খুঁজুন
, ,

সম্পর্কে কে বেশি ভালোবাসে, পুরুষ না নারী? জানুন আসল সত্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ
সম্পর্কে কে বেশি ভালোবাসে, পুরুষ না নারী? জানুন আসল সত্য

সম্পর্ক নিয়ে সবচেয়ে পুরোনো এবং আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি ‘কে বেশি ভালোবাসে’, পুরুষ না নারী? অনেকেই এই বিতর্কে স্পষ্ট উত্তর খোঁজেন, কেউ আবার অভিজ্ঞতা দিয়ে বিচার করতে চান। তবে সত্যি বলতে, এই প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর নেই।

কারণ, সম্পর্ক মানেই ভিন্নতা। একেকজন মানুষ একেকভাবে ভালোবাসেন, একেকভাবে অনুভূতি প্রকাশ করেন। কারও ভালোবাসা প্রকাশ্যে, কারও নিঃশব্দে। আর ভালোবাসা এমন এক অনুভূতি, যাকে নির্দিষ্ট মাপকাঠিতে পরিমাপ করা প্রায় অসম্ভব।

তবুও গবেষণা ও অভিজ্ঞতার আলোকে বিষয়টি একটু খতিয়ে দেখা যাক।

পুরুষরা কি বেশি ভালোবাসে?

খ্যাতনামা নৃবিজ্ঞানী হেলেন ফিশারের গবেষণা বলছে, পুরুষরা ভালোবাসা ও সম্পর্ক নিয়ে তুলনামূলক বেশি আদর্শবাদী।

তারা স্বাভাবিকভাবেই তাদের অনুভূতি প্রকাশে আগ্রহী। অনেক সংস্কৃতিতে দেখা যায়, নারীদের চেয়ে পুরুষরাই আগে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন। এমনকি কিছু আফ্রিকান সংস্কৃতিতে নারীদের পক্ষ থেকে ভালোবাসা প্রকাশ করা খুব একটা প্রচলিত নয়।

এ কারণেই অনেক সময় বলা হয়, ‘যে পুরুষ তোমাকে তোমার চেয়ে বেশি ভালোবাসে, তাকে বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।’

এছাড়া ডেটিং বিশেষজ্ঞ জোনাথন বেনেট ও ডেভিড বেনেটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষরা তুলনামূলক দ্রুত প্রেমে পড়েন এবং ‘লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট’-এর মতো অভিজ্ঞতা সহজেই অনুভব করেন।

নারীরা কি ভালোবাসে বেশি গভীরভাবে?

নারীদের ভালোবাসা নিয়ে ধারণা কিছুটা ভিন্ন। সাধারণভাবে বলা হয়, নারীরা ভালোবাসাকে লালন করেন।

তারা হয়তো সময় নিয়ে সম্পর্কের দিকে এগোন, কিন্তু একবার জড়িয়ে গেলে সেই অনুভূতি অনেক গভীর হয়। এমন ধারণাও প্রচলিত যে, একজন গড়পড়তা নারী ভালোবাসা, ঘৃণা, কষ্ট কিংবা আনন্দ—সবকিছুই তুলনামূলক বেশি তীব্রভাবে অনুভব করতে পারেন।

কৈশোরে ছেলেরা অনেক সময় প্রায় প্রতিটি আকর্ষণীয় মেয়েকেই ভালো লাগার মানুষ ভাবতে পারে, যেখানে মেয়েরা সাধারণত একজন নির্দিষ্ট মানুষকে ঘিরেই অনুভূতি গড়ে তোলে। তবে এটাও সবার ক্ষেত্রে এক নয়, জীবনধারা ও ব্যক্তিত্ব ভেদে পার্থক্য থাকতেই পারে।

ভালোবাসা কি আসলে তুলনা করা যায়?

পুরুষরা সহজে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন বলে তারা কম ভালোবাসেন— এমনটা বলা যেমন ঠিক নয়, তেমনি নারীরা গভীরভাবে অনুভব করেন বলেই তারা বেশি ভালোবাসেন—এটাও নিশ্চিত করে বলা যায় না।

কারণ, ভালোবাসা কোনো প্রতিযোগিতা নয়। এটি এমন একটি অনুভূতি, যা সংখ্যা বা তুলনার মাপে ধরা যায় না।

সম্পর্ক টিকে থাকার আসল শর্ত

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভালোবাসা একতরফা হলে সম্পর্ক টেকে না।

ভালোবাসা তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা দু’জনের মধ্যে ভাগাভাগি হয়, প্রতিদান থাকে, বোঝাপড়া থাকে। বলা যায়, ভালোবাসা আসলে ভালোবাসারই ফল, যত বেশি দেওয়া যায়, ততই তা ফিরে আসে।

শেষ কথা

তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কে বেশি ভালোবাসে—এই প্রশ্নের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, দু’জন মানুষ কতটা আন্তরিকভাবে একে অপরকে ভালোবাসছে। সংখ্যা নয়, অনুভূতির গভীরতা আর পারস্পরিক সম্মানই একটি সম্পর্ককে সুন্দর ও টেকসই করে তোলে।

নিউজব্লেন্ডা অবলম্বনে

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা। গবেষকদের মতে, শরীরে জমে থাকা চর্বির বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত শ্বাসের সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের দুই গবেষক ‘দ্য কনভারসেশন’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে জানান, শরীরের চর্বি কমার প্রক্রিয়া শুরু হয় যখন খাবার থেকে পাওয়া শক্তির চেয়ে শরীরের শক্তির চাহিদা বেশি হয়। তখন শরীর জমিয়ে রাখা চর্বি থেকে শক্তি নেওয়া শুরু করে।

খাবারের চর্বি হজমের পর ফ্যাটি অ্যাসিডে ভেঙে যায়। শরীর প্রয়োজনীয় অংশ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। অতিরিক্ত অংশ ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তরিত হয়ে চর্বি কোষে জমা থাকে।

শরীরে মূলত দুই ধরনের চর্বি জমে- ত্বকের নিচে থাকা সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট এবং শরীরের ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গের চারপাশে জমা ভিসেরাল ফ্যাট।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি হলে হরমোন ও স্নায়ুর সংকেতের মাধ্যমে চর্বি কোষে জমে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড ভাঙতে শুরু করে। এরপর ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় গিয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। এ সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি তৈরি হয়।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, শরীর থেকে হারানো চর্বির প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে শ্বাসের সঙ্গে বের হয়ে যায়। বাকি প্রায় ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন শারীরিক তরলের মাধ্যমে বের হয়।

তবে এই হারগুলো আনুমানিক বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। শরীরের সব ধরনের নির্গমন নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা কঠিন।

গবেষকরা আরও বলেন, দ্রুত শ্বাস নিলেই চর্বি কমে না। শ্বাস-প্রশ্বাস চর্বি ভাঙার কারণ নয়; বরং চর্বি ভাঙার পর তৈরি হওয়া পদার্থ শরীর থেকে বের হওয়ার একটি পথ।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি করাই চর্বি কমানোর মূল বিষয়। খাবার নিয়ন্ত্রণ ও শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে এই ঘাটতি তৈরি করা যায়।

সূত্র: ইউরো নিউজ

সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

ফরিদপুরের সালথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে অন্তত আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ৫০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া বিলে এ অভিযান চালানো হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো আইন ও বিধি অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দবির উদ্দিন।

​অভিযানকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমানসহ পুলিশ বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, চায়না দুয়ারী জাল মাছের পোনা ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দেশে সব ধরনের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

​একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জালের অশুভ প্রভাব থেকে দেশীয় প্রজাতি রক্ষায় স্থানীয় সাধারণ জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।