকান্দি এলাকার মো. কামরুল ইসলামের তিন মাস বয়সী ছেলে আব্দুল্লাহ।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জ্বর, শরীরে লালচে দানা, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে।

সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের আলাদা রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৯৯২ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৮৩১ জন।

চিকিৎসকরা বলছেন, হামের সংক্রমণ প্রতিরোধে শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের আলাদা রাখা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জ্বর বা শরীরে দানা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এদিকে, একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সদের বাড়তি প্রস্তুতি রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগ জনসচেতনতা কার্যক্রমও জোরদার করেছে।

ফরিদপুরে ঈদে সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ঈদে সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

ফরিদপুরে পবিত্র ঈদুল আযহায় ঘুরতে বেরিয়ে ও বাড়ি ফেরার পথে পৃথক চারটি দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছেন৷ নিহতদের মধ্যে পাঁচজনই তরুণ বয়সের। ঈদের আগের দিন (২৭ মে) বিকাল থেকে ঈদের দিন (২৮ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে বলে হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ জানিয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়ে আরও আটজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা যায়, সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার সুয়াদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী আলিমুজ্জামান মাতুব্বর (৫৫) নামের এক অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন।
নিহত আলিমুজ্জামান জেলার নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের উত্তর কান্দি গ্ৰামের হোসেন মাতুব্বরের ছেলে।

ঘুরতে বেরিয়ে প্রাণ গেল দুই বন্ধুর:

এদিকে বিকাল ৫ টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের জেলার নগরকান্দা উপজেলার নারানখালী ব্রীজ এলাকায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী রাজন (১৮) নামের এক যুবক নিহত হয়। এ সময় আহত হয় সাথে থাকা আরেক আরোহী ইব্রাহিম ফকির (১৭)।
গুরুতর আহত অবস্থায় ইব্রাহিম ফকিরকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতরা দুই জনই জেলার মধুখালী উপজেলার নওয়াবাড়ী ঘোষকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। নিহত রাজন শেখ (১৮) হামিদ শেখের ছেলে এবং একই গ্রামের ওয়াসিম ফকিরের ছেলে ইব্রাহিম ফকির (১৭)। ঈদের দিনে তারা বাড়ি থেকে ভাঙ্গা গোল চত্তরে ঘুরতে বের হয়েছিলেন।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মামুন জানান, যুবক রাজন ও ইব্রাহিম মোটরসাইকেল চালিয়ে ভাঙ্গা গোল চত্বরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মহাসড়কের নারাণখালি ব্রীজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেট কারের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রাইভেটকারটির সামনে অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মোটরসাইকেলটি ছিটকে খাদে পড়ে যায়।

অপরদিকে ঈদের আগের রাত বুধবার (২৭ মে) রাত ১১ টার দিকে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত নিহত হয় দুই যুবক। এ সময় আহত হয় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পূর্ব সদরদী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের গঙ্গাধরদী এলাকার কাঞ্চন মোল্লার ছেলে মো. সাইফুল মোল্লা (২৩) ও বরিশাল জেলা সদরের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর শরীফের ছেলে আলী ইমরান শরীফ (২৪)।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে বরিশালগামী বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে দুটি মোটরসাইকেলে থাকা চার যুবক মহাসড়কের ওপর ছিটকে পড়েন। এ সময় তারা মারাত্মক আহত হন। পুলিশ ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমরান শরীফ ও সাইফুল মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, গত ২৪ ঘন্টায় দুটি মহাসড়কে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঈদের ছুটিতে এসে ঘুরতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের:

এদিকে মহাসড়ক দুটির বাইরে আরও একটি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে উমর শেখ (২১) নামে এক যুবকের। নিহত যুবক ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গড়ানিয়ার গ্রামের দেলোয়ার শেখের ছেলে।

আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ঈদের আগের দিন (২৭ মে) ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে বের হন উমর শেখ। পরে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার মধুমতি নদী এলাকায় ঘুরতে যান এবং গোসলও করেন। আনন্দ শেষে ফেরার পথে বানা ইউনিয়নের আউষের হাট এলাকায় তাদের বহনকারী নসিমনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন উমর শেখ। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরও ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছেন।