খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত আসামের চা বাগান শ্রমিকরা

আহমদ হুসাইন লস্কর, ভারতের আসাম থেকে
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত আসামের চা বাগান শ্রমিকরা

স্বাধীনতার সাত দশক পেরিয়ে গেলেও ভারতের আসাম রাজ্যের চা জনজাতি এখনও কার্যত অবহেলা ও বঞ্চনার মধ্যেই দিন কাটাচ্ছে—এমন অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বদলে এই জনগোষ্ঠী এখনও ঔপনিবেশিক আমলের জীবনযাত্রার সঙ্গে লড়াই করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চা শিল্পের সূচনালগ্নে ব্রিটিশরা শ্রমিক হিসেবে যাদের নিয়ে এসেছিল, সেই চা জনজাতির জীবনযাত্রায় আজও তেমন কোনো মৌলিক পরিবর্তন দেখা যায় না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, পানীয় জল—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা পিছিয়ে রয়েছে। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, একটি জাতির উন্নয়নের অন্যতম প্রধান সূচক হলো শিক্ষা, আর এই জায়গাটিতেই চা বাগান অঞ্চলগুলো সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে।

শিক্ষায় চরম পশ্চাৎপদতা:

চা বাগান এলাকাগুলোতে শিক্ষার হার এখনও আশঙ্কাজনকভাবে কম। প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও অধিকাংশই এক শিক্ষক নির্ভর, ফলে শিক্ষার মান নিম্নমানের। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা খুবই সীমিত। স্কুলছুট শিশু-কিশোরের সংখ্যাও উদ্বেগজনক।

অভিযোগ রয়েছে, ঐতিহাসিকভাবে শ্রমিকদের শিক্ষার প্রতি উৎসাহিত করা হয়নি, যাতে তারা শুধুমাত্র বাগানের কাজে নিয়োজিত থাকে। সেই ধারা এখনও অনেকাংশে বহাল রয়েছে। ফলে শিশু শ্রমের প্রবণতাও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

স্বাস্থ্যসেবায় চরম সংকট:

চা বাগান অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার চিত্র অত্যন্ত নাজুক। অধিকাংশ বাগানে এখনও পুরনো ডিসপেনসারিই ভরসা, যেখানে নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স কিংবা আধুনিক সরঞ্জাম।

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা অনেক ক্ষেত্রে পৌঁছায় না প্রত্যন্ত বাগান এলাকায়। উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো প্রায়ই বন্ধ থাকে, ওষুধের ঘাটতি লেগেই থাকে।

ফলে অধিকাংশ প্রসব হয় বাড়িতে, অপ্রশিক্ষিত ধাইয়ের মাধ্যমে—যা মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। সচেতনতার অভাবে পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও রয়েছে ব্যাপক ঘাটতি।

অবকাঠামো ও বাসস্থানে বেহাল অবস্থা:

চা শ্রমিকদের বাসস্থান এখনও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাঁশ, মাটি ও টিনের ঘরে সীমাবদ্ধ। সরকারি আবাসন প্রকল্পের সুবিধা খুব কমই পৌঁছেছে তাদের কাছে।

অভিযোগ রয়েছে, কিছু বাগানে বিশেষ আইন দেখিয়ে পাকা ঘর নির্মাণেও বাধা দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতির কারণেও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো কার্যকর হচ্ছে না।

বিশুদ্ধ পানীয় জল ও স্যানিটেশন সংকট:

চা বাগান অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সংকট প্রকট। অনেক জায়গায় মানুষ এখনও নদী, নালা বা অপরিশোধিত কূপের পানির ওপর নির্ভরশীল।

এর ফলে জলবাহিত রোগ প্রায়ই দেখা যায়। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের প্রকল্প থাকলেও সেগুলোর বেশিরভাগই অচল বা অকার্যকর হয়ে রয়েছে।

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও প্রভাব:

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে চায়ের দাম কমে যাওয়ায় চা বাগানগুলোর আয় কমেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে শ্রমিকদের জীবনযাত্রা ও বাগানের স্বাস্থ্যসেবার ওপর।

দৈনিক মজুরি কম, কাজের নিশ্চয়তা নেই—এমন বাস্তবতায় দিন কাটাচ্ছেন হাজারো শ্রমিক পরিবার।

সমাধানের দাবি:

বিশেষজ্ঞদের মতে, চা জনজাতির উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা জরুরি।

– শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি

– আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা

– নিরাপদ পানীয় জল ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা

– টেকসই আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন

– শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা

এসব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে এই জনগোষ্ঠী আরও পিছিয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, স্বাধীনতার এত বছর পরও আসামের চা জনজাতির জীবনমান উন্নয়নে যে অগ্রগতি প্রত্যাশিত ছিল, তা বাস্তবে প্রতিফলিত হয়নি—এমনটাই উঠে এসেছে নানা পর্যবেক্ষণে। এখন সময় এসেছে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।

আলফাডাঙ্গায় কৃষকদের দক্ষতা উন্নয়নে “পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস”

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় কৃষকদের দক্ষতা উন্নয়নে “পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস”

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে “পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস–২০২৬”।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) আলফাডাঙ্গা মাল্টিপারপাস হলরুমে আয়োজিত এই কংগ্রেসে কৃষি উন্নয়ন, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহাদুজ্জামান। তিনি বলেন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এবং নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে হবে। কৃষিকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক খাতে রূপান্তর করতে হলে প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদের বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশেষ অতিথি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তুষার সাহা বলেন, কৃষকদের মাঠ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধিতে কৃষি বিভাগ ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত নূর মৌসুমী। তিনি বলেন, কৃষি খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এ ধরনের আয়োজন কৃষকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

কংগ্রেসে কৃষকদের সফলতার গল্প উপস্থাপন, অভিজ্ঞতা বিনিময়, কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শনী এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা সক্রিয়ভাবে মতবিনিময় করেন এবং আধুনিক কৃষি চর্চা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভুবেন বাইনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক-কৃষাণী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের কংগ্রেস কৃষকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে এটি কার্যকর অবদান রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বিস্তৃতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ফরিদপুরে কামড় দেওয়া জীবিত সাপ নিয়েই হাসপাতালে যুবক

সদরপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কামড় দেওয়া জীবিত সাপ নিয়েই হাসপাতালে যুবক

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় গোখরা সাপের ছোবলে আহত হয়ে সাপসহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন রিপন শিকদার (৩৫) নামের এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে নিজ দোকানে একটি বয়ামে হাত দেওয়ার সময় ভেতরে লুকিয়ে থাকা একটি বিষধর গোখরা সাপ তাকে ছোবল দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

ঘটনার পরপরই রিপন শিকদার আশপাশের লোকজনের সহায়তায় দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। এসময় তিনি ছোবল দেওয়া সাপটিকেও সঙ্গে করে নিয়ে আসেন, যা উপস্থিত সবার মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

রিপন উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন দোকানদার।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহত রিপনকে দ্রুত সাপের বিষনাশক (এন্টিভেনম) প্রয়োগ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এফতেখার জানান, সময়মতো হাসপাতালে আনার কারণে তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল থাকলেও পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোকান বা ঘরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সাপ সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

ফরিদপুরের মধুমতি চরে চুরি গেল শ্যালো মেশিন, পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে পাটক্ষেত

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের মধুমতি চরে চুরি গেল শ্যালো মেশিন, পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে পাটক্ষেত

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কেনা শ্যালো মেশিন চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এক কৃষক। সেচের একমাত্র ভরসা হারিয়ে তার পাটক্ষেত এখন শুকিয়ে ফেটে চৌচির, সামনে দেখা দিয়েছে চরম আর্থিক অনিশ্চয়তা।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের দিগনগর গ্রামের মধুমতি নদীর চরের ফসলের মাঠ থেকে এই চুরির ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী কৃষক জহুর শেখ জানান, প্রায় ১০ একর জমি বর্গা নিয়ে তিনি পাট চাষ করেছেন।দীর্ঘদিন বৃষ্টির অভাবে জমিতে সেচের তীব্র সংকট দেখা দিলে তিনি একটি এনজিও থেকে ৯০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে শ্যালো মেশিনটি কিনে মাঠে স্থাপন করেন। মেশিন বসানোসহ আনুষঙ্গিক খরচে আরও প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে জহুর শেখ বলেন, “প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে মাঠে গিয়ে দেখি আমার মেশিন নেই। সব শেষ হয়ে গেল। পানির অভাবে পাটক্ষেত শুকিয়ে যাচ্ছে, ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। এত কষ্ট করে যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, সব শেষ হয়ে গেল।”

তিনি আরও জানান, শ্যালো মেশিনের ওপর নির্ভর করেই পাটের সেচ দেওয়া হচ্ছিল। পরবর্তীতে ওই জমিতে ধান চাষের পরিকল্পনাও ছিল তার। কিন্তু মেশিন চুরি হয়ে যাওয়ায় এখন সেই পরিকল্পনাও ভেস্তে গেছে।

জহুর শেখের পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান। ঋণের কিস্তি হিসেবে প্রতি সপ্তাহে ২ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে তাকে। আয়ের কোনো বিকল্প উৎস না থাকায় কিস্তি পরিশোধ নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, মধুমতি নদীর চরাঞ্চলে প্রায়ই কৃষি যন্ত্রপাতি চুরির ঘটনা ঘটে। তবে নিরাপত্তা জোরদার না হওয়ায় কৃষকরা চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কৃষি নির্ভর এই অঞ্চলে এমন চুরির ঘটনা শুধু একটি পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে দিচ্ছে না, বরং স্থানীয় কৃষি উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত মেশিন উদ্ধার ও চোরদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।