খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে পদ্মা-মধুমতির ভয়াল থাবা, ৫ উপজেলায় তীব্র নদীভাঙন

তামিম ইসলাম, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পদ্মা-মধুমতির ভয়াল থাবা, ৫ উপজেলায় তীব্র নদীভাঙন

পদ্মা ও মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ফরিদপুরের পাঁচটি উপজেলায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে নদীভাঙন। তীব্র স্রোত ও নদীর আগ্রাসী রূপে একের পর এক বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা। ভিটেমাটি হারিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন নদীতীরবর্তী হাজারো মানুষ।

নদীভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আলফাডাঙ্গা উপজেলা। মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙনে টগরবন্দ, গোপালপুর, বুড়াইচ, বানা ও পাচুড়িয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। চলতি মৌসুমে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ একর ফসলি জমি ও বহু বসতভিটা নদীগর্ভে চলে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ভাঙনের কবলে পড়ে সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন চাপুলিয়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দারা। আশ্রয়ণ কেন্দ্রের কয়েকটি ঘর নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বেশ কিছু পরিবার। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে কেউ কেউ বর্তমানে পলিথিন টাঙিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ভাঙন অব্যাহত থাকলে চরখোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আল-হেরা দাখিল মাদ্রাসা, মোকছেদ মোল্লা এতিমখানা মাদ্রাসা, স্থানীয় মসজিদ, ঈদগাহ, কবরস্থান ও একটি পোস্ট অফিসও নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে শুধু বসতভিটা নয়, এলাকার শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামোও হুমকির মুখে পড়েছে।

পদ্মার ভয়াল আগ্রাসনে ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ও ডিক্রীরচর ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী এলাকাতেও দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক। ভাঙনের তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে, অনেক পরিবার ঘর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আগেই নিজেদের শেষ সম্বল রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

কেউ টিনের চাল খুলে নিচ্ছেন, কেউ ঘরের খুঁটি ও দেয়ালের ইট সরিয়ে নিচ্ছেন নিরাপদ স্থানে। চোখের সামনে বসতভিটা ও ঘরবাড়ি হারানোর আশঙ্কায় নদীপাড়ের মানুষের রাত কাটছে আতঙ্কে। অনেকেই জানেন না, পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তাদের বসতভিটার অস্তিত্ব থাকবে কি না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীভাঙনের কারণে একদিকে যেমন বসতভিটা হারানোর শঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় জীবিকা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হঠাৎ করে ভাঙন শুরু হওয়ায় অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় মালামালও সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না।

সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলাতেও নদীভাঙনের চিত্র ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ঢেউখালি, চর নাসিরপুর, গাজীরটেক ও চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই নতুন নতুন জায়গা ভাঙনের কবলে পড়ছে।

অন্যদিকে ভাঙ্গা উপজেলায় আড়িয়াল খাঁ ও এর শাখা নদীগুলোর পানি বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলের কৃষিজমি ও বসতভিটা দ্রুত নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে জেলার বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকায় একই সঙ্গে দেখা দিয়েছে বসতভিটা, কৃষিজমি ও অবকাঠামো রক্ষার তীব্র সংকট।

নদীভাঙনের শিকার মানুষের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা ও পানি বৃদ্ধির সময় নদীভাঙন তীব্র হলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ না থাকায় একই ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। সাময়িকভাবে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয় বলে মনে করছেন তারা।

সার্বিক নদীভাঙন পরিস্থিতির বিষয়ে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগামী দুই দিনের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতে জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তিনি জানান, নদীতীর সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোকে স্থায়ীভাবে সুরক্ষার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নদীভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজও দ্রুত শুরু করতে হবে। তাদের আশঙ্কা, শুধু সাময়িক জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানো সম্ভব না হলে পদ্মা ও মধুমতির আগ্রাসনে ফরিদপুরের আরও বহু গ্রাম, কৃষিজমি ও বসতভিটা চিরতরে নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।

নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন নদীতীরবর্তী মানুষ। তাই ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতে জরুরি প্রতিরোধের পাশাপাশি স্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সালথায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের সড়ক-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
সালথায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের সড়ক-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

ক্লাস চলার সময়ে নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে রাস্তাঘাট বা অপ্রয়োজনীয় স্থানে ঘোরাফেরা করলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এমন কঠোর নির্দেশ দিয়েছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রশাসন।

​বুধবার (০৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সালথা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সালথা উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ক্লাস চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে বা অপ্রয়োজনীয় স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবককে উপজেলা প্রশাসনে বা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না মর্মে অভিভাবকের কাছ থেকে উপযুক্ত মুচলেকা গ্রহণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

​উপজেলা প্রশাসন জানায়, এই নির্দেশনা অত্যন্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার স্বার্থেই মূলত এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে সালথা উপজেলা প্রশাসন।

সালথায় জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
সালথায় জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের সালথায় ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১৫টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

​বুধবার (০৪ নভেম্বর) বিকেলে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

​স্থানীয়রা জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও ফসলি জমি নিয়ে মেহেরদিয়া গ্রামের মো. কালাম মুন্সীর সঙ্গে নুর ইসলাম মুন্সীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার দুপুরে কালাম মুন্সী তাঁর ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দিতে গেলে নুর ইসলামের সমর্থকরা তাঁকে মারধর করেন।

​এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ সময় হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে সংঘর্ষকারীরা।

​এ ঘটনায় কালাম মুন্সী ও শাহজাহান মাতুব্বরসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

​সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।’

​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।

ফরিদপুরে ডিবির অভিযানে চাকরিচ্যুত সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ গ্রেফতার ৩

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ডিবির অভিযানে চাকরিচ্যুত সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ গ্রেফতার ৩

ফরিদপুরে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে একটি আন্তঃজেলা ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

​গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সাবেক (চাকরিচ্যুত) দুই সদস্য রয়েছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ডাকাতি হওয়া একটি ১৫০ সিসি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

​বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

​পুলিশ জানায়, সম্প্রতি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ভাড়া করার ছলে ডিবি পরিচয়ে ছিনতাইয়ের একটি ঘটনার তদন্তে নেমে চক্রটির সন্ধান পায় গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযানের একপর্যায়ে চক্রের মূল হোতা সাবেক পুলিশ সদস্য মো. লিমন মিয়া (৩৪) ও তার সহযোগী মো. সাখাওয়াত মুন্সি ওরফে সাকাকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার লিমন ও সাকার বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাসাবাদে লিমন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইজিবাইক চুরি ও ছিনতাই করে আসছিলেন। পরবর্তীতে ছিনতাই করা ইজিবাইকগুলো মুকসুদপুরের মন্টু মিয়া নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হতো। লিমনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, অস্ত্র ও মাদকসহ অন্তত ১১টি মামলা রয়েছে।

​পরে লিমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাবেক সেনা সদস্য মো. ইমদাদুল হক ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৫৫) গ্রেফতার করে ডিবি। খুলনা সদর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর বর্তমানে রঘুনন্দনপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

​অভিযানে তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় রূপগঞ্জে ডাকাতি হওয়া মোটরসাইকেলটি। পুলিশের দাবি, জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগীরা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি বড় ধরনের ডাকাতি সংঘটিত করে নগদ ২৪ লাখ টাকাসহ প্রায় ৬৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. শাহারিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জানান, গ্রেফতারদের আদালতে সোপর্দ করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।