খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-এ সংবাদ প্রকাশ, পরদিনই মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-এ সংবাদ প্রকাশ, পরদিনই মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার জয়বাংলা মোড়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে সরকারি অধিগ্রহণকৃত জমিতে গড়ে তোলা অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে স্থাপনাটি অপসারণ করা হয়।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে নগরকান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়ার নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে শ্রমিকদের মাধ্যমে মহাসড়কের পাশে নির্মিত দোকানঘরের কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।

গতকাল শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-এ ‘ফরিদপুরে মহাসড়কের সরকারি জমি দখল, বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে দোকান নির্মাণের অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, নগরকান্দা উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইউনুস মোল্লা ও তার ছেলে ওসমান মোল্লা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের অধিগ্রহণকৃত সরকারি জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করছেন।

সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে এবং তদন্তের পরপরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়া জানান, সরকারি জমিতে কোনো ধরনের অবৈধ দখল বা স্থাপনা নির্মাণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “মহাসড়কের অধিগ্রহণকৃত জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা সরেজমিনে তদন্ত করি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আজ শনিবার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে অবৈধ দোকানঘর অপসারণ করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, সরকারি জমি দখল করে কেউ যেন কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করে সে বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে হবে। কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মহাসড়কের পাশের এসব জায়গা সরকারি অধিগ্রহণকৃত হওয়ায় সেখানে স্থাপনা তৈরি হলে ভবিষ্যতে সড়ক সম্প্রসারণ বা যান চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারত। তাই দ্রুত প্রশাসনের পদক্ষেপকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন।

 

সালথায় রাতের অন্ধকারে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
সালথায় রাতের অন্ধকারে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে গ্রামের বাসিন্দা রব্বান মাতুব্বরের বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা জানান, গত শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গ্রামে হামলা চালায়। তাদের দাবি, বিএনপি নেতা মুরাদ মাতুব্বর ও যুবদল নেতা শাফিকুলের নেতৃত্বে এ হামলা সংঘটিত হয়। হামলাকারীরা টর্চলাইটের আলো ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন বাড়িঘরে ভাঙচুর চালায় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শুধু স্থানীয় লোকজন নয়, পাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও লোকজন এনে সংঘবদ্ধভাবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়। এতে অন্তত কয়েকটি বাড়িঘর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি অনেক পরিবার রাতেই নিরাপত্তাহীনতায় গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় বলেও দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। প্রভাবশালী মহলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, মোটরসাইকেল মহড়া এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।

এ সময় গোয়ালপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের মোল্লা বলেন, “হামলার সময় পুরো গ্রামজুড়ে টর্চলাইটের আলো দেখা যায়। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংগঠিতভাবে বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়। বহিরাগত লোকজনও এতে অংশ নেয়।” তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি নেতা মুরাদুর রহমান, শাফিকুল ইসলাম ও সামাদ মাতুব্বরের নেতৃত্বেই এ হামলা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিএনপি নেতা রব্বান মাতুব্বর বলেন, “ঘটনার সময় আমি গ্রামের বাইরে ছিলাম। পরে ফিরে এসে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিচার দাবি করছি।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর হাসিব লিঠু, আটঘর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কাওসার মাতুব্বর, যুবদল নেতা রব্বান মাতুব্বর, বিএনপি নেতা আদেল মাতুব্বর, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান আলীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে এলাকার নিরাপত্তা জোরদার, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

ফরিদপুরে আসামীদের হামলায় ৫ পুলিশ সদস্য আহত

চরভদ্রাসন প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে আসামীদের হামলায় ৫ পুলিশ সদস্য আহত

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীবেষ্টিত চরশালেহপুর এলাকার ছোরমান খাঁর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন চরভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক রিপন হোসেন, মোজাম্মেল হক, মো. রফিকুজ্জামান, সহকারী উপ-পরিদর্শক গাজী সোহেল এবং কনস্টেবল উজ্জল হোসেন। তাঁদের মধ্যে চারজনকে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অপর একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরশালেহপুর এলাকার বাসিন্দা এবং চরহরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কবির খাঁর বিরুদ্ধে থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাকে আটক করতে পুলিশ সদস্যরা সাধারণ পোশাকে এলাকায় অভিযান চালায়। একপর্যায়ে বাজার এলাকা থেকে কবির খাঁকে আটক করা হলে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। পরে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে কবির খাঁকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, আহত চার পুলিশ সদস্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আরেকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা লাবলু দাবি করেন, কয়েকজন ব্যক্তি লুঙ্গি ও ট্রাউজার পরে এসে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেন এবং কবির খাঁকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যেতে চান। এ সময় উপস্থিত স্বজনরা বাধা দিলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে হাতকড়া ফেরত দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চরভদ্রাসন থানার (ওসির দায়িত্বপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক রফিকুজ্জামান বলেন, কবির খাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে তার লোকজন হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলমান।

তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি চরাঞ্চলে প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে ধরতে ছদ্মবেশে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ পোশাকে গেলে তিনি পালিয়ে যেতে পারতেন।

এদিকে, সম্প্রতি কবির খাঁর বিরুদ্ধে চরাঞ্চলের শতাধিক মানুষের ভুট্টাখেত ও জমি দখলের অভিযোগ তুলে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করা হচ্ছে।

ফরিদপুরে শিক্ষকদের বহনকারী মাইক্রোবাসে ‘গুলির মতো’ আঘাত, ভাঙল কাঁচ—চরম আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শিক্ষকদের বহনকারী মাইক্রোবাসে ‘গুলির মতো’ আঘাত, ভাঙল কাঁচ—চরম আতঙ্ক

ফরিদপুরে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষকদের বহনকারী একটি মাইক্রোবাসে ‘শর্টগানের গুলির মতো’ আঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসটির পেছনের কাঁচ ভেঙে যায় এবং কাঁচের টুকরো ভেতরে থাকা শিক্ষকদের ওপর ছিটকে পড়ে। যদিও কেউ গুরুতর আহত হননি, তবে আকস্মিক এই ঘটনায় শিক্ষকরা চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়েন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর শহরের চাঁনমারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় মাইক্রোবাসটিতে রাজেন্দ্র কলেজের একাধিক শিক্ষক শহর ক্যাম্পাস থেকে বায়তুল আমান ক্যাম্পাসে যাচ্ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানান, চাঁনমারি ঈদগাঁ মোড় অতিক্রম করার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। মুহূর্তের মধ্যেই মাইক্রোবাসটির পেছনের কাঁচ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। পরে কাঁচে গুলির মতো একটি চিহ্ন দেখা যায়, যা দেখে তারা ধারণা করছেন এটি কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি হতে পারে।

মাইক্রোবাসে থাকা এক শিক্ষক বলেন, “ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটেছে যে আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই কাঁচ ভেঙে ভেতরে পড়ে। আমরা সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। প্রথমে মনে হয়েছিল বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে।”

আরেকজন শিক্ষক জানান, “আমরা নিয়মিত এই পথে যাতায়াত করি। এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। এটি পরিকল্পিত নাকি আকস্মিক—তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।”

এ বিষয়ে রাজেন্দ্র কলেজ শিক্ষক সমিতির সম্পাদক মো. শাহিনুল ইসলাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “ঘটনার বিষয়টি আমি জেনেছি এবং ড্রাইভারের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা জরুরি বৈঠক ডেকে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করব।”

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস.এম. আব্দুল হালিম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে বলেন, “ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে শর্টগানের গুলির মতো মনে হচ্ছে। তবে নিশ্চিত হতে তদন্ত প্রয়োজন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

এদিকে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে জানান, “ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”