খুঁজুন
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

আপনার টাকা-পয়সা বাড়াতে চান? এই ৫ বই অবশ্যই পড়ুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আপনার টাকা-পয়সা বাড়াতে চান? এই ৫ বই অবশ্যই পড়ুন

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের ডিগ্রি অর্জন করতে শেখায়, ভালো ফলের উপায় বাতলে দেয় এবং একটি ভালো চাকরির জন্য প্রস্তুত করে। কিন্তু জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘অর্থ বা টাকা কীভাবে কাজ করে’, তা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় খুব কমই দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। ফলে সঞ্চয়, বিনিয়োগ, ঋণ কিংবা চক্রবৃদ্ধি হারের মতো জরুরি বিষয়গুলো আমাদের কাছে অজানাই থেকে যায় এবং অনেকেই ভুল পরামর্শ বা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আর্থিক শিক্ষা নিতে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হন।

তবে বিশেষজ্ঞ ও সফল ব্যক্তিদের মতে, আর্থিক সমৃদ্ধি কোনো জাদুকরী বিষয় নয়, বরং এটি সঠিক পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলার ফসল। আপনি যদি আপনার টাকা-পয়সা বাড়াতে এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষ হতে চান, তবে কিছু কালজয়ী বই আপনার চিন্তাধারায় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে। এই বইগুলো আপনাকে রাতারাতি ধনী হওয়ার স্বপ্ন দেখাবে না, বরং ধীরস্থির এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে সম্পদ বৃদ্ধির বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদী পথ দেখাবে।

টাকা-পয়সা বাড়াতে এবং আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে যে ৫টি বই অবশ্যই পড়া উচিত, সেগুলো হলো:

১. রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড (রবার্ট কিয়োসাকি)

অর্থনীতি নিয়ে মানুষের পড়া প্রথম বইগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। এই বইটি শেয়ার বাজারের টিপস বা ট্যাক্সের নিয়ম নিয়ে নয়, বরং আপনার মানসিকতা নিয়ে কথা বলে। লেখক এখানে তার দুই বাবার উদাহরণ দিয়েছেন—একজন উচ্চশিক্ষিত হয়েও আর্থিক সংকটে ভুগতেন, অন্যজন ব্যবসায়ী হয়েও সম্পদের পাহাড় গড়েছিলেন। এই বইয়ের মূল শিক্ষা হলো, সম্পদ (Assets) আপনার পকেটে টাকা আনে, আর দায় (Liabilities) আপনার পকেট থেকে টাকা বের করে নেয়। গাড়ি বা দামি বাড়ি কেনার আগে সেগুলো সম্পদ নাকি দায়, তা বুঝতে এই বইটি সাহায্য করবে।

২. দ্য সাইকোলজি অব মানি (মরগান হাউসেল)

টাকা মানেই কেবল গণিত বা জটিল ফর্মুলা নয়; এর সাথে জড়িয়ে থাকে মানুষের আবেগ, ভয়, অহংকার এবং ধৈর্য। এই বইটিতে ছোট ছোট গল্পের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে কেন বুদ্ধিমান ব্যক্তিরাও মাঝে মাঝে ভুল আর্থিক সিদ্ধান্ত নেন। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অতি-বুদ্ধিমান হওয়ার চেয়ে ধৈর্যশীল হওয়া যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তা এখানে চমৎকারভাবে উঠে এসেছে। অন্যের সাথে নিজের আর্থিক অবস্থার তুলনা করা যে দরিদ্র বোধ করার দ্রুততম উপায়, লেখক সেই সত্যটিও তুলে ধরেছেন।

৩. দ্য ইন্টেলিজেন্ট ইনভেস্টর (বেঞ্জামিন গ্রাহাম)

ওয়ারেন বাফেট এই বইটিকে ‘বিনিয়োগের ওপর লেখা সর্বশ্রেষ্ঠ বই’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এটি হয়তো খুব সহজপাঠ্য কোনো বই নয়, তবে বিনিয়োগের শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে এর বিকল্প নেই। লেখক এখানে লটারি ধরার মতো অনুমাননির্ভর বিনিয়োগ না করে ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে বিনিয়োগ করার শিক্ষা দিয়েছেন। ‘মার্জিন অব সেফটি’ বা নিরাপত্তার মার্জিন রেখে বিনিয়োগ করা এবং বাজারের সাময়িক উত্থান-পতনে বিচলিত না হওয়ার কৌশল এই বইয়ের মূল উপজীব্য।

৪. আই উইল টিচ ইউ টু বি রিচ (রামিত শেঠি)

এটি দৈনন্দিন আর্থিক জীবন গুছিয়ে নেওয়ার একটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত বই। লেখক সঞ্চয়, ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার, অটোমেশন এবং বিনিয়োগের সহজ উপায় বাতলে দিয়েছেন। এই বইয়ের বিশেষত্ব হলো, এটি আপনাকে শখের কাজে খরচ করতে মানা করে না, বরং মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক রেখে কীভাবে অপরাধবোধ ছাড়া খরচ করা যায় তা শেখায়। যারা একটি সুশৃঙ্খল এবং সাধারণ জীবনযাপন করেও সম্পদ বাড়াতে চান, তাদের জন্য এটি আদর্শ।

৫. থিঙ্ক অ্যান্ড গ্রো রিচ (নেপোলিয়ন হিল)

সম্পদ তৈরির যাত্রা শুরু হয় আপনার চিন্তা থেকে। লেখক কয়েকশ সফল ব্যক্তির জীবন বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে, বিশ্বাস, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস কীভাবে মানুষকে সফল করে তোলে। যদি ভয় বা অনিশ্চয়তা আপনাকে বিনিয়োগ বা নতুন কিছু করা থেকে পিছিয়ে রাখে, তবে এই বইটি আপনার মনে সাহস জোগাবে। সম্পদ অর্জনের জন্য কেবল টাকাই যথেষ্ট নয়, বরং একটি সঠিক মানসিক গঠন প্রয়োজন।

উপসংহার

কেবল বই পড়লেই কেউ জাদুকরীভাবে ধনী হয়ে যায় না। তবে এই বইগুলো আপনার মনের ভয় কমাবে, ভুল করার প্রবণতা কমাবে এবং আপনার অভ্যাস পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে। মনে রাখবেন, অর্থ বৃদ্ধি কোনো একক দিনের মেধা নয়, বরং এটি ধৈর্য এবং শৃঙ্খলার দীর্ঘমেয়াদী ফল। আজই এর মধ্য থেকে যেকোনো একটি বই দিয়ে শুরু করুন!

তথ্যসূত্রটাইমস অব ইন্ডিয়া

ঈদ সামনে রেখে ফরিদপুরে জমজমাট অস্থায়ী খাসি-ছাগলের হাট

মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ
ঈদ সামনে রেখে ফরিদপুরে জমজমাট অস্থায়ী খাসি-ছাগলের হাট

পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ফরিদপুর পৌর এলাকার বিসর্জন ঘাটে বসেছে অস্থায়ী খাসি ও ছাগলের জমজমাট হাট।

রোববার (২৪ মে) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ হাটে দিনভর চলে ব্যাপক বেচাকেনা। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো হাট এলাকা। ঈদকে ঘিরে কোরবানির পশু কেনাবেচায় যেন উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সেখানে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৯টা থেকেই একে একে খাসি, ছাগল ও ভেড়া নিয়ে হাটে আসতে থাকেন বিক্রেতারা। দুপুরের পর ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে শুরু করলে জমে ওঠে দরদাম ও কেনাবেচা। সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটে ছিল উপচেপড়া ভিড়। কেউ পরিবার নিয়ে পশু কিনতে এসেছেন, আবার কেউ ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে একাধিক পশু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

হাটে ফরিদপুর শহর ছাড়াও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ভাঙ্গা, নগরকান্দা, বোয়ালমারী, মধুখালী ও রাজবাড়ী জেলার কিছু এলাকা থেকেও বিক্রেতারা পশু নিয়ে এসেছেন। স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি ছোট ব্যবসায়ীরাও তাদের পালিত খাসি ও ছাগল নিয়ে অংশ নেন এ হাটে।

বিক্রেতারা জানান, অন্যান্য বড় পশুর হাটের তুলনায় এখানে হাসিল তুলনামূলক কম হওয়ায় তারা স্বাচ্ছন্দ্যে পশু নিয়ে আসতে পারছেন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ভালো থাকায় চুরি বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ভয় কম। ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা—দুই পক্ষই সন্তুষ্ট।

হাটে বিভিন্ন জাত ও আকারের খাসি, ছাগল ও ভেড়া বিক্রি হতে দেখা গেছে। ছোট আকারের খাসির দাম শুরু হয়েছে ৮ হাজার টাকা থেকে। মাঝারি আকারের খাসি ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় ও উন্নত জাতের খাসির দাম উঠেছে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ভেড়ার দাম ৮ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে ওঠানামা করতে দেখা গেছে। অনেক ক্রেতা দরদাম করে পছন্দের পশু কিনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, “এখানে পশুর দাম মোটামুটি সহনীয়। তাছাড়া পরিবেশ ভালো হওয়ায় পরিবার নিয়ে এসে স্বাচ্ছন্দ্যে পশু দেখা যাচ্ছে।”

আরেক বিক্রেতা আব্দুল কাদের জানান, “সকাল থেকেই ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। আশা করছি আগামী হাটে আরও বেশি ক্রেতা আসবে।”

হাটের ইজারাদার জয়নাল আবেদীন চৌধুরী জানান, ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত এ অস্থায়ী হাটে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিজস্ব ভলান্টিয়ার টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া পুরো হাট এলাকায় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি রাখা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

তিনি আরও জানান, আগামী বুধবার ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে আরও একটি বড় হাট অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আরও বেশি পশু আসবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

স্থানীয়রা মনে করছেন, ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, ততই জমে উঠবে ফরিদপুরের এসব অস্থায়ী পশুর হাট। এতে একদিকে যেমন খামারিরা লাভবান হবেন, অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতারাও তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির পশু কিনতে পারবেন।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ফরিদপুরে আইনজীবীদের মানববন্ধন, দ্রুত বিচারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ফরিদপুরে আইনজীবীদের মানববন্ধন, দ্রুত বিচারের দাবি

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডসহ দেশব্যাপী নারী ও শিশু হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও বলাৎকারের ঘটনার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন সাধারণ আইনজীবীরা। এ সময় তারা নারী ও শিশু নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে ফরিদপুর শহরের স্বাধীনতা চত্বরে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ আইনজীবীদের ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যসহ বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট মেহেরুন্নেসা স্বপ্না। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট লিয়াকত হোসেন খান বুলু।

এসময় বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট বিশ্বজিৎ গাঙ্গুলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুর রহমান হাফিজ, মানবাধিকার সংগঠন ব্লাস্টের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শিপ্রা গোস্বামী, অ্যাডভোকেট লতা আক্তার, অ্যাডভোকেট সোহানুর রহমান সোহেল ও অ্যাডভোকেট ফারজানা প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধর্ষণ, হত্যা ও সহিংসতার মতো বর্বর ঘটনাগুলো সমাজকে গভীরভাবে নাড়া দিচ্ছে। এসব অপরাধের বিচার দীর্ঘসূত্রতায় আটকে গেলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

তারা আরও বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আইনজীবীরা হাতে বিভিন্ন প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড বহন করেন। এসময় “নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার চাই”, “ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে” এবং “নিরাপদ সমাজ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হোন” — এমন নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে স্বাধীনতা চত্বর।

ইসলামী ব্যাংকের পাচারকৃত অর্থ ফেরতের দাবিতে ফরিদপুরের মধুখালীতে মানববন্ধন

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
ইসলামী ব্যাংকের পাচারকৃত অর্থ ফেরতের দাবিতে ফরিদপুরের মধুখালীতে মানববন্ধন

ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ এবং এস আলমকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার ও পাচারকৃত অর্থ ফেরতের দাবিতে ফরিদপুরের মধুখালীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 

রোববার (২৪ মে) বিকাল ৩ টার দিকে মধুখালী বাজারস্থ চার রাস্তার মোড়ে  ইসলামী ব্যাংকের কার্যালয়ের সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যবসায়ী ইমরান খাঁন এর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- ব্যাংকের গ্রাহক আশাপুর আলীম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক জিলান ফকির , প্রবীণ গ্রাহক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো.কামালউদ্দিন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক মাওলানা রেজাউল করিম,  ব্যাংকের গ্রাহক ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম , শিক্ষক খলিলুর রহমান, ব্যবসায়ী লিয়াকত বিশ্বাস, ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমান প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে দেশের ইসলামী ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। তারা অবিলম্বে এস আলমকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার জোর দাবি জানান।