খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ২৭ চৈত্র, ১৪৩২

সম্পর্কে কে বেশি ভালোবাসে, পুরুষ না নারী? জানুন আসল সত্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ
সম্পর্কে কে বেশি ভালোবাসে, পুরুষ না নারী? জানুন আসল সত্য

সম্পর্ক নিয়ে সবচেয়ে পুরোনো এবং আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি ‘কে বেশি ভালোবাসে’, পুরুষ না নারী? অনেকেই এই বিতর্কে স্পষ্ট উত্তর খোঁজেন, কেউ আবার অভিজ্ঞতা দিয়ে বিচার করতে চান। তবে সত্যি বলতে, এই প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর নেই।

কারণ, সম্পর্ক মানেই ভিন্নতা। একেকজন মানুষ একেকভাবে ভালোবাসেন, একেকভাবে অনুভূতি প্রকাশ করেন। কারও ভালোবাসা প্রকাশ্যে, কারও নিঃশব্দে। আর ভালোবাসা এমন এক অনুভূতি, যাকে নির্দিষ্ট মাপকাঠিতে পরিমাপ করা প্রায় অসম্ভব।

তবুও গবেষণা ও অভিজ্ঞতার আলোকে বিষয়টি একটু খতিয়ে দেখা যাক।

পুরুষরা কি বেশি ভালোবাসে?

খ্যাতনামা নৃবিজ্ঞানী হেলেন ফিশারের গবেষণা বলছে, পুরুষরা ভালোবাসা ও সম্পর্ক নিয়ে তুলনামূলক বেশি আদর্শবাদী।

তারা স্বাভাবিকভাবেই তাদের অনুভূতি প্রকাশে আগ্রহী। অনেক সংস্কৃতিতে দেখা যায়, নারীদের চেয়ে পুরুষরাই আগে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন। এমনকি কিছু আফ্রিকান সংস্কৃতিতে নারীদের পক্ষ থেকে ভালোবাসা প্রকাশ করা খুব একটা প্রচলিত নয়।

এ কারণেই অনেক সময় বলা হয়, ‘যে পুরুষ তোমাকে তোমার চেয়ে বেশি ভালোবাসে, তাকে বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।’

এছাড়া ডেটিং বিশেষজ্ঞ জোনাথন বেনেট ও ডেভিড বেনেটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষরা তুলনামূলক দ্রুত প্রেমে পড়েন এবং ‘লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট’-এর মতো অভিজ্ঞতা সহজেই অনুভব করেন।

নারীরা কি ভালোবাসে বেশি গভীরভাবে?

নারীদের ভালোবাসা নিয়ে ধারণা কিছুটা ভিন্ন। সাধারণভাবে বলা হয়, নারীরা ভালোবাসাকে লালন করেন।

তারা হয়তো সময় নিয়ে সম্পর্কের দিকে এগোন, কিন্তু একবার জড়িয়ে গেলে সেই অনুভূতি অনেক গভীর হয়। এমন ধারণাও প্রচলিত যে, একজন গড়পড়তা নারী ভালোবাসা, ঘৃণা, কষ্ট কিংবা আনন্দ—সবকিছুই তুলনামূলক বেশি তীব্রভাবে অনুভব করতে পারেন।

কৈশোরে ছেলেরা অনেক সময় প্রায় প্রতিটি আকর্ষণীয় মেয়েকেই ভালো লাগার মানুষ ভাবতে পারে, যেখানে মেয়েরা সাধারণত একজন নির্দিষ্ট মানুষকে ঘিরেই অনুভূতি গড়ে তোলে। তবে এটাও সবার ক্ষেত্রে এক নয়, জীবনধারা ও ব্যক্তিত্ব ভেদে পার্থক্য থাকতেই পারে।

ভালোবাসা কি আসলে তুলনা করা যায়?

পুরুষরা সহজে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন বলে তারা কম ভালোবাসেন— এমনটা বলা যেমন ঠিক নয়, তেমনি নারীরা গভীরভাবে অনুভব করেন বলেই তারা বেশি ভালোবাসেন—এটাও নিশ্চিত করে বলা যায় না।

কারণ, ভালোবাসা কোনো প্রতিযোগিতা নয়। এটি এমন একটি অনুভূতি, যা সংখ্যা বা তুলনার মাপে ধরা যায় না।

সম্পর্ক টিকে থাকার আসল শর্ত

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভালোবাসা একতরফা হলে সম্পর্ক টেকে না।

ভালোবাসা তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা দু’জনের মধ্যে ভাগাভাগি হয়, প্রতিদান থাকে, বোঝাপড়া থাকে। বলা যায়, ভালোবাসা আসলে ভালোবাসারই ফল, যত বেশি দেওয়া যায়, ততই তা ফিরে আসে।

শেষ কথা

তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কে বেশি ভালোবাসে—এই প্রশ্নের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, দু’জন মানুষ কতটা আন্তরিকভাবে একে অপরকে ভালোবাসছে। সংখ্যা নয়, অনুভূতির গভীরতা আর পারস্পরিক সম্মানই একটি সম্পর্ককে সুন্দর ও টেকসই করে তোলে।

নিউজব্লেন্ডা অবলম্বনে

তারেক রহমানের নির্দেশে ছাত্রদল নেতা অনুকে দেখতে এভার কেয়ারে ডা. বিটু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের নির্দেশে ছাত্রদল নেতা অনুকে দেখতে এভার কেয়ারে ডা. বিটু

ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে (AMI with Cardiogenic Shock with Acute LVF) আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনুকে দেখতে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে গেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু)।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিনি হাসপাতালে গিয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অনুর বর্তমান শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা প্রক্রিয়া ও ঝুঁকির মাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। বিএনপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নির্দেশেই তিনি অসুস্থ এই ছাত্রনেতাকে দেখতে হাসপাতালে যান।

চিকিৎসক সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ তীব্র হার্ট অ্যাটাকের পর কার্ডিওজেনিক শক ও অ্যাকিউট লেফট ভেন্ট্রিকুলার ফেইলিউর (LVF) দেখা দেওয়ায় অনুর অবস্থা জটিল আকার ধারণ করে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে প্রথমে ফরিদপুর হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার পরও অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে একই দিন দুপুর প্রায় ১টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স (হেলিকপ্টার) যোগে তাকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে (CCU) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন হলেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

হাসপাতালে গিয়ে ডা. বিটু চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পাশাপাশি তিনি রোগীর সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি অনুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদেরকে সান্ত্বনা দেন এবং তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত সুস্থতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে, অনুর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সুস্থতা কামনা করে পোস্ট দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হচ্ছে।

পরিবারের পক্ষ থেকেও দেশবাসীর কাছে অনুর দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে। স্থানীয় নেতারা জানান, ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ও জনপ্রিয় মুখ হিসেবে অনু দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তার হঠাৎ অসুস্থতা নেতাকর্মীদের মধ্যে শঙ্কার সৃষ্টি করেছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা তার শারীরিক অবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের চিকিৎসা প্রতিক্রিয়ার ওপরই তার সুস্থতার অগ্রগতি অনেকটা নির্ভর করবে।

সব মিলিয়ে, তরুণ এই ছাত্রনেতার সুস্থতা কামনায় এখন ফরিদপুরসহ সারা দেশের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা প্রার্থনায় রয়েছেন।

ফরিদপুরে জ্বালানি তেল সংকটে বন্ধের পথে অটো ইট ভাটা, বিপাকে ২৫০ শ্রমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জ্বালানি তেল সংকটে বন্ধের পথে অটো ইট ভাটা, বিপাকে ২৫০ শ্রমিক

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জ্বালানি তেলের (ডিজেল) তীব্র সংকটে বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে আছে আল-আলী অটো ব্রিকস।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল)বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকদের কণ্ঠে ছিল অসহায়ত্ব আর বেঁচে থাকার আকুতি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন যেখানে শ্রমিকদের কোলাহলে মুখর থাকত অটো ইট ভাটার আঙিনা, সেখানে এখন নেমে এসেছে অজানা আতঙ্কের নীরবতা। জ্বালানি তেল(ডিজেল) না থাকায় প্রায় ৩০-৩৫টি যানবাহন ও দুটি জেনারেটর একেবারে অচল হয়ে পড়েছে। উৎপাদন কার্যক্রম প্রায় স্থবির। যে কোনো মুহূর্তে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে ইট ভাটাটি। এই ভাটার ওপর নির্ভরশীল প্রায় ২৫০ শ্রমিক আর তাদের পরিবারের চার শতাধিক মানুষ। তাদের জীবনে এখন অনিশ্চয়তার কালো ছায়া।

ভাটায় কর্মরত নবিরন বেগম নামে এক শ্রমিক বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই। কাজ না থাকলে ঘরে ভাত রান্না হবে না। বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। কিস্তির চাপ আছে। খাবো নাকি কিস্তি দেবো, বুঝতে পারছি না। ভাটা বন্ধ হয়ে গেলে পথে বসা ছাড়া উপায় নেই।

রহিম নামে আরেকজন বলেন, এই ভাটাই আমাদের সবকিছু। এটা বন্ধ হলে আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হবো। মালিক আর কতদিন আমাদের কাজ ছাড়া বসিয়ে বেতন দেবে।

ইট ভাটার ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভাটা চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ১৫০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। কিন্তু বর্তমানে এক ফোঁটা জ্বালানি তেল (ডিজেল) পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সব কার্যক্রম থমকে গেছে। জ্বালানি ছাড়া আমাদের ভাটা এক মিনিটও চলতে পারে না। যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে প্রায় ৫০০ মানুষের জীবিকা একসাথে বন্ধ হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ থাকলে কিছু কাজ করা যায়,কিন্তু ডিজেল ছাড়া গাড়ি ও জেনারেটর চালানো সম্ভব নয়। আমরা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাই। এই শ্রমিকদের কথা ভেবে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করুন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। অনেক শ্রমিকের জীবিকা এই কারখানার সঙ্গে জড়িত। আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করবো।

ফরিদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭ জন

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭ জন

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ জন শিশু।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নিহত দুই শিশু হলেন- মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার সন্নাসীচর এলাকার মো. সেলিমের মেয়ে সাবিহা (৭ মাস)। অপরদিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা গ্রামের জসিমের ছেলে আয়াতুল্লাহ (৬ মাস)।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস জানায়, হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবিহা বুধবার (০৮ এপ্রিল) রাতে এবং আয়াতুল্লাহ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়।

এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ১৭ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৮৫ জন শিশু। এর মধ্যে ১০৩ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ জন শিশু।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, হাম প্রতিরোধে শিশুদের সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।