খুঁজুন
রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুর-২: ভোটের মঞ্চে অঝোর কান্না—বাবার স্মৃতিতে ভেঙে পড়লেন শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৬ এএম
ফরিদপুর-২: ভোটের মঞ্চে অঝোর কান্না—বাবার স্মৃতিতে ভেঙে পড়লেন শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা–সালথা) নির্বাচনী এলাকার নগরকান্দায় এক আবেগঘন জনসভায় বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। ভোট চাওয়ার মুহূর্তে তাঁর চোখের জল ছুঁয়ে যায় হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের হৃদয়।

রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা সদরের মাহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমী (এমএন একাডেমী) মাঠে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে এ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৪ টার আগেই মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীদের স্লোগান ও উপস্থিত জনতার ভিড়ে পুরো এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ নেয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামা ওবায়েদ বলেন, “আমার বাবা কে এম ওবায়দুর রহমান এই অঞ্চলের মানুষের জন্য আজীবন কাজ করেছেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি নগরকান্দা-সালথার মানুষকে আগলে রেখেছিলেন। এই এলাকার মানুষ তাঁকে তাদের সর্বোচ্চ ভালোবাসা দিয়ে সম্মান করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যদি আপনাদের ভোটে এমপি নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে বাবার আদর্শ বুকে ধারণ করে সবার সঙ্গে নিয়ে চলতে চাই। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।”

বিএনপির সম্ভাব্য রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি সেবা পাবেন। কোনো দুর্নীতিবাজ যেন আপনাদের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।”

নিজের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে শামা ওবায়েদ বলেন, “আমি নগরকান্দাকে দুর্নীতিমুক্ত নগরকান্দা, দুর্নীতিমুক্ত পৌরসভা এবং চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা সবাই মিলে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়বো।”

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাত ১২টার পর যারা গ্রামে ঢোকে, তারা ভালো উদ্দেশ্যে আসে না। আপনারা নিজ নিজ গ্রাম ও ঘর পাহাড়া দেবেন। আমি আপনাদেরই একজন বোন। যদি আমি বিজয়ী হই, আমি একা সংসদে যাব না—আপনারাও আমার সঙ্গে সংসদে যাবেন।”

বক্তব্যের একপর্যায়ে বাবার স্মৃতি স্মরণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন শামা ওবায়েদ। এ সময় মাঠজুড়ে নেমে আসে নীরবতা, অনেকের চোখেও জল দেখা যায়।

জনসভায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল তালুকদারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা, যুগ্ম-আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবিউল ইসলাম রবি এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত শরীফ।

জনসভা শেষে নেতাকর্মীরা বলেন, শামা ওবায়েদের এই আবেগঘন বক্তব্য নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা।

১১ জেলায় নতুন ডিসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম
১১ জেলায় নতুন ডিসি

১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (২৯ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাদেরকে তাদের নামের পাশে বর্ণিত জেলায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে বদলি/পদায়ন করা হলো।

এর মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী শহিদুল ইসলামকে রাজশাহী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লুৎফুন নাহারকে চুয়াডাঙ্গা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব হরে জান্নাতকে খুলনা, অর্থ বিভাগের উপসচিব মর্জিনা আক্তারকে মাদারীপুর ও সরকারি প্রিন্টিং প্রেসের উপপরিচালক (উপসচিব) মো. আবু সাঈদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপসিচব আহেমদ জিয়াউর রহমানকে চাঁদপুর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব জি.এম. সরফরাজকে হবিগঞ্জ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ইসরাত জাহান কেয়াকে নরসিংদী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শিল্পী রানী রায়কে মেহেরপুর, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের উপসচিব (সচিব) মুহ. রাশেদুল হক প্রধানকে লালমনিরহাট ও ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব) মো. সানিউল ফেরদৌসকে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আদেশে স্বাক্ষর করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আমিনুল ইসলাম।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ২:২৭ পিএম
ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান

সার্বিক পুলিশিং কার্যক্রম বিবেচনায় ফরিদপুর জেলার পুলিশের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান। তিনি জেলার নগরকান্দা সার্কেল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে সেরা সার্কেল ঘোষণা করে পুরস্কার তুলে দেন এসপি মো. নজরুল ইসলাম।

ক্রেস্ট প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাহমুদুল হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন ক্লুলেস হত্যা, চুরির মামলা উদঘাটন ও দায়িত্বাধীন থানাগুলোর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য এ পুরস্কারে ভূষিত হন।

সার্কেল অফিস ও থানাগুলোর অভিযোগ অনুসন্ধান, মাদক জব্দ, ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তিসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবদান রাখায় মাহমুদুল হাসানকে ফরিদপুর জেলা পুলিশের সেরা সার্কেল অফিসার নির্বাচন করা হয়।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি বাবলুর রহমান খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৫ পিএম
ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি বাবলুর রহমান খান

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি মনোনীত হয়েছেন সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে মাসিক কল্যাণ সভায় সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খানকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত করা হয়।

সভা শেষে ফরিদপুর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম তার হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।

ক্রেস্ট প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান প্রমূখ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মো. বাবলুর রহমান খান সালথা থানায় যোগদানের পর সহিংসতা বন্ধে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে আসছেন। এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, অপরাধী আটক, মাদক নিয়ন্ত্রণ, মামলা গ্রহণসহ চুরি-ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন তিনি।