খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ইসলাম কেন ভারসাম্যপূর্ণ জীবনকে গুরুত্ব দেয়?

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
ইসলাম কেন ভারসাম্যপূর্ণ জীবনকে গুরুত্ব দেয়?

ইসলাম মানুষের জীবনকে ভারসাম্য, সৌন্দর্য ও মর্যাদার পথে পরিচালিত করে। মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন থেকে শুরু করে বাহ্যিক পোশাক-পরিচ্ছেদ, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রেই ইসলাম মধ্যপন্থা ও শালীনতাকে গুরুত্ব দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা মানুষকে যে অসংখ্য নিয়ামত দান করেন, সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার ও প্রকাশও ইসলামের দৃষ্টিতে ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত, তবে শর্ত হলো তা হতে হবে সম্পূর্ণ অহংকার ও অপচয়মুক্ত।

এ ব্যাপারে আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত একটি চমৎকার হাদিস পাওয়া যায়।

 

যেখানে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা যখন কোনো বান্দাকে কোনো নিয়ামত দান করেন, তখন তিনি ভালোবাসেন যে সেই নিয়ামতের প্রভাব তার জীবনে ও আচরণে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠুক। তিনি কৃত্রিম দারিদ্র্য ও লোক-দেখানো অভাব প্রদর্শন অপছন্দ করেন, (বাস্তবে অভাব না থাকা সত্ত্বেও) বারবার অনুনয়কারী (মানুষকে বিরক্তকারী) ভিক্ষুককে ঘৃণা করেন; আর তিনি সংযমী, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও নিজেকে কৃত্রিম অভাব প্রদর্শন থেকে বাঁচিয়ে চলা ব্যক্তিকে ভালোবাসেন।’ (বায়হাকি)
এই হাদিসে আল্লাহর দৃষ্টিতে পছন্দনীয় ও অপছন্দনীয় কয়েকটি আচরণ স্পষ্ট করা হয়েছে।

প্রথমত, নিয়ামতের প্রকাশ।

আল্লাহ তাআলা যখন কোনো বান্দাকে ধন-সম্পদ, মর্যাদা বা সামর্থ্য দান করেন, তখন তিনি ভালোবাসেন যে তার প্রভাব বান্দার জীবনে দৃশ্যমান হোক। অর্থাৎ বান্দা তার অবস্থা অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন ও শালীন পোশাক পরবে, খাবারদাবারে কৃপণতা করবে না এবং জীবনযাপনে সৌন্দর্য বজায় রাখবে। এটাই আল্লাহর নিয়ামতের শোকর। কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং তোমার প্রতিপালকের যে নিয়ামত (পেয়েছ), তার চর্চা করতে থাক।


(সুরা : দুহা, আয়াত : ১১)

তাফসিরবিদদের মতে, অনুগ্রহকারীর অনুগ্রহের কথা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রচার করলে তাতে শরিয়তে কোনো দোষ নেই, বরং তা প্রশংসনীয় কাজ। সুতরাং আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-এর প্রতি যেসব অনুগ্রহ করেছেন, এ আয়াতে তাঁকে তা প্রচার করার হুকুম দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, দুটি আচরণ ইসলামে নিন্দিত। একটি হলো নিয়ামত থাকা সত্ত্বেও নিজেকে জীর্ণ, করুণ ও হীনভাবে উপস্থাপন করা। আরেকটি হলো বাস্তবে অভাবী না হয়েও কৃত্রিমভাবে দারিদ্র্য ও নিঃস্বতা জাহির করে মানুষের সহানুভূতি বা সাহায্য পাওয়ার চেষ্টা করা।

এ দুটি আচরণ আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞতার শামিল এবং সমাজে ব্যক্তির মর্যাদা নষ্ট করে। এ ধরনের ভান করা হয় সাধারণত নিজের সম্পদ দিয়ে কাউকে সহযোগিতা করার ভয়ে কিংবা কৃত্রিম দরিদ্রতা দেখিয়ে অন্যের কাছ থেকে অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার আশায়।

তৃতীয়ত, অযথা মানুষের কাছে হাত পাতা। হাদিসে এসেছে, মহান আল্লাহ যাচ্ঞাকারী ভিক্ষুক তথা, বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে বারবার অনুনয়কারী ভিক্ষুককে অপছন্দ করেন। ব্যস্ত সড়ক কিংবা বাজারগুলোতে সাধারণত এ রকম কিছু ভিক্ষুক দেখা যায়, যারা মানুষের মানিব্যাগ হাতে নেওয়ার সময় দল বেঁধে তাদের সামনে গিয়ে তাদের বিরক্ত করতে থাকে। এমনকি এক পর্যায়ে তাদের ভিক্ষা দিতে বাধ্য করে। বাস বা ট্রেন স্টেশনে অনেক সময় যাত্রীরা নিজেদের পরিবার ও লাগেজ-ব্যাগ ইত্যাদি নিয়ে বেকায়দায় থাকে, তখনো এসব ভিক্ষুক তাদের অনবরত বিরক্ত করতে থাকে। অথচ বাস্তবে অভাবী হলেও মানুষকে বিব্রত করে ভিক্ষা আদায় অনুচিত, বরং সেসব অভাবীকে সহযোগিতা করা উচিত, যারা অভাব-অনটন থাকা সত্ত্বেও মানুষকে বিব্রত করে পয়সা উসুল করতে পারে না।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, (আর্থিক সহযোগিতার জন্য বিশেষভাবে) উপযুক্ত সেই সব গরিব, যারা নিজেদের আল্লাহর পথে এভাবে আবদ্ধ করে রেখেছে যে (অর্থের সন্ধানে) তারা ভূমিতে চলাফেরা করতে পারে না। তারা যেহেতু (অতি সংযমী হওয়ার কারণে কারো কাছে) সওয়াল করে না (ভিক্ষা চায় না), তাই অনবগত লোকে তাদের বিত্তবান মনে করে। তুমি তাদের চেহারার আলামত দ্বারা তাদেরকে (অর্থাৎ তাদের অভ্যন্তরীণ অবস্থা) চিনতে পারবে। (কিন্তু) তারা মানুষের কাছে না-ছোড় হয়ে সওয়াল করে না। তোমরা যে সম্পদই ব্যয় করো, আল্লাহ তা ভালো করেই জানেন।

(সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৭৩)

চতুর্থত, আত্মসংযম ও লজ্জাশীলতা। আল্লাহ যেসব লজ্জাশীলকে ভালোবাসেন, যারা হারাম থেকে নিজেকে বাঁচায় এবং প্রয়োজনে কষ্ট সহ্য করেও মানুষের কাছে হাত পাতে না। এটি মুমিনের আত্মমর্যাদা ও ঈমানের পরিচায়ক।

সবশেষে বলা যায়, ইসলাম না দারিদ্র্য পূজা শেখায়, না বিলাসিতার অনুমোদন দেয়; বরং ইসলাম শেখায় আল্লাহর নিয়ামত গ্রহণ করা, তা সংযমের সঙ্গে উপভোগ করা, শোকর আদায় করা এবং আত্মমর্যাদা ও ভারসাম্য বজায় রেখে জীবন যাপন করা। এটাই ইসলামের সৌন্দর্য ও বাস্তবমুখী শিক্ষা।

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ২৩ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামের মো. লিটন মোল্লা (৩৩), একই ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামের সবুজ মোল্লা (২৩) ও টাবনী গ্রামের আলী শরীফ (২০)।

ভুক্তভোগী নারীর এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর সঙ্গে মো. লিটন মোল্লার গত দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে লিটন মোল্লা বিয়ের প্রলোভনে ওই তরুণীকে সবুজ মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে লিটন, সবুজ ও আলী শরীফ ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করেন।

এদিকে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে ওই তরুণী বাদী হয়ে ওই তিন ব্যক্তিকে আসামি মামলা দায়ের করেন। পরে বিকেলের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘

ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার হওয়া তিন আসামিকে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হবে।

“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

শরিফুল ইসলাম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

একসময় গ্রামবাংলার সন্ধ্যা ছিলো অন্যরকম এক পরিবেশ। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার নেমে এলে মানুষ একে একে জড়ো হতো কারও বাড়ির উঠোনে। শুরু হতো গানের আসর – কখনও ভাটিয়ালি, কখনও পালাগান, আবার কখনও মুর্শিদী গানে। আপন মুর্শিদের প্রতি আবেগে ঝড়তো চোখের জল।

সেই আসর ছিল না শুধু বিনোদনের জায়গা, বরং ছিল ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সংযোগস্থল। দিনভর ক্লান্তি, দুঃখ-কষ্ট, অভিমান – সব কিছু মিলিয়ে যেত একসাথে বসার আনন্দে।

আজ প্রযুক্তির যুগে আমরা অনেক এগিয়েছি, কিন্তু সেই উঠোনভরা সম্প্রীতি যেন হারিয়ে গেছে। বিদ্যুতের আলো আমাদের ঘর আলোকিত করেছে ঠিকই, কিন্তু মানুষের মন যান্ত্রিক ও স্বার্থের আখরা বানিয়েছে । এখন প্রত্যেকে নিজ নিজ মোবাইল বা টেলিভিশনের পর্দায় ডুবে থাকে; পাশের মানুষের সাথে কথা বলার সময়ও যেন কমে গেছে।

গ্রামের সেই সন্ধ্যার গান আমাদের শিখিয়েছে – সম্পর্ক গড়তে বড় আয়োজন লাগে না, দরকার শুধু আন্তরিকতা আর একসাথে থাকার ইচ্ছা। সমাজে ভেদাভেদ, হিংসা, দূরত্ব কমাতে আবারও দরকার এমন ছোট ছোট উদ্যোগ।

হয়তো আমরা পুরোপুরি সেই দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে পারব না, কিন্তু চেষ্টা করলে অন্তত মানুষের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে পারি।

লেখক: সাংবাদিক, ফরিদপুর

‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ দেশের সর্বোচ্চ কৌশলগত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) থেকে ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। কোর্সটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে তিনি ‘ফেলো অব দ্য ক্যাপস্টোন কোর্স’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন, যা দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত।

রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ৫ এপ্রিল শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সমাপ্ত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা কোর্সটির গুরুত্ব ও মর্যাদাকে আরও স্পষ্ট করে।

এনডিসির কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল এমডি ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নায়াব ইউসুফ জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত নেতৃত্ব, নীতি প্রণয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিরাই বেশি থাকেন, ফলে এখানে অর্জিত অভিজ্ঞতা বাস্তব নীতিনির্ধারণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্সটি মূলত দেশের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, সামরিক কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

এতে অংশগ্রহণকারীদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সংকট ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

কোর্স চলাকালে বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা, গ্রুপ আলোচনা, কেস স্টাডি এবং বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ পান। এছাড়া নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমন্বিত নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নায়াব ইউসুফ এই প্রশিক্ষণে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তার নেতৃত্বগুণ, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং নীতি নির্ধারণের সক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন। সহপাঠী ও প্রশিক্ষকদের মূল্যায়নেও তিনি একজন মনোযোগী ও দক্ষ অংশগ্রহণকারী হিসেবে প্রশংসিত হন।

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নায়াব ইউসুফ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার এই নতুন অর্জন ভবিষ্যতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।