খুঁজুন
, ,

আপনি বিয়ের জন্য প্রস্তুত কি না জানিয়ে দেবে যে ১৪ লক্ষণ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ণ
আপনি বিয়ের জন্য প্রস্তুত কি না জানিয়ে দেবে যে ১৪ লক্ষণ?

বিয়ে মানেই কেবল উৎসবের আমেজ, নতুন পোশাক আর সুন্দর মুহূর্তের হাতছানি নয়; এটি জীবনের এক বিশাল বড় অঙ্গীকার। আমাদের সমাজে অনেকেই খুব দ্রুত বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চান, কিন্তু মানসিকভাবে এই দীর্ঘ যাত্রার জন্য তারা কতটুকু প্রস্তুত, তা নিয়ে খুব কমই ভাবেন।

মনে রাখা প্রয়োজন, বিয়ে কেবল একটি সমস্যার সমাধান নয়। বরং দুটি মানসিকভাবে সুস্থ ও সুখী মানুষ যখন একত্রিত হয়ে একটি সুন্দর পরিবার গড়ার স্বপ্ন দেখে, তখনই কেবল একটি সফল দাম্পত্য জীবন সম্ভব হয়।

আপনি বিয়ের জন্য সত্যিই প্রস্তুত কি না, তা যাচাই করার জন্য নিচের ১৪টি লক্ষণের দিকে নজর দিন:

১. নিজের যত্ন নিতে না শেখা: দাম্পত্য জীবনের চড়াই-উতরাই সামলাতে নিজের শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক যত্ন নেওয়া জরুরি। আপনি যদি প্রতিকূল সময়ে নিজের মানসিক স্থিরতা বজায় রাখতে না জানেন, তবে ছোটখাটো সমস্যাতেও আপনি ভেঙে পড়তে পারেন।

২. স্বামী ও স্ত্রীর দায়িত্ব সম্পর্কে ধারণা না থাকা: বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর নির্দিষ্ট কিছু সামাজিক ও ধর্মীয় ভূমিকা থাকে। এই দায়িত্বগুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকলে সংসারের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

৩. বিয়ের মূল উদ্দেশ্য না বোঝা: বিয়ে কেবল একটি আইনি বা সামাজিক বন্ধন নয়, এটি একটি সুস্থ সমাজ গড়ার মূল ভিত্তি। একটি সুখী পরিবার যেমন সমাজকে সুন্দর করে, তেমনি একটি অসুখী বা ভেঙে যাওয়া পরিবার সন্তানদের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৪. সৃষ্টিকর্তার ওপর নির্ভরশীলতার অভাব: সঙ্গীর ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা অনেক সময় কষ্টের কারণ হয়। আধ্যাত্মিকভাবে নিজেকে শক্তিশালী করলে সঙ্গীর ছোটখাটো ভুলগুলো ক্ষমা করা সহজ হয় এবং প্রতিকূল সময়ে ধৈর্য ধারণ করা যায়।

৫. অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকা: সম্মান হলো সুখী দাম্পত্যের অন্যতম প্রধান উপাদান। যদি আপনি বর্তমান জীবনে আপনার চারপাশের মানুষকে সম্মান করতে না পারেন, তবে বিয়ের পর আপনার সঙ্গীর মর্যাদা রক্ষা করাও আপনার জন্য কঠিন হবে।

৬. নিজস্ব সত্তাকে খুঁজে না পাওয়া: আপনি কে, আপনার জীবনের লক্ষ্য কী—এই বিষয়গুলো বিয়ের আগে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। নিজের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী না হলে অন্যের চাপে নিজের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলার ভয় থাকে।

৭. গঠনমূলকভাবে মতভেদ প্রকাশ করতে না পারা: সুখী দম্পতিদের মধ্যেও ঝগড়া হয়, কিন্তু তারা জানে কীভাবে সেই ঝগড়া মেটাতে হয়। চিৎকার বা জেদ ধরে রাখার বদলে শান্তভাবে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন করা বিয়ের জন্য অপরিহার্য।

৮. সমস্যা এড়িয়ে চলার প্রবণতা: যেকোনো সমস্যা কার্পেটের নিচে লুকিয়ে রাখলে তা কেবল তিক্ততাই বাড়ায়। দাম্পত্য জীবনে কোনো কিছু অপছন্দ হলে তা সরাসরি কিন্তু নম্রভাবে প্রকাশ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

৯. নিজের জীবনে সুখী না হওয়া: আপনি যদি ভাবেন বিয়ে করলেই আপনার সব অপূর্ণতা ঘুচে যাবে, তবে আপনি ভুল ভাবছেন। আগে নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে সুখী হতে শিখুন; তখনই কেবল আপনি অন্যকে সুখী করতে পারবেন।

১০. ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য বুঝতে না পারা: জীবনের কিছু নির্দিষ্ট আদর্শ বা নিয়ম থাকা উচিত যা আপনি কখনোই বিসর্জন দেবেন না। নিজের মূল্যবোধ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে একজন আদর্শ সঙ্গী আপনাকে সেই গুণের জন্যই সম্মান করবে।

১১. নিজের জন্য রুখে দাঁড়াতে না পারা: আপনি যদি সহজেই অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হন বা নিজের অধিকারের কথা বলতে দ্বিধা বোধ করেন, তবে দাম্পত্যের কঠিন পরিস্থিতিতে আপনি অসহায় বোধ করতে পারেন।

১২. নিজের মূল্য বুঝতে না পারা: নিজেকে মূল্যবান মনে করা অহংকার নয়, বরং আত্মমর্যাদা। আপনি যদি নিজেকে গুরুত্ব না দেন, তবে অন্য কেউ আপনাকে মূল্যায়ন করবে এমনটা আশা করা কঠিন।

১৩. বাহ্যিক চাকচিক্যে নিজের সার্থকতা বিচার করা: গায়ের রং, চাকরি বা সামাজিক মর্যাদা দিয়ে নিজের মূল্য নির্ধারণ করবেন না। এই বাহ্যিক বিষয়গুলো পরিবর্তনশীল, কিন্তু আপনার ব্যক্তিত্ব ও কর্মই স্থায়ী সম্পদ।

১৪. ‘লোকে কী বলবে’ তা নিয়ে অতিরিক্ত ভাবা: অন্যের চোখে নিজেকে নিখুঁত দেখানোর চেষ্টা না করে নিজের প্রতি সৎ থাকুন। বিয়ের আগে নিজের আসল রূপটি আড়াল করলে বিয়ের পর সঙ্গী যখন সত্যটি জানবেন, তখন বিশ্বাসভঙ্গ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিয়ে একটি দীর্ঘ ও সুন্দর পথচলা। উল্লিখিত ১৪টি লক্ষণের আলোকে নিজেকে মূল্যায়ন করুন। যদি আপনার মাঝে এই লক্ষণগুলো থাকে, তবে এখনই বিয়ে করা উচিত নয়; বরং পর্যাপ্ত মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে নতুন জীবনের দিকে পা বাড়ান।

তথ্যসূত্র: দ্য মুসলিম ভাইব

অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের যে ৪ কারণ? এক পলকে দেখে নিন

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ
অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের যে ৪ কারণ? এক পলকে দেখে নিন

একটা সময় পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাককে ভাবা হতো বয়স্কদের সমস্যা। কিন্তু এখন তরুণ বয়সেই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। এই কারণে প্রাণ হারানোর সংখ্যাও কম নয়।

তাই শুধু বয়স্করা নয়, হার্টের অসুখের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে অল্প বয়সীদেরও। এই যে অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাক, এর পেছনে কারণ কী?

হার্ট অ্যাটাক যে কারণে হয়

কোনো কারণে আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরায় রক্ত ​​চলাচল ঠিকমতো না হলে রক্ত ​​জমাট বাঁধার সমস্যা সৃষ্টি হয়। যে কারণে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক হয়। আমাদের হৃৎপিণ্ডে যখন রক্ত ​​ঠিকমতো পৌঁছাতে পারে না, তখন শিরায় চাপ পড়ে। এর ফলে তখন হার্ট অ্যাটাক হয়।

জীবনযাপনে অনিয়ম

আমাদের বেশিরভাগ অসুখ-বিসুখের কারণ হলো জীবনযাপনের বিভিন্ন অনিয়ম। বর্তমানে বাইরের খাবার বেশি খাওয়া, রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকসহ নানা অনিয়মত করে থাকে তরুণেরা। জীবনযাপনের এসব বদ অভ্যাসের প্রভাব পড়ে শরীরে। বর্তমানে বিভিন্ন দিকে খেয়াল দিতে গিয়ে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর রাখার কথা ভুলে যান বেশিরভাগই। যে কারণে ধীরে ধীরে তৈরি হয় হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্র।

ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ

অনেকে না বুঝেই সিগারেট এবং অ্যালকোহলের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের আসক্তি একবার পেয়ে বসলে তা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে ওঠে। কিন্তু সিগারেট এবং অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। এ ধরনের অভ্যাস সরাসরি ধমনীতে প্রভাব ফেলে। হৃৎপিণ্ড দ্রুত পাম্প করার কারণে এটি পরিণত হয় আক্রমণে।

স্থূলতা

সঠিক খাদ্যাভ্যাস পারে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং সুস্থতায় সাহায্য করতে। কিন্তু বর্তমানে ভুলভাল খাদ্যাভ্যাসের কারণে অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছেন অনেকে। শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাক, করোনারি আর্টারি ডিজিজ, ট্রিপল ভেসেল ডিজিজ ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। যে কারণে বাড়ে বিপদ।

উত্তেজনা

আমাদের দেশে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায়ই অনেকে পাত্তা দিতে চান না, সেখানে মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার কথা অনেকে চিন্তাও করতে চান না। এদিকে মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে মারাত্মক সব রোগের কারণ। বর্তমানে তরুণেরা পড়াশোনা, চাকরি, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব ইত্যাদি নানা দুশ্চিন্তায় থাকে। যে কারণে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক।

সূত্র : ঢাকা পোস্ট

পেটের মেদ কমাতে যে ৪টি স্বাস্থ্যকর পানীয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ
পেটের মেদ কমাতে যে ৪টি স্বাস্থ্যকর পানীয়?

আধুনিক জীবনযাত্রায় অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর কায়িক শ্রমের অভাবে পেটের মেদ বা ‘বেলি ফ্যাট’ জমানো এখন অনেকের জন্যই নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে পেটের এই বাড়তি মেদ কেবল আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না; বরং এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের জন্য এক বড় হুমকি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, পেটের মেদ মূলত দুই ধরনের হয়—চামড়ার নিচে থাকা ‘সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট’ এবং শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে জমে থাকা ‘ভিসারাল ফ্যাট’। এর মধ্যে ভিসারাল ফ্যাট অত্যন্ত বিপজ্জনক, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এমনকি ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সুস্থতার মাপকাঠি হিসেবে আমরা সাধারণত বিএমআই-এর ওপর নির্ভর করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোমর ও নিতম্বের অনুপাত জানা এখন অনেক বেশি জরুরি। যদি পুরুষদের ক্ষেত্রে এই অনুপাত ০.৯ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ০.৮৫-এর বেশি হয়, তবে বুঝতে হবে আপনার পেটে ক্ষতিকর মেদ জমছে। এই জেদি মেদ ঝরানো বেশ কষ্টসাধ্য হলেও কিছু নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক পানীয় বিপাক প্রক্রিয়া বাড়িয়ে মেদ কমানোর এই সংগ্রামকে সহজ করতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছেন এনডিটিভি ফুড-এর কনসালট্যান্ট নিউট্রিশনিস্ট ড. রূপালী দত্ত।

ড. রূপালী দত্তের পরামর্শ অনুযায়ী পেটের মেদ কমাতে কার্যকরী ৪টি পানীয় নিচে দেওয়া হলো:

১. গ্রিন টি

সামগ্রিক ওজন কমাতে গ্রিন টি-র কার্যকারিতা এখন বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। এতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ‘ক্যাটেচিন’ এবং বিশেষ করে ‘EGCG’ বিশ্রামের সময়ও শরীরের ফ্যাট অক্সিডেশনে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে তা সরাসরি পেটের ভেতরের ভিসারাল ফ্যাট কমাতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, যা বাড়তি ক্যালরি গ্রহণের প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

২. দারুচিনি চা

দারুচিনি কেবল মসলা হিসেবেই নয়; বরং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতেও অনন্য। উল্লেখ্য যে, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স পেটের মেদ জমার অন্যতম প্রধান কারণ। দারুচিনি শরীরে স্ট্রেস হরমোন ‘কর্টিসল’-এর মাত্রা কমিয়ে আনে, যা চিনিযুক্ত খাবার ও চর্বিযুক্ত খাবারের প্রতি আসক্তি কমায়। এর বিপাক বৃদ্ধিকারী গুণাগুণ পেটের চর্বি পোড়াতে অত্যন্ত সহায়ক।

৩. ব্ল্যাক কফি

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে পরিমিত (২-৩ কাপ) ব্ল্যাক কফি পান করলে শরীরের সামগ্রিক মেদ, বিশেষ করে ভিসারাল ফ্যাট উল্লেখযোগ্য হারে কমে। কফিতে থাকা পলিফেনল এবং ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড পেটের চর্বি কমাতে কাজ করে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন প্রাকৃতিক এনার্জি বুস্টার হিসেবে কাজ করলেও এটি চিনি ছাড়া পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

৪. মধু মিশ্রিত পানীয়

পেটের মেদ বা ভিসারাল ওবেসিটি কমাতে মধু একটি চমৎকার উপাদান। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মধু শরীরের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি রোধ করতে এবং মেদ কমাতে সাহায্য করে। মধু একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা ভিসারাল ফ্যাট কোষের কারণে তৈরি হওয়া অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায় এবং বারবার খিদে পাওয়ার সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে।

সতর্কতা

যদিও এই পানীয়গুলো ওজন কমাতে এবং বিপাক প্রক্রিয়া বাড়াতে সহায়ক, তবে মনে রাখতে হবে মেদ কমানোর কোনো ‘শর্টকাট’ বা জাদুকরী উপায় নেই। পেটের মেদ পুরোপুরি ঝরাতে এই পানীয়গুলোর পাশাপাশি একটি সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা বজায় রাখা অপরিহার্য। যে কোনো ডায়েট শুরু করার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ফুড

ফরিদপুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪০ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

ফরিদপুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় সুজন মণ্ডল (৩৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত হয়েছেন।

​মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে ফরিদপুর সদর উপজেলার হোগলাকান্দি এলাকার পাকা রাস্তার ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

​নিহত সুজন মণ্ডল সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বিষ্ণুদিয়া গ্রামের মন্টু লাল মণ্ডলের ছেলে।

​থানায় দায়ের করা লিখিত আবেদন ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সুজন মণ্ডল নিজের মোটরসাইকেল চালিয়ে কানাইপুর বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে হোগলাকান্দি এলাকায় পৌঁছালে একটি অজ্ঞাতনামা ট্রাক্টরের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে তিনি মাথায়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান।

​পরে স্থানীয় লোকজন তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মারা যান সুজন। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে।

​ঘটনার পর নিহত যুবকের বাবা মন্টু লাল মণ্ডল পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা শেষে থানায় হাজির হয়ে বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করেন এবং আইনানুগ ব্যবস্থার আবেদন জানান।

​এ বিষয়ে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি লিখিতভাবে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং নিহতের পরিবারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।