খুঁজুন
, ,

রাতে এই অভ্যাসটি করলে বাড়তে পারে লিভার রোগের ঝুঁকি, বলছে গবেষণা

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ
রাতে এই অভ্যাসটি করলে বাড়তে পারে লিভার রোগের ঝুঁকি, বলছে গবেষণা

লিভারের রোগ শুধু কষ্টদায়কই নয়, অনেক ক্ষেত্রে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, অজান্তেই রাতের বেলায় আমাদের একটি সাধারণ অভ্যাস লিভারের গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

সম্প্রতি ব্রিটেনে পরিচালিত এক চিকিৎসা গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, রাতের খাবার গ্রহণের সময় ও শরীরের মেটাবলিক পরিবর্তন বিশেষ করে অতিরিক্ত ওজনের মানুষের ক্ষেত্রে লিভার রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, লিভারে চর্বি জমে যাওয়ার রোগ বা ফ্যাটি লিভার বর্তমানে লিভারের সবচেয়ে সাধারণ রোগ। বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত। রোগটির তীব্রতা বাড়লে লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট হওয়া, লিভার ক্যানসার এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগের সঙ্গে অতিরিক্ত শারীরিক ওজনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। পাশাপাশি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সও ফ্যাটি লিভারের অন্যতম প্রধান কারণ, যা লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করে তোলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দিনের অধিকাংশ ক্যালোরি রাতের বেলায় গ্রহণ করেন, তাদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। কারণ রাতে শরীরের মেটাবলিজম স্বাভাবিক সময়ের মতো কার্যকরভাবে কাজ করে না। এর ওপর অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করলে মেটাবলিক কার্যক্রম আরও দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে লিভারে চর্বি জমার হার বেড়ে যায়।

গবেষকরা জানান, ফ্যাটি লিভারের বড় সমস্যা হলো এর স্পষ্ট কোনো উপসর্গ অনেক সময় দেখা যায় না। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সহজে বুঝতেই পারেন না যে তাদের লিভারে চর্বি জমছে।

তাদের ব্যাখ্যায় বলা হয়, রাতের সময় শরীর ইনসুলিনের প্রতি কম প্রতিক্রিয়া দেখায়। এ সময় লিভার বেশি চর্বি তৈরি করতে শুরু করে, আর মাংসপেশি ও পেটের চর্বি টিস্যুর মেটাবলিক কার্যক্রমও তেমন কার্যকর থাকে না।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, এমনকি শরীরের ওজন কমানো এবং লিভারের চর্বি কমে যাওয়ার পরও রাতের বেলায় মেটাবলিজমের কার্যকারিতায় তেমন উন্নতি হয় না। এতে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের সময় মেটাবলিজমের এই স্বাভাবিক দুর্বলতাই ফ্যাটি লিভার রোগের একটি বড় কারণ।

মেডিকেল গবেষকদের মতে, ঘুমাতে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেলে শরীর তা সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করতে পারে না। ফলে গ্লুকোজ ও চর্বি লিভারে জমা হতে থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে।

এই গবেষণার ফলাফল আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সেল মেটাবলিজম’-এ প্রকাশ হয়েছে।

সূত্র : জিও নিউজ

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা। গবেষকদের মতে, শরীরে জমে থাকা চর্বির বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত শ্বাসের সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের দুই গবেষক ‘দ্য কনভারসেশন’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে জানান, শরীরের চর্বি কমার প্রক্রিয়া শুরু হয় যখন খাবার থেকে পাওয়া শক্তির চেয়ে শরীরের শক্তির চাহিদা বেশি হয়। তখন শরীর জমিয়ে রাখা চর্বি থেকে শক্তি নেওয়া শুরু করে।

খাবারের চর্বি হজমের পর ফ্যাটি অ্যাসিডে ভেঙে যায়। শরীর প্রয়োজনীয় অংশ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। অতিরিক্ত অংশ ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তরিত হয়ে চর্বি কোষে জমা থাকে।

শরীরে মূলত দুই ধরনের চর্বি জমে- ত্বকের নিচে থাকা সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট এবং শরীরের ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গের চারপাশে জমা ভিসেরাল ফ্যাট।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি হলে হরমোন ও স্নায়ুর সংকেতের মাধ্যমে চর্বি কোষে জমে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড ভাঙতে শুরু করে। এরপর ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় গিয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। এ সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি তৈরি হয়।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, শরীর থেকে হারানো চর্বির প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে শ্বাসের সঙ্গে বের হয়ে যায়। বাকি প্রায় ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন শারীরিক তরলের মাধ্যমে বের হয়।

তবে এই হারগুলো আনুমানিক বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। শরীরের সব ধরনের নির্গমন নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা কঠিন।

গবেষকরা আরও বলেন, দ্রুত শ্বাস নিলেই চর্বি কমে না। শ্বাস-প্রশ্বাস চর্বি ভাঙার কারণ নয়; বরং চর্বি ভাঙার পর তৈরি হওয়া পদার্থ শরীর থেকে বের হওয়ার একটি পথ।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি করাই চর্বি কমানোর মূল বিষয়। খাবার নিয়ন্ত্রণ ও শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে এই ঘাটতি তৈরি করা যায়।

সূত্র: ইউরো নিউজ

সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

ফরিদপুরের সালথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে অন্তত আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ৫০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া বিলে এ অভিযান চালানো হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো আইন ও বিধি অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দবির উদ্দিন।

​অভিযানকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমানসহ পুলিশ বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, চায়না দুয়ারী জাল মাছের পোনা ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দেশে সব ধরনের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

​একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জালের অশুভ প্রভাব থেকে দেশীয় প্রজাতি রক্ষায় স্থানীয় সাধারণ জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।