খুঁজুন
, ,

“আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে” : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ
“আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে” : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর-২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম নির্বাচনী মাঠে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে শান্ত, সংযত ও সংগঠিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ধৈর্য, ঐক্য ও জনগণের ওপর আস্থা রাখাই বিএনপির মূল শক্তি।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের বাউষখালী বাজার মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় এলাকার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, “১২ তারিখে আপনারা সকাল সকাল ভোট দিতে যাবেন। ১১ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রতিটি ভোট পাহারা দিতে হবে। কেউ উসকানি দিয়ে ঝগড়া করতে এলে তাতে জড়ানো যাবে না। মাথা ঠান্ডা রেখে মানুষের কাছে যাবেন, ভোট চাইবেন—এটাই আমাদের কাজ।” তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপির রাজনীতি শান্তিপূর্ণ ও জনগণকেন্দ্রিক, এখানে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।

ধর্মীয় অনুভূতি ও বিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমরা মুসলমান। ইসলাম আমাদের জীবনের প্রতিটি অংশের সঙ্গে জড়িত। কোরআনের নির্দেশনা অনুসরণ করে ভালো মানুষ ও ভালো মুসলিম হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু জান্নাত–জাহান্নামের নিশ্চয়তা দেওয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহর। কেউ যদি নিজেকে সেই নিশ্চয়তার মালিক মনে করে, তবে তা নাফরমানির শামিল।” তিনি আরও বলেন, ইসলাম ধারণ করার বিষয়, বিক্রির কোনো পণ্য নয়।

নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শুধু নির্বাচনের নয়—এ সম্পর্ক মাটি, হৃদয় ও আত্মার। নির্বাচন একদিন শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু আমাদের সম্পর্ক থাকবে আজীবনের।” গত ১৭ বছর ধরে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের কাছে একবার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে সালথা উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

বাবা বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ন্যায় ও সত্যের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। সেই আদর্শ ধারণ করেই তিনি রাজনীতি করছেন এবং ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় বল্লভদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান লিপু মিয়া, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শাহিন মাতুব্বর, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ওহিদুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

পঁয়ত্রিশে পা দিচ্ছেন? এই ৬ স্বাস্থ্য পরীক্ষা আপনার চেকলিস্টে থাকা উচিত

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৬:৪১ পূর্বাহ্ণ
পঁয়ত্রিশে পা দিচ্ছেন? এই ৬ স্বাস্থ্য পরীক্ষা আপনার চেকলিস্টে থাকা উচিত

জীবনের ব্যস্ততায় পঁয়ত্রিশে পা দেওয়া অনেক সময় হয়তো ৩০-এর মতো অতটা ঘটা করে উদযাপন করা হয় না। এই বয়সে এসে মানুষের মূল মনোযোগ থাকে ক্যারিয়ারের উন্নতি, পারিবারিক দায়িত্ব আর প্রাত্যহিক রুটিনের ওপর। কিন্তু বাইরের এই ব্যস্ততার আড়ালে শরীরের ভেতর নীরবে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন চলতে থাকে।

আমাদের শরীর দীর্ঘ সময় ধরে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের অভাব, শরীরচর্চায় অনীহা আর তীব্র মানসিক চাপের সাথে মানিয়ে নিতে পারলেও, ৩৫ বছর বয়সটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ বা ‘টিপিং পয়েন্ট’ হিসেবে কাজ করে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সে এসেই শরীরের সেই মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বা সহনশীলতা কমতে শুরু করে এবং বছরের পর বছর ধরে করা ছোট ছোট অবহেলার প্রভাবগুলো স্পষ্টভাবে দেখা দিতে থাকে। বিশেষ করে মেটাবলিক সমস্যা এবং হৃদরোগের ঝুঁকিগুলো এই সময়েই সবচেয়ে বেশি প্রকট হয়। তাই পঁয়ত্রিশ বছর বয়সকে কেবল আরেকটি জন্মদিন হিসেবে না দেখে একে স্বাস্থ্যের জন্য একটি মূল্যবান ‘চেকপয়েন্ট’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

এই মাইলফলকে দাঁড়িয়ে আপনার সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে যে ৬টি পরীক্ষা আপনার চেকলিস্টে থাকা জরুরি:

১. HbA1c: রক্তে শর্করার দীর্ঘমেয়াদী হিসাব

সাধারণ ব্লাড সুগার পরীক্ষা কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়ের অবস্থা জানায়, কিন্তু HbA1c পরীক্ষা গত তিন মাসের গড় শর্করার মাত্রা প্রকাশ করে। ভারতে ডায়াবেটিস এবং প্রি-ডায়াবেটিসের ক্রমবর্ধমান হারের কথা মাথায় রেখে এই পরীক্ষাটি করা জরুরি, কারণ অনেক সময় লক্ষণ প্রকাশের আগেই শরীর ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে।

২. লিপিড প্রোফাইল ও রক্তচাপ পরীক্ষা

হৃদরোগের ঝুঁকি নিরূপণে কোলেস্টেরল বা লিপিড প্রোফাইল এবং নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না বলে এদের ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। এই পরীক্ষাগুলো হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বছর আগেই শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

৩. লিভার ফাংশন টেস্ট

অলস জীবনযাপন, স্থূলতা এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে বর্তমানে ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ’ (NAFLD) দ্রুত বাড়ছে। লিভারের কার্যক্ষমতা যাচাই করার মাধ্যমে স্থায়ী কোনো ক্ষতি হওয়ার আগেই সতর্ক হওয়া সম্ভব।

৪. কিডনি ফাংশন টেস্ট

লিভারের মতোই কিডনিও কোনো উপসর্গ ছাড়াই দীর্ঘদিন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বর্জ্য অপসারণ এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কিডনির ভূমিকা অপরিসীম, তাই নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে কিডনির স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা উচিত।

৫. থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট

শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজমের নিয়ন্ত্রক হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। অকারণে ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি বা মেজাজের পরিবর্তনের পেছনে অনেক সময় থাইরয়েডের হরমোনজনিত সমস্যা দায়ী থাকে, যা একটি সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমেই শনাক্ত করা সম্ভব।

৬. ভিটামিন D3 এবং B12 স্ক্রিনিং

আধুনিক জীবনযাত্রায় দীর্ঘক্ষণ ঘরের ভেতরে থাকা এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে ভিটামিন ডি৩ এবং বি১২-এর ঘাটতি এখন খুব সাধারণ। পেশীর দুর্বলতা, ক্লান্তি বা মনোযোগের অভাবের মতো সূক্ষ্ম লক্ষণগুলো অবহেলা না করে এই ভিটামিনগুলোর মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।

শেষকথা

ব্যক্তিগত সচেতনতাই মূল চাবিকাঠি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্ক্রিনিং বা স্বাস্থ্য পরীক্ষা মানে কেবল রোগ খুঁজে বের করা নয়, বরং জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের সুযোগ তৈরি করা। তবে মনে রাখবেন, প্রত্যেকের শরীরের গঠন, পারিবারিক ইতিহাস এবং জীবনযাপন আলাদা, তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার নিজের চেকলিস্ট তৈরি করা সবচেয়ে কার্যকর। পঁয়ত্রিশ বছর বয়স হলো জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সেরা সময়, আর এই পরীক্ষাগুলো আপনাকে সেই পথে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফরিদপুরে ‎মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ‎মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা

ফরিদপুরের সালথা মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিষ্ণুদী যুব উন্নয়ন সংগঠন।

‎শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে সংগঠনটির আয়োজনে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের বিষ্ণুদী গ্রামে বিষ্ণুদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত মাদকবিরোধী সমাবেশে সংগঠনের পক্ষ থেকে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম এ ঘোষণা দেন।

‎তিনি বলেন, এই গ্রামের কোনো মাদক কারবারিকে প্রমাণসহ ধরিয়ে দিতে পারলে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

‎’মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

‎সংগঠনের সভাপতি মো. রবিউল মুন্সী বলেন,
‎নতুন প্রজন্মকে রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংস করে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

‎উপস্থিত বক্তারা বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে হবে না। সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এলাকার তরুণদের সুরক্ষা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মাদকের বিস্তার রোধ এখন সময়ের দাবি।

‎সমাবেশ থেকে রাত বেরাতে অকারণে এলাকায় ঘোরাফেরা না করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

‎বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তরা টাকার অভাবে একসময় চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তাই প্রত্যেক অভিভাবককে নিজ নিজ সন্তানদের প্রতি নজর রাখতে হবে। এলাকার মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবীদের বিষয়ে সবাই কমবেশি অবগত এখন প্রয়োজন তাদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে সোচ্চার হওয়া।

‎উপস্থিত এলাকাবাসী অঙ্গীকার করে বলেন, মাদক বিক্রেতা বা সেবনকারী আটক হলে সে নিজের সন্তান হলেও তাকে ছাড়িয়ে আনতে যাব না।

‎এছাড়া সমাবেশ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রাত ১০টার পর গ্রামের দোকানপাট খোলা রাখা যাবে না এবং ছেলে-মেয়েরা যেন অকারণে গভীর রাতে বাইরে ঘোরাফেরা না করে, সেদিকে অভিভাবকদের বিশেষ নজর রাখতে হবে।

‎মাদকবিরোধী সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মহিউদ্দিন, প্রবীণ আলেম মেজবাহ উদ্দিন, হাফিজুর মাতুব্বর, হবি মোল্যা, ইউপি সদস্য উজ্জ্বল শেখ, সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ দুই শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

‘এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
‘এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, এবারের বাজেট স্বাস্থ্য খাতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বাজেট। বর্তমান এই ভঙ্গুর অর্থনীতিতে স্বাস্থ্য সেবায় এবং স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ কি পরিমাণে বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে এটি সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সব সেক্টরে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে চলছেন। যার মধ্যে অগ্রাধিকার রয়েছে স্বাস্থ্য খাত।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি নির্বাচিত করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে বলেন, ভৌগলিক কারণে এই অঞ্চলের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেসব অনিয়ম রয়েছে সবকিছু আমাদেরকে ঠিক করতে হবে। সর্বোপরি আমরা চাই আমাদের রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে। রোগী হাসপাতাল এসে যদি সেবা না পাই এবং চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয় তাহলে এটা হাসপাতালের অদক্ষতায় মধ্যে পড়ে। হাসপাতালে দুর্নীতি বন্ধ করা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা আমার প্রধান লক্ষ্য থাকবে। আমরা যদি এগুলো বন্ধ করতে পারি তাহলে হাসপাতাল অনেক ভালোভাবে চলবে। আর এ জন্য কোন আপোষ আমি করব না। কারণ এটা আমার দায়বদ্ধতার ভিতর পরে।

শামা ওবায়েদ বলেন, বিগত দিনের মতো রাজনৈতিক দলের পরিচয় ধরে কেউ যাতে হাসপাতালের অনৈতিক কাজ বা পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে সেটা দেখতে হবে। এক্ষেত্রে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে সবাইকে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. মাজাহারুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা, বিএমএ এর সাধারণ সম্পাদক ডা. আলী আকবর, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল প্রমুখ। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।