খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯ চৈত্র, ১৪৩২

তিন বছরেও শেষ হয়নি নগরকান্দা হাসপাতাল ভবন, বারান্দায় চলছে চিকিৎসা

এহসানুল হক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
তিন বছরেও শেষ হয়নি নগরকান্দা হাসপাতাল ভবন, বারান্দায় চলছে চিকিৎসা

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ প্রায় তিন বছরেও শেষ না হওয়ায় মারাত্মক স্বাস্থ্যসেবা সংকট তৈরি হয়েছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য পুরাতন মূল ভবন ভেঙে ফেলা হলেও দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে একটি জরাজীর্ণ পুরাতন ভবনের কয়েকটি কক্ষ ও বারান্দায়। এতে করে চিকিৎসা ব্যবস্থায় নেমে এসেছে অচলাবস্থা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অনেকেই বারান্দা ও মেঝেতে অবস্থান করছেন। নারী ও পুরুষ রোগীদের একসাথে একই স্থানে থাকতে হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যসেবার ন্যূনতম মানদণ্ডের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। এতে রোগীদের মধ্যে বাড়ছে অস্বস্তি, নিরাপত্তাহীনতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই অস্থায়ী ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত টয়লেট ও ওয়াশরুম সুবিধা নেই। ফলে রোগী ও তাদের স্বজনদের জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালের বাইরে যেতে হচ্ছে, যা বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটা কোনো হাসপাতালের পরিবেশ হতে পারে না। রোগী নিয়ে এসে এখানে যেন আরও বিপদে পড়তে হচ্ছে। চিকিৎসার পাশাপাশি ন্যূনতম মানবিক পরিবেশটুকুও পাচ্ছি না।”

এদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি, প্রসূতি মা ও শিশু রোগীসহ বিভিন্ন মুমূর্ষু রোগীরা জরুরি চিকিৎসার জন্য এখানে এলেও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে অনেক ক্ষেত্রে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, অনেক সময় রোগীদের অন্য হাসপাতালে রেফার করতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অবকাঠামোগত সংকটের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক ও জনবল সংকটও রয়েছে। প্যাথলজি বিভাগ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে, ফলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেও রোগীদের বাইরে যেতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসা ব্যয় ও ভোগান্তি দুটোই বাড়ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২৪ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও কাজ সম্পন্ন হয়নি।

ঠিকাদার মো. শরাফত মিয়া জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে প্রকল্পটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এটি পুনরায় টেন্ডার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, “সারা দেশে একই ধরনের প্রায় ১৪০টি প্রকল্প বন্ধ রয়েছে। নতুন করে সবগুলো একসাথে চালু হবে। এই পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগতভাবে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই।”

নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এইচ এম নূরুল ইসলাম খান বলেন, “ভবন সংকটের কারণে চিকিৎসা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসকদের বারান্দায় বসে রোগী দেখতে হচ্ছে। ভর্তি রোগীদেরও বারান্দা ও মেঝেতে রাখতে হচ্ছে। সামনে বর্ষা মৌসুম এলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ না হলে স্বাস্থ্যসেবা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, নির্মাণাধীন ভবনের কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও বর্তমানে নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “খুব শিগগিরই কাজ পুনরায় শুরু হবে এবং দ্রুত শেষ করা সম্ভব হবে।”

এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দা, রোগী ও তাদের স্বজনরা দ্রুত হাসপাতালের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অব্যবস্থাপনা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং তা দ্রুত সমাধান করা জরুরি।

দায়িত্ব নিয়েই মাঠে সালথার ইউএনও দবির উদ্দিন, সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময়

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
দায়িত্ব নিয়েই মাঠে সালথার ইউএনও দবির উদ্দিন, সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময়

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দিনের সঙ্গে কর্মরত সাংবাদিকদের এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভা স্থানীয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই আয়োজন করা হয়।

বুধবার (০১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন। সভার শুরুতে সালথা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে নবাগত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়, যা অনুষ্ঠানে একটি আন্তরিক পরিবেশ তৈরি করে।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এতে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মো. সেলিম মোল্যা, সিনিয়র সাংবাদিক আবু নাছের হুসাইন, মজিবুর রহমান ও মনির মোল্যা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মিঞা লিয়াকত হুসাইন, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মোশাররফ মাসুদ, দপ্তর সম্পাদক লাভলু মিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আকাশ সাহা, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পারভেজ মিয়া, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক নিজাম তালুকদার, কার্যনির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, সদস্য সাইফুল ইসলাম মারুফ এবং সাংবাদিক মামুন মিয়াসহ অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মীরা।

সভায় ইউএনও মো. দবির উদ্দিন বলেন, উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাংবাদিকদের কাছে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। প্রশাসন ও গণমাধ্যম একসঙ্গে কাজ করলে একটি উন্নয়নমুখী ও স্বচ্ছ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ ২০২৬ সালে মো. দবির উদ্দিন সালথা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন।

সালথায় কৃষকদের মাঝে পেঁয়াজ সংরক্ষণে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
সালথায় কৃষকদের মাঝে পেঁয়াজ সংরক্ষণে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (০১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলার মোট ১৬০ জন কৃষকের মাঝে প্রত্যেককে একটি করে এয়ার ফ্লো মেশিন প্রদান করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সুদর্শন শিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দিন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপজেলা প্রকৌশলী আবু জাফর, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা খায়ের উদ্দিন আহমেদ, সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম নাহিদসহ অন্যান্য স্থানীয় কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সুদর্শন শিকদার বলেন, সালথা একটি কৃষি সমৃদ্ধ এলাকা, যেখানে প্রতি বছর ব্যাপক পরিমাণে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। সংরক্ষণের অভাবে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। এয়ার ফ্লো মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে, ফলে কৃষকরা উপযুক্ত সময়ে ভালো দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, কৃষকদের সুবিধার্থে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভাঙ্গায় প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে ফসলি মাঠে রাতভর গণধর্ষণ

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
ভাঙ্গায় প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে ফসলি মাঠে রাতভর গণধর্ষণ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় প্রেমিকাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ফসলি জমিতে রাতভর গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চার বন্ধুর বিরুদ্ধে। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় ইতোমধ্যে নাহিদ ইসলাম নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, আর বাকি অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয় ভাঙ্গা থানা পুলিশ। কলের ভিত্তিতে দ্রুত দুইটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের খামিনারবাগ এলাকার একটি ফসলি মাঠ থেকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে।

এর আগে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাতে প্রেমিক নাহিদের ডাকে সাড়া দিয়ে ওই নারী নির্জন স্থানে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সেখানে উপস্থিত ছিল নাহিদের আরও তিন বন্ধু—সাদ্দাম, নাজমুল ও নুর আলম। পরে তারা সবাই মিলে তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে পালাক্রমে রাতভর ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

শুধু তাই নয়, নির্যাতনের পর অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর সঙ্গে থাকা এক জোড়া সোনার দুল ও নগদ প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলেও জানান তিনি।

ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে তার অভিযোগের ভিত্তিতে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, “৯৯৯ কল পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেই এবং ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করি। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাহিদ ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।”