খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ট্রাম্পকাণ্ডে টালমাটাল বৈশ্বিক রাজনীতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ
ট্রাম্পকাণ্ডে টালমাটাল বৈশ্বিক রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং এমন বিষয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। অভিষেকের প্রথম দিনেই দেওয়া ঘোষণা—‘কোনো কিছুই আমাদের পথে (বাধা হয়ে) দাঁড়াতে পারবে না’—এখন আর সেই বক্তব্য নিছক রাজনৈতিক বলে মনে হচ্ছে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা যেন বাস্তব নীতির রূপ নিচ্ছে।

ট্রাম্প তার অভিষেক ভাষণে উনিশ শতকের ‘ম্যানিফেস্ট ডেসটিনি’ মতবাদের উল্লেখ করেন, যে ধারণা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রকে ঈশ্বরপ্রদত্ত দায়িত্ব হিসেবে নিজেদের প্রভাব ও ভূখণ্ড বিস্তার করতে হবে। প্রথমে পানামা খাল ‘ফিরিয়ে নেওয়ার’ কথা, আর এখন গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সরাসরি মালিকানার দাবি—এ ধারাবাহিকতা বিশ্বনেতাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের অংশ এবং সেখানে বসবাসকারী জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সামরিক বা রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুমকি সাম্প্রতিক মার্কিন ইতিহাসে নজিরবিহীন। গত এক শতাব্দীতে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এত প্রকাশ্যে মিত্রদেশের ভূখণ্ড দখলের কথা বলেননি। এই অবস্থান শুধু আন্তর্জাতিক আইন নয়, বরং ন্যাটোর মতো বহুপক্ষীয় জোটের ভিত্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পকে এখন অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ‘আমূল পরিবর্তনকারী’ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখছেন। তার সমর্থকরা ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে সাহসী ও বাস্তববাদী বলে প্রশংসা করছেন। কিন্তু ইউরোপের রাজধানীগুলোয় বিশেষ করে প্যারিস, বার্লিন ও কোপেনহেগেনে উদ্বেগ স্পষ্ট। অন্যদিকে মস্কো ও বেইজিং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে— এই ভাঙন তাদের কৌশলগত সুযোগ বাড়াতে পারে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ দাভোস অর্থনৈতিক ফোরামে সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব এমন এক দিকে যাচ্ছে যেখানে নিয়ম নয়, বরং শক্তির শাসন কার্যকর হবে। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত স্পষ্ট—ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র সেই পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি।

গ্রিনল্যান্ড ইস্যু ঘিরে বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কাও বাড়ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রস্তুতির কথা বলছে। এমনকি চরম পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র যদি বলপ্রয়োগের পথে যায়, তাহলে ৭৬ বছরের পুরোনো ন্যাটো জোট টিকে থাকবে কি না—সে প্রশ্নও উঠেছে।

ট্রাম্পের সমর্থকরা অবশ্য জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে এসব পদক্ষেপকে ন্যায্যতা দিচ্ছেন। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান র্যান্ডি ফাইন গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিল উত্থাপন করে বলেন, জাতিসংঘ শান্তি রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে, তাই তার নিয়ম মানার প্রয়োজন নেই।

ট্রাম্পের কূটনৈতিক কৌশল বরাবরই অপ্রত্যাশিত। কখনো তিনি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলেন, আবার পরক্ষণেই কঠোর হুমকি দেন। ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে একসময় ইউরোপের সঙ্গে ঐক্য দেখালেও পরে তার অবস্থান বদলেছে। কখনো রাশিয়ার প্রতি নরম, কখনো ইউক্রেনপন্থি—এই দোলাচল মিত্রদের বিভ্রান্ত করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রেসিডেন্ট গতানুগতিক রাজনীতিবিদের মতো নন এবং তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। রুবিও জোর দিয়ে বলছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং কেনার পথ খুঁজছেন। তবে ট্রাম্প নিজেই যখন বলেন, ‘আমার এটার মালিকানা চাই’ তখন সেই আশ্বাস অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকরা ট্রাম্পের কৌশলকে শক্তি ও লেনদেননির্ভর বলে আখ্যা দিচ্ছেন। দ্য ইকোনমিস্টের সম্পাদক জ্যানি মিনটন বেডোসের ভাষায়, ট্রাম্প জোট বা মূল্যবোধে বিশ্বাস করেন না; তিনি কেবল শক্তির ভাষা বোঝেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্প কিছু কূটনৈতিক সাফল্য দেখিয়েছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি তার উদাহরণ। তবে এসব উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়েছে। তার নীতিতে কখনো হস্তক্ষেপবিরোধী বক্তব্য, আবার কখনো আগ্রাসী আচরণ—এই দ্বৈততা বিশ্বকে বিভ্রান্ত করছে।

ইউরোপের দেশগুলো ভিন্ন ভিন্ন কৌশল নিচ্ছে। ফ্রান্স কঠোর অবস্থান নিচ্ছে, যুক্তরাজ্য সম্পর্ক বজায় রেখে ক্ষতি কমাতে চাইছে, ইতালি সমঝোতার ভাষা ব্যবহার করছে। অন্যদিকে কানাডা বিকল্প পথ খুঁজছে। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির চীন সফর স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিনির্ভরশীলতা কমানোর চিন্তা জোরালো হচ্ছে।

দাভোসে কার্নি বলেন, বিশ্ব এখন কোনো রূপান্তরের মধ্য দিয়ে নয়, বরং একটি ভাঙনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ বক্তব্যই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে যথাযথ সারাংশ।

ট্রাম্প নিজে যখন বলেন, তাকে থামাতে পারে কেবল তার নিজের মন ও নৈতিকতা, তখন বিশ্ববাসীর উদ্বেগ আরও বাড়ে। কারণ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা যেখানে নিয়ম, প্রতিষ্ঠান ও পারস্পরিক আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, সেখানে একজন ব্যক্তির ইচ্ছাই যদি প্রধান নিয়ামক হয়ে ওঠে, তবে সেই ব্যবস্থা যে কতটা টেকসই থাকবে—তা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ২৩ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামের মো. লিটন মোল্লা (৩৩), একই ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামের সবুজ মোল্লা (২৩) ও টাবনী গ্রামের আলী শরীফ (২০)।

ভুক্তভোগী নারীর এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর সঙ্গে মো. লিটন মোল্লার গত দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে লিটন মোল্লা বিয়ের প্রলোভনে ওই তরুণীকে সবুজ মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে লিটন, সবুজ ও আলী শরীফ ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করেন।

এদিকে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে ওই তরুণী বাদী হয়ে ওই তিন ব্যক্তিকে আসামি মামলা দায়ের করেন। পরে বিকেলের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘

ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার হওয়া তিন আসামিকে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হবে।

“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

শরিফুল ইসলাম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

একসময় গ্রামবাংলার সন্ধ্যা ছিলো অন্যরকম এক পরিবেশ। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার নেমে এলে মানুষ একে একে জড়ো হতো কারও বাড়ির উঠোনে। শুরু হতো গানের আসর – কখনও ভাটিয়ালি, কখনও পালাগান, আবার কখনও মুর্শিদী গানে। আপন মুর্শিদের প্রতি আবেগে ঝড়তো চোখের জল।

সেই আসর ছিল না শুধু বিনোদনের জায়গা, বরং ছিল ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সংযোগস্থল। দিনভর ক্লান্তি, দুঃখ-কষ্ট, অভিমান – সব কিছু মিলিয়ে যেত একসাথে বসার আনন্দে।

আজ প্রযুক্তির যুগে আমরা অনেক এগিয়েছি, কিন্তু সেই উঠোনভরা সম্প্রীতি যেন হারিয়ে গেছে। বিদ্যুতের আলো আমাদের ঘর আলোকিত করেছে ঠিকই, কিন্তু মানুষের মন যান্ত্রিক ও স্বার্থের আখরা বানিয়েছে । এখন প্রত্যেকে নিজ নিজ মোবাইল বা টেলিভিশনের পর্দায় ডুবে থাকে; পাশের মানুষের সাথে কথা বলার সময়ও যেন কমে গেছে।

গ্রামের সেই সন্ধ্যার গান আমাদের শিখিয়েছে – সম্পর্ক গড়তে বড় আয়োজন লাগে না, দরকার শুধু আন্তরিকতা আর একসাথে থাকার ইচ্ছা। সমাজে ভেদাভেদ, হিংসা, দূরত্ব কমাতে আবারও দরকার এমন ছোট ছোট উদ্যোগ।

হয়তো আমরা পুরোপুরি সেই দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে পারব না, কিন্তু চেষ্টা করলে অন্তত মানুষের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে পারি।

লেখক: সাংবাদিক, ফরিদপুর

‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ দেশের সর্বোচ্চ কৌশলগত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) থেকে ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। কোর্সটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে তিনি ‘ফেলো অব দ্য ক্যাপস্টোন কোর্স’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন, যা দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত।

রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ৫ এপ্রিল শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সমাপ্ত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা কোর্সটির গুরুত্ব ও মর্যাদাকে আরও স্পষ্ট করে।

এনডিসির কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল এমডি ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নায়াব ইউসুফ জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত নেতৃত্ব, নীতি প্রণয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিরাই বেশি থাকেন, ফলে এখানে অর্জিত অভিজ্ঞতা বাস্তব নীতিনির্ধারণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্সটি মূলত দেশের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, সামরিক কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

এতে অংশগ্রহণকারীদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সংকট ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

কোর্স চলাকালে বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা, গ্রুপ আলোচনা, কেস স্টাডি এবং বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ পান। এছাড়া নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমন্বিত নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নায়াব ইউসুফ এই প্রশিক্ষণে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তার নেতৃত্বগুণ, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং নীতি নির্ধারণের সক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন। সহপাঠী ও প্রশিক্ষকদের মূল্যায়নেও তিনি একজন মনোযোগী ও দক্ষ অংশগ্রহণকারী হিসেবে প্রশংসিত হন।

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নায়াব ইউসুফ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার এই নতুন অর্জন ভবিষ্যতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।