খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

ইসলাম কেন ভারসাম্যপূর্ণ জীবনকে গুরুত্ব দেয়?

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৩ পিএম
ইসলাম কেন ভারসাম্যপূর্ণ জীবনকে গুরুত্ব দেয়?

ইসলাম মানুষের জীবনকে ভারসাম্য, সৌন্দর্য ও মর্যাদার পথে পরিচালিত করে। মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন থেকে শুরু করে বাহ্যিক পোশাক-পরিচ্ছেদ, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রেই ইসলাম মধ্যপন্থা ও শালীনতাকে গুরুত্ব দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা মানুষকে যে অসংখ্য নিয়ামত দান করেন, সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার ও প্রকাশও ইসলামের দৃষ্টিতে ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত, তবে শর্ত হলো তা হতে হবে সম্পূর্ণ অহংকার ও অপচয়মুক্ত।

এ ব্যাপারে আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত একটি চমৎকার হাদিস পাওয়া যায়।

 

যেখানে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা যখন কোনো বান্দাকে কোনো নিয়ামত দান করেন, তখন তিনি ভালোবাসেন যে সেই নিয়ামতের প্রভাব তার জীবনে ও আচরণে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠুক। তিনি কৃত্রিম দারিদ্র্য ও লোক-দেখানো অভাব প্রদর্শন অপছন্দ করেন, (বাস্তবে অভাব না থাকা সত্ত্বেও) বারবার অনুনয়কারী (মানুষকে বিরক্তকারী) ভিক্ষুককে ঘৃণা করেন; আর তিনি সংযমী, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও নিজেকে কৃত্রিম অভাব প্রদর্শন থেকে বাঁচিয়ে চলা ব্যক্তিকে ভালোবাসেন।’ (বায়হাকি)
এই হাদিসে আল্লাহর দৃষ্টিতে পছন্দনীয় ও অপছন্দনীয় কয়েকটি আচরণ স্পষ্ট করা হয়েছে।

প্রথমত, নিয়ামতের প্রকাশ।

আল্লাহ তাআলা যখন কোনো বান্দাকে ধন-সম্পদ, মর্যাদা বা সামর্থ্য দান করেন, তখন তিনি ভালোবাসেন যে তার প্রভাব বান্দার জীবনে দৃশ্যমান হোক। অর্থাৎ বান্দা তার অবস্থা অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন ও শালীন পোশাক পরবে, খাবারদাবারে কৃপণতা করবে না এবং জীবনযাপনে সৌন্দর্য বজায় রাখবে। এটাই আল্লাহর নিয়ামতের শোকর। কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং তোমার প্রতিপালকের যে নিয়ামত (পেয়েছ), তার চর্চা করতে থাক।


(সুরা : দুহা, আয়াত : ১১)

তাফসিরবিদদের মতে, অনুগ্রহকারীর অনুগ্রহের কথা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রচার করলে তাতে শরিয়তে কোনো দোষ নেই, বরং তা প্রশংসনীয় কাজ। সুতরাং আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-এর প্রতি যেসব অনুগ্রহ করেছেন, এ আয়াতে তাঁকে তা প্রচার করার হুকুম দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, দুটি আচরণ ইসলামে নিন্দিত। একটি হলো নিয়ামত থাকা সত্ত্বেও নিজেকে জীর্ণ, করুণ ও হীনভাবে উপস্থাপন করা। আরেকটি হলো বাস্তবে অভাবী না হয়েও কৃত্রিমভাবে দারিদ্র্য ও নিঃস্বতা জাহির করে মানুষের সহানুভূতি বা সাহায্য পাওয়ার চেষ্টা করা।

এ দুটি আচরণ আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞতার শামিল এবং সমাজে ব্যক্তির মর্যাদা নষ্ট করে। এ ধরনের ভান করা হয় সাধারণত নিজের সম্পদ দিয়ে কাউকে সহযোগিতা করার ভয়ে কিংবা কৃত্রিম দরিদ্রতা দেখিয়ে অন্যের কাছ থেকে অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার আশায়।

তৃতীয়ত, অযথা মানুষের কাছে হাত পাতা। হাদিসে এসেছে, মহান আল্লাহ যাচ্ঞাকারী ভিক্ষুক তথা, বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে বারবার অনুনয়কারী ভিক্ষুককে অপছন্দ করেন। ব্যস্ত সড়ক কিংবা বাজারগুলোতে সাধারণত এ রকম কিছু ভিক্ষুক দেখা যায়, যারা মানুষের মানিব্যাগ হাতে নেওয়ার সময় দল বেঁধে তাদের সামনে গিয়ে তাদের বিরক্ত করতে থাকে। এমনকি এক পর্যায়ে তাদের ভিক্ষা দিতে বাধ্য করে। বাস বা ট্রেন স্টেশনে অনেক সময় যাত্রীরা নিজেদের পরিবার ও লাগেজ-ব্যাগ ইত্যাদি নিয়ে বেকায়দায় থাকে, তখনো এসব ভিক্ষুক তাদের অনবরত বিরক্ত করতে থাকে। অথচ বাস্তবে অভাবী হলেও মানুষকে বিব্রত করে ভিক্ষা আদায় অনুচিত, বরং সেসব অভাবীকে সহযোগিতা করা উচিত, যারা অভাব-অনটন থাকা সত্ত্বেও মানুষকে বিব্রত করে পয়সা উসুল করতে পারে না।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, (আর্থিক সহযোগিতার জন্য বিশেষভাবে) উপযুক্ত সেই সব গরিব, যারা নিজেদের আল্লাহর পথে এভাবে আবদ্ধ করে রেখেছে যে (অর্থের সন্ধানে) তারা ভূমিতে চলাফেরা করতে পারে না। তারা যেহেতু (অতি সংযমী হওয়ার কারণে কারো কাছে) সওয়াল করে না (ভিক্ষা চায় না), তাই অনবগত লোকে তাদের বিত্তবান মনে করে। তুমি তাদের চেহারার আলামত দ্বারা তাদেরকে (অর্থাৎ তাদের অভ্যন্তরীণ অবস্থা) চিনতে পারবে। (কিন্তু) তারা মানুষের কাছে না-ছোড় হয়ে সওয়াল করে না। তোমরা যে সম্পদই ব্যয় করো, আল্লাহ তা ভালো করেই জানেন।

(সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৭৩)

চতুর্থত, আত্মসংযম ও লজ্জাশীলতা। আল্লাহ যেসব লজ্জাশীলকে ভালোবাসেন, যারা হারাম থেকে নিজেকে বাঁচায় এবং প্রয়োজনে কষ্ট সহ্য করেও মানুষের কাছে হাত পাতে না। এটি মুমিনের আত্মমর্যাদা ও ঈমানের পরিচায়ক।

সবশেষে বলা যায়, ইসলাম না দারিদ্র্য পূজা শেখায়, না বিলাসিতার অনুমোদন দেয়; বরং ইসলাম শেখায় আল্লাহর নিয়ামত গ্রহণ করা, তা সংযমের সঙ্গে উপভোগ করা, শোকর আদায় করা এবং আত্মমর্যাদা ও ভারসাম্য বজায় রেখে জীবন যাপন করা। এটাই ইসলামের সৌন্দর্য ও বাস্তবমুখী শিক্ষা।

‘দৃষ্টির চশমা’

গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
‘দৃষ্টির চশমা’

নিশুতি রাত, থমথমে ভাব, পুকুর ঘাটের পাড়ে,
দুইটি মানুষ বসলো এসে খুব সাবধানে আড়ে।
এক পাড়ে এক পাকা চোর, অন্য পাড়ে মুমিন,
দুজনারই ব্যস্ততা আজ বেড়েছে অন্তহীন।

​চোর বেচারা হাত ধুয়ে নেয়, পোটলাটি তার পাশে,
ওপার পানে তাকিয়ে সে মুচকি মনে হাসে।
ভাবছে, “আহা! ওই বেটা তো মস্ত বড় চোর,
নিশ্চয় সেও সিঁধ কেটেছে ওস্তাদ বড় জোর!”

​মনেহয় সে কোনো বাড়ির সিন্দুক করেছে ফাঁকা,
আমার চেয়েও বেশি হয়তো মাল রয়েছে রাখা!
বড্ড সেয়ানা চোর তো ওটা, বসলো জলের ধারে,
কাজ সেরে আজ ফুরফুরে সে, শান্তি খোঁজে পাড়ে।

​ওপার পাড়ে ধার্মিক জন করছে ওযু ধীর,
ভাবছে, “আহা! ওই পাড়ে কে? বড্ড খোদাভীর!
আমার চেয়েও মস্ত বড় বুজুর্গ এক পীর,
ইবাদতে মত্ত হতে তাই তো হলেন স্থির।”

​তাহাজ্জুদের এই বেলাতে আমার সাথে জাগে,
খোদার প্রেমে মশগুল সে, মরণ কিসের আগে?
আহা! কপাল আমার ভালো, এমন সাথী পেলাম,
দূর থেকেই সেই বুজুর্গে জানাই হাজার সালাম!

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
বরগুনা সরকারি কলেজ

ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উদযাপনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাহীদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রামানন্দ পালসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফরিদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে জেলার বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের ব্যবস্থা রাখা হবে।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঈদকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়। বিশেষ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় যে, ঈদ যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা সভায় বলেন, ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। তাই এই উৎসবকে ঘিরে মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

সভায় আরও জানানো হয়, ঈদের সময় হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগসহ জরুরি সেবাগুলো চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।

ফরিদপুরে ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল চার বছরের শিশু মায়েসার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৬ পিএম
ফরিদপুরে ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল চার বছরের শিশু মায়েসার

ফরিদপুর শহরের শ্যামসুন্দরপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মায়েসা (৪) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামসুন্দরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত মায়েসা ওই এলাকার বাসিন্দা মাহফুজের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির সামনে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল মায়েসা। একপর্যায়ে খেলার ছলে দৌড়ে বাড়ির সামনে পাকা সড়কে উঠে পড়ে সে। ঠিক তখনই দ্রুতগতিতে আসা একটি অজ্ঞাতনামা ইঞ্জিনচালিত ভ্যান তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে শিশুটি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

ঘটনার পরপরই আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও এলাকাজুড়ে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রতিবেশীরা জানান, মায়েসা ছিল খুবই চঞ্চল ও সবার আদরের। তার এমন অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে খবর পেয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে। পরে হাসপাতাল থেকে শিশুটির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক ভ্যানটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘাতক যানবাহনটিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।