খুঁজুন
, ,

সরকারি হচ্ছে ফরিদপুরের সালথার নবকাম পল্লী কলেজ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
সরকারি হচ্ছে ফরিদপুরের সালথার নবকাম পল্লী কলেজ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নবকাম পল্লী কলেজ সরকারি করার উদ্যোগে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। কলেজটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখের এক পত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের আধা-সরকারি (ডিও) পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে সালথা উপজেলার নবকাম পল্লী কলেজ সরকারি করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কলেজটি সরকারি করার লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করে ডিও পত্র অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ চিঠি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কলেজটি সরকারি করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি অগ্রগতি। সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্ভাব্যতা যাচাই ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

১৯৯৪ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মিঞা লুৎফার রহমান গ্রামীণ অঞ্চলের উচ্চশিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে নবকাম পল্লী কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। কলেজটির নামকরণও ব্যতিক্রমধর্মী। ‘নবকাম’ শব্দটি এসেছে চারটি উপজেলার নামের আদ্যক্ষর থেকে—’ন’ নগরকান্দা, ‘ব’ বোয়ালমারী, ‘কা’ কাশিয়ানী এবং ‘ম’ মুকসুদপুর। চার উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় শুরু থেকেই এটি একটি আঞ্চলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

শিক্ষার মান, ফলাফল ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সাফল্যের জন্য কলেজটি সালথা উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১০ বার নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালে ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি অর্জন করে। কলেজটির গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ফজলুল হক খন্দকার।

বর্তমানে কলেজটিতে উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি (পাস), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি, বিএ ও বিএসএস, বিএম (ভোকেশনাল), আটটি বিষয়ে অনার্স এবং ব্যবস্থাপনা ও সমাজকর্ম বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। প্রায় ১ হাজার ৩০০ শিক্ষার্থী, ৬১ জন শিক্ষক এবং ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

নবকাম পল্লী কলেজের অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কলেজটি সরকারি করার লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশনা আসা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। কলেজটি সরকারি হলে শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটবে, শিক্ষক নিয়োগ সহজ হবে এবং গ্রামীণ জনপদের হাজারো শিক্ষার্থী আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে।”

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে নবকাম পল্লী কলেজকে সরকারি করার দাবি ছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই নির্দেশনার মাধ্যমে সেই দাবির বাস্তবায়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলো। তবে সরকারি হওয়ার আগে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তাই এখন সরকারি সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

ফরিদপুরে ৫৩ লিটার চোলাই মদসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৫৩ লিটার চোলাই মদসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ফরিদপুর সদর উপজেলার রঘুনন্দনপুর গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫৩ লিটার চোলাই মদ জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় চোলাই মদ সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে রঘুনন্দনপুর গ্রামের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় ভারতী রানী দাস (৪০) নামে এক নারীর নিজ বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ৪৮ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আশেক মোল্লা (৩০) নামে অপর এক ব্যক্তির হেফাজত থেকে আরও ৫ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ৫৩ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকেই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ওই এলাকায় চোলাই মদ তৈরি ও বিক্রির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল বলে অভিযোগ ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি বাড়ানোর পর নিশ্চিত তথ্য পেয়ে অভিযান চালানো হয়।

ফরিদপুরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে ৫৩ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূল এবং মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

ফরিদপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মোছা. আমেনা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার মাঝকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আমেনা বেগম উপজেলার মাছকান্দি গ্রামের মৃত এলাহি শেখের স্ত্রী। স্থানীয়দের ভাষ্য, সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজের অংশ হিসেবে তিনি রাস্তার পাশ থেকে শুকনো গাছের ডাল সংগ্রহ করছিলেন। পরে সেগুলো নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি সুজুকি মোটরসাইকেল (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ফরিদপুর-ল-১২-৪০৫৫) তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধাক্কার আঘাতে আমেনা বেগম কয়েক ফুট দূরে ছিটকে পড়েন এবং গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে ধীরগতি সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের এ অংশে যানবাহনের গতি অনেক বেশি থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক অতিক্রম করতে হয়। তারা এই এলাকায় গতি নিয়ন্ত্রণ, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড এবং নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে কি না এবং চালকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কমিউনিটি ব্যাংকের নতুন এমডি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন

অর্থনীতি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
কমিউনিটি ব্যাংকের নতুন এমডি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগ দিয়েছেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন। 

সোমবার (৩ আগস্ট) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, নির্বাহী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

২৫ বছরেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন রিটেইল ব্যাংকিং, এসএমই ও অ্যাগ্রিকালচার ব্যাংকিং, করপোরেট ব্যাংকিং, ট্রানজেকশন ব্যাংকিং এবং ব্রাঞ্চ ব্যাংকিংয়ে দক্ষ নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।

কৌশলগত ব্যবসায়িক নেতৃত্ব, ব্যালান্স শিট শক্তিশালীকরণ, টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, গ্রাহক সম্পর্ক উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক রূপান্তরে তার উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে।

কমিউনিটি ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি পদ্মা ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৩ সালের ৩ মার্চ তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিতকরণ, গ্রাহক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণ, ব্যবসায়িক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই প্রবৃদ্ধিমুখী কৌশলগত উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

পরবর্তীতে তিনি একই প্রতিষ্ঠানে চিফ রিকভারি অফিসার (সিআরও) এবং চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসারের (ক্যামেলকো) অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, রেগুলেটরি নির্দেশনা প্রতিপালন এবং সুশাসন নিশ্চিতকরণে কার্যকর নেতৃত্ব দেন।

এর আগে তিনি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং, হেড অব এসএমই ও অ্যাগ্রিকালচার ব্যাংকিং এবং হেড অব করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশ, এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি. (ইবিএল) এবং ঢাকা ব্যাংক পিএলসিসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলোতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বমূলক ও ব্যবস্থাপনাগত পদে দায়িত্ব পালন করেন। এসব প্রতিষ্ঠানে তিনি ব্যবসায় উন্নয়ন, গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা, ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, রিটেইল ও করপোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ও অ্যাগ্রিকালচার ব্যাংকিং এবং শাখা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে বিএসএস (অনার্স) ও এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

ব্যাংকিং খাতে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি দেশের ব্যাংকারদের পেশাগত উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং পরবর্তীতে সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি দেশে ও বিদেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ প্রোগ্রাম, পেশাগত উন্নয়ন কোর্স, কর্মশালা এবং আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংকিং, নেতৃত্ব, সুশাসন ও কৌশলগত ব্যবস্থাপনায় নিজের জ্ঞান ও দক্ষতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।

নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালককে স্বাগত জানিয়ে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, তার অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে ব্যাংকটি একটি আধুনিক, গ্রাহককেন্দ্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ক্যাশলেস আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের অভিযাত্রাকে আরও বেগবান করবে। একইসঙ্গে টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার, ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার সম্প্রসারণ এবং গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও অন্যান্য অংশীজনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টিতে কমিউনিটি ব্যাংক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলেও তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।