খুঁজুন
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

‘যক্ষ্মা মুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার অঙ্গীকারে ফরিদপুরে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
‘যক্ষ্মা মুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার অঙ্গীকারে ফরিদপুরে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত

ফরিদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। “দেশের নেতৃত্বে ও জনগণের শক্তিতে আমরা যক্ষ্মা নির্মূল করতে পারি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালি শেষে কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান। সভায় বক্তারা যক্ষ্মা প্রতিরোধ, সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং নিয়মিত চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বক্তারা জানান, ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কখ যক্ষ্মার জীবাণু মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস আবিষ্কার করেন। এ আবিষ্কারের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে যক্ষ্মা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগটি নির্মূলে সবাইকে সম্পৃক্ত করা।

আলোচনা সভায় আরও জানানো হয়, বাংলাদেশে যক্ষ্মা এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে রোগটি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। দেশের প্রতিটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিনামূল্যে যক্ষ্মা পরীক্ষা ও ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, যক্ষ্মা একটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য রোগ। তবে রোগটি সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা ও সামাজিক কুসংস্কার দূর না হলে নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে যক্ষ্মা প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জোরদার করার আহ্বান জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে রোগমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

ফরিদপুরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনলাইন নিউজ পোর্টাল এশিয়া পোস্টের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনলাইন নিউজ পোর্টাল এশিয়া পোস্টের শুভ উদ্বোধন

সারা দেশে একযোগে যাত্রা শুরু করলো নতুন অনলাইন সংবাদমাধ্যম “এশিয়া পোস্ট”। এ উপলক্ষে ফরিদপুরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কেক কেটে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে এশিয়া পোস্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মটি।

সোমবার (১১ মে) দুপুর ১টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এশিয়া পোস্টের ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি তাওহিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কেটে অনুষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করেন ফরিদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়েবা ইউসুফ এমপি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, দৈনিক প্রথম আলোর ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি পান্না বালা, বাংলাভিশন টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি হারুন আনসারী ও ফরিদপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি বেনজির আহমেদ তাবরিজসহ প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বস্তুনিষ্ঠ ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে অনলাইন গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। “এশিয়া পোস্ট” সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে পাঠকদের আস্থা অর্জন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়েবা ইউসুফ এমপি বলেন, “সাংবাদিকতা হচ্ছে সমাজের দর্পণ। গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আমি আশা করি, এশিয়া পোস্ট দেশ ও মানুষের কল্যাণে ইতিবাচক সাংবাদিকতা উপহার দেবে এবং সামনের দিনগুলোতে সাফল্যের সাথে এগিয়ে যাবে।”

পরে অতিথিবৃন্দ কেক কেটে এশিয়া পোস্টের শুভ উদ্বোধন করেন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

ফরিদপুরে হরিণ, ময়ূর ও গাড়লসহ ব্যতিক্রমী খামার আমেরিকান প্রবাসীর

সদরপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হরিণ, ময়ূর ও গাড়লসহ ব্যতিক্রমী খামার আমেরিকান প্রবাসীর

বিদেশের মাটিতে বসেও ভুলে যাননি নিজের শেকড়, দেশের প্রতি ভালোবাসা আর গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার স্বপ্ন নিয়ে নিজবাড়ি ফরিদপুরের সদরপুরে ব্যতিক্রমধর্মী একটি খামার গড়ে তুলেছেন আমেরিকা প্রবাসী রফিকুর রহমান। তাঁর খামারে রয়েছে হরিণ, ময়ূর, গরু, গাড়ল ও দেশী-বিদেশী জাতের ছাগলসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী।

উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামে শান্ত পরিবেশে গড়ে ওঠা এই খামারটি ইতোমধ্যে স্থানীয়দের কাছে আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ খামারটি দেখতে আসছেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের কাছে হরিণ ও ময়ূরের উপস্থিতি যেন বাড়তি আনন্দের উৎস হয়ে উঠেছে।

খামারটির তত্তাবধায়ক ওই প্রবাসীর বড় ভাই মো. দলিল উদ্দিন জানান, আধুনিক পদ্ধতিতে প্রাণী পালন ও পরিচর্যার মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাই রফিকুর রহমানের মূল লক্ষ্য। বর্তমানে খামারে কয়েকজন কর্মচারী নিয়মিত কাজ করছেন।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে খামার বলতে সাধারণত গরু-ছাগলকেই বোঝানো হয়। আমারা চেয়েছি একটু ভিন্ন কিছু করতে। যাতে মানুষ নতুন কিছু দেখতে পারে এবং তরুণ উদ্যোক্তারা উৎসাহ পায়।

স্থানীয়রা জানান, সদরপুরে এমন ব্যতিক্রমী খামার আগে দেখা যায়নি। এটি একদিকে যেমন বিনোদনের সুযোগ তৈরি করেছে, অন্যদিকে প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনার দিকও উন্মোচন করেছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সব্যসাচী মজুমদার জানান, প্রবাসী রফিকুর রহমান বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের বিধি-বিধান মেনে খামার পরিচালনা করছেন। ব্যতিক্রমধর্মী এই উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং নতুন উদ্যোক্তাদের প্রাণিসম্পদ খাতে আগ্রহী করে তুলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত খামারটি পরিদর্শন করা হচ্ছে এবং ভ্যাকসিন প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সকল কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-ফারজানা রুপার জামিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-ফারজানা রুপার জামিন

সাংবাদিক শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফারজানা রুপাকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১১ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তারা পৃথক ১৩টি জামিন আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে রুপার আট মামলা এবং শাকিলের রয়েছে পাঁচ মামলা।

 

শাকিল আহমেদ বার্তাপ্রধান হিসেবে ও ফারজানা রুপা প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনে কাজ করছিলেন। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় একাত্তর টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ।

২১ আগস্ট তাদের ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করে পুলিশ। সেদিন তারা টার্কিশ এয়ারলাইনসে প্যারিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন।