খুঁজুন
, ,

আপনার অতিরিক্ত ক্লান্তির প্রধান যে ১২ কারণ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ
আপনার অতিরিক্ত ক্লান্তির প্রধান যে ১২ কারণ?

আপনার প্রতিদিনের ক্লান্তি কেবল কাজের চাপ নয়, বরং এর পেছনে থাকতে পারে গভীর কোনো কারণ। বিশ্ববিখ্যাত স্বাস্থ্যবিষয়ক পোর্টাল হেলথলাইন-এর এক প্রতিবেদনে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি বা অবসাদ অনেক সময় জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাস কিংবা শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনো রোগের লক্ষণ হতে পারে।

নিচে আপনার অতিরিক্ত ক্লান্তির ১২টি প্রধান কারণ ও প্রতিকার তুলে ধরা হলো:

১. পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুমের অভাব: ঘুমের সময় শরীর তার প্রয়োজনীয় মেরামত কাজ এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ করে। কেবল কয়েক ঘণ্টা ঘুমানো যথেষ্ট নয়, ঘুমের মান ভালো হওয়া জরুরি। ঘুমের অভাব সরাসরি শরীরকে অবসাদগ্রস্ত করে তোলে।

২. পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি: অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও ক্লান্তি যাচ্ছে না। এর কারণ হতে পারে আয়রন, ভিটামিন বি২ (রিবোফ্লাভিন), নিয়াসিন বা ভিটামিন বি১২-এর অভাব। সুষম খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।

৩. দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ: অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীর ও মনকে নিস্তেজ করে দেয়। দীর্ঘদিনের স্ট্রেস থেকে ‘এক্সহশন ডিসঅর্ডার’ বা অবসাদজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে।

৪. অপ্রকাশিত শারীরিক সমস্যা: যদি কোনো কারণ ছাড়াই সবসময় ক্লান্ত লাগে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। থাইরয়েড সমস্যা (হাইপোথাইরয়েডিজম), ডায়াবেটিস, স্লিপ অ্যাপনিয়া বা ডিপ্রেশন ক্লান্তির বড় কারণ হতে পারে।

৫. ভারসাম্যহীন খাদ্যাভ্যাস: শরীরের শক্তি বজায় রাখতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। অতিরিক্ত প্রসেসড ফুড বা চিনিযুক্ত খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করিয়ে আপনাকে দ্রুত ক্লান্ত করে ফেলে।

৬. অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ: কফি বা এনার্জি ড্রিংক সাময়িকভাবে চাঙা ভাব দিলেও এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা উল্টো ফল দেয়। বেশি ক্যাফেইন ঘুমের সাইকেল নষ্ট করে দেয়, যা পরের দিন আপনাকে আরও বেশি ক্লান্ত করে তোলে।

৭. পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন: শরীরের প্রতিটি জৈবিক প্রক্রিয়ার জন্য পানি অপরিহার্য। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরের শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং অবসাদ দেখা দেয়।

৮. অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা: শরীরের বাড়তি ওজন হৃদরোগ বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরকে দ্রুত ক্লান্ত করে ফেলে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৯. মাদক ও অ্যালকোহলের প্রভাব: যারা নিয়মিত অ্যালকোহল বা মাদকাসক্ত, তাদের শরীরে দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি এবং অবসাদ বাসা বাঁধে।

১০. শিফট ডিউটি ও অনিয়মিত রুটিন: কাজের প্রয়োজনে যাদের নিয়মিত শিফট পরিবর্তন করতে হয়, তাদের ঘুমের স্বাভাবিক চক্র বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ ব্যাহত হয়। এটি দীর্ঘমেয়াদী ক্লান্তির অন্যতম কারণ।

১১. অলস জীবনযাপন: সারাদিন বসে থাকা বা শারীরিক পরিশ্রম না করা শরীরকে আরও দুর্বল করে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

১২. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: রক্তচাপের ওষুধ, স্টেরয়েড বা অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্টের মতো কিছু ওষুধের প্রভাবেও শরীর সবসময় ক্লান্ত থাকতে পারে।

পরিত্রাণের উপায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লান্তি দূর করতে প্রথমে আপনার ঘুমের পরিবেশ উন্নত করুন এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনুন। তবে যদি জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার পরও ক্লান্তি না কমে, তবে দেরি না করে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। মনে রাখবেন, আপনার শরীর আপনার চেয়ে ভালো আর কেউ বোঝে না; তাই অস্বাভাবিক ক্লান্তিকে অবহেলা করবেন না।

তথ্যসূত্র: হেলথ লাইন

অপ্রত্যাশিত মৃত্যু থেকে বাঁচতে চান? এই ৫ আমল করুন

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ
অপ্রত্যাশিত মৃত্যু থেকে বাঁচতে চান? এই ৫ আমল করুন

‘মৃত্যু নিশ্চিত’ এ কথা সব ধর্মের মানুষই বিশ্বাস করেন। তবে কোনো মানুষই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু কামনা করেন না। প্রতিটি মুসলিমেরই একান্ত চাওয়া, তার মৃত্যু যেন ইমানি হালতে হয়। ভালো অবস্থায় হয়। কারণ শেষ সময়টাই আল্লাহ তায়ালার নিকট সবিশেষ গ্রহণযোগ্য। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘শেষ আমলই গ্রহণযোগ্য।’ (ইবনে হিব্বান: ৩৪০)

চলুন, জেনে নিই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু থেকে বাঁচার ৫ আমল

সদকা করা

সদকার মাধ্যমে অপমৃত্যু রোধ হয় এবং সুন্দর মৃত্যু ভাগ্যে জোটে। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সদকা অপমৃত্যু রোধ করে।’ (তিরমিজি: ৬৬৪)

অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য একটি সদকা করল এবং এমতাবস্থায় তার মৃত্যু হলো, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২২৮১৩)

মিসওয়াক করা

মিসওয়াক প্রিয় নবীর (সা.) খুবই পছন্দনীয় আমল। এর দ্বারা মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জিত হয়। হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) থেকে বর্ণিত, হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মেসওয়াক মুখের পবিত্রতা এবং আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম’ (নাসায়ি : ০৫)। আর আল্লাহর সন্তুষ্টিই যদি অর্জিত হয়ে যায়, তাহলে সুন্দর মৃত্যু নিশ্চিতভাবেই আশা করা যায়।

ইবনে আবেদিন শামি (রহ.) লেখেন, ‘মেসওয়াকের উপকার ত্রিশের অধিক। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট হলো, তা দ্বারা মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। আর সর্বোচ্চ উপকারিতা হলো মৃত্যুর সময় কালেমা শাহাদাত স্মরণ হয়।’ (ফতোয়ায়ে শামি: ১/২৩৯)

দৃষ্টির হেফাজত করা

মানবজীবনের অধিকাংশ পাপাচার সংঘটিত হয় দৃষ্টির হেফাজত না করার কারণে। এ জন্য আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে নারী-পুরুষের দৃষ্টিকে সংযত রাখতে আদেশ করেছেন। (সুরা নুর : ৩০)

দৃষ্টি সংযত রাখলে ইমানের স্বাদ অনুভব করা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যে আমার ভয়ে স্বীয় দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবে, আমি তার মধ্যে এমন ইমান সৃষ্টি করব যে, সে অন্তরে এর স্বাদ অনুভব করবে।’ (তাবরানি: ১০৩৬২)

নামাজের প্রতি গুরুত্বারোপ

ইমানের সঙ্গে নামাজের সম্পর্ক খুবই গভীর। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ‘নামাজ’ বুঝাতে ‘ইমান’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ এমন নন যে তোমাদের ইমান তথা নামাজ নষ্ট করে দেবেন।’ (সুরা বাকারা: ১৪৩)

এ থেকে বোঝা যায় যে, ইমান ও নামাজ পরস্পর আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত। হজরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘(মুমিন) বান্দা এবং কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো নামাজ পরিত্যাগ করা’(মুসলিম : ৮২)। অর্থাৎ মুমিন নামাজ পরিত্যাগ করে না আর কাফের নামাজ আদায় করে না।

সব সময় অজু অবস্থায় থাকা

অজু অবস্থায় কেউ মৃত্যুবরণ করলে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ হয় বলে হাদিস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন তাকে নসিহত করে বলেন, ‘হে ছেলে! সম্ভব হলে সব সময় অজু অবস্থায় থেকো। মৃত্যুর ফেরেশতা অজু অবস্থায় যার রুহ কবজ করবে, তার জন্য শাহাদাতের মর্যাদা লাভ হয়।’ (ইবনে হিব্বান: ২/১৫৪)

আলফাডাঙ্গায় নতুন ইউএনও’কে শিক্ষক সমিতি-ঐক্যজোটের অভ্যর্থনা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় নতুন ইউএনও’কে শিক্ষক সমিতি-ঐক্যজোটের অভ্যর্থনা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহঃ শাহনুর জামানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করেছে স্থানীয় শিক্ষক সমাজের শীর্ষ দুটি সংগঠন। বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ পৃথকভাবে এই শুভেচ্ছা জানান।

​বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক আনন্দঘন পরিবেশে সংগঠন দুটির নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত ইউএনও’র হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন। এ সময় আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার দৃঢ় ব্যক্ত করা হয়।

​সৌজন্য সাক্ষাতকালে উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপজেলা শাখার সভাপতি ও বেজীডাঙ্গা কাজী আমেনা ওয়াহেদ উচ্চ বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক ও পানাইল ইউনাইটেড একাডেমির প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিরগ্রাম শাহাজাদী শিরিন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসীবুজ্জামান শাহিনসহ ঐক্যজোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

​অন্যদিকে, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার পক্ষে শুভেচ্ছা জানান সংগঠনটির সভাপতি ও ইকড়াইল খাইরুন্নেছা মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ও চরনারানদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারিকুল ইসলামসহ শিক্ষক সমিতির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

​সাক্ষাৎকালে নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহঃ শাহনুর জামান শিক্ষকদের এই আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিক্ষার সার্বিক মান বাড়াতে শিক্ষক সমাজের সক্রিয় সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন। শিক্ষক নেতৃবৃন্দও ইউএনও’র সফল কর্মজীবন কামনা করে সব ধরনের ইতিবাচক পদক্ষেপে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

সদরপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ দোকানিকে ৯০ হাজার টাকা অনুদান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
সদরপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ দোকানিকে ৯০ হাজার টাকা অনুদান

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সিরামদিয়া হাটে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চার দোকানিকে ৯০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে সিরামদিয়া হাটে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের হাতে এ অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুত জামান বদু, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর কবির ও স্পেনপ্রবাসী সরোয়ার হোসেনের আর্থিক সহযোগিতায় এ অর্থ বিতরণ করা হয়।

জানা যায়, গত ২ আগস্ট দিবাগত রাতে সিরামদিয়া হাটে চারটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে চারটি দোকান পুড়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে দোকানিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে অসহায় হয়ে পড়েন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের কিছুটা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে এ অনুদান প্রদান করা হয়।

অনুদান বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন- সদরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুত জামান বদু, চরভদ্রাসন উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গোলাম মোস্তফা কবির, বিএনপি নেতা জলিল মাতুব্বর, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল সত্তার, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক ফজলুর রহমান বাবুল, চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি গফফার মিয়া, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক তাজুল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান রানা, বিএনপি নেতা আব্দুর জব্বার বেপারী, কিবরিয়া প্রামানিক, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহরিয়ার সুমন, বিএনপি নেতা মিজান, রাশেদ প্রামানিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইদ হোসেন সজল, সদরপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুমন মাতুব্বরসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।