খুঁজুন
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩

যে ৫ ভুল নীরবে সম্পর্ক ভেঙে দেয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:২১ পূর্বাহ্ণ
যে ৫ ভুল নীরবে সম্পর্ক ভেঙে দেয়?

বর্তমান ব্যস্ত জীবনযাত্রা এবং আধুনিক ডেটিং সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের সম্পর্কের সংজ্ঞাও বদলে যাচ্ছে। অনেক সময় আমরা এমন কিছু কাজকে ‘স্বাভাবিক’ মনে করি, যা আসলে তিলে তিলে ভালোবাসার সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলে।

ভারতীয় সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ড. বর্তিকা বিশ্বানি এবং ড. সানি গার্গের মতে, অনেক সময় ভালোবাসা ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে সম্পর্ক ভাঙে না; বরং মানসিক ক্লান্তি, অতিরিক্ত উত্তেজনা এবং একে অপরের প্রতি মনোযোগের অভাবে ধৈর্য ও কোমলতা হারিয়ে যায়।

আপনার ভালোবাসার বন্ধন অটুট রাখতে হলে যে ৫টি ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি, তা নিচে আলোচনা করা হলো:

১. কথা বলা বা মেসেজ দিতে অনীহা

আজকের ডিজিটাল যুগে দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হলেও অনেকে ঝগড়ার পর বা মান-অভিমানের কারণে আগে যোগাযোগ করতে চান না। এই ইগো বা অহমিকা সম্পর্কের জন্য এক বড় হুমকি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পর্ক মানে ‘আমি বনাম তুমি’ নয়; বরং হওয়া উচিত ‘আমরা দুজনে মিলে সমস্যার বিরুদ্ধে’। তাই প্রথম পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবেন না।

২. তর্কের সময় চিৎকার করা

ঝগড়া হওয়া সম্পর্কের একটি অংশ, কিন্তু তর্কের সময় সঙ্গীর ওপর চিৎকার করা বা কটু কথা বলা কেবল তিক্ততাই বাড়ায়। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, সব ঝগড়া তৎক্ষণাৎ সমাধান করার প্রয়োজন নেই। আগে নিজেকে শান্ত করুন, তারপর নম্রভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।

৩. মেসেজে রাগ প্রকাশ করা

রাগ বা অভিমান প্রকাশ করতে দীর্ঘ টেক্সট পাঠানো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। কারণ টেক্সট মেসেজে গলার স্বর বা সঠিক অভিব্যক্তি প্রকাশ পায় না, ফলে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেকোনো গুরুতর সমস্যা বা মতপার্থক্য সরাসরি দেখা করে বা অন্তত ফোনে কথা বলে সমাধান করাই শ্রেয়।

৪. পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটা

বর্তমান কোনো সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময় সঙ্গীর অতীত ভুলগুলো টেনে আনা একটি মারাত্মক ভুল। এতে তর্কের পরিধি আরও বাড়ে এবং মূল সমস্যাটি আড়ালে চলে যায়। সুস্থ সম্পর্কের জন্য বর্তমান সমস্যা সমাধানেই মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

৫. মনে মনে ধরে নেওয়া বা অনুমান করা

সঙ্গী আপনার মনের সব কথা না বলতেই বুঝে নেবে—এমন ধারণা করা ঠিক নয়। আপনার কী প্রয়োজন বা আপনি কী অনুভব করছেন, তা স্পষ্টভাবে সঙ্গীকে জানান। একে অপরের সাথে স্বচ্ছতা বজায় না রাখলে এবং নিস্তব্ধতার (silent treatment) মাধ্যমে শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করলে সম্পর্কের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।

শেষকথা

একটি সুস্থ সম্পর্ক কেবল রসায়নের ওপর গড়ে ওঠে না; এর জন্য প্রয়োজন মানসিক নিরাপত্তা, শান্ত যোগাযোগ এবং যেকোনো সংঘাতের পর পুনরায় মিলে যাওয়ার সদিচ্ছা। ইন্টারনেটে নিখুঁত ভালোবাসার অভিনয় না করে, একে অপরের জন্য সত্যিকারের মানসিক আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠাই হলো দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের চাবিকাঠি।

তথ্যসূত্রহিন্দুস্তান টাইমস

কসম করে তা রক্ষা করতে না পারলে করণীয় কী?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:২৮ পূর্বাহ্ণ
কসম করে তা রক্ষা করতে না পারলে করণীয় কী?

জীবন চলার পথে মানুষ রাগ করে, অভিমান করে। এটা মানবজাতির সহজাত। তবে মাঝে মাঝে আমাদের অভিমানের মাত্রা এত তীব্র হয় যে, আমরা কসম (শপথ) কেটে বলি, ‘আজ থেকে এটা করব না, ওইটা খাব না’। কিন্তু জীবনের বাস্তবতায় আমরা অনেকক্ষেত্রে সেই কসম ধরে রাখতে পারি না। কোনো না কোনোভাবে সেটা ভেঙে যায়। কখনো প্রিয়জনদের আবদারে, আবার কখনো আমরা নিজে থেকেই কসম ভঙ্গ করি। তাই প্রশ্ন জাগে, এভাবে কসম ভাঙার বিধান কী?

এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের নিরর্থক শপথের জন্য পাকড়াও করবেন না। কিন্তু তোমরা যে শপথ পরিপক্কভাবে করে থাকো, সেজন্য তিনি তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন। সুতরাং তার কাফফারা হলো, দশজন মিসকিনকে মধ্যম ধরনের খাবার দেবে, যা তোমরা তোমাদের পরিবারবর্গকে খাইয়ে থাকো। অথবা তাদেরকে বস্ত্র দান করবে কিংবা একজন গোলাম আজাদ করবে।

তবে কারও কাছে যদি (এসব জিনিসের মধ্য হতে কিছুই) না থাকে, সে তিন দিন রোজা রাখবে। এটা তোমাদের শপথের কাফফারা যখন তোমরা শপথ করবে (এবং তারপর তা ভেঙ্গে ফেলবে)। তোমরা নিজেদের শপথকে রক্ষা করো। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের সামনে নিজ আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা আদায় করো। (সুরা মায়িদা: ৮৯)

উল্লিখিত আয়াতের আলোকে রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ বলেন, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনি কসম রক্ষা করতে না পেরে ভেঙে ফেলার কারণে আপনাকে কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে। আর কসমের কাফফারা হলো, দশজন মিসকিনকে পেট ভরে দুবেলা খাবার খাওয়ানো, অথবা তাদেরকে এক জোড়া করে কাপড় দেওয়া। এ দুটির কোনোটি যদি সম্ভব না হয়, তাহলে টানা তিনদিন রোজা রাখা।

উল্লেখ্য, রাগ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় অনেক সময় এমন বিপদে পড়তে হয় যার থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রকৃত বীর সেই ব্যক্তি, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। (বোখারি: ৫৭৬৩, মুসলিম: ২৬০৯)

সূত্র : কালবেলা

৩০ বছর বয়সের পর ত্বক ও চুল বদলে যায় কেন? আসল কারণ জানুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
৩০ বছর বয়সের পর ত্বক ও চুল বদলে যায় কেন? আসল কারণ জানুন

তিরিশের কোঠায় পা দেওয়া মানেই কেবল বয়সের সংখ্যা বাড়া নয়, এটি আমাদের শারীরিক উপস্থিতিতেও কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন নিয়ে আসে। বিশেষ করে ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এই সময়ে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়। তবে সঠিক জীবনযাত্রা এবং পুষ্টির মাধ্যমে এই পরিবর্তনগুলোকে সামাল দিয়ে সুন্দরভাবে বার্ধক্যকে গ্রহণ করা সম্ভব।

পরিবর্তনের নেপথ্যে আসল কারণ

ভারতীয় পুষ্টিবিদ মালবিকা সেহগালের মতে, ৩০ বছরের পর ত্বক ও চুলের পরিবর্তন কেবল বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ নয়, বরং এর পেছনে ঘুম, মানসিক চাপ, পুষ্টি, আর্দ্রতা এবং হরমোনের স্বাস্থ্যের বড় ভূমিকা থাকে। এই বয়সে শরীরে কোলাজেন উৎপাদন, আর্দ্রতা এবং পুষ্টি শোষণের ক্ষমতায় পরিবর্তন আসায় নিচের সমস্যাগুলো দেখা দেয়:

ত্বক তার স্থিতিস্থাপকতা হারায়।

চুল পাতলা হতে শুরু করে।

শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন বৃদ্ধি পায়।

ত্বকের কোনো ক্ষত বা সমস্যা সারিয়ে তোলার গতি ধীর হয়ে যায়।

ত্বক ও চুলের যত্নে ৫টি জরুরি পদক্ষেপ

উজ্জ্বল ত্বক ও প্রাণবন্ত চুলের জন্য বিশেষজ্ঞরা ৫টি জীবনধারা পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন:

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: আমাদের ত্বক ও চুল মূলত কোলাজেন এবং কেরাটিন নামক প্রোটিন কাঠামো দিয়ে তৈরি। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন না থাকলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ত্বকের মেরামত প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। প্রতিদিনের তালিকায় ডিম, গ্রিক দই বা সাধারণ দই, পনির বা টফু এবং বিভিন্ন ধরণের ডাল রাখা জরুরি।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: ওমেগা-৩ শরীরে প্রদাহ কমায়, যা কোলাজেন রক্ষা করতে এবং চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে। এটি স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ত্বকের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। তিসি (flaxseeds), চিয়া সিড এবং আখরোট ওমেগা-৩ এর চমৎকার উৎস, যা সকালে বা খাবারের সাথে গ্রহণ করা যেতে পারে।

ভিটামিন সি-এর জাদু: ভিটামিন সি শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বককে টানটান রাখে এবং চুলের গঠন মজবুত করে। নিয়মিত আমলকী, কমলালেবু, পেয়ারা এবং ক্যাপসিকাম খেলে এর উপকার পাওয়া যায়। এটি শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকেও রক্ষা করে।

আয়রন এবং ফলেট: চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য আয়রন এবং ফলেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে আয়রনের অভাব হলে চুল পড়া বেড়ে যায়, শক্তি কমে যায় এবং ত্বক ম্লান দেখায়। পালং শাক, বিটরুট, ডাল এবং কুমড়ার বীজ আয়রনের ভালো উৎস। তবে ভালো ফলাফল পেতে আয়রন সমৃদ্ধ খাবারগুলো ভিটামিন সি যুক্ত খাবারের সাথে খাওয়া উচিত।

পর্যাপ্ত ঘুম বা ‘বিউটি রিসেট’: ঘুমকে বলা হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুনরুদ্ধারের সময়। গভীর ঘুম ত্বক ও চুলের কোষ মেরামত করতে সাহায্য করে। ঘুমের অভাব হলে ব্রণের সমস্যা, চোখের নিচে ফোলাভাব এবং চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করা, শোয়ার আগে স্ক্রিন টাইম কমানো এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করা প্রয়োজন।

বয়স বাড়লেও প্রতিদিনের ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের মাধ্যমে আপনি ধরে রাখতে পারেন আপনার ত্বক ও চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ফরিদপুরে ১ হাজার পিচ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ১ হাজার পিচ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। উদ্ধার করা হয়েছে মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে শহরের ব্রাহ্মণকান্দা এলাকার রাজবাড়ী রাস্তার মোড় সংলগ্ন স্থানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ফরিদপুরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শিরিন আক্তারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ অভিযানে মো. মিজানুর রহমান (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১ হাজার পিস মেথামফেটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পাচার ও যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত মিজানুর রহমান কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা খামারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের মাধ্যমে তার মাদক সরবরাহ চক্র ও সহযোগীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধনী-২০২০) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় ফরিদপুরের পরিদর্শক (ক-সার্কেল) বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শিরিন আক্তার বলেন, “মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ হুমকি। মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”

তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সচেতন নাগরিকদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।