খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

ট্রাম্পকাণ্ডে টালমাটাল বৈশ্বিক রাজনীতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৪ এএম
ট্রাম্পকাণ্ডে টালমাটাল বৈশ্বিক রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং এমন বিষয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। অভিষেকের প্রথম দিনেই দেওয়া ঘোষণা—‘কোনো কিছুই আমাদের পথে (বাধা হয়ে) দাঁড়াতে পারবে না’—এখন আর সেই বক্তব্য নিছক রাজনৈতিক বলে মনে হচ্ছে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা যেন বাস্তব নীতির রূপ নিচ্ছে।

ট্রাম্প তার অভিষেক ভাষণে উনিশ শতকের ‘ম্যানিফেস্ট ডেসটিনি’ মতবাদের উল্লেখ করেন, যে ধারণা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রকে ঈশ্বরপ্রদত্ত দায়িত্ব হিসেবে নিজেদের প্রভাব ও ভূখণ্ড বিস্তার করতে হবে। প্রথমে পানামা খাল ‘ফিরিয়ে নেওয়ার’ কথা, আর এখন গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সরাসরি মালিকানার দাবি—এ ধারাবাহিকতা বিশ্বনেতাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের অংশ এবং সেখানে বসবাসকারী জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সামরিক বা রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুমকি সাম্প্রতিক মার্কিন ইতিহাসে নজিরবিহীন। গত এক শতাব্দীতে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এত প্রকাশ্যে মিত্রদেশের ভূখণ্ড দখলের কথা বলেননি। এই অবস্থান শুধু আন্তর্জাতিক আইন নয়, বরং ন্যাটোর মতো বহুপক্ষীয় জোটের ভিত্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পকে এখন অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ‘আমূল পরিবর্তনকারী’ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখছেন। তার সমর্থকরা ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে সাহসী ও বাস্তববাদী বলে প্রশংসা করছেন। কিন্তু ইউরোপের রাজধানীগুলোয় বিশেষ করে প্যারিস, বার্লিন ও কোপেনহেগেনে উদ্বেগ স্পষ্ট। অন্যদিকে মস্কো ও বেইজিং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে— এই ভাঙন তাদের কৌশলগত সুযোগ বাড়াতে পারে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ দাভোস অর্থনৈতিক ফোরামে সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব এমন এক দিকে যাচ্ছে যেখানে নিয়ম নয়, বরং শক্তির শাসন কার্যকর হবে। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত স্পষ্ট—ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র সেই পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি।

গ্রিনল্যান্ড ইস্যু ঘিরে বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কাও বাড়ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রস্তুতির কথা বলছে। এমনকি চরম পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র যদি বলপ্রয়োগের পথে যায়, তাহলে ৭৬ বছরের পুরোনো ন্যাটো জোট টিকে থাকবে কি না—সে প্রশ্নও উঠেছে।

ট্রাম্পের সমর্থকরা অবশ্য জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে এসব পদক্ষেপকে ন্যায্যতা দিচ্ছেন। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান র্যান্ডি ফাইন গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিল উত্থাপন করে বলেন, জাতিসংঘ শান্তি রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে, তাই তার নিয়ম মানার প্রয়োজন নেই।

ট্রাম্পের কূটনৈতিক কৌশল বরাবরই অপ্রত্যাশিত। কখনো তিনি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলেন, আবার পরক্ষণেই কঠোর হুমকি দেন। ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে একসময় ইউরোপের সঙ্গে ঐক্য দেখালেও পরে তার অবস্থান বদলেছে। কখনো রাশিয়ার প্রতি নরম, কখনো ইউক্রেনপন্থি—এই দোলাচল মিত্রদের বিভ্রান্ত করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রেসিডেন্ট গতানুগতিক রাজনীতিবিদের মতো নন এবং তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। রুবিও জোর দিয়ে বলছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং কেনার পথ খুঁজছেন। তবে ট্রাম্প নিজেই যখন বলেন, ‘আমার এটার মালিকানা চাই’ তখন সেই আশ্বাস অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকরা ট্রাম্পের কৌশলকে শক্তি ও লেনদেননির্ভর বলে আখ্যা দিচ্ছেন। দ্য ইকোনমিস্টের সম্পাদক জ্যানি মিনটন বেডোসের ভাষায়, ট্রাম্প জোট বা মূল্যবোধে বিশ্বাস করেন না; তিনি কেবল শক্তির ভাষা বোঝেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্প কিছু কূটনৈতিক সাফল্য দেখিয়েছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি তার উদাহরণ। তবে এসব উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়েছে। তার নীতিতে কখনো হস্তক্ষেপবিরোধী বক্তব্য, আবার কখনো আগ্রাসী আচরণ—এই দ্বৈততা বিশ্বকে বিভ্রান্ত করছে।

ইউরোপের দেশগুলো ভিন্ন ভিন্ন কৌশল নিচ্ছে। ফ্রান্স কঠোর অবস্থান নিচ্ছে, যুক্তরাজ্য সম্পর্ক বজায় রেখে ক্ষতি কমাতে চাইছে, ইতালি সমঝোতার ভাষা ব্যবহার করছে। অন্যদিকে কানাডা বিকল্প পথ খুঁজছে। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির চীন সফর স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিনির্ভরশীলতা কমানোর চিন্তা জোরালো হচ্ছে।

দাভোসে কার্নি বলেন, বিশ্ব এখন কোনো রূপান্তরের মধ্য দিয়ে নয়, বরং একটি ভাঙনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ বক্তব্যই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে যথাযথ সারাংশ।

ট্রাম্প নিজে যখন বলেন, তাকে থামাতে পারে কেবল তার নিজের মন ও নৈতিকতা, তখন বিশ্ববাসীর উদ্বেগ আরও বাড়ে। কারণ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা যেখানে নিয়ম, প্রতিষ্ঠান ও পারস্পরিক আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, সেখানে একজন ব্যক্তির ইচ্ছাই যদি প্রধান নিয়ামক হয়ে ওঠে, তবে সেই ব্যবস্থা যে কতটা টেকসই থাকবে—তা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম
ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলার হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানবসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। দক্ষ ও মানবিক মনোভাবসম্পন্ন সেবাকর্মী তৈরি করতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চাও প্রয়োজন। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভবিষ্যতে মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার আহ্বান জানান।

ইফতার মাহফিলে হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। ইফতারের আগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রমজানের তাৎপর্য, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত অতিথিরা।

পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং হাসপাতালের সার্বিক উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কল্যাণ এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। একই সঙ্গে রমজানের পবিত্রতা ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে নতুন করে অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করে।

সর্বশেষে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার গ্রহণ করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

‘দৃষ্টির চশমা’

গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
‘দৃষ্টির চশমা’

নিশুতি রাত, থমথমে ভাব, পুকুর ঘাটের পাড়ে,
দুইটি মানুষ বসলো এসে খুব সাবধানে আড়ে।
এক পাড়ে এক পাকা চোর, অন্য পাড়ে মুমিন,
দুজনারই ব্যস্ততা আজ বেড়েছে অন্তহীন।

​চোর বেচারা হাত ধুয়ে নেয়, পোটলাটি তার পাশে,
ওপার পানে তাকিয়ে সে মুচকি মনে হাসে।
ভাবছে, “আহা! ওই বেটা তো মস্ত বড় চোর,
নিশ্চয় সেও সিঁধ কেটেছে ওস্তাদ বড় জোর!”

​মনেহয় সে কোনো বাড়ির সিন্দুক করেছে ফাঁকা,
আমার চেয়েও বেশি হয়তো মাল রয়েছে রাখা!
বড্ড সেয়ানা চোর তো ওটা, বসলো জলের ধারে,
কাজ সেরে আজ ফুরফুরে সে, শান্তি খোঁজে পাড়ে।

​ওপার পাড়ে ধার্মিক জন করছে ওযু ধীর,
ভাবছে, “আহা! ওই পাড়ে কে? বড্ড খোদাভীর!
আমার চেয়েও মস্ত বড় বুজুর্গ এক পীর,
ইবাদতে মত্ত হতে তাই তো হলেন স্থির।”

​তাহাজ্জুদের এই বেলাতে আমার সাথে জাগে,
খোদার প্রেমে মশগুল সে, মরণ কিসের আগে?
আহা! কপাল আমার ভালো, এমন সাথী পেলাম,
দূর থেকেই সেই বুজুর্গে জানাই হাজার সালাম!

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
বরগুনা সরকারি কলেজ

ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উদযাপনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাহীদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রামানন্দ পালসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফরিদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে জেলার বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের ব্যবস্থা রাখা হবে।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঈদকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়। বিশেষ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় যে, ঈদ যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা সভায় বলেন, ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। তাই এই উৎসবকে ঘিরে মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

সভায় আরও জানানো হয়, ঈদের সময় হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগসহ জরুরি সেবাগুলো চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।